পানির গুণগতমান পরীক্ষা, প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
পানির গুণগতমান পরীক্ষা, প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ

পানির গুণগতমান পরীক্ষা, প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রকল্পে অনিয়মের কারণে আটকে আছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘ওয়াটার কোয়ালিটি টেস্ট ম্যানেজমেন্ট স্ট্রেনদেনিং প্রজেক্ট’ (পানির গুণগতমান পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ)। প্রকল্পে নানা অনিয়মের কারণে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

অনিয়মের বিষয়ে দরপত্র পুন:মূল্যায়ন এবং দরপত্রে অংশগ্রহণকারীদের আইনগত প্রতিকার দেয়াসহ ৫ দফা সুপারিশ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওয়াটার কোয়ালিটি টেস্ট ম্যানেজমেন্ট স্ট্রেনদেনিং প্রজেক্টের আওতায় টেন্ডারে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান স্টার্লিং মাল্টি টেকনোলজিস লিমিটেড (টেন্ডার আইডি ৬৪৭২৮ এবং ৬৪৬৯২৪) ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তোলে। সর্বনিম্ন দরে ৫ম স্থানে থেকেও তাদেরকে বাদ দিয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে ৭ম স্থানে প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এরইপ্রেক্ষিতে বিষটি তদন্তে গত ৬ জুলাই তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

তদন্ত কমিটির তিন সদস্য হলেন- স্থানীয় সরকার বিভাগের পানি সরবরাহ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. খাইরুল ইসলাম, একই অনুবিভাগের যুগ্ম সচিব জসিম উদ্দিন এবং পরিকল্পনা-৩ শাখার উপ সচিব ড. বেলাল উদ্দিন। পরে সিনিয়র সহকারী সচিব (পাস-২) এ কে এম সাইফুল আলমকে কমিটিতে কো-অপ্ট করা হয়।

গত ২৭ জুলাই থেকে কাজ শুরু করে তদন্ত কমিটি। এ সময়ে ওই কমিটি অভিযোগকারী প্রতিষ্ঠান, প্রকল্প পরিচালক, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে সম্প্রতি বিস্তারিত মতামত ও সুপারিশ সম্বলিত রিপোর্ট পেশ করেন। এতে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে এবং এই অনিয়মের সঙ্গে প্রধান প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক উভয়ই জড়িত বলে মতামত দেয়া হয়েছে।

এর আগে গত ২৭ জুলাই তদন্ত কমিটির কাছে অভিযোগের বিষয়টি লিখিতভাবে জানায় ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠান স্টার্লিং মাল্টি টেকনোলজিস লিমিটেড।

এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির প্রধান ও স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব খায়রুল ইসলাম বরাবর দাখিল করা লিখিত অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন ম্যানেজার মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা স্টার্লিং মাল্টি টেকনোলজিস লিমিটেড টেন্ডার আইডি ৬৪৭২৮ এবং ৬৪৬৯২৪ অংশগ্রহণ করি। টেন্ডার ওপেনিংয়ের সময় আমরা দেখতে পারি যে, আমরা সর্বনিম্ন দিক থেকে ৫ম অবস্থান করি। কিন্তু আমরা বিশ্বস্তসূত্রে জানতে পারি যে, সর্বনিম্ন দিক থেকে ৭ম অবস্থানকৃত টেকনোল্যাবকে মনোনীত করে রিপোর্ট প্রদান করা হয়। এজন্য আমরা টেন্ডার দুটি পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদন করি।

টেন্ডারে অ্যাপ ভ্যালু ২২ কোটি ৫০ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়। কিন্তু বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পারি টেন্ডার বাজেট ২৮ কোটি ৮৪ লাখ ১৫ হাজার ৪০০ টাকা উল্লেখ করে টেকনোল্যাবকে মনোনীত করা হয়।

সূত্র জানায়, প্রকল্প পরিচালক এই টেন্ডার দুটির জন্য কোন টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করেননি। একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়ার জন্য তাদের স্পেসিফিকেশন হুবহু টেন্ডার প্রকাশ করে।

তিনি আরও বলেন, প্রকল্প পরিচালক বিভিন্ন মারফত আমাদের বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদর্শন করেন এবং ব্যবসা করতে দেবে না যদি তার কথামত না চলি। অভিযোগ দেওয়ার পর তিনি আরও বেশি আমাদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের জানমালের হুমকি দেয়।

অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষে যে রিপোর্ট প্রদান করা হয়েছে, তাতেও অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

রিপোর্টে মতামত অংশে বলা হয়েছে-পানির গুণগতমান পরীক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের পণ্য প্যাকেজ ৫ ও ৬ দুটিকে ভেঙ্গে চারটি প্যাকেজ করা হয়েছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধি ১৭ (৪) ও ১৭ (৫) অনুযায়ী ডিপিপি তে অনুমোদিত কোন একক কাজকে একাধিক প্যাকেজে বিভক্তকরণের ক্ষেত্রে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু বিধি মোতাবেক তা করা হয়নি যা গুরুতর অনিয়ম। প্রধান প্রকৌশলী এ বিষয়ে জেনেও টেন্ডার প্রক্রিয়ার বাকি কার্যক্রম চলমান রেখেছে, এমনকি পিডিকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির উদ্যোগ না নিয়ে এই অনিয়ম চলমান রেখেছে যা অনিয়মের সাথে তিনি জড়িত বলে প্রতীয়মান হয়। টেন্ডার দুটি মূল্যায়নের জন্য বিধি মোতাবেক কোন টেন্ডার ওপেনিং ককিটি (টিওসি) এবং টেন্ডার ইভ্যুয়ালেশন কমিটি (টিইসি) গঠন না করে প্রকল্প পরিচালক এ অনিয়মের সাথে সম্পৃক্ত বলে প্রতীয়মান হয়।

তদন্ত রিপোর্টে ৫ দফা সুপারিশের মধ্যে রয়েছে - পানির গণগতমান পরীক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশারীকরণ প্রকল্পের কার্যক্রমে অনিয়ম হওয়ায় আবেদনকারীসহ অন্যান্য দরপত্রে অংশগ্রহণকারী (টেন্ডারর) আইনগত প্রতিকার দেয়ার জন্য সুপারিশ করেন; জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের চলমান এ প্রকল্পসহ অন্যান্য সকল প্রকল্পের দরপত্র প্রক্রিয়া বিধি মোতাবেক প্রতিপালিত হচ্ছে কিনা- কমিটির মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে যাচাই করা যেতে পারে; সকল প্রকল্পে মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করা যেতে পারে; সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট (সিপিটিইউ) এর ২০/০৭/২০২২ তারিখের ৫১৮ নম্বর স্মারকের বরাতে প্রধান প্রকৌশলীসহ তার কার্যালয়ের অস্বচ্ছতা, খেয়ালীপনার কারণে পিপিএ-২০০৬ এবং পিপিআর ২০০৮ এর বিধিসমূহ লঙ্ঘন হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কার্যক্রম গ্রহণ করা যেতে পারে। সিপিটিইউ এর আদেশসমূহ পর্যালোচনা করা যেতে পারে;

পিপিআর-২০০৮ আলোকে টেন্ডার ওপেনিং কমিটি এবং টেন্ডার ইভ্যুয়ালেশন কমিটি গঠনপূর্বক আলোচ্য দরপত্র দুটি পুন:মূল্যায়ন করা যেতে পারে বলেও তদন্ত কমিটির সুপারিশে বলা হয়েছে।

 

রাষ্ট্রপতির কাছে ৭ দেশের রাষ্ট্রদূত-হাইকমিশনারের পরিচয়পত্র পেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কাছে নিজ নিজ পরিচয়পত্র পেশ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চার দেশের রাষ্ট্রদূত এবং তিন দেশের মনোনীত হাইকমিশনাররা।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয় পত্র পেশ করতে বঙ্গভবনে যান তারা।

তাদের মধ্যে চার অনাবাসী রাষ্ট্রদূত হলেন- কিউবার আলেজান্দ্রো সিমানকাস মারিন, সার্বিয়ার সিনিসা প্যাভিক, মেক্সিকোর ফেদেরিকো সালাস লোটফি এবং বেলজিয়ামের দিদিয়ের ভ্যান্ডারহাসেল্ট। আর, অপর তিন অনাবাসিক হাইকমিশনাররা হলেন- ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর ড. রজার গোপাউল, ঘানার কোয়াকু আসোমাহ-চেরেমেহ ও কিংডম অফ ইসওয়াাতিনির মেনজি সিফো ডালমিনি।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করে রাষ্ট্রদূতরা তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা।

