শনিবার বঙ্গবন্ধু টানেলের প্রথম টিউব উদ্বোধন, জানুয়ারিতে যান চলাচল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ওবায়দুল কাদের, ফাইল ছবি

ওবায়দুল কাদের, ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের একটি টিউব উদ্বোধন করা হবে শনিবার (২৬ নভেম্বর)। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তবে পুরো টানেল জানুয়ারিতে উদ্বোধন করা হবে। টানেলের অভ্যন্তরে ৯৩ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এখনও বাকি রয়েছে ৭ শতাংশ কাজ।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস বলেছেন, কর্ণফুলীর তলদেশে নিমার্ণাধীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলে আগামী জানুয়ারি থেকে যান চলাচল শুরু হবে।

শুক্রবার (২৫ নভেম্বর) সকালে এই তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব।

জানা গেছে, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু টানেলের একটি টিউব প্রস্তুত হয়েছে। শনিবার (২৬ নভেম্বর) এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন। এই লক্ষ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে সংশ্লিষ্টরা।

কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক মো. হারুনুর রশীদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘টানেলের দক্ষিণ টিউবের পূর্ত কাজের সমাপ্ত হয়েছে। শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে টিউব উদ্বোধন করবেন। পাশাপাশি টানেলস্থলেও অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিকসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন।

তিনি আরও জানান, এখনো টানেলের কাজ পুরো শেষ হয়নি। পুরো কাজ সম্পন্ন করার জন্য ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তারপরই যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে টানেল।

সংকটেও বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর কাজে কোন প্রভাব পড়বে না: রেলমন্ত্রী



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ বা দেশে ডলার সংকটের কারণেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু প্রকল্পের কাজে কোন ধরণের প্রভাব পড়বে না।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে যদি কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হয় তাহলে ২০২৪ সালের আগস্টে নির্ধারিত সময়ের আগে এ রেল সেতু নির্মাণ কাজ শেষ হবে। ইতিমধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর ১২টি পিলারের ওপর প্রায় দেড় কিলোমিটার অংশজুড়ে স্প্যান বসানো হয়েছে। আপাতত রেল সেতু নির্মাণ কাজের সময় ও ব্যয় বাড়ছে না বলেও জানান তিনি।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতুর ৩০০ মিটার দূরে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতুর নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের রেলমন্ত্রী এসব কথা জানান।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী বলেন, সেতুর পূর্ব প্রান্তে প্রথম প্যাকেজের কাজ দ্রুত চলছে। কিন্তু দ্বিতীয় প্যাকেজের কাজ শুরু হতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, প্রথম প্যাকেজটি যারা করছেন তাদের ইকুইপমেন্ট তৈরি ছিল। দ্বিতীয় প্যাকেজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সেতু পূর্ব প্রান্ত থেকে সবকিছু সংগ্রহ করতে হয়েছে। ফলে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। তবে এখন কাজ দ্রুত চলছে। এখন আর কোন সমস্যা নেই।

তিনি বলেন, পদ্মা-যমুনা এ দুটি নদী আমাদের যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। পদ্মার ওপর রেল সেতু ও যমুনার ওপর রেল সেতু মাধ্যমে তা দূর হয়ে যাবে। সেতুর ওপর দিয়ে ১২০-১৩০ কিলোমিটার গতিবেগে ডাবল লাইনে রেল চলবে। সাইড বা ক্রসিংয়ের জন্য বসে থাকতে হবে না। এছাড়া জাইকার অর্থায়নে গাজীপুরের জয়দেরপুর থেকে পাবনার ইশ্বরদী পর্যন্ত ডাবল লাইনের সমীক্ষা চলছে। ২০২৫ সালের মধ্যে কাজ শুরু হবে। বগুড়া ও সিরাজগঞ্জের রেল লাইনের প্রকল্পের চুক্তি হয়েছে। ভারতের অর্থায়নে প্রকল্পের কাজটি হবে।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) আবু ফাত্তাহ মো. মাসুদুর রহমান, টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সংসদ সদস ছোট মনির, উপজেলা চেয়ারম্যান মোছা. নার্গিস আক্তার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বেলাল হোসেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলিফ নুর মিনি, ভূঞাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

