৫০ হাজার তাল বীজ বপন করবে ঢাকাস্থ বালিয়াকান্দি সমিতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
৫০ হাজার তাল বীজ বপন করবে ঢাকাস্থ বালিয়াকান্দি সমিতি

৫০ হাজার তাল বীজ বপন করবে ঢাকাস্থ বালিয়াকান্দি সমিতি

  • Font increase
  • Font Decrease
বজ্রপাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে ৫০ হাজার তাল বীজ বপন করবে ঢাকাস্থ বালিয়াকান্দি উপজেলা সমিতি। 
 
শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নের আশ্রায়ন প্রকল্প এলাকায় প্রথম ধাপের ১৪ হাজার তাল বীজ বপন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান মনির। 
 
আগামী ৩ বছর এই সমিতি বালিয়াকান্দির ৭টি ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়কের পাশে ৫০ হাজার তালবীজ বপণ করবেন বলে জানান সমিতির সদস্যরা। তাল বীজ বপনে সহযোগিতা করে ইসলামপুর স্বাবলম্বী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

 
তাল বীজ বপনের সময় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনটির সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম রিপন, সাধারন সম্পাদক প্রকৌশলী জাকির হোসেন, যুগ্ন সম্পাদক আব্দুল বারিক বিশ্বাস, সৈয়দ মইনুল হক ইমরান, প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল হাসান, উপ-দপ্তর সম্পাদক ও দুদকের সহকারী পরিচালক আসিফ আল মাহমুদ, ইসলামপুর স্বাবলম্বী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম, সহ-সমাজকল্যান বিষয়ক সম্পাদক শেখ মো. রাসেল প্রমুখ।

যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল বারিক বিশ্বাস বার্তা২৪.কমকে বলেন, তালগাছ শুধু বজ্রপাতের হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করে না বরং তালগাছের নানান উপকারিতা রয়েছে। মানুষ বিভিন্নভাবে তালগাছ দ্বারা উপকৃত হয়। যেমন তালপাতার পাটি, তালপাতার পাখা, তালের রস, তালের গুড়, তালের শাঁস দিয়ে সুস্বাদু মিষ্টি খাবার রান্না করা হয়, তাল দিয়ে ঐতিহ্যবাহী অনেক পিঠা তৈরি করা হয়।

তালের গাছ ও পাতা ঘরের কাজে ও জ্বালানি কাজে ব্যবহার করা হয়। তালের পাতায় সুন্দরভাবে বাসা তৈরি করে সেখানে বসবাস করে। এগুলো আমাদের গ্রাম অঞ্চলের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ধরে রেখেছে। 

৪ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে পশ্চিমাঞ্চল ক জোনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আজিজুর রহমােনর মৃত্যুবার্ষিকী



লেখক: মুজতবা আহমেদ মুরশেদ
বাম থেকে পেছনে তাজউদ্দিন আহমেদ, সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেন, এ্যাডভোকেট মোঃ আজিজুর রহমান। সামনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মানিক মিয়া। এ ছবিটি দৈনিক ইত্তেফাক অফিসে ১৯৬৯ সালের ৩ মার্চ মাসে

বাম থেকে পেছনে তাজউদ্দিন আহমেদ, সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেন, এ্যাডভোকেট মোঃ আজিজুর রহমান। সামনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মানিক মিয়া। এ ছবিটি দৈনিক ইত্তেফাক অফিসে ১৯৬৯ সালের ৩ মার্চ মাসে

  • Font increase
  • Font Decrease

৪ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে পশ্চিমাঞ্চল ক জোনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আজিজুর রহমােনর মৃত্যুবার্ষিকী

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদ্বয়ে বাঙালি জাতীয়তাবাদ আন্দোলন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম অগ্রসৈনিক বৃহত্তর দিনাজপুরের বিপ্লবী জননেতা এ্যাডভোকেট মোহম্মদ আজিজুর রহমান ছিলেন ১৯৭০ সালে নির্বাচিত জাতীয় পরিষদ সদস্য (এমএনএ) এবং মুক্তিযুদ্ধে পশ্চিমাঞ্চল ক জোনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা। আজ ৪ ডিসেম্বর তাঁর ৩১তম মৃত্যুবাষির্কী। তিনি ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহপাঠি । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কোলকাতা ইসলামিয়া কলেজে তাঁরা একইসাথে পড়াশোনা করতেন এবং বেকার হোস্টেলে থাকতেন। দুজনেই ছিলেন গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর অনুসারি ।

