চার দিনের সফরে কিশোরগঞ্জ যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

  • Font increase
  • Font Decrease

চারদিনের সফরে আগামী ২২ আগস্ট নিজ জেলা কিশোরগঞ্জ যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ।

রাষ্ট্রপ্রধান কিশোরগঞ্জ জেলার হাওরের মিঠামইন, অষ্টগ্রাম ও ইটনা উপজেলায় চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি পরিদর্শন করবেন এবং প্রতিটি উপজেলায় সুশীল সমাজ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন এ কথা জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি ২২ আগস্ট বিকেল সোয়া ৩টার দিকে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হবেন। এরপর মিঠামইনে পৌঁছানোর পর বিকেল ৪টার দিকে মিঠামইন ডাকবাংলোয় তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হবে।

সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মিঠামইনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ অডিটরিয়ামে সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করবেন তিনি।
মতবিনিময় সভা শেষে নিজ বাড়ি কামালপুরে যাবেন এবং সেখানে রাতযাপন করবেন।

পরের দিন ২৩ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে মিঠামইন উপজেলায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শন করবেন রাষ্ট্রপতি।

এরপর বিকেল ৩টার দিকে সড়কপথে মিঠামইন থেকে অষ্টগ্রাম উপজেলার উদ্দেশে রওনা হবেন। অষ্টগ্রাম উপজেলায় পৌঁছে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শন করবেন তিনি। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করবেন রাষ্ট্রপতি।
মতবিনিময় সভা শেষে রাতে সড়কপথে মিঠামইনের নিজ বাসভবনে পৌঁছে রাতযাপন করবেন তিনি।

পরের দিন ২৪ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে মিঠামইন উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শন করবেন রাষ্ট্রপতি। এরপর বিকেল ৩টার দিকে নৌযানযোগে নির্মাণাধীন মিঠামইন সেনানিবাস পরিদর্শন করবেন তিনি।

বিকেল ৫টার দিকে সড়কপথে রাষ্ট্রপতি মিঠামইন থেকে ইটনা উপজেলায় গমন করবেন এবং সেখানে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করবেন।
সন্ধ্যা ৭টার দিকে ইটনায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ অডিটোরিয়ামে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করবেন আবদুল হামিদ।

মতবিনিময় সভা শেষে রাতে তিনি সড়কপথে মিঠামইনের উদ্দেশে রওনা হবেন এবং মিঠামইন পৌঁছে নিজ বাসভবনে রাতযাপন করবেন। পরের দিন ২৫ আগস্ট বিকেলে হেলিকপ্টারে মিঠামইন থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে রাষ্ট্রপতির।

বগুড়ায় পূজা মণ্ডপে বিদ্যুতায়িত হয়ে যুবকের মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, বগুড়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়ার শেরপুরে পূজা মণ্ডপে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রুপম কর্মকার জগো (৩২) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (৫ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে শেরপুর পৌরশহরের শিশুপার্ক এলাকায় পুবালী সংঘ আয়োজিত সার্বজনীন দুর্গাপূজা মণ্ডপে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

রুপম কর্মকার শেরপুর পৌর শহরের উত্তর সাহাপাড়া এলাকার মৃত রঘুনাথ কর্মকারের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, রুপম কর্মকার পূবালী সংঘ আয়োজিত সার্বজনীন দুর্গাপূজা মণ্ডপ থেকে বিসর্জনের জন্য প্রতিমা নামানোর কাজ করছিলেন। সেসময় পূজা মণ্ডপের আলোক সজ্জার বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতাউর রহমান বলেন,পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

;

ঘাস বিক্রির টাকায় সংসার চালান ৬০০ দরিদ্র পরিবার



আরিফুল ইসলাম, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
ঘাস বিক্রির টাকায় সংসার চালায় ৬০০ দরিদ্র পরিবার

ঘাস বিক্রির টাকায় সংসার চালায় ৬০০ দরিদ্র পরিবার

  • Font increase
  • Font Decrease

যমুনা নদীর পানি কমে যাওয়ায় জেগে ওঠেছে অসংখ্য চর। বিস্তীর্ণ এই বালুময় চরাঞ্চলে দু’চোখ যে দিকে যায় শুধু সবুজ ঘাসের সমারোহ। চারদিক শুধু সবুজ আর সবুজ। চরাঞ্চলের ঘাস বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ ও সংসার চালান টাঙ্গাইলের প্রায় ৬ শতাধিক দরিদ্র পরিবার। জেলার ভূঞাপুর, কালিহাতী ও গোপালপুর উপজেলায় বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ঘাস বেচা-কেনার এমন চিত্র দেখা যায়।

