ভোলায় মেঘনার পানি বিপৎসীমার ওপর, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ভোলা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

পূর্ণিমার প্রভাবে ভোলায় গত কয়েক দিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি ও অস্বাভাবিক জোয়ারে মেঘনার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নিম্নাঞ্চল এবং বেড়িবাঁধের বাইরের এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে অন্তত ২৫ গ্রামের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর, চর নিজাম, মুজিবনগর, মনপুরার কাজির চর এবং সদরের মেঘনা নদীর তীরবর্তী এলাকার শত শত একর জমির ফসল ও পুকুরের মাছ জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে।

শনিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে ভোলার মেঘনা নদীরর পানি বিপৎসীমার ৯১ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হয়েছে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা যায়।

জোয়ারের প্রভারে ভোলায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

জোয়ারের পানিতে রাস্তাঘাট, ঘর-বাড়িসহ বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগ পড়েছে ভোলার চরাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকা ও বাঁধের বাইরের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। জেলার ঢালচর, চর নিজাম, মুজিবনগর,কুকরি-মুকরি, মদনপুর, মনপুরার কাজির চর এবং মেঘনা নদীর তীরবর্তী সদরের ইলিশা, রাজাপুর ও ধনিয়ায় বাঁধের বাইরের নিম্নাঞ্চলের ২৫ গ্রামের মানুষ পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

চরফ্যাশনের ঢালচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাম হাওলাদার জানিয়েছেন, তার ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো সহায়তা পায়নি। শত শত মানুষ নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। পানি উঠে আবার নেমে গেলেও লবণাক্ততার সৃষ্টি হওয়ায় জমির উর্বরতা কমে গেছে। ভবিষ্যতে এসব এলাকায় ফসল হবে না বলেও আশঙ্কা করছেন তারা।

মেঘনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ঘরবাড়িতে উঠেছে

ভোলার ইলিশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ছোটন জানান, তার এলাকায় গত কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও অতি জোয়ারের কারণে বাঁধের কয়েকটি পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট চিহ্নিত করে সংস্কারের দাবি করেছেন তিনি। এছাড়া বাঁধের বাইরে যে সমস্ত এলাকায় জোয়ারের পানি উঠেছে তাতে মানুষের পুকুরের মাছ ও ফসলের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এসব মানুষের জন্য সাহায্য সহযোগিতার দাবি করেন তিনি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ভোলা-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান জানিয়েছেন, এ মৌসুমে ভোলায় সর্বোচ্চ জোয়ার প্রবাহিত হচ্ছে। তাই তাদের নিয়মিত মনিটরিং রয়েছে। বাঁধের যে সমস্ত জায়গায় ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছেন, সে সমস্ত জায়গায় বালুভর্তি জিও ব্যাগ দিয়ে মেরামত করা হচ্ছে। দৌলতখানে ২ শত মিটার বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় মেরামত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশ থেকে আবারও জনবল নেয়া শুরু করেছে মলদোভা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় পর মলদোভা আবারও বাংলাদেশ থেকে জনবল নিয়োগ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, নিজ দেশে বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর মলদোভা অবশেষে বাংলাদেশি শ্রমিক নিতে সম্মত হয়েছে।

প্রথম ব্যাচে ২৮ জন বাংলাদেশিকে মলদোভার ভিসা দেওয়া হয়েছে। যারা অ্যালুমিনিয়াম জানালা তৈরির কারখানায় কাজ করবে।

ড. মোমেন আরও বলেন, মলদোভা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ভিসা পেতে আরও ৪০ জন বাংলাদেশি কর্মী অপেক্ষায় রয়েছেন।

;

চাঁদপুরে বাসায় ঢুকে আ.লীগ নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চাঁদপুর
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চাঁদপুর শহরে বাসায় ঢুকে রফিকুল্লাহ (৭০) নামের এক আওয়ামী লীগ নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শহরের নতুন বাজারের সফিউল্লাহ বোর্ডিংয়ের তিনতলার বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রফিকুল্লাহ চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও শহীদ জাবেদ মুক্ত স্কাউট গ্রুপের সভাপতি। এ ঘটনায় বাসার কেয়ারটেকার মো. মিরাজকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশিদ বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। ওই বাসার কেয়ারটেকারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায় বলেন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন আছে। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

;

জলবায়ু ইস্যুতে ধনী দেশগুলোর অবদান ‘দুঃখজনক’: প্রধানমন্ত্রী



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলবায়ু ইস্যুতে ধনী দেশগুলোর অর্থবহ পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থতাকে ‘দুঃখজনক’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, এক্ষেত্রে কার্বন নিঃসরণের জন্য দায়ী দেশগুলো জোরালো বক্তব্য রাখলেও পরিস্থিতির গুরুত্বের সঙ্গে তাদের কার্যক্রম সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের (ইউএনজিএ) ফাঁকে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তারা শুধু কথা বলে, কিন্তু কাজ করে না। অথচ তারাই এই বিপর্যয়ের জন্য দায়ী।

শেখ হাসিনা বলেন, এটা ধনী ও উন্নত দেশগুলোর দায়িত্ব। তাদেরই এই ইস্যুতে এগিয়ে আসা উচিৎ। কিন্তু, আমরা তাদের দিক থেকে সেই ধরনের কোন সাড়া পাচ্ছি না। এটাই দুঃখজনক।

