কুষ্টিয়ায় অজ্ঞাত বৃদ্ধ ও যুবকের মরদেহ উদ্ধার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে অজ্ঞাত এক বৃদ্ধের মরদেহ এবং নিখোঁজের দুইদিন পর ভেড়ামারা থেকে রক্সি পেইন্টের এরিয়া ম্যানেজার লোকমান হোসেনের বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৩ আগস্ট) সকালে কুমারখালি উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের আলাউদ্দিন নগর বাজার এলাকা এবং ভেড়ামারা হাইস্কুলের গলি থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার রাতে কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী সড়কের কুমারখালীর আলাউদ্দিন নগর বাজারের মোক্তার হোসেনের মার্কেট এলাকায় আসেন বৃদ্ধ। বাজারের নৈশপ্রহরীরা রাতে তাঁকে মার্কেট এলাকায় বসে থাকতে দেখেন। পরে আজ ভোরে মারা যান তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃত ওই বৃদ্ধের আনুমানিক বয়স ৬৫ বছর। তাঁর পরনে ছিল কালো রঙের প্যান্ট।

সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে নৈশপ্রহরী ইমরান হোসেন বলেন, ‘গতকাল রাতে মোক্তার হোসেন মার্কেটের সামনে আসেন ওই বৃদ্ধ। তাঁর কাছে ঠিকানা জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তিনি কোনো নাম-ঠিকানা বলতে পারেননি। পরে তাঁকে একটি বোতল থেকে পানি খেতে দেখি। এরপর আজ ভোরে মারা যান ওই বৃদ্ধ।’

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। তবে, ধারণা করা হচ্ছে তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।

এদিকে ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মুজিবুর রহমান জানান, নিখোঁজের দুইদিন পর কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা থেকে রক্সি পেইন্টের এরিয়া ম্যানেজার লোকমান হোসেনের বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লোকমান হোসেন চৌড়হাস এলাকার বাসিন্দা। তিনি রক্সি পেইন্টের এরিয়া ম্যানেজার ছিলেন। ১ আগস্ট ভেড়ামারা থেকে নিখোঁজ হলে ভেড়ামারা থানায় জিডি করেন তার স্ত্রী। এরপর আজ বুধবার তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মিছিল-সমাবেশে লাঠিসোঁটা আনা পুলিশের জন্য হুমকি: হাফিজ আক্তার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজনৈতিক দলের মিছিল-সমাবেশে লাঠিসোঁটা আনা পুলিশের জন্য হুমকিস্বরূপ বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এ কে এম হাফিজ আক্তার। তাই এগুলো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে না আনার অনুরোধ করেছেন তিনি।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ডিএমপির এ অতিরিক্ত কমিশনার।

হাফিজ আক্তার বলেন, রাজনৈতিক দলের মিছিল-মিটিংয়ে লাঠিসোঁটা বা দেশীয় অস্ত্র আনা যাবে না। এগুলো আনার কোনো প্রয়োজন নেই। যারা সমাবেশ করবেন, তারা সমাবেশ করে চলে যাবেন।

বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক সমাবেশ করার অনুমতি না দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, পরিস্থিতি বুঝে ডিসিরা মতামত দেন। একাধিক সংগঠন সমাবেশ করার অনুমোদনের জন্য একসঙ্গে আবেদন করে। তখন আমরা নাগরিক সুরক্ষার জন্য অনুমোদন দেই না।

তিনি আরও বলেন, ডিএমপি থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে লাঠি এবং জাতীয় পতাকা নিয়ে যেন কেউ সমাবেশে না আসেন। পতাকা পড়ে গেলে এটা যেন অবমাননা না হয়। সমাবেশ করতে অনুমোদন দিতে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। তবে যেটাতে শুধু সমস্যার সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকে সেটা দেবে না। বাকি জায়গায় প্রতিনিয়তই প্রোগ্রাম হচ্ছে।

;

