টাঙ্গাইলে দেড় বছর পর ক্লু-লেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন পিবিআই’র



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে দেড় বছর পর ক্লু-লেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন পিবিআই’র

টাঙ্গাইলে দেড় বছর পর ক্লু-লেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন পিবিআই’র

  • Font increase
  • Font Decrease

 

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার দেওভোগ দক্ষিনপাড়া এলাকার ক্লু-লেস হযরত আলী হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) টাঙ্গাইল। হত্যাকান্ডে জড়িত হযরত আলীর নাতি আসিফকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সোমবার(০৪ জুলাই) দুপুরে এক প্রেসবিফিং এর মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করেছে পিবিআই। পিবিআই জানিয়েছেন জায়গা জমির ভাগ বাটোয়ার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বাপ-ছেলের মধ্যে বিরোধ চলছিল। আর এ কারনেই এই হত্যাকাণ্ড।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, বিগত ২০২১ সালের (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় হযরত আলী ও তার বড় ছেলে জাহাঙ্গীর এবং নাতি আসিফ কুমুল্লির বিলে নিজেদের জায়গায় পানি সেচে মাছ ধরতে যায়। সেখান থেকেই নিখোঁজ হয় হযরত আলী। পরে ২০২১ সালের (৩ মার্চ) সকালে বাদীর চাচাতো ভাই মোস্তফা ঘটনাস্থলের পাশে ইরি ক্ষেতে সার দিতে গিয়ে দূর্গন্ধ পায়। পরে সে তার ক্ষেতের পাশে পুকুরে কচুরী পানার মধ্যে একটি লাশ দেখতে পায়। এ সময় তার ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। পরে বাদী সুজন মোল্লা তার পিতার লাশ সনাক্ত করে। এ বিষয়ে মির্জাপুর থানায় অজ্ঞাতনামা একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে মামলাটি পিবিআই তদন্তভার গ্রহণ করে। পিবিআই এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সিরাজ আমিনের দিক নির্দেশনায় তথ্য প্রযুক্তি এবং বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ পরিদর্শক খন্দকার আশরাফুল কবির ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নি:) ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে একটি চৌকশ দল অভিযান পরিচালনা করে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটি এলাকা থেকে আসিফ (১৮) কে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া আসিফ জানায়, ডিসিস্ট হযরত আলী, সে ও তার মামা জাহাঙ্গীর মোল্লা ঘটনার রাতে মাছ ধরতে যায়। পরে জাহাঙ্গীর পিছন থেকে তার বাবা ডিসিস্ট হযরত আলীকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে। এ সময় আসিফকে তার মামা জাহাঙ্গীর হত্যার বিষয়ে কাউকে কিছু বলতে নিষেধ করে এবং লাশ গুম করার জন্য সহযোগিতা করতে বলে। লাশ গুম করতে যদি সহযোগিতা না করে তাহলে তাকেও হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেয় জাহাঙ্গীর। পরে অফিস ও তার মামা হযরত আলীর লাশ পুকুরের এক পাশে কচুরি পানা দিয়ে ঢেকে রাখে এবং ডিসিস্টের রক্ত পানি ও কাঁদা দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে রাখে। পরে তারা বাড়ি চলে যায়।

পিবিআই আরো জানায়, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ডিসিস্টের বড় ছেলে আসামি জাহাঙ্গীর মোল্লা কারাগারে রয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন

  • Font increase
  • Font Decrease

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বিদেশে পলাতক বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। এ লক্ষে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।

শুক্রবার (১১ আগস্ট) বিকেলে সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারস্থ এলিগ্যান্ড শপিং কমপ্লেক্সে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সিলেট অফিস পরিদর্শনকালে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ড. মোমেন বলেন, যারা গণতন্ত্র এবং মানবাধিকারের কথা বলে তারাই বঙ্গবন্ধুর খুনিদের জামাই আদরে রেখেছেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার দেশের উন্নয়নের নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তারই অংশ হিসেবে সিলেটের উন্নয়নের জন্য ও জনগণের সেবা দিতে আমরা এই অফিস চালু করেছি এবং মানুষকে সেবা দিয়ে যাচ্ছি। আমি না থাকলেও এই অফিসের মাধ্যমে তারা সেবা পাবেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা শফিউল আলম জুয়েলের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- সিলেটের পুলিশ কমিশনার মো. নিশারুল আরিফ, সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নাসির উদ্দিন খান, সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার আজবাহার আলী শেখ।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জিপি এডভোকেট রাজ উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক জগলু চৌধুরী, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি মুহিত চৌধুরী, সিলেট মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি, সাধারণ সম্পাদক মুশফিক জায়গীরদার, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাজমুল ইসলাম, মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাঈম আহমদ প্রমুখ।

;

দেশের মানুষ শান্তি ও স্বস্তির মধ্যে আছে: রেলমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের মানুষ শান্তি ও স্বস্তির মধ্যে আছে বলে মন্তব্য করেছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন।

তিনি বলেন, চলমান করোনা মহামারির মধ্যে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে অর্থনৈতিকভাবে সারা বিশ্ব অস্বস্তিতে রয়েছে, শুধু বাংলাদেশ নয়। কিন্তু এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির জন্য একটি দল ষড়যন্ত্র করছে।

শুক্রবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে মহাকাল নাট্য সম্প্রদায় আয়োজিত ‘প্রাণ হরণ করা যায়, চেতনা নয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

রেলমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র তৈরি করে বঙ্গবন্ধু হত্যার ক্ষেত্র তৈরি করেছিলেন আ স ম আবদুর রবরা। গণতন্ত্র মঞ্চের নামে তারা আবারও ষড়যন্ত্র করছেন। ৭ দলীয় জোটের নামে তারা ও তাদের দোসররা এক হচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের নামে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিভক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। পাটের গুদামে আগুন দেওয়া, গণবাহিনী প্রস্তুত, রেললাইন উপড়ে ফেলা, ঈদের ময়দানে গুলি করে সংসদ সদস্যকে হত্যা করে ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছিলেন।

;

কুষ্টিয়ায় ফিলিং স্টেশনে অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
কুষ্টিয়ায় ফিলিং স্টেশনে অগ্নিকাণ্ড

কুষ্টিয়ায় ফিলিং স্টেশনে অগ্নিকাণ্ড

  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ফিলিং স্টেশনে আগুন লেগে দুই জন দগ্ধ হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যায় কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার সাতবাড়িয়া এলাকার দফাদার ফিলিং স্টেশনে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ মজিবুর রহমান বলেন, সন্ধ্যার পরে দফাদার ফিলিং স্টেশনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হয়েছেন। লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক জানে আলম জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জ্বালানি তেলবাহী ট্যাংকার পাম্পে তেল আনলোড করার সময় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ভেড়ামারা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

;

ফেনীতে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ, আহত ১০



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ফেনী
ফেনীতে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ, আহত ১০

ফেনীতে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ, আহত ১০

  • Font increase
  • Font Decrease

জ্বালানি তেলসহ নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফেনী জেলা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ২০ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় পথচারীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়। আটক করা হয় তিন জনকে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে শহরের ইসলাম রোড থেকে ফেনী জেলা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে ট্রাংক রোডস্থ জিরো পয়েন্টের দিকে এগোতে থাকে। এ সময় মিছিলটি জিরোপয়েন্ট এলাকায় পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীরা তাদের ধাওয়া করে। এক পর্যায় সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ ২০ রাউন্ড ফাঁকাগুলি ও রাবারবুলেট নিক্ষেপ করে।

ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনায় এ পর্যন্ত ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

 

;