‘শিশুদের উন্নয়নে আইন পরিবর্তন দরকার হলে অবশ্যই করা হবে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, শিশুদের উন্নয়নের জন্য আইনে যেসব পরিবর্তন করা দরকার তা অবশ্যই করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে ‘শিশু অধিকার সুরক্ষায় বাংলাদশের আইন পর্যালোচনা’ বিষয়ক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, শিশুরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। তাই সকল শিশুকে সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ করে দিতে হবে। এক্ষেত্রে কোন পথশিশু (টোকাই) ও বিত্তবানের শিশুর মধ্যেও পার্থক্য থাকা উচিত নয়।

তিনি বলেন, সরকার শিশুদের মধ্যে বৈষম্য দূরীকরণের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। দেশে বৈষম্য বিরোধী নামে একটি আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি ।

আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার এমন আইন করতে চায়, যেটা সমাজে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

তিনি বলেন, বাস্তবসম্মত নয়- এমন আইন সমাজের ঘাড়ে চাপিয়ে দিলে, তা কেবল আইনের বইতেই থাকবে। বাস্তবে কোন কাজে আসবে না। যেটা সরকার চায় না।

মন্ত্রী বলেন, শিশুদের সুরক্ষা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সম্মিলিত প্রয়াস চালাতে হবে। এর পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে আনিসুল হক বলেন, আজকের বৈশ্বিক বাস্তবতায় জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি ছাড়া সরকারের আর কোন উপায় ছিল না।

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের পরিচালক (এডভোকেসি) টনি মাইকেল গমসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শামসুল হক টুকু, আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারোয়ার, গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধুরী বক্তৃতা করেন।

ই-নামজারি: প্রথম ৩৯ ঘণ্টায় অনলাইনে ৭৭ লাখ টাকা রাজস্ব আদায়



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ক্যাশলেস ই-নামজারি ব্যবস্থায় ভূমিসেবা গ্রাহকদের ইতিবাচক সাড়া পড়েছে। প্রথম ৩৯ ঘণ্টায় অনলাইনে ফি বাবদ সরকারের ৭৭ লাখ টাকা আদায় হয়েছে।

শনিবার থেকে রোববার বিকেল ৩টা পর্যন্ত জমির নামজারি ফি বাবদ অনলাইন পেমেন্টের মাধ্যমে এ টাকা আদায় হয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের পূর্ব-ঘোষণা অনুযায়ী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ম্যানুয়াল বা নগদ তথা ক্যাশে কোনো ধরনের নামজারি ফি গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ক্যাশলেস ই-নামজারি ব্যবস্থা প্রবর্তনের পর রোববার বেলা ৩টা নাগাদ ৬ হাজার ২শটিরও বেশি অটোমেটেড কিউআরকোড সমৃদ্ধ ডিসিআর সংগ্রহ করেছেন ভূমিসেবা গ্রাহকরা। নামজারি আবেদন মঞ্জুর হলে ডিসিআর ফি জমা দিয়ে তারা ডিসিআর সংগ্রহ করেন। এই ফি বাবদ প্রায় ৬৯ লাখ টাকা অনলাইনে মোবাইল ওয়ালেট কিংবা ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছেন ভূমিসেবা গ্রাহকরা।

একই সময়ে সাড়ে ১১ হাজারের অধিক নতুন ই-নামজারি আবেদন জমা হয়েছে। আবেদন ফি বাবদ প্রায় ৮ লাখ টাকা একইভাবে সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। বিভিন্ন ই-নামজারি ফি বাবদ একই সময়ে মোট ৭৭ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে।

ই-নামজারি ব্যবস্থা ক্যাশলেস হবার কারণে নামজারি সংশ্লিষ্ট কাজে ভূমিসেবা গ্রাহকের সময়, খরচ এবং ভ্রমণ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। ফলে আশা করা যাচ্ছে এই সংক্রান্ত ভোগান্তি ও আরও অনেকাংশে কমে আসবে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হচ্ছে নামজারি সেবা গ্রহণের বেশ কয়েকটি ধাপ এখন সরকারি কার্যদিবস এবং কর্মঘণ্টার ওপর নির্ভরশীল নয়। নাগরিক যেকোনো সময়, এমনকি সরকারি ছুটির দিন নিজ সুবিধাজনক সময় আবেদন করতে পারছেন এবং ফি জমা দিতে পারছেন।

‘হিউম্যান-টু-হিউম্যান কন্টাক্ট’ কমে যাবার কারণে আসাধু ব্যক্তিদের অপতৎপরতার সুযোগ কমে এসেছে। এছাড়া, অনলাইনে শুনানির আবেদন গৃহীত হয়ে যাদের শুনানিও অনলাইনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে তাদের নামজারি মামলার শুনানির সময়ও ভূমি অফিসে যেতে হয় না। উল্লেখ্য, নামজারি আরও সহজ করতে দলিল মূলে নামজারি ব্যবস্থা স্থাপনেরও উদ্যোগ নিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

