গণশুনানি ছাড়াই জ্বালানির দাম ঠিক করবে সরকার, অধ্যাদেশ জারি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশেষ পরিস্থিতিতে গণশুনানি ছাড়া সরাসরি জ্বালানির দাম সমন্বয় করার ক্ষমতা সরকারের কাছে আনতে আইন সংশোধনে অধ্যাদেশ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২২ জারি করেন রাষ্ট্রপতি।

সংসদ অধিবেশন না থাকলে জরুরি কোনো প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করেন। অধ্যাদেশ জারির পর সংসদের প্রথম বৈঠকে তা উপস্থাপন করা হয়ে থাকে। আর স্বাভাবিকভাবে আগে সংসদে উপস্থাপন হয়। আইন সভায় পাস পেলে তা রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের মাধ্যমে কার্যকর হয়।

আগের আইনে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়ানোর এই ক্ষমতা ছিল বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি)। এ সংশোধনীর কারণে বিইআরসির পাশাপাশি সরকার ‘বিশেষ পরিস্থিতিতে’ সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দিয়ে ট্যারিফ নির্ধারণ, পুনর্নির্ধারণ বা সমন্বয় করতে পারবে।

২০০৩ সালের প্রণীত আইনের ৩৪ ধারায় সংশোধনের পাশাপাশি নতুন ধারা যুক্ত করা হয়েছে।

আইনের নতুন ধারায় বলা হয়েছে, এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বিশেষ ক্ষেত্রে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ভর্তুকি সমন্বয়ের লক্ষ্যে, জনস্বার্থে, কৃষি, শিল্প, সার, ব্যবসা-বাণিজ্য ও গৃহস্থালী কাজের চাহিদা অনুযায়ী এনার্জির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এর উৎপাদন বৃদ্ধি, সঞ্চালন, পরিবহন ও বিপণনের নিমিত্ত দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের সুবিধার্থে বিদ্যুৎ উৎপাদন, এনার্জি সঞ্চালন, মজুতকরণ, বিপণন, সরবরাহ, বিতরণ এবং ভোক্তা পর্যায়ে ট্যারিফ নির্ধারণ, পুনর্নির্ধারণ বা সমন্বয় করিতে পারবে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গণশুনানি ছাড়া জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি বা সমন্বয়ের যে এক তরফা ক্ষমতা সরকার হাতে নিচ্ছে, তাতে অকার্যকর করা হলো বিইআরসিকে। আর ভোক্তার অধিকারও খর্ব হবে ।

আগের আইনে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বিইআরসি ৯০ দিন সময় নিয়ে নির্ধারণ করে। এ সময়ের মধ্যে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। মতামত নেওয়া হয় ভোক্তা প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের। সেখানে জ্বালানি সেক্টরের অপচয়, অনিয়ম, দুর্নীতি, অভিযোগ এবং করণীয় নির্ধারণের বিষয়ে গণমানুষ মতামত দিয়ে থাকে গণশুনানিতে। এই অধ্যাদেশ কার্যকর হওয়ার পর জ্বালানির দাম বৃদ্ধি করতে কোনো গণশুনানির প্রয়োজন পড়বে না।

ফরিদপুরে ফসলি জমির মাটি বিক্রি, ২ জনের কারাদণ্ড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ফরিদপুরে ফসলি জমির মাটি বিক্রি: ২ জনের কারাদণ্ড

ফরিদপুরে ফসলি জমির মাটি বিক্রি: ২ জনের কারাদণ্ড

  • Font increase
  • Font Decrease

ফরিদপুরের নগরকান্দায় অননুমোদিতভাবে ফসলি জমির মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির অপরাধে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে দশ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের বিলগোবিন্দপুর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মঈনুল হক।

দণ্ডপ্রাপ্ত দুই ব্যক্তি হলেন- পার্শ্ববর্তী সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের মোঃ ইসলাম শেখ (২৪) ও অপরজন একই এলাকার কামরুল হাসান (২২)।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অননুমোদিতভাবে কৃষিজমির মাটি কেটে ইট ভাটায় বিক্রির অপরাধে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৩ মোতাবেক দুইজনকে দশ দিন করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

এ ব্যাপারে নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মঈনুল হক জানান, ‘ফসলি জমি নষ্ট করে অননুমোদিতভাবে মাটি বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

;

দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় ১২তম বাংলাদেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে দুর্নীতি বেড়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ এখন ১২তম অবস্থানে রয়েছে।

মঙ্গলবার এ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক এ তালিকা বাংলাদেশে প্রকাশ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশ (টিআইবি)।

এতে বলা হয়েছে, আগের বছর বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩তম। মানে এক ধাপ অবনমন হয়েছে। দুর্নীতির ধারনাসূচক ২০২২-এ এ তথ্য উঠে এসেছে।

এর আগে দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই)-২০২১ অনুসারে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ২৬। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের এক ধাপ এগিয়ে ১২তম অবস্থান থেকে ১৩তম অবস্থানে এসেছিল।

