পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অতিকথনে ক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের মানুষ বেহেশতে আছে বক্তব্য দেওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে যা যা করা দরকার, তা করতে ভারত সরকারকে অনুরোধ করেছি। এমন বক্তব্যে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি। রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্রে এখন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর একের পর এক বেফাঁস মন্তব্যে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে সরকার। তার অতিকথনে ক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগও। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের একজন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কথা বলার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা উচিত। না হলে এসব কথায় মানুষের কাছে ভুল বার্তা যাবে।

তারা আরও বলেন, একজন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্য দেওয়ার এখতিয়ার নেই। এসব কথা বলে শুধু সরকার নয়, জনগণকেও বিব্রত করেছেন তিনি। তাদের মতে, একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের সরকার টিকিয়ে রাখে জনগণ। এতে অন্য কোনো দেশের কিছু করার সুযোগ নেই। তাই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ ধরনের বক্তব্য লজ্জাজনক। কথা বলার ক্ষেত্রে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আরও সতর্ক থাকা উচিত।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ভারতকে অনুরোধ আওয়ামী লীগ করে না, করেনি। শেখ হাসিনা সরকারের পক্ষ থেকেও কাউকে এমন দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। যিনি (পররাষ্ট্রমন্ত্রী) এ কথা বলেছেন, সেটা তার ব্যক্তিগত অভিমত হতে পারে। সেটা আমাদের সরকারের বক্তব্য না, দলেরও না।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ভারত আমাদের সঙ্গে বন্ধুত্বের বন্ধনে আবদ্ধ। ভারত আমাদের দুঃসময়ের বন্ধু। ’৭১-এ রক্তের বন্ধনে আমরা আবদ্ধ। তাই বলে আমরা ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ভারতকে অনুরোধ করব—এ ধরনের কোনো অনুরোধ আওয়ামী লীগ করে না, করেনি। শেখ হাসিনা সরকারের পক্ষ থেকেও কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। আমাদের সমর্থন, ক্ষমতার উৎস বাংলাদেশের জনগণ।

যিনি এ কথা বলেছেন, সেটা তার ব্যক্তিগত অভিমত হতে পারে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এটা আমি পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিতে চাই। এতে ভারতও লজ্জা পায়। কীভাবে আমরা এ কথা বলি? বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কটা ভালো আছে। অহেতুক কথা বলে এটা (বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক) নষ্ট করবেন না।

আওয়ামী লীগ নেতারা বলেছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বেফাঁস মন্তব্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হতে পারে। কারণ, তার দেশের সরকার টিকিয়ে রাখছে অন্য দেশের সরকার। এতে তারা (জনগণ) মনে করতে পারে তাদের ভোটের দাম নেই। তার (পররাষ্ট্রমন্ত্রী) এই বক্তব্য ঠিক হয়নি।

সাধারণ জনগণ বলছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন তা দেশের জন্য সম্মানজনক নয়। গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে আরও দায়িত্বশীল কথা বলা উচিত।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বক্তব্য নিয়ে চলছে তীব্র সমালোচনা। তারা বলছেন, আমাদের দেশ কারা চালাচ্ছে.? একটি দেশ ধ্বংস হওয়ার জন্য জঘন্য রাজা, ঘুমন্ত প্রজা এবং বিক্রিত মন্ত্রীরাই যথেষ্ট!

শামীম মল্লিক নামে একজন লিখেছেন, রাষ্ট্রবিরোধী এবং দেশদ্রোহী বিশ্বাসঘাতকতার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করা উচিত। কেনো ভারতের সহায়তা চেয়েছে জানার জন্য, প্রয়োজনে বিচার বিভাগীয় তদন্ত সাপেক্ষে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

মতিউর রহমান নামে আরেকজন লিখেছেন, একটি স্বাধীন দেশের মন্ত্রীর বক্তব্য এমন হতে পারে! স্বাধীন দেশের স্বাধীন জনগণের প্রতি আস্থা বা বিশ্বাস নেই। মুজিবের আদর্শের ৩০ লাখ শহীদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করেছে এরা দেশদ্রোহী ।

সীমান্তে অস্থিরতা কমাতে নেপিদোকে বার্তা দেবে বেইজিং: চীনা রাষ্ট্রদূত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেছেন, সীমান্তে অস্থিরতা কমাতে নেপিদোকে বার্তা দেবে বেইজিং।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব অ্যাডমিরাল (অব.) খুরশেদ আলমের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, তারা রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের উপায়, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে সাম্প্রতিক ঘটনা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছে।