;

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের বিরুদ্ধে অনেক ষড়যন্ত্র হবে: আইনমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের বিরুদ্ধে অনেক ষড়যন্ত্র হবে। অনেক নাটক সাজানো হবে। সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্য বানানোর অনেক চেষ্টা হবে।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সচিবালয়ে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এসব কথা বলেন।

মানবাধিকার রক্ষার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার অত্যন্ত আন্তরিক উল্লেখ্য করে আইনমন্ত্রী বলেন, মানবাধিকার রক্ষায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত সরকার।

তিনি বলেছেন, শুধু মানবাধিকার কমিশন নয়, যেই মানবাধিকার রক্ষার বিষয়ে কাজ করবে, সরকার তাকেই সহায়তা করবে।

শিশু ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে আনিসুল হক বলেন, দেশের ৮০-৮৫ ভাগ মানুষ যেখানে বসবাস করে সেখানে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এখনো পৌঁছাতে পারেনি। এসব জায়গায় কমিশনকে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, গ্রামীণ এলাকা ও তৃণমূল পর্যায়ের অধিকাংশ মানুষ এখনো তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন নয়। তাদের সচেতন করতে হবে এবং কমিশনকে সফল হতে হলে সচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত প্রয়োজন।

এজন্য উপজেলা পর্যায়ে সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও শিশুদের রচনা প্রতিযোগিতাসহ অন্যান্য প্রচার কার্যক্রম বাড়ানোর পরামর্শ দেন আইনমন্ত্রী ।

কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘনের অনুসন্ধানের তথ্য কমিশন পাওয়া মাত্র সরকারকে জানানোর পরামর্শ দেন আইনমন্ত্রী, যেন সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারে।

বৈঠকে কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ কার্যক্রমের বিবরণ তুলে ধরে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানান এবং তা বাস্তবায়নে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

;

চট্টগ্রামে প্রথম সফল বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে প্রথম সফল বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট

চট্টগ্রামে প্রথম সফল বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের চিকিৎসা খাতে প্রথমবারের মতো অটোলোগাস বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট (বিএমটি) সফলভাবে সম্পন্ন করেছে এভারকেয়ার হসপিটাল।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে এই চিকিৎসার অভিজ্ঞতাসহ বিস্তারিত তুলে ধরতে হাসপাতালে অডিটোরিয়ামে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে কর্তৃপক্ষ।

চিকিৎসা অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ডা. আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ বলেন, বিএমটি একটি সূক্ষ্ম ও জটিল চিকিৎসা পদ্ধতি। যার মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত বা নষ্ট হয়ে যাওয়া বোন ম্যারো বা অস্থি মজ্জাতে সুস্থ কোষ প্রতিস্থাপন করা হয়। রক্তজনিত অসুখ, যেমন; লিউকেমিয়া, লিম্ফোমা ইত্যাদি রোগে আক্রান্তদের জন্য এটি জীবন রক্ষাকারী একটি চিকিৎসা পদ্ধতি।

তিনি আরও জানান, চট্টগ্রামের চিকিৎসা খাতের প্রথম অটোলোগাস বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট (বিএমটি) সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরে এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রাম অত্যন্ত আনন্দিত। এটি আমাদের জন্য তো বটেই, একইসঙ্গে চট্টগ্রামবাসীর জন্যেও গর্বের বিষয়।

বিএমটি পরিষেবা প্রদানের মাধ্যমে আমরা এখন অনেক কম খরচেই রোগীদের সেরা চিকিৎসাসেবা ও অভিজ্ঞতা প্রদান করতে পারবো। শিগগিরই এটি সকলের জন্য সহজলভ্য করে তোলা হবে। আর কাউকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না বলেও জানান তিনি।

যুগান্তকারী এই সাফল্যে নেতৃত্ব দেন এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামের হেমাটোলজি ও বিএমটি সেন্টারের সিনিয়র কনসালটেন্ট ও কো-অর্ডিনেটর ডা. আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ ও তার দল। চলতি বছরের প্রথম দিন থেকেই তারা হাসপাতালের ডে-কেয়ার সুবিধাসহ ইন-পেশেন্ট ও আউট-পেশেন্ট সুবিধা প্রদান শুরু করেছে।