আর তালিকায় উপরের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৪৭তম। অবশ্য দুর্নীতির এই সূচকে বা স্কোরের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কোনো অগ্রগতি হয়নি৷ এর আগের বছরের মতো একই স্কোর ছিল৷ চার বছর ধরেই একই স্কোর রয়েছে।

১৯৯৫ সাল থেকে বেসরকারি সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল দ্বারা প্রতি বছর এই সূচক প্রকাশ করা হয়।

 

;

সিরাজগঞ্জে পিকআপ চাপায় গৃহবধূ নিহত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জে পিকআপ চাপায় গৃহবধূ নিহত

সিরাজগঞ্জে পিকআপ চাপায় গৃহবধূ নিহত

  • Font increase
  • Font Decrease

গরু চুরিতে বাধা দেওয়ায় সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদ ইউপিতে পিকআপ নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছিল চোরের দল। টের পেয়ে বাড়ির গৃহবধূ ও তার ছেলে পিকআপের সামনে দাঁড়ায়। এসময় তাদের চাপা দিয়ে পালিয়ে যায় চোরেরা। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় গৃহবধূ সেলিনা খাতুনের (৪৫) এবং গুরুতর আহত হন তার ছেলে জুবায়ের (২২)।

মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) ভোর রাতে সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের পঞ্চসারটিয়ার চরে এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে পালিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়ি দেখে পিকআপ ও চুরি করা গরু রেখেই পালিয়ে যায় চোরের দল। নিহত সেলিনা খাতুন ওই গ্রামের আমির চাঁনের স্ত্রী। আহত জুবায়ের তাদের ছেলে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির জানান, ভোর রাতে পঞ্চ সারটিয়ার আমির চাঁনের বাড়িতে গরু চুরি করতে যায় চোরের দল। গোয়াল থেকে গরু খুলে পিকআপে তোলার পর বাড়ির গৃহবধূ সেলিনা খাতুন ও তার ছেলে জুবায়ের টের পেয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। তারা পিকআপের সামনে দাঁড়িয়ে চোর চোর বলে চিৎকার করতে থাকেন এবং থানায় ফোন করে পুলিশে খবর দেন। এ সময় পিকআপটি তাদের চাপা দিয়ে গরু দুটিসহ পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান সেলিনা খাতুন। তার ছেলে জুবায়ের আহত হয়েছেন।

এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়ার সময় চর সারটিয়া এলাকায় পুলিশের গাড়ির সামনে পড়ে চোরদের পিকআপ। এ সময় তারা গরু ও পিকআপ রেখে পালিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, পিকআপটি জব্দ করে চুরি যাওয়া গরু উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

;

রাষ্ট্রপতির কাছে ৭ দেশের রাষ্ট্রদূত-হাইকমিশনারের পরিচয়পত্র পেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কাছে নিজ নিজ পরিচয়পত্র পেশ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চার দেশের রাষ্ট্রদূত এবং তিন দেশের মনোনীত হাইকমিশনাররা।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয় পত্র পেশ করতে বঙ্গভবনে যান তারা।

তাদের মধ্যে চার অনাবাসী রাষ্ট্রদূত হলেন- কিউবার আলেজান্দ্রো সিমানকাস মারিন, সার্বিয়ার সিনিসা প্যাভিক, মেক্সিকোর ফেদেরিকো সালাস লোটফি এবং বেলজিয়ামের দিদিয়ের ভ্যান্ডারহাসেল্ট। আর, অপর তিন অনাবাসিক হাইকমিশনাররা হলেন- ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর ড. রজার গোপাউল, ঘানার কোয়াকু আসোমাহ-চেরেমেহ ও কিংডম অফ ইসওয়াাতিনির মেনজি সিফো ডালমিনি।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করে রাষ্ট্রদূতরা তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা।

এ সময় বাংলাদেশকে বিপুল সম্ভাবনাময় দেশ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বাংলাদেশ এবং সংশ্লিষ্ট দেশের মধ্যে ব্যবসা ও বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে সব ধরনের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে রাষ্ট্রদূতদের প্রতি আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূতদের স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, ঢাকার পররাষ্ট্রনীতি সবার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ওপর গুরুত্ব দেয়।বাংলাদেশ সবসময় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার দেয়- উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, ঢাকায় তাদের দায়িত্ব পালনকালে এসব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে মেক্সিকোর রাষ্ট্রদূত জানান, তারা খুব শিগগিরই বাংলাদেশে দূতাবাস চালু করবেন। এর মাধ্যমে দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

এর আগে, বঙ্গভবনে রাষ্ট্রদূতদের আগমনের সময়, অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) একটি চৌকস অশ্বারোহী দল রাষ্ট্রদূতদের গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরে রাষ্ট্রদূতগণ সংস্কারকৃত বঙ্গভবনের তোষাখানা পরিদর্শন করেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া ,সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন এবং সচিব সংযুক্ত মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

;