গত সপ্তাহের শুরুর দিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিয়ানমার-সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে আসিয়ান কূটনীতিক ও ঢাকায় অবস্থানরত অন্যান্য বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে পৃথক ব্রিফিং করে এবং মিয়ানমারের বারবার সীমান্ত আইন লঙ্ঘন বন্ধে তাদের হস্তক্ষেপের অনুরোধ জানায়।

গত ২০ সেপ্টেম্বর ওই বৈঠকে ঢাকায় চীনা দূতাবাসের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না।

খুরশেদ আলম সাংবাদিকদের বলেন, আমরা গত সপ্তাহে বিদেশি কূটনীতিকদের সীমান্ত পরিস্থিতি জানিয়েছি। যেহেতু চীনা দূতাবাসের কেউ সেখানে ছিল না, তাই আমরা আজ তাদের বিষয়টি জানিয়েছি।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনের সঙ্গে জড়িত ত্রিপাক্ষিক প্রক্রিয়াকে গতিশীল করতে চীনের নতুন উদ্যোগের অনুরোধ করেছি। ২০১৭ সালে সবচেয়ে বড় অনুপ্রবেশের পর থেকে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাদের এখনো প্রত্যাবাসন সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও বলেন, 'লি জিমিং আশ্বাস দিয়েছেন- চীন মিয়ানমারের সীমান্ত বিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি নেপিডোর কাছে উত্থাপন করবে। আমাদের লক্ষ্য যত দ্রুত সম্ভব রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করা। এখানকার পরিস্থিতি ভালো নয়, তাই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করা দরকার।

;

করতোয়ায় নৌকাডুবি: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫০



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, পঞ্চগড়
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মাড়েয়া ইউনিয়নের আউলিয়ার ঘাট এলাকায় করতোয়া নদীতে নৌকা ডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে, এখনও অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দিনভর পঞ্চগড় জেলার মাড়েয়া, দেবীগঞ্জ, দিনজপুরের বীরগঞ্জ, খানসামা থেকে ২৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এর আগে, রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়নের আউলিয়া ঘাটে করতোয়া নদী নৌকা দিয়ে পার হতে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

উদ্ধার হওয়া মরদেহের মধ্যে নারী ২৫ জন, শিশু ১৩ জন এবং পুরুষ ১২ জন। নিহতদের অধিকাংশ সনাতন ধর্মাবলম্বীর। এদিকে এ ঘটনায় ২৫ থেকে ২৭ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে।

দিতীয় দিনে উদ্ধার নিহতরা হলেন, হাতেম আলী (৭০) শ্যামলী রানি (১৪), লক্ষী রানি (২৫), অমল চন্দ্র (৩৫) শোভা রানি (২৭), দিপঙ্কর (৩) পিয়ন্ত (২.৫) রুপাালি ওরোফে খুকি রানি (৩৫), প্রমিলা রানি (৫৫) অনবালা (৬০) সুনিতা রানি (৬০), ফাল্গুনী (৪৫) প্রমিলা দেবী (৭০), জ্যোতিশ চন্দ্র (৫৫), তারা রানি (২৫), বিষ্ণু (৩), সফলতা রানি (৪০), বিলাশ চন্দ্র (৪৫), শ্যামলী রানি ওরফে শিমুলি (৩৫), উশোশি (৮), তনুশ্রী (৫), শ্রেয়সী, প্রিয়ন্তী (৮), সনেকা রানী (৬০), ব্রজেন্দ্র নাথ (৫৫), ঝর্ণা রানী (৪৫), দীপ বাবু (১০), সূচিত্রা (২২), কবিতা রানী (৫০), বেজ্যে বালা (৫০), দিপশিখা রানী (১০), সুব্রত (২), জগদীশ (৩৫), যতি মিম্রয় (১৫), গেন্দা রানী (৫০), কনিকা রানী (৪০), সূমিত্রা রানী (৪৫), আদরী (৫০), পূষ্পা রানী (৫০), প্রতিমা রানী (৫০), সূর্যনাথ বর্মন (১২), হরিকেশর বর্মন (৪৫), নিখিল চন্দ্র (৬০), সুশীল চন্দ্র (৬৫), যুথি রানী (০১), রাজমোহন অধিকারী (৬৫), রূপালী রানী (৩৮), প্রদীপ রায় (৩০) এবং পারুল রানী (৩২) ও প্রতিমা রানী (৩৯)।

জানা যায়, হিন্দু সম্প্রাদয়ের বড় উৎসব মহালয়া। এ উপলক্ষ্যে রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বোদা উপজেলার মাড়েয়া বাজার এলাকার আউলিয়া ঘাট থেকে শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নৌকাযোগে ১০০ জনের বেশি যাত্রী বড়শশী ইউনিয়নের বদেশ্বরী মন্দিরে (নদীর অপর পাড়ে) যাচ্ছিলেন। একপর্যায়ে মাঝ নদীতে নৌকাটি ডুবে যায়। এ সময় কয়েকজন সাঁতরে তীরে ওঠেন। ঘটনাস্থলেই ২৫ জনের মৃত্যু হয়।