এ সময় বাংলাদেশকে বিপুল সম্ভাবনাময় দেশ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বাংলাদেশ এবং সংশ্লিষ্ট দেশের মধ্যে ব্যবসা ও বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে সব ধরনের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে রাষ্ট্রদূতদের প্রতি আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূতদের স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, ঢাকার পররাষ্ট্রনীতি সবার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ওপর গুরুত্ব দেয়।বাংলাদেশ সবসময় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার দেয়- উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, ঢাকায় তাদের দায়িত্ব পালনকালে এসব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে মেক্সিকোর রাষ্ট্রদূত জানান, তারা খুব শিগগিরই বাংলাদেশে দূতাবাস চালু করবেন। এর মাধ্যমে দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

এর আগে, বঙ্গভবনে রাষ্ট্রদূতদের আগমনের সময়, অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) একটি চৌকস অশ্বারোহী দল রাষ্ট্রদূতদের গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরে রাষ্ট্রদূতগণ সংস্কারকৃত বঙ্গভবনের তোষাখানা পরিদর্শন করেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া ,সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন এবং সচিব সংযুক্ত মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

;

বাংলাদেশকে ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ দিল আইএমএফ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্বাহী বোর্ড সভায় বাংলাদেশের ৪৫০ কোটি ডলারের ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ঋণদাতা সংস্থাটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

২ দশমিক ২ শতাংশ সুদে ৪৫০ কোটি ডলারের ঋণ আসবে সাত কিস্তিতে। ফেব্রুয়ারিতেই প্রথম কিস্তির ৩৫২ দশমিক ৩৫ মিলিয়ন ডলার ছাড় হওয়ার আশা করছে সরকার। শেষ কিস্তি আসবে ২০২৬ সালে।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আমরা অবশ্যই আইএমএফের প্রতি এই ঋণের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বিশেষ করে আইএমএফের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) অ্যান্তইনেত মনসিও সায়েহ, মিশনপ্রধান রাহুল আনন্দসহ যে দলটি এই ঋণের বিষয়ে বাংলাদেশ সফর করেছিল, তাদের প্রতি জানাই ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার, অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব ফাতিমা ইয়াসমিনসহ অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা যারা এই ঋণ নিয়ে কাজ করেছেন, তাদের প্রতিও রইল আমার কৃতজ্ঞতা।

৪২ মাসের চুক্তিতে সরকারের নেওয়া ‘অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচিতে’ সহায়তা হিসেবে আইএমএফের এক্সটেন্ডেড ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি (ইসিএফ) এবং এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি থেকে ৩২০ কোটি ডলার ঋণ পাবে বাংলাদেশ। আর রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি ফ্যাসিলিটির (আরএসএফ) আওতায় পাবে বাকি ১৩০ কোটি ডলার।

আইএমএফের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যান্তইনেত মনসিও সায়েহ তার ঢাকা সফরের সময় ১৬ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সেদিন তাদের মধ্যে ঋণের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশকে সাড়ে চার বিলিয়ন ডলার ঋণ দিতে গত নভেম্বরে ঢাকায় কর্মকর্তা পর্যায়ের বৈঠকে প্রাথমিক সমঝোতায় পৌঁছে আইএমএফ। সেই ঋণচুক্তির শর্তসহ খুঁটিনাটি চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ার মধ্যেই বাংলাদেশ সফর করেন আইএমএফের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক। সে সময় এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ঢাকার আলোচনায় এই ঋণ কর্মসূচির মূল বিষয়গুলোতে মনোযোগ দিয়েছেন তারা।

তিনি বলেন, রাজস্ব আহরণ বাড়ানো, আরও দক্ষ একটি আর্থিক খাত গড়ে তোলার মতো দীর্ঘদিনের চালেঞ্জগুলো আলোচনায় এসেছে। এসব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংস্কারের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ ও রফতানি বহুমুখীকরণে উৎসাহ দিলে তা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরও সহনশীল করে তুলতে এবং দীর্ঘমেয়াদি, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই পবৃদ্ধির জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে সহায়তা করবে।

;