১৯৭১ সালে প্রতিরোধ সংগ্রাম শুরু হলে এ্যাডভোকেট মোহম্মদ আজিজুর রহমান, এম,এন,এ দিনাজপুর শহরের পাহাড়পুর মহল্লাায় তাঁর বাসায় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পতাকা উত্তোলন করেন । ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক নির্দেশনায় বৃহত্তর দিনাজপুর জেলার গঠিত সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদের নির্বাচিত আহ্বায়ক হিসাবে জেলায় নেতাকর্মী ও তরুণদের সংগঠিত করেন। ১৩ এপ্রিল পাকিস্তানী সৈন্যরা দিনাজপুর দখল করলে সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদের আঙ্গিক বদলে তাঁকে সভাপতি করে বৃহত্তর দিনাজপুর জেলা মুক্তিসংগ্রাম সমন্বয় পরিষদ গঠিত হয়। একাত্তরে জুলাই মাসে যুদ্ধ সেক্টরগুলো পূর্ণতা পাবার আগ পযন্ত এ পদাধিকারবলেই তিনি দিনাজপুর কেন্দ্রীয় মুক্তি-সংগ্রাম কমিটির সভাপতি হিসাবে মুক্তিযুদ্ধকালীন তাঁর লেটারহেড প্যাডে অসংখ্য নির্দেশনা জারি করেছেন।

 এ্যাডভোকেট মোঃ আজিজুর রহমান

মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরগুলো সম্পন্ন করলে, এ্যাডভোকেট মোহম্মদ আজিজুর রহমান, এমএনএ, মুক্তিযুদ্ধের ৭ নং এবং ৬ নং সেক্টর (অর্ধেক) অঞ্চলের ল্যাফটানেন্ট জেনারেল পদমর্যাদায় সিভিল এ্যফেয়ার্স এ্যডভাইজার, ফ্রিডমফাইটার্স রিক্রুটিং ও লিয়াঁজো অফিসার পদে দায়িত্ব প্রদান করে। জেনারেল ওসমানী স্বাক্ষরিত মুজিবনগর সরকার কর্তৃক ৩০ আগষ্ট জারি করা গোপন পরিপত্র নং: ০০০৯জি/২ অনুযায়ী মোঃ আজিজুর রহমানের সদর দফ্তর ছিল ভারতের পশ্চিম দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ থানার অন্তর্ভূক্ত তরঙ্গপুরে। মুজিবনগর সরকারের জারিকৃত সেই গোপন পরিপত্র অনুয়ায়ী কার্যত তিনি ৭ নং এবং ৬ নং সেক্টর (অর্ধেক) সেক্টরের সকল মুক্তিযোদ্ধার রিক্রুটিং ও অস্ত্র প্রশিক্ষণ ক্যাম্প পরিচালনায় সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ ছিলেন। উক্ত সেক্টরের সামরিক কমান্ডার এবং অধিনস্ত সকলের জন্যে বেসামরিক বিষয়ে তাঁর নির্দেশ মানাটা ছিল বাধ্যতামুলক। এছাড়াও মুক্তিযুদ্ধের অন্যান্য বিষয়েও পরামর্শ দেবার এখতিয়ার তাঁর ছিল। সকল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র্রে তাঁর সামরিক বিষয়ে প্রদত্ত পরামর্শ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে তাৎক্ষণিকভাবে সেক্টর কমান্ডারকে জানানোর নির্দেশ ছিল।