;

সিপিডি একটি রাজনৈতিক দলকে ক্ষমতায় আনতে চায়: কৃষিমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক

  • Font increase
  • Font Decrease

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) কোনো ধোয়া তুলসী পাতা নয়, নিরপেক্ষও নয় বলে মন্তব্য করে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, সংস্থাটি একটি সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

তিনি বলেন, সিপিডি রাজনৈতিক লক্ষ্য নিয়ে অনেক জরিপ করে। তারা একটি রাজনৈতিক দলকে ক্ষমতায় আনতে চায় ও তারা সেই দলের অংশীদার। এর আগেও ড. ইউনূসকে নিয়ে সিপিডি আন্তরিকতার সঙ্গে জোরেশোরে মাঠে নেমেছিল। তখন জনগণ তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করেছিল।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কৃষিপণ্যের রফতানি বৃদ্ধির অগ্রগতি সংক্রান্ত সভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

‘দেশে ব্যবসায়ে বড় বাধা দুর্নীতি’ সিপিডির সাম্প্রতিক জরিপের এমন ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তুলে মন্ত্রী বলেন, তাদের জরিপ পদ্ধতি মানুষকে জানান দরকার। কী পদ্ধতিতে, কীভাবে কতটা বস্তুনিষ্ঠভাবে তারা জরিপ করেছে, তা প্রশ্নসাপেক্ষ। আর সিপিডি ধোয়া তুলসি পাতা নয়, নিরপেক্ষও নয়।

তিনি বলেন, করোনা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ভারতের মতো দেশেও উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়েছে, নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এ পরিস্থিতির মধ্যেও বাংলাদেশ যে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে, এটিকে সিপিডি কীভাবে দেখে? এ অর্জন কী যাদুবলে হয়েছে? বিশ্বব্যাংক, আইএমএফসহ আন্তর্জাতিক সংস্থা বলছে, দেশে এখন প্রবৃদ্ধি প্রায় শতকরা ছয় ভাগ। সিপিডি কি জানে দাম বৃদ্ধির কারণে টনপ্রতি ২৫০ ডলারের পটাশিয়াম সার কীভাবে আমরা ১২০০ ডলারে কিনে কৃষকদেরকে ভর্তুকিতে দিয়েছি?’

উন্নত দেশসহ সারা বিশ্বেই কম-বেশি দুর্নীতি হয় মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে, জার্মানিতেও দুর্নীতির অনেক নজির রয়েছে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশেও কিছুটা দুর্নীতি আছে। খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় জেল খাটছেন। দেশ থেকে দুর্নীতি একেবারে নির্মূল হয়ে গেছে—তা বলা যাবে না।

কৃষিপণ্য ও আলু রফতানি প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষিপণ্য ও আলু রফতানি বৃদ্ধির জন্য আমরা দুটি রোডম্যাপ বাস্তবায়ন করছি। ইতিমধ্যে বিমান বন্দরে কৃষিপণ্যের জন্য আলাদা স্ক্যানার স্থাপন, মধ্যপ্রাচ্যে সরাসরি (সিঙ্গাপুরে হয়ে যাওয়ার পরিবর্তে) কার্গো জাহাজ যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। উত্তম কৃষি চর্চা নীতিমালা বাস্তবায়ন ও পূর্বাচলে আধুনিক প্যাকিং হাউজ স্থাপনের কাজ চলছে। তবে, এখনও ব্যাংকিং সমস্যা, কৃষিপণ্যের রফতানিতে প্রদত্ত শতকরা ২০ ভাগ প্রণোদনা ঠিকমতো না পাওয়াসহ কিছু সমস্যা রয়েছে; এগুলো নিরসনেও কাজ চলছে বলে জানান তিনি

সভায় কৃষিপণ্যের রফতানি বৃদ্ধির রোডম্যাপ ও আলু রফতানি বৃদ্ধির রোডম্যাপ বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষিসচিব ওয়াহিদা আক্তার। এতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংস্থাপ্রধান, অন্যান্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, রপ্তানিকারক ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

;