যমুনা চরাঞ্চল এলাকাগুলোতে বরাবরই গো-খাদ্যের সংকট থাকে। যমুনা প্রমত্ত্ব হলে এ সংকট আরও তীব্রতর হয়। অসময়ে পানি বেড়ে নিচু এলাকার জমি ও বাড়ির আঙিনা তলিয়ে যাওয়ায় ওইসব এলাকায় গো-খাদ্যের ব্যাপক চাহিদা দেখা দেয়। গো-খাদ্য সংকটের কারণেই মূলত ঘাস বেচা-কেনা পেশা হিসেবে বেছে নেয় অনেকে।

গোপালপুরের নলিন, ভূঞাপুর উপজেলার কুঠিবয়ড়া, গোবিন্দাসী ফেরি ঘাট, মাটিকাটা, ন্যাংড়া বাজার, সিরাজকান্দী, পাথাইলকান্দি এবং কালিহাতী উপজেলার বেলটিয়া এলাকায় বর্তমানে সকাল-বিকাল বিভিন্ন জাতের ঘাসের হাট বসে। বিভিন্ন এলাকার ক্রেতারা ওইসব এলাকায় আসেন ঘাস কিনতে।

গরু-ছাগলের খাদ্য হিসেবে পরিচিত ঘাসের মধ্যে নেপিয়ার, দুর্বাঘাস, গর্বাঘাস, কাঠাঁলপাতাসহ আরও অনেক রকমের ঘাস বিক্রি হয়। যমুনার তীর ঘেঁষা ওই বাজারগুলো এক সময় টাটকা মাছের বাজার হিসেবে পরিচিত হলেও বর্তমানে তা ‘ঘাসের বাজার’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

এসব বাজারে প্রতি আঁটি ঘাস বিভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে। এক আঁটি কাঁঠাল পাতা ২০-৩০ টাকা, দুর্বাঘাস প্রতি আঁটি ৭০-৮০ টাকা, গর্বাঘাস ৮০-১২০ টাকা, নেপিয়ার ঘাস প্রকার ভেদে ৩০-৮০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা দাম কষাকষি করে চাহিদা মতো ঘাস কিনছেন।

যমুনার তীরঘেষা নলীন বাজারে ঘাস বিক্রি করতে আসা বাসুদেবকোল গ্রামের ছানোয়ার হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে ঘাস বিক্রি করেই আমাদের সংসার চলে। শরৎকাল মৌসুমে চরাঞ্চলে সাধারণত কাজ থাকে না। তাই এ মৌসুমে ঘাস বিক্রি করে দিনে ৪০০-৫০০ টাকা রোজগার হয়। তা দিয়ে কোন রকম সংসার চলে।

গোবিন্দাসী বাজারের ঘাস বিক্রেতা মোতালেব বলেন, আমরা গরিব মানুষ। বর্ষা এলে কাজ না থাকায় ঘাস আর মাছ বিক্রির টাকায় আমাদের সংসার চলে। চলে ছেলে-মেয়েদের পড়ালেখাও। সকালে বাজারে এসে ঘাস বিক্রি করতে পারলে প্রতিদিন নৌকা খরচ বাদে গড়ে ৪০০-৫০০ টাকা উপার্জন করি।


নিকরাইলের ন্যাংড়া বাজারে ঘাস ক্রেতা নাজমুল, শাহজাহান, আরিফ আকন্দসহ অনেকেই বলেন, তাদের ৪-৭টি করে গবাদী পশু রয়েছে। সাধারণত বর্ষা মৌসুমে গো-খাদ্যের সংকট বেশি থাকে। তাই বর্ষা সময়ে চরাঞ্চলের ঘাসই তাদের মূল ভরসা। তারা এ বাজার থেকে নিয়মিত ঘাস কেনেন।

প্রবীণ সাংবাদিক আসাদুল ইসলাম বাবুল বলেন, যমুনা চরাঞ্চলের মানুষের জীবনধারণ আসলে খুব কষ্টের। নদী তীরবর্তী এলাকার গো-খাদ্যের যোগান দিতে মূলত ঘাসের বাজারগুলো গড়ে ওঠেছে। এসব বাজারকে কেন্দ্র করে চরাঞ্চলের অনেক পরিবার জীবিকা নির্বাহ করছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. স্বপন চন্দ্র দেবনাথ বলেন, বর্ষা মৌসুমে গো-খাদ্যের সংকট দেখা দেয়। সেসময় চরাঞ্চলের অনেক পরিবার চর থেকে বিভিন্ন জাতের কাঁচা ঘাস সংগ্রহ করে স্থানীয় হাট-বাজারে বিক্রি করে। এতে করে তাদের সংসার চলে ও তাদের গবাদি পশুর চাহিাদাও পূরণ হয়। এছাড়াও উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে প্রায় ২০০ খামারি ঘাস চাষ করে নিজেদের চাহিদা পূরণ করেও বিক্রি করে আসছেন।

;

প্রধানমন্ত্রীকে কটুক্তি: রাজবাড়ীতে মহিলা দলের নেত্রী গ্রেফতার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
সোনিয়া আক্তার স্মৃতি