উল্লেখ্য, পশ্চিমাঞ্চল প্রশাসনিক ক জোনের প্রশাসনিক কর্মকর্তার হিসাবেও দায়িত্বপ্রাপ্ত হন তিনি । মুক্তিযোদ্ধাদের অবিকৃত তালিকার লাল বই খ্যাত দলিলে মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক নেতৃত্ব কাঠামোয় ’স্বাধীনতার বীর সেনানী, স্বরণীয় যারা বরণীয় যারা’ শিরোনাম অধিভূক্ত ক্রম অনুযায়ি এ্যাডভোকেট মোঃ আজিজুর রহমান এর কোড ০৭০০০০০০২১ এবং পরে দিনাজপুর -২ আসনের এম,এন,এ হিসাবে ০৭০০০০০০৩৯। সে দলিল অনুযায়ি প্রথমেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম রাষ্ট্রপতি হিসেবে।

মূলতঃ এ্যাডভোকেট মোহম্মদ আজিজুর রহমান, এমএনএ এর নেতৃত্বের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে পাকিস্তানের সামরিক শাসক মুুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান সামরিক শাসক দেশদ্রোহীতা ও তিন হাজার লোককে গণহত্যার অভিযোগ এনে অক্টোবর মাসে সামরিক আদালতে তাঁকে হাজির হতে সমন জারি করে এবং পরে মৃত্যুদন্ড দেয়। এসোসিয়েটেড প্রেস অব পাকিস্তান (এপিপি) রিপোর্টে বলা হয়, ১৭ আগস্ট ১৯৭১ দুই দফায় ৩০ এমএনএ, কে সামরিক আদালতে তলব। তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতা, খুন, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুটপাটের অভিযোগ আনা হয়েছে। সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে ঠাকুরগাঁয়ের মোঃ আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ সহযোগিতা ও ৩০০০ লোকের হত্যাকা-ে নেতৃত্ব দেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে আছে এক গর্ভস্থ মহিলাকে হত্যার পর টুকরা টুকরা করা। এর পর গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।”

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দলিলপত্র: পঞ্চদশ খন্ড। পৃষ্ঠা ২২৭। এখানে এ্যাডভোকেট মোহম্মদ আজিজুর রহমান, এমএনএ এর প্রদত্ত বিবৃতির কিছু অংশ উল্লেখ করা অতি প্রাসঙ্গিক। তিনি লিখেছেন, “২৭ মার্চ দু ঘন্টার জন্যে কার্ফু তুলে নেয়া হয়। এ সুযোগে আমি বেড়িয়ে পড়ি এবং ইপিআর বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করি। সিদ্ধান্ত মোতাবেক স্থির হয় দিনাজপুর ইপিআর ৮ম বাহিনীর বাঙালীদের দায়িত্বে থাকবেন ক্যাপেটর নজরুল হক এবং ৯ম বাহিনীর দায়িত্বে থাকবেন সুবেদার মেজর আবদুর রউফ। আর আমি বেসামরিক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করবো।”

তিনি আরোও উল্লেখ করেন, “২৪ শে মার্চে আমি ঠাকুরগাঁও এবং দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনীর কয়েকজন সুবেদার ও হাবিলদারের সঙ্গে গোপনে আলাপ করি এবং তাদের উপদেশ দেই পাক অফিসাররা তাদের অস্ত্র জমা দিতে বললে তারা যেন তা না করেন। তাদের আরও উপদেশ দেই, এরকম পরিস্থিতি দেখা দিলে তারা যেন অস্ত্রাগার দখল করে নেন। তারা এতে রাজি হন। দিনাজপুর ইপিআর বাহিনীর একজন সুবেদার যুদ্ধ ঘোষণার পূর্বেই অস্ত্রাাগার লুন্ঠন এবং পাক সৈন্যদের হত্যার জন্য আমার এবং জেলা আওয়ামী লীগ সেক্রেটারি অধ্যাপক ইউসুফ আলীর কাছে অনুমতি চান। কিন্তু আমরা তাঁর এ প্রস্তাবে রাজি হইনি।

