যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে আহবান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহবান

যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহবান

  • Font increase
  • Font Decrease

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরকারি সফর শেষে পর্তুগাল থেকে আজ সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে বিমানবন্দরের লাগেজ বেল্ট এরিয়াতে অপেক্ষমান যাত্রীদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের অভিযোগ শোনেন। তিনি এসময় ডিসপ্লে স্ক্রিনে প্রদর্শিত নির্দিষ্ট লাগেজ বেল্টের পাশে লাগেজের জন্য প্রায় দুঘন্টা অপেক্ষমান যাত্রীদের দুর্ভোগের সত্যতা দেখতে পান। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বিমানবন্দর ব্যবস্থাপকের সাথে যোগাযোগ করলে ব্যবস্থাপক লাগেজ বেল্ট এরিয়াতে আসেন এবং লাগেজ আসতে দেরি হওয়ার বিষয়টি দ্রুত সমাধানের বিষয়ে আশ্বস্ত করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসময় লাগেজের জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় থাকা যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়াসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালনের কথা বলেন। এ সময় বিমানবন্দরে দায়িত্বরত কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

সম্প্রতি ইউরোপের কয়েকয়টি দেশে সরকারি সফরকালে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন অভিযোগের কথা উল্লেখ করে এসময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিদেশে অনেক কষ্ট করেন এবং তাদের পাঠানো কষ্টার্জিত রেমিট্যান্স দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি সুদৃঢ় করছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, প্রবাসী বাংলাদেশিসহ অন্যান্য বিমানযাত্রীরা বিমানবন্দরে লাগেজ সংগ্রহের জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা আটকে থাকেন— যাত্রীদের জন্য এটা অত্যন্ত পীড়াদায়ক। দীর্ঘ বিমানযাত্রার ক্লান্তি নিয়ে সম্মানিত যাত্রীদের এধরণের দুর্ভোগের জন্য মূলত বিমানবন্দরে আমাদের অব্যবস্থাপনাই দায়ী বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, কন্সুলার সেবাসহ অন্যান্য সেবার মান উন্নয়নে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গৃহীত পদক্ষেপের ফলে প্রবাসীরা এগুলোর সুফল পেতে শুরু করেছেন। কিন্তু একইসাথে বিমানবন্দরে প্রবাসীদের দুর্ভোগ লাঘবেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি উপস্থিত যাত্রীদের আশ্বস্ত করে বলেন, যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং আশা করি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অচিরেই দুর্ভোগ লাঘবে পদক্ষেপ নিবেন।

পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলীকে ফোন করে বিষয়টি অবহিত করলে বিমান প্রতিমন্ত্রী যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে এবং সেবার মান বৃদ্ধির বিষয়ে আশ্বস্ত করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিমানবন্দরে যাত্রীদের মালামাল কয়েক পর্যায়ে স্ক্যানিং প্রক্রিয়া বর্তমানে সহজীকরণের পদক্ষেপ নেয়ার প্রশংসা করেন এবং এজন্য বিমান প্রতিমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ জানান।

ভুল চিকিৎসায় চোখ নষ্ট, চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ভুক্তভোগী মাহজাবীন হক মাশা

ভুক্তভোগী মাহজাবীন হক মাশা

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে দীন মোহাম্মদ চক্ষু হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্স সেন্টারের চক্ষু বিশেষজ্ঞ প্রফেসর দীপক কুমার নাগের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (১০ আগস্ট) ভুক্তভোগী রোগীর ভাই সামিউল হক সাফা ময়মনসিংহের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে কতোয়ালি মডেল থানাকে এফআইআর ভুক্ত করার আদেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান খোকন ।

ভুক্তভোগী মাহজাবীন হক মাশা সিআইপি মো. আমিনুল হক শামীমের বড় মেয়ে। আমিনুল হক শামীম ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি এবং এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক। মাশার স্বামী এসএসএফের উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তা বলে জানা গেছে।