বাণিজ্য মেলার পর্দা নামছে আজ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা শেষ হতে যাচ্ছে আজ। রাজধানীর পূর্বাচলে মেলার স্থয়ী ভেন্যু বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শন কেন্দ্রে এদিন সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজেন করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সচিব ও বাণিজ্য মেলার পরিচালক ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী বলেন, ব্যবসায়ীরা বাণিজ্য মেলার সময় বাড়ানোর দাবি জানালেও বাড়ানো হচ্ছে না। ৩১ জানুয়ারি বিকাল ৪টায় সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হবে এবারের বাণিজ্য মেলা।

গত ২৪ জানুয়ারি ব্যবসায়ীরা বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির কাছে সময়সীমা বাড়ানোর জন্য লিখিত আবেদন জানায়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন কারণে মেলায় বরাদ্দ নেয়া স্টল তৈরি করতে সাত দিনের বেশি সময় লেগেছে। কারণ শৈত্যপ্রবাহের জন্য রাজমিস্ত্রি, কাঠমিস্ত্রি ও বৈদ্যুতিক মিস্ত্রির সংকট ছিল। সুতরাং স্টল সাজিয়ে ব্যবসা শুরু করতে সাত দিন সময় পেরিয়ে গেছে। ফলে মেলার সময় না বাড়ানো হলে তারা লোকসানে পড়বেন বলে উল্লেখ করেছেন ব্যবসায়ীরা।

চলতি মাসে টঙ্গীতে দুই দফায় ইজতেমা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে তারা বলেন, এতে দুইবার তিন দিন করে মোট ছয় দিন রাস্তায় প্রচণ্ড যানজট ছিল। যার কারণে মেলায় ক্রেতা দর্শনার্থীর উপস্থিতি কম ছিল।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, পূর্বাচল ৩০০ ফুট মহাসড়কে এক দিন ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়। সেদিনও ক্রেতা-দর্শনার্থীদের মেলায় উপস্থিতি কম ছিল।

ব্যবসায়ীদের দাবি, বাণিজ্য মেলার সময় না বাড়ানো হলে তাদের অনেক পণ্য অবিক্রিত থেকে যাবে। তাই লোকসান এড়াতে বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে ৩১ জানুয়ারির পর আরও সাত দিন বিনা ভাড়ায় মেলায় বেচাকেনা করার আবেদন করেন ব্যবসায়ীরা।

মেলায় দেশি-বিদেশি ৩৩১ প্রতিষ্ঠানের স্টল রয়েছে। এরমধ্যে কয়েকটি প্যাভিলিয়ন ও মিনি প্যাভিলিয়ন রয়েছে। গত বছরের চেয়ে এবার ১০৬টি স্টল বেড়েছে। বিদেশি ১০ দেশের ১৭টি স্টল রয়েছে।

;

পাঠ্যবইয়ে কেউ ইচ্ছাকৃত ভুল করে থাকলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ সরকার কখনো ইসলামের বিরুদ্ধে কিছু করেনি, করবেও না বলে মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, নতুন পাঠ্যবইয়ে যা নেই, তা নিয়ে অপপ্রচার চলছে। তবে কোনো ভুলভ্রান্তি থাকলে তা সংশোধন করা হবে।

অপপ্রচারে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, চিলে কান নিয়েছে শুনে চিলের পেছনে না দৌড়ে নিজের কানে হাত দিয়ে দেখুন। কান নিজের কাছে আছে কিনা। তবে পাঠ্যবইয়ে কেউ ইচ্ছাকৃত ভুল করে থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃতী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, যা ভুল হয়েছে তা সংশোধন করা হয়েছে। আরও করা হচ্ছে। এজন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি কাজ করছে। ওয়েবসাইটে গিয়েও কেউ মতামত দিতে পারেন। ভাষা বা তথ্যগত কোনো ভুল থাকলে অবশ্যই সংশোধন করা হবে। এছাড়া পাঠ্যবই প্রণয়নের সময় কেউ ইচ্ছাকৃত কোনো ভুল করে থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজন্য আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

পরে কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯টি অনুষদের ৫টি শিক্ষাবর্ষের স্মাতক ও ৬টি শিক্ষাবর্ষের স্মাতকোত্তর ১০৩ কৃতী শিক্ষার্থীকে স্বর্ণপদক ও সনদপত্র দেন শিক্ষামন্ত্রী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার।

 

;