২৭ মার্চ পাক বাহিনী আমাকে অনেক খোঁজাখুজি করে। ২৮ শে মার্চ আমি এখান থেকে ঠাকুরগাঁয়ের ইপিআর বাহিনীর সাথে যোগাযোগ করার জন্য রওয়ানা হই। ২৯ শে মার্চ ঠাকুরগাঁ পৌঁছি। এখানে সুবেদার মেজর কাজিমউদ্দিন এবং ঠাকুরগাও আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে একত্রে কাজ চালিয়ে যাই। সুগার মিলের জীপ নিয়ে দিনাজপুর ৯ নং ইপিআর বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য ২৯ তারিখে রওয়ানা হই। ৩০ শে মার্চ দিনাজপুরের কাঞ্চনঘাটে আমাদের মু্িক্তবাহিনীর ঘাঁটিতে পৌঁছি। ঐ দিনই দিনাজপুরের ইপিআর ঘাঁটির সব অস্ত্র আমরা লাভ করি। এখানে রফিক সাহেব, ফয়েজ সাহেব, নাজিম ভুঁইয়া, জজ, আব্দুল হান্নান চৌধুরী এবং ক্যাপ্টেন নজরুল হকের সঙ্গে দেখা হয়। ভারতীয় বন্ধুগণ এখনে আমাদের রসদ সরবরাহ করতো।

৩১ মার্চ ঠাকুরগাঁ ঘাঁটি আমাদের দখলে আসে। রাত দশটায় আমরা অস্ত্রাগারের অস্ত্র নিজেদেরে অধিকারে আনি। এ সময়ে স্থানীয় গ্রামবাসী আমাদের সর্বাত্বক সহায়তা করে। এ সময়ে ভারতীয় সীমান্ত থেকে কিছু অস্ত্র ও অয়ারলেস সংগ্রহ করি। আমি ঠাকুরগাঁ ও পঞ্চগড়ের রেল লাইন অচল করে দেই এবং প্রাক্তন উইং কমান্ডার জনাব মির্জার সঙ্গে পরামর্শ করে শিবগঞ্জ বিমানঘাঁটি নষ্ট করে দেই। ক্যাপ্টেন নজরুলের দেয়া অস্ত্রসহ আমরা এলাকাব্যাপী মুক্তিযোদ্ধা সংগ্রহ ও সংগঠনে তৎপর হই।

২রা এপ্রিল সীমান্ত পার হয়ে অস্ত্রের জন্য ভারতে যাই। সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য সুবেদার কাজিম উদ্দিনকে পাঠিয়ে আমি ঐ তারিখে গভীর রাতে দেশে ফিরে আসি। ৩রা মার্চ আমাদের দিনাজপুরে যুদ্ধঘাঁটি পরিদর্শন করি। ঐ দিনই দিনাজপুরের ইষ্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের ক্যাপ্টেন আরাফকে ঠাকুরগাঁয়ে ডেকে পাঠাই এবং মিটিং করে সৈয়দপুর ক্যান্টেনমেন্ট আক্রমনের পরিকল্পনা নেই। ৫ এপ্রিল আমি সেতাবগঞ্জ ও পীরগঞ্জ ঘাঁটি অভিমুখে রওয়ানা হই । ৬ এপ্রিল রাতে ভারতে যাই এবং কংগ্রেস নেতা বাবু আর দত্ত, এমএলএ, এর সাথে আলাপ করি। অধ্যাপক ইউসুফ আলী, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, কামারুজ্জামান, মিজানুর রহমান, মনসুর আলী প্রমূখ নেতৃবর্গের সঙ্গেও সেখানে সাক্ষাৎ হয়।

১৩ এপ্রিল পশ্চিম দিনাজপুরের রায়গঞ্জে ফিরি এবং সেখান থেকে এসে দিনাজপুর শহরের উপকন্ঠে প্রবেশের চেষ্টা করি। কিন্তু সে সময়ে পাক বাহিনী দিনাজপুরে প্রবেশ করে প্রবল গুলিবর্ষণ করে। রাতে ক্যাপ্টেন নজরুল হক, সুবেদার মেজর রউফ, সুবেদার ওসমান গনী সাহেবের সঙ্গে ভারত সীমান্তে সাক্ষাৎ হয়। এ সময়ে রাধিকাপুর ষ্টেশনে ভারতগামী হাজার হাজার শরনার্থী দেখতে পাই। এখান থেকে বিএসএফ ক্যাম্পে চলে যাই এবং সেখানে অবস্থান করি। ১৯ এপ্রিল মুক্তিবাহিনীসহ পাকবাহিনীর ঘাঁটি আক্রমন করি। যুদ্ধে আমরা জয়ী হই এবং প্রচুর খাদ্যদ্রব্য উদ্ধার করি। শরনার্থী ক্যাম্পের যুবকদের নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিং ক্যাম্প স্থাপন করি। আমার সঙ্গে এ সময় দিনাজপুরের জজ, ডাঃ নইম উদ্দিন, ছাত্রনেতা আজিজুল ইসলামও ছিলেন। মুজিবনগর সরকার এবং ভারতীয় বাহিনী আমাদের এ ব্যাপারে সহায়তা করে।”