বগুড়ায় এক সন্ত্রাসীকে কুপিয়ে হত্যা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বগুড়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়ার শেরপুরে মর্তুজা কাওসার অভি (৩৮) নামের এক সন্ত্রাসীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে শেরপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে অভিকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।

নিহত অভি শেরপুর রেজিস্ট্রি অফিস সংলগ্ন খন্দকার পাড়ার মৃত ফুয়া সরকারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, অভি সরকারি দলের ছত্রছায়ায় থেকে শেরপুর পৌর শহরে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করতেন। দুই সপ্তাহ আগে সোহাগ নামের এক যুবককে অভি ছুরিকাঘাত করে। সে ঘটনায় অভির বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় মামলা হয়।এরপর অভি আত্মগোপনে থেকে উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়ে শেরপুরে আসেন।

বুধবার সন্ধ্যার পর শেরপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে দুর্বৃত্তরা অভিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতাউর রহমান বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে অভিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানাগেছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করতে অভিযান শুরু হয়েছে।

অভির নামে শেরপুর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানান তিনি।

;

এসএসসির নির্বাচনী পরীক্ষার ফল ৩০ নভেম্বরের মধ্যে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নির্বাচনী পরীক্ষার ফল আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশের নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. আবুল বাশারের স্বাক্ষর করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

এতে বলা হয়, ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নির্বাচনী পরীক্ষা নিয়ে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশের জন্য অনুরোধ করা হলো।

চলতি বছরের ১৯ জুন পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও সিলেটসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির কারণে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পিছিয়ে যায়। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর সারাদেশে একযোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ১ অক্টোবর পর্যন্ত তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলবে।

;

পুলিশের হাতে কামড় দিয়ে হ্যান্ডকাপসহ পালাল আসামি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হ্যান্ডকাপসহ এক মাদক মামলার আসামি পালিয়ে গেছে। ওই আসামির নারী স্বজনেরা পুলিশের ওপর হামলাও চালিয়েছে।

পালিয়ে যাওয়া আসামির নাম ইসমাইল হোসেন বয়াতি (৪৫)। তিনি উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের জামাইয়ের টেক এলাকার আলী আজমের ছেলে।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৮নম্বর ওয়ার্ডের জামাইয়ের টেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। কামড়ে আহত কোম্পানীগঞ্জ থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. রবিউল প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদক কারবারি বয়াতি পেশায় একজন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক। তিনি দীর্ঘ তিন বছর যাবত রিকশা চালানো ছেড়ে দিয়ে বসুরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এক স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতার মদদে মাদক কারবার চালিয়ে আসছে। বুধবার দুপুরের দিকে জামাইয়েরক টেক এলাকায় মাদকবিক্রি হচ্ছে এমন গোপন খবর পেয়ে এএসআই রবিউলের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ওই এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে গাঁজাসহ তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে বয়াতিকে ছাড়িয়ে নিতে তার পরিবারের কয়েকজন এসে উপস্থিত হন।

একপর্যায়ে আসামিকে নিয়ে পুলিশ সদস্যরা থানায় আসার পথে উদ্যত হলে ঘটনাস্থলে একজন নারী পুলিশের হাতে কামড় দিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থলে দফায় দফায় অভিযান চালিয়ে মাদক কারবারি বয়াতির মামা মোশারেফ (১৯), সৌরভ (২৪), মামাতো ভাই কালা (১৯) ও প্রতিবেশী ইমনসহ (২৪) কয়েকজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। রাত ৮টা পর্যন্ত পালিয়ে যাওয়া মাদক কারবারি বয়াতি ও তার নিজ পরিবারের কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

জানতে চাইলে সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো.রবিউল বলেন, ঘটনাস্থলে আমরা ৪-৫ জন পুলিশ ছিলাম। নারী হওয়ায় আমরা কিছু করতে পারিনি।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাদেকুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পালিয়ে যাওয়া বয়াতিকে গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি এলাকার চিহিৃত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।

;