তিনি বলেন, আমি জানি- ধনী দেশগুলো আরও ধনী হতে চায়। তারা অন্যদের নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়। শেখ হাসিনার বক্তব্যের সঙ্গে সংযোজন করে এএফপি মন্তব্য করেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে ঘন জনবসতিপূর্ণ ডেল্টা ও নিম্নাঞ্চলীয় বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ দেশ।

এএফপি আরও বলেছে, বাংলাদেশ পৃথিবীকে উষ্ণায়নের জন্য দায়ী খুবই সামান্য পরিমাণ গ্রিনহাউস গ্যাস নিৎসরণ করে।

প্যারিস চুক্তি অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলা করে টিকে থাকার জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা করতে ২০২০ সাল নাগাদ বছরে ১শ বিলিয়ন মার্কিন ডলার চাওয়া হয়েছে।

অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার মতে, ওই বছর, বেসরকারি মাধ্যমসহ ৮৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে।

ফরাসি বার্তা সংস্থা পূর্বাভাসে জানিয়েছে, নভেম্বরে মিশরে অনুষ্ঠেয় পরবর্তী জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনটি সবচেয়ে বড় যে সমস্যাটির সম্মুখীন হতে যাচ্ছে, তা হলো- ধনীদেশগুলোকে অভিযোজন ও প্রশমন ছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়-ক্ষতির জন্যও অর্থ দিতে হবে কিনা।

এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা চাই যে তহবিলটি আরও বৃদ্ধি হোক। কিন্তু, দুর্ভাগ্যজনক যে আমরা উন্নত দেশগুলার কাছ থেকে সাড়া পাচ্ছি না।

এএফপি জানিয়েছে যে ধনী দেশগুলো ২০২৪ সাল পর্যন্ত শুধু ক্ষয়ক্ষতির ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনার জন্য সম্মত হয়েছে।

এ বছর ইউএনজিএ জলবায়ু সুবিচারের জন্য বারংবার আহ্বান জানিয়েছে। এছাড়াও ছোট্ট দেশ ভানুয়াতুর নেতা জীবাশ্বা জ্বালানির বিরুদ্ধে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি করতে আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী যে ধরনের ভয়াবহ বন্যায় তার দেশের এক-তৃতীয়াংশ প্লাবিত হয়েছে, বিশ্বের অন্যান্য স্থানেও একই ধরনের ভয়াবহ বন্যা হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন।

রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ

এএফপি মন্তব্য করেছে, বাংলাদেশ পশ্চিমের যে নিষ্ক্রিয়তা দেখছে তাতে জলবায়ুই একমাত্র ইস্যু নয়, রোহিঙ্গা সংকট আরেকটি বড় সমস্যা। করোনার প্রাদুর্ভাব ও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে যেখান থেকে ধনী দেশগুলোর মনোযোগ সরে গেছে। এতে আরও বলা হয়েছে, প্রতিবেশী মিয়ানমারে ২০১৭ সালে সংখ্যালঘুদের ওপর দেশটির সেনাবাহিনীর নির্মম অভিযানের কারণে প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে, এ অভিযানকে যুক্তরাষ্ট্র গণহত্যা বলে বর্ণনা করেছিল।

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থাটি আরও বলেছে, সহিংসতার কারণে পালিয়ে আসা আগের এক লাখসহ এসব শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়ায় বিশ্ব বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছিল। কিন্তু কোভিড-১৯ মহামারি ও বর্তমানে চলা রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকে মনোযোগ সরে গেছে।

‘যতক্ষণ তারা আমাদের দেশে আছে, আমরা মনে করি, এটি আমাদের দায়িত্ব’ এ কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিন্তু বাংলাদেশি আশ্রয়দাতাদের ধৈর্য ক্ষীণ হয়ে আসছে। এএফপিও স্মরণ করেছে জাতিসংঘের তৎকালীন মানবাধিকার প্রধান মিশেল ব্যাচেলেট এই বছরের আগস্টে এক সফরে মন্তব্য করেছিলেন, বাংলাদেশে রোহিঙ্গা বিরোধী মনোভাব বাড়ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় জনগণকে যথেষ্ট ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। আমি বলব না যে তারা ক্ষুব্ধ, তবে তারা অস্বস্তি বোধ করছে। সব বোঝাই আমাদের উপর এসে পড়ছে। এটাই সমস্যা।

সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, তাদের খোলা জায়গা দেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়, কারণ তা তাদের নিজের দেশেই রয়েছে। তারা সেখানে ফিরে যেতে চায়। আর এটাই সবার মূল অগ্রাধিকার। কেউ যদি তাদের নিতে চায়, তারা নিতে পারে।

;

এক দিনে রেকর্ড ৪৪০ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দিন যত যাচ্ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪০ জন ডেঙ্গু রোগী রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ বছর এক দিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক রোগীর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার রেকর্ড। এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর ৪৩৮ জন ভর্তি হয়েছিলেন।

আজকে ডেঙ্গুতে নতুন করে কারো মৃত্যু হয়নি। এ বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ৫০ জন।

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সারা দেশের পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গু বিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪০ জন ডেঙ্গু রোগী রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩২৫ জন ঢাকার বাসিন্দা। ঢাকার বাইরে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১১৫ জন। সবমিলিয়ে বর্তমানে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন এক হাজার ২৭২ জন। আর ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি আছেন ৩৫৬ জন।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ (২৪ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৩ হাজার ৪৪০ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১১ হাজার ৭৬২ জন।

গত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর সিটি করপোরেশনকে ডেঙ্গু ভাইরাসের বড় ধরনের প্রাদুর্ভাবের বিষয়ে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

;