দিনাজপুরে বাঙালী জাতীয়তাবাদের রাজনীতি এবং আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক তৎপরতার ইতিহাসে দেখা যায়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দিনাজপুর শহরে ১৯৫৩ সালে আওয়ামী লীগের প্রথম দিনাজপুর জেলা কমিটি গঠিত করে দলের প্রতিষ্ঠাকালিন সদস্য এবং তাঁর ঘনিষ্ট রাজনৈতিক সহচর এ্যাডভোকেট মোঃ আজিজুর রহমানকে প্রথম সহ-সভাপতির দায়িত্ব প্রদান করেন। এরপর তিনি ১৯৬৬ সাল থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত বৃহত্তর দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের দু দফায় নির্বাচিত সভাপতি ছিলেন। ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থানের ফলে বঙ্গবন্ধুর কারামুক্ত হয়ে অক্টোবরের ১০ তারিখে দিনাজপুর সফরে আসেন। সফরের সম্বর্ধনা কমিটির সভাপতি ছিলেন এ্যাডভোকেট মোহম্মদ আজিজুর রহমান এবং সম্পাদক অধ্যাপক ইউসুফ আলী।

জননেতা এ্যাডভোকেট মোহম্মদ আজিজুর রহমান অসাধারণ মেধাবী ছিলেন । ১৯৪৫ সালে ডিস্টিংশন (৮৫% প্রতি বিষয়ে) সহ তিনি কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে ইসলামিয়া কলেজ থেকে তৃতীয় স্থান অধিকার করে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। অনেক ভাষায় প-িত এ্যাডভোকেট মোহম্মদ আজিজুর রহমান, এমএনএ, ছিলেন সর্বস্বত্যাগী। এ মহান জননেতা সম্পর্কে দিনাজপুর তথা বাংলাদেশের প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ মেহরাব আলী সম্পাদিত দিনাজপুরের ইতিহাস সমগ্র- ৫ম খন্ডে (পৃষ্ঠা নং ৫৮২) লিখেছেন, ”দিনাজপুর বারের লব্ধ প্রতিষ্ঠিত আইনজীবি, সুলেখক, সম্পাদক, সংসদ সদস্য ও রাজনীতি ক্ষেত্রে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের উত্তেজিত যুগে। যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয় তখন যুদ্ধের সংগঠক ও সংস্থানের ব্যবস্থপনায় প্রাণান্তকর পরিশ্রম করেন তিনি। ঐ সময় তিনি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে অনেকগুলি জ্বালাময়ী বক্তৃতা করেন, যা দেশবাসীর মনে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে অপূর্ব সারা জাগায়। দিনাজপুর বড়মাঠে আয়োজিত ১৯৭১ সালের ২০ ডিসেম্বর বিজয় উৎসবে তাঁর প্রদত্ত ভাষণটিও ছিলো উন্মাদনাময়ী, আবেগময়ী ও জ্বালাময়ী। তিনি রাজনীতির চর্চা করে গেছেন রাজনীতির জন্যে, অন্য কোনো মতলবে নয়। তিনি ভোগীর চেয়ে ত্যাগী ছিলেন বেশী। তবৎ কাজে নিজস্ব সহায় সম্পত্তি উজাড় করে দিতে অকুণ্ঠচিত্ত ।”