ব্যক্তি আবেদনে বা এলটি নোটিশ প্রাপ্তির পর সাধারণ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৮ কার্যদিবস, প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য মহানগরীর জন্য ৯ কার্যদিবস ও অন্যান্য ক্ষেত্রে ১২ কার্যদিবস এবং নির্দিষ্ট কয়েকটি জেলার বিনিয়োগবান্ধব শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য ৭ কার্যদিবসের মধ্যে নামজারি সেবা পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া সাধারণ ক্ষেত্রে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধারা জমির নামজারি সেবা পাচ্ছেন।

প্রসঙ্গত, বছরে নামজারি আবেদনের সংখ্যা ক্ষেত্রভেদে গড়ে ২২ থেকে ২৫ লাখের মধ্যে হয়ে থাকে। কোর্ট ফি ২০ টাকা এবং নোটিশ জারি ফি ৫০ টাকা একত্রে ই-নামজারি আবেদনের শুরুতে প্রদান করতে হয় বলে এই দুটি ফি একত্রে ই-নামজারি আবেদন ফি নামে পরিচিত। এছাড়া নামজারি আবেদন মঞ্জুর হলে রেকর্ড সংশোধন ফি এক হাজার টাকা এবং ও খতিয়ান সরবরাহ ফি এক শত টাকা দিয়ে ডিসিআর সংগ্রহ করতে হয় বলে এই পরবর্তী দুটি ফি ডিসিআর ফি নামেও পরিচিত। এই চার ধরনের ফি প্রদানে নামজারির জন্য মোট প্রকৃত খরচ এক হাজার এক শত ৭০ টাকা। এসকল ফি এখন থেকে অনলাইনে মোবাইল ওয়ালেট কিংবা ইন্টারনেট ব্যাংকিং-এর মাধ্যমেই পরিশোধ করতে হবে। কোনোভাবেই ম্যানুয়ালি তথা নগদ অর্থে পরিশোধ করা যাবেনা। অনলাইনে জাতীয় ভূমি তথ্য ও সেবা কাঠামোতে Z (www.land.gov.bd) গিয়ে ই-নামজারি ট্যাবে ক্লিক করে ই-নামজারি সিস্টেম থেকে ই-নামজারি আবেদন সংশ্লিষ্ট তথ্য জানা যাবে।

এছাড়া, ভূমি বিষয়ক সকল তথ্য জানতে, ভূমিসেবা পেতে কিংবা অভিযোগ জানাতে ‘নাগরিক ভূমিসেবা ২৪/৭’-এর হেল্পলাইন ১৬১২২ (বিদেশ থেকে +৮৮০ ৯৬১২৩ ১৬১২২) নম্বরে কল করতে হবে, কিংবা, ভূমিসেবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (www.facebook.com/land.gov.bd কমেন্ট কিংবা মেসেজ (বার্তা) প্রেরণ করতে হবে।

;

৪৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কৃষিখাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ৪৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার-১৪২৫ ও ১৪২৬ প্রদান করা হচ্ছে। এরমধ্যে ১৪২৫ সালের ১৫ ব্যক্তি ও সংগঠনকে এবং ২১ ব্যক্তি ও সংগঠনকে ১৪২৬ সালের জন্যে পুরস্কার দেয়া হবে।

কৃষির বিভিন্নখাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নির্বাচিত ব্যক্তি ও সংস্থার মধ্যে তিনটি স্বর্ণপদক, ২৫টি ব্রোঞ্জ পদক এবং ১৬টি রৌপ্য পদক বিতরণ করা হবে।

সরকারি সূত্র জানিয়েছে, আগামী ১২ অক্টোবর রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের পুরস্কার প্রদান করবেন। কৃষি মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন কৃষিমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরস্কার ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

প্রত্যেক স্বর্ণ পদক বিজয়ী পাবে ২৫ গ্রাম ওজনের ১৮-ক্যারেট স্বর্ণপদকসহ এক লাখ টাকা করে, রৌপ্যপদক বিজয়ী ২৫ গ্রাম খাঁটি রৌপ্য পদকসহ ৫০ হাজার টাকা করে এবং ব্রোঞ্জ বিজয়ী প্রত্যেকে একটি করে ব্রোঞ্জপদকসহ ২৫ হাজার টাকা পাবে।

কৃষি গবেষণা ও সম্প্রসারণ, সমবায়, প্রেরণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন, বাণিজ্যিক চাষ, বনায়ন, পশুপালন ও হাঁস-মুরগি ও মাছ চাষের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য তাদের এই পুরস্কার দেয়া হচ্ছে।