সোনিয়া আক্তার স্মৃতি

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটুক্তি করে নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করার অভিযোগে সোনিয়া আক্তার স্মৃতি নামে রাজবাড়ী জেলা মহিলা দলের সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. সামসুল আরেফিন চৌধুরীর এজাহারের প্রেক্ষিতে রাজবাড়ী সদর থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

সোনিয়া আক্তার স্মৃতি রাজবাড়ী পৌরসভার ৩নং বেড়াডাঙ্গা এলাকার মো. খোকনের স্ত্রী। তিনি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘রাজবাড়ী ব্লাড ডোনার্স ক্লাব’ নামে একটি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা। নিজের ফেসবুক আইডিতে বিভিন্ন সময় সরকারের বিপক্ষে লেখালেখি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।। তার স্বামী মো. খোকন আহম্মেদ একজন প্রবাসী।

মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে রাজবাড়ী পৌরসভার বেড়াডাঙ্গা এলাকার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে রাজবাড়ী সদর থানা পুলিশ।

মো: সামসুল আরেফিন চৌধুরীর এজাহারের প্রেক্ষিতে রাজবাড়ী সদর থানার পুলিশ দন্ডবিধি ১৫৩ ও ৫০৫ ধারায় মামলা গ্রহণ করে। রাজবাড়ী জেলা পুলিশের এক পরিদর্শক মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করিবার লক্ষ্যে উল্লেখিত মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানীকার ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত বক্তব্য সামজিক যোগাযোগ মাধ্যম/ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচার করেন।

গ্রেফতারের আগে ফেসবুক লাইভে আসেন সোনিয়া আক্তার স্মৃতি। সেখানে পুলিশকে উদ্দেশ্যে করে তিনি বলেন, আমাকে মধ্যরাতে কেন ধরতে আসছেন? আমি তো পালিয়ে যাচ্ছি না। আমার ছোট ছোট দুইটা বাচ্চা আছে। আমি তাদের রেখে আসছি। আমাকে ১০-১৫ মিনিট সময় দেন। আমি স্বেচ্ছায় বের হচ্ছি। তিনি ভাল আছেন, সুস্থ্য আছেন বলে ফেসবুকে সবার উদ্দেশ্যে জানান।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজবাড়ী সদর থানার উপ-পরিদর্শক আলেয়া আক্তার বলেন, সদর থানায় মামলার প্রেক্ষিতে রাতে তাকে নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

জেলা মহিলা দলের এই সদস্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপির পক্ষে লেখালেখি করেন এবং বিভিন্ন সময়ে সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন। ফেসবুকে সরকারবিরোধী পোস্ট করার কারণে তিনি অনেক সময় প্রতিপক্ষের রোষাণলে পড়েছেন। সম্প্রতি রাজবাড়ী বিএনপির দলীয় কার্যালয় থেকে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে লাঞ্ছিত হয়েছিলেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় থাকা নারী সোনিয়া আক্তার স্মৃতি।

গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, সোনিয়া আক্তারের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা রয়েছে। রাতেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ বুধবার (৫ অক্টোবর) তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

এর আগে গত সোমবার সন্ধ্যায় সামসুল আরেফিন চৌধুরী নামের স্থানীয় এক আওয়ামী লীগের নেতা ফেসবুক পোস্টের বিষয়ে রাজবাড়ী সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পরে অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়। প্রধানমন্ত্রীকে কটুক্তি করে প্রায় এক মাসে আগে ফেসবুকে ওই পোস্ট তিনি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ সূত্রে জানা যায়।

 

;

চুয়াডাঙ্গায় মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে শিশুর মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চুয়াডাঙ্গা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে ৮ মাস বয়সী শিশু আব্দুর রহমানের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। 

বুধবার (০৫ অক্টোবর) সাড়ে ১১টার দিকে জীবননগর-তেতুলিয়া সড়কের একটি চালমিলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত শিশুটির মা শান্তা খাতুনকে উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহত আব্দুর রহমান (৮) জীবননগর পৌর এলাকার শাপলাকলিপাড়ার রুবেল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, সকালে শিশু আব্দুর রহমানকে নিয়ে পাখিভ্যানযোগে বাবার বাড়ি তেতুলিয়া গ্রামে যাচ্ছিলেন মা শান্তা খাতুন। এসময় জীবননগর-তেতুলিয়া সড়কের হাসেম মিয়ার চাতালের সামনে পৌঁছালে পাখিভ্যানটি ভেঙে যায়। এতে ভ্যান থেকে পাকা রাস্তার উপর ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন মা শান্তা খাতুন ও শিশু আব্দুর রহমান। তাদের উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত মা শান্তা খাতুনকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, শিশু আব্দুর রহমানের মাথায় প্রচণ্ড আঘাত লাগায় হাসপাতালে নেয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়। মা শান্তা খাতুনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে।

জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেক জানান, নিহত শিশুর মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। কোন অভিযোগ না থাকায় আবেদনের প্রেক্ষিতে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

;