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের এই স্বর্ণসন্তান ৪ ডিসেম্বর ১৯৯১ সালে দিনাজপুর শহরে ঘাসিপাড়া মহল্লায় ভাড়াবাড়িতে ইন্তেকাল করেন।

মোঃ আজিজুর রহমান। সামনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মানিক মিয়া। এ ছবিটি দৈনিক ইত্তেফাক অফিসে ১৯৬৯ সালের ৩ মার্চ মাসে স্টাফ ফটোগ্রাফার আফতাবুর রহমান তুলেছেন।

লেখক: মুজতবা আহমেদ মুরশেদ

;

বিএনপির জরুরি সংবাদ সম্মেলন ২টায়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির জরুরি সংবাদ সম্মেলন ২টায়

বিএনপির জরুরি সংবাদ সম্মেলন ২টায়

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আজ জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (৪ নভেম্বেবর) দুপুর ২টায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার।

দলীয় সূত্র জানায়, বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার, পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান এবং ১০ ডিসেম্বরের গণসমাবেশের স্থান নিয়ে কথা বলবেন মহাসচিব।

ঢাকায় আগামী ১০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় বিভাগীয় সমাবেশ বানচাল করতে খুলনায় নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার, হয়রানি ও তাদের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করে আসছে বিএনপি।

দলটির দাবি, ঢাকায় কর্মসূচিতে কারা অংশ নেবেন, তার এলাকাভিত্তিক তালিকা তৈরি করে চলছে পুলিশের এ অভিযান।

এর আগে শনিবার রাতে জাতীয়তাবাদী যুবদল সভাপতি সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুসহ চারজনকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ শেষে ঢাকায় ফেরার পথে আমিন বাজার এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় ঢোকার রাস্তায় চেকপোস্ট বসিয়েছে পুলিশ।

গুলশান ২ নম্বরের ৭৯ নম্বর রোডে খালেদা জিয়ার বাসভবনের প্রবেশপথে এই চেকপোস্ট বসানো হয়।

;

বস্ত্রখাত কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে ভূমিকা রাখছে: রাষ্ট্রপতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, দেশের বস্ত্রখাত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি ‘জাতীয় বস্ত্র দিবস ২০২২’ উপলক্ষ্যে দেয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন।

রোববার (৪ ডিসেম্বর) বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ‘জাতীয় বস্ত্র দিবস ২০২২’ পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, বস্ত্রশিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকা শক্তি। স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নানামুখী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ খাতকে সুসংহত ও গতিশীল করার উদ্যোগ নেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে দেশের মোট রফতানি আয়ের সিংহভাগ বস্ত্রখাত থেকে অর্জিত হচ্ছে।

এ বছর জাতীয় বস্ত্র দিবসের প্রতিপাদ্য ‘দেশীয় বস্ত্র ব্যবহার করি, সোনার বাংলা গড়ে তুলি’ যা বর্তমান প্রেক্ষাপটে যথার্থ হয়েছে বলেও তিনি মনে করেন।

আবদুল হামিদ বলেন, দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্র অর্জনে বস্ত্রখাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বস্ত্রখাতের সক্ষমতাবৃদ্ধি ও যুগোপযোগীকরণ এবং এ খাতে বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণে সরকার বদ্ধপরিকর। এ প্রেক্ষিতে সরকার ‘বস্ত্র নীতি, ২০১৭’, ‘বস্ত্র আইন, ২০১৮’ এবং ‘বস্ত্রশিল্প (নিবন্ধন ও ওয়ানস্টপ সার্ভিস কেন্দ্র) বিধিমালা, ২০২১’ প্রণয়ন করেছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বস্ত্রশিল্পের ক্রমাগত উন্নয়ন ও বিকাশের লক্ষ্যে ‘পোশাক কর্তৃপক্ষ' হিসেবে বস্ত্র অধিদফতর বস্ত্রশিল্প ও বায়িং হাউজের উদ্যোক্তাদেরকে নিবন্ধনসহ অন্যান্য সেবা প্রদান করছে। এছাড়া বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় বস্ত্রখাতের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে বর্তমানে ৯টি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, ১১টি টেক্সটাইল ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট ও ৪১টি টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট পরিচালনা করছে।