১৯৭৩ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সদ্য স্বাধীন দেশের কৃষি-ভিত্তিক অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে এই পুরস্কার প্রবর্তন করেন। যা ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর গঠিত সরকার বাতিল করে।

তবে, ২০০৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার বঙ্গবন্ধু প্রবর্তিত পুরস্কারটির প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার তহবিল আইন-২০০৯’ গঠন করে।

এই খাতের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার ট্রাস্ট আইন, ২০১৬ প্রণয়ন করা হয়।

;

প্রয়োজন মনে করলে সরকার র‍্যাবের সংস্কার করবে: নতুন ডিজি খুরশীদ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গোপালগঞ্জ
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব)-এর নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) এম খুরশীদ হোসেন বলেছেন, র‌্যাবের সংস্কারের বিষয়টি তাদের দেখার বিষয় নয়। র‌্যাবে কী সংস্কার হবে, কী হবে না-সেটা সরকারের বিষয়। প্রয়োজন মনে করলে সরকার র‌্যাবের সংস্কার করবে। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে ]র‌্যাবের সংস্কারের কোনো প্রয়োজন দেখি না।

রোববার (২ অক্টোবর) বিকেলে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

নতুন ডিজি খুরশীদ বলেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি সরকার মোকাবিলা করছে। তারা আমাদের কাছে যেসব প্রশ্ন করেছে, যেসব বিষয় তারা জানতে চেয়েছে, আমরা যথাযথভাবে তার জবাব দিয়েছি। আমরা জবাব দেওয়ার পর তারা আর কোনো প্রশ্ন করতে পারেনি। সেক্ষেত্রে র‌্যাবে কী সংস্কার করবে, কী করবে না, সেটা সরকারের বিষয়।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। প্রয়োজন মনে করলে সংস্কার করবে কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে র‌্যাবের সংস্কার করা প্রয়োজন বলে মনে করি না।

এম খুরশীদ হোসেন বলেন, র‌্যাব আইন-কানুন মেনে সরকারের নির্দেশ পালন করে। আমরা দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য, দেশের উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য, প্রধানমন্ত্রী যে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখেছেন, সেটা বেগবান রাখতে কাজ করে যাচ্ছি।

এর আগে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক। এ সময় বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এ সময় র‌্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

;

প্রবাসী আয়ে বড় ধাক্কা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সদ্য সমাপ্ত সেপ্টেম্বরে প্রবাসী আয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরের তৃতীয় মাস সেপ্টেম্বরে ১৫৪ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এই অঙ্ক গত ৭ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।

রোববার (২ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে জানানো হয়, সদ্য সমাপ্ত সেপ্টেম্বর মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে ১৫৩ কোটি ৯৫ লাখ (প্রায় ১.৫৪ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন। প্রবাসী আয়ের এ অঙ্ক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৮ কোটি ৭২ লাখ ডলার বা ১০ দশমিক ৮৪ শতাংশ কম।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৭২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার। শুধু তাই নয়, সেপ্টেম্বরের প্রবাসী আয়ের এই অঙ্ক গত ৭ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দেশে ১৪৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল। সেপ্টেম্বরের চেয়ে কেবল ওই মাসে কম এসেছে। মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত অন্য সব মাসে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে।

চলতি অর্থবছরের টানা দুই মাস ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স বৈধ পথে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আগস্ট মাসে ২০৩ কো‌টি ৭৮ লাখ (২ দশমিক ০৩ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। তার আগের মাস জুলাইয়ে এসেছিল ২০৯ কোটি ৬৩ লাখ ডলার। জুলাই মাসে পবিত্র ঈদুল আজহার কারণে বেশি পরিমাণ প্রবাসী আয় এসেছিল। তবে আগস্টে বড় উৎসব ছিল না, তারপরও প্রবাসী আয় ২০০ কোটি ডলার ছাড়ায়।

সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ২৪ কোটি ৬২ লাখ মার্কিন ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১২৬ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬১ লাখ মার্কিন ডলার। আর বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ২ কোটি ৪১ মার্কিন ডলার।

আলোচিত সময়ে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে বরাবরের মতো বেসরকারি ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংকটির মাধ্যমে প্রবাসীরা ৩৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন। এরপর সিটি ব্যাংকে এসেছে ১১ কোটি ২৮ লাখ ডলার, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে ১০ কোটি ৭২ লাখ ডলার, অগ্রণী ব্যাংকে ৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার এবং ডাচ-বাংলা ব্যাংকে এসেছে ৭ কোটি ৯২ লাখ ডলার প্রবাসী আয়।

;