;

কলড্রপে গ্রাহককে ক্ষতিপূরণ, ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কল ড্রপ হলে গ্রাহককে ক্ষতিপূরণ দিতে মোবাইল অপারেটরদের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এ নির্দেশনা কার্যকর হবে।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রমনায় বিটিআরসি কার্যালয়ে কল ড্রপ ও ক্ষতিপূরণ নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানানো হয়।

ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার অনলাইনে যুক্ত হয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, মোবাইলের কলড্রপ বন্ধসহ নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল সেবা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

তিনি বলেন, গ্রাহকগণ অর্থের বিনিময়ে যে সেবা গ্রহণ করেন তার পুরোটা পাওয়ার অধিকার তাদের আছে। অন্যদিকে কলড্রপের ক্ষতিপূরণ যাতে অপারেটরদেকে দিতে না হয় সেজন্য অবশ্যই অবকাঠামোর যথাযথ উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। বিদ্যমান হাজার হাজার বিটিএস সাইটে ধারণ ক্ষমতার বেশি গ্রাহক বৃদ্ধির প্রবণতা বন্ধ করে অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে সুস্থ ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতায় মোবাইল অপারেটরসমূহকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

গ্রাহকের কলড্রপের ভোগান্তি টাকা ফেরত দিলেই ক্ষতিপূরণ হবে তা ঠিক নয় বরং যে সেবার জন্য গ্রাহক তার অর্থ পরিশোধ করছে অপারেটরসমুহ তা দিতে না পারার জন্য তাকে তার টাকা ফেরত দিচ্ছে এটা গ্রাহকের অধিকার এবং বিষয়টি একটি মাইলফলক সিদ্ধান্ত বলে মন্ত্রী জানান।

তিনি আরও বলেন, কলড্রপের জন্য টাকা ফেরত চাই না, ভাল সেবা দিন ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না। মন্ত্রী কলড্রপ বন্ধে বিটিআরসি‘র নিরলস ভূমিকার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব মো: খলিলুর রহমান, বিটিআরসি চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার এবং বিটিআরসির সংশ্লিষ্ট পদস্থ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

;

দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইজিপির নির্দেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের হল অব প্রাইডে আসন্ন দুর্গোৎসব উপলক্ষে আয়োজিত নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক সভায় এ নির্দেশ দেন।

আইজিপি বলেন, দুর্গাপূজা নিরাপদে উদযাপনের লক্ষ্যে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রাক-পূজা, পূজা চলাকালীন, ও পূজা পরবর্তী তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এ দেশের মানুষের অস্তিত্বের সঙ্গে মিশে আছে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এবারও শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে।

আইজিপি বলেন, কমিউনিটি পুলিশের সদস্য এবং বিট পুলিশ কর্মকর্তাকে সংশ্লিষ্ট পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে সকল পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

সভায় উপস্থিত হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা আইজিপি’র প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং বাংলাদেশ পুলিশকে ধন্যবাদ জানান।

সভায় সকল পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে হ্যান্ডহেল্ড মেটাল ডিটেকটর ও আর্চওয়ে গেট স্থাপন, মণ্ডপে সার্বক্ষণিক স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ, নারী ও পুরুষের জন্য পৃথক প্রবেশ ও প্রস্থান পথের ব্যবস্থা করা, পর্যাপ্ত আলো, স্ট্যান্ডবাই জেনারেটর, চার্জার লাইটের ব্যবস্থা করা, আজান ও নামাজের সময় উচ্চশব্দে মাইক ব্যবহার না করার জন্য পূজা উদযাপন কমিটির প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। যে কোন জরুরি প্রয়োজনে জাতীয় জরুরি পুলিশ সেবা-৯৯৯-এ কল করার জন্যও অনুরোধ করা হয়েছে।

সভায় অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এম খুরশীদ হোসেন, স্পেশাল ব্রাঞ্চের প্রধান (অতিরিক্ত আইজি) মো. মনিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জে. এল. ভৌমিক ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. চন্দ্রনাথ পোদ্দার, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি মনীন্দ্র কুমার নাথ ও সাধারণ সম্পাদক রমেন মন্ডল, রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের স্বামী কল্পেশানন্দ প্রমুখ এবং ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সকল মেট্রোপলিটন কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও পুলিশ সুপারগণ ভার্চুয়ালি সভায় যুক্ত ছিলেন।

উল্লেখ, এ বছর সারাদেশে ৩২ হাজার ১৬৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে।

;