তিনি পরিবেশবান্ধব বস্ত্রশিল্প স্থাপন, বস্ত্রখাতের রফতানি বাজার সম্প্রসারণ এবং এ খাতের সার্বিক উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার জন্যও সংশিষ্ট সকলের প্রতি আহবান জানান।

বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্পের ইতিহাস সুপ্রচীন এবং গৌরবময় এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঢাকাই মসলিন ও জামদানি, টাঙ্গাইলের তাঁত, কুমিল্লার খাদি, রাজশাহীর সিল্ক এবং মিরপুরের বেনারসি শিল্প ‘আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাথে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে’।

রাষ্ট্রপতি প্রত্যাশা করেন, এ সকল ঐতিহ্যবাহী বিশেষায়িত পণ্যকে ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

তিনি ‘জাতীয় বস্ত্র দিবস ২০২২’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

;

‘বস্ত্রখাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের পরিপূর্ণ সুবিধাদি বস্ত্রখাতে প্রয়োগ এবং এর চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবিলার লক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, বস্ত্রখাত সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনকে সব ধরনের সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানের লক্ষ্যে বস্ত্র অধিদফতরকে পোশাক কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে।

‘জাতীয় বস্ত্র দিবস ২০২২’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি আরও বলেন, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এখাতে যুগোপযোগী ও দক্ষ বস্ত্র প্রকৌশলী গড়ার লক্ষ্যে সরকারি পর্যায়ে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট, টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট, তাঁত প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এবং ফ্যাশন ডিজাইন ইনস্টিটিউট স্থাপন ও পরিচালনা করছে।

শেখ হাসিনা বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় জাতীয় বস্ত্র দিবস ২০২২’ পালন করায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ উপলক্ষে ক্রোড়পত্র ও স্যুভেনির প্রকাশের উদ্যোগকে তিনি স্বাগত জানান। এবারের জাতীয় বস্ত্র দিবসের প্রতিপাদ্য ‘দেশীয় বস্ত্র ব্যবহার করি, সোনার বাংলা গড়ে তুলি’ অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ও সময়োপযোগী হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাচীনকাল থেকেই বস্ত্রশিল্পে বাংলাদেশের সুনাম ছিল গৌরবময় এবং জগদ্বিখ্যাত। ঢাকাই মসলিন থেকে শুরু করে জামদানি আর বেনারসি এ দেশের বস্ত্রশিল্পের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁত শিল্পের উন্নয়নে উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তিনি ১৯৭২ সাল থেকেই তাঁত শিল্পের মান উন্নয়নের পাশাপাশি বস্ত্রখাতকে সমৃদ্ধ করার নানামুখী প্রচেষ্টা গ্রহণ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় তৈরি পোষাকখাত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উলে-খযোগ্য অবদান রাখছে।

দেশের মোট রফতানি আয়ের সিংহভাগ অর্জিত হয় বস্ত্রখাত থেকে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও বস্ত্রখাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে নির্বাচনী ইশতেহারে বস্ত্রখাতকে নিরাপদ, শক্তিশালী এবং প্রতিযোগিতা সক্ষম করে তোলার অঙ্গীকার করেছে।

তিনি বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ বস্ত্র চাহিদা পূরণ, রফতানি বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিসহ নিরাপদ, টেকসই, শক্তিশালী এবং প্রতিযোগিতা সক্ষম বস্ত্রখাত গড়ে তুলতে আমরা ‘বস্ত্র নীতি, ২০১৭’, ‘বস্ত্র আইন, ২০১৮’ এবং ‘বস্ত্র শিল্প (নিবন্ধন ও ওয়ানস্টপ সার্ভিস কেন্দ্র) বিধিমালা, ২০২১’ প্রণয়ন করেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও অগ্রযাত্রায় বস্ত্রখাত সংশিষ্ট সকল অংশীজন পারস্পরিক সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বজায় রেখে এ খাতের উন্নয়ন নিশ্চিত করে জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত, সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। তিনি ‘জাতীয় বস্ত্র দিবস ২০২২’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

;