বাদীর অভিযোগ, গত জুন মাসে চোখে সমস্যা হওয়ায় দীন মোহাম্মদ চক্ষু হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্স সেন্টারে চক্ষু বিশেষজ্ঞ প্রফেসর দীপক নাগের কাছে চিকিৎসা নেন মাহজাবীন হক মাশা। এসময় ডাক্তার দীপক নাগ তার চোখে লেজার চিকিৎসা করেন। কিন্তু লেজার চিকিৎসার পর চোখে অন্ধকার দেখতে শুরু করেন মাহজাবীন। এ অবস্থায় মাহজাবীনকে জাতীয় চক্ষু ইনস্টিটিউট হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা জানান যে তার চোখের ৩৩ ভাগ রেটিনা চিরতরে নষ্ট হয়ে গেছে। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাড ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানান ভুল চিকিৎসার কারণে তার চোখের রেটিনার ৩৩ ভাগ নষ্ট হয়ে গেছে।

বাদী সামিউল হক সাফা বলেন, চোখে অতিরিক্ত লেজার ব্যবহারের কারণে আমার বোনের এত বড় ক্ষতি হয়েছে। আমি এ ঘটনার উপযুক্ত ন‍্যায় বিচার প্রত‍্যাশা করছি। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের কোনো ঘটনা আর না ঘটে, একজন সচেতন মানুষ হিসেবে, এটাই আমার প্রত‍্যাশা।

বাদীর পক্ষে আদালতে মামলা পরিচালনা করেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট এ এইচ এম খালেকুজ্জামান, অ্যাডভোকেট পীযূষ কান্তি সরকার, অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান খোকন প্রমুখ।

;

লক্ষ্মীপুরে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
আবদুর রহিম শুভ

আবদুর রহিম শুভ

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আবদুর রহিম শুভ (৩২) নামে এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে লক্ষ্মীপুর-রামগঞ্জ সড়কের সাহাপুর শিশু কল্যাণ পরিবারের সামনে এ ঘটনা ঘটেছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল আজ বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নিহত শুভ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক এবং শহরের একটি টেইলার্সে কাটিংয়ের কাজ করতেন। তিনি সাহাপুর মিজি বাড়ির আবদুল আজিজের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, রাতে শুভ মোটরসাইকেল চালিয়ে লক্ষ্মীপুর শহর থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন। সাহাপুর শিশু কল্যাণ পরিবার এলাকায় পৌঁছলে গর্তে পড়ে মোটর সাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। এতে শুভ গুরুতর আহত হয়। তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

লক্ষ্মীপুর জেলা শ্রমিক লীগের আহবায়ক ইউসুফ পাটওয়ারী জানান, গর্তে পড়ে মোটর সাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শুভ মারা গেছেন। ওই সড়কে গর্ত থাকায় এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানান তিনি।

;

লালমনিরহাট এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ৬ ঘণ্টা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
লালমনিরহাট এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল

লালমনিরহাট এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা লালমনিরহাটগামী লালমনিরহাট আন্ত:নগর এক্সপ্রেক্স ট্রেনের ইঞ্জিল বিকল হয়ে টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেল স্টেশনে প্রায় ৬ ঘণ্টা আটকে ছিল। ফলে ঢাকা ও উত্তর-দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ থাকে এই ৬ ঘণ্টা। ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হওয়ায় যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন।

বুধবার (১০ আগস্ট) রাত ১২ টা ৩৩ মিনিটে ট্রেন বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলস্টেশন বিকল হয়ে পড়ে। পরে বিকল ইঞ্জিন পরিবর্তন শেষে আজ বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) সকাল ৬ টা ২৬ মিনিটের দিকে লালমনিরহাটের উদ্দ্যেশে ছেড়ে যায়।

এ বিষয়টি বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলস্টেশন মাস্টার (বুকিং) রেজাউল করিম নিশ্চিত করে জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ওই ট্রেনটি লালমনিরহাট যাচ্ছিল। পথিমধ্যে বুধবার রাত ১২ টা ৩৩ মিনিটের দিকে সেতু পূর্ব রেলস্টেশনে পৌঁছলে ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, পরে ঢাকা থেকে আরেকটি ইঞ্জিন আনা হয়। ইঞ্জিন পরিবর্তন শেষে বৃহস্পতিবার সকাল ৬ টা ২৫ মিনিটে লালমনিরহাটের উদ্দেশ্যে ট্রেনটি ছেড়ে গেছে। এখন ঢাকা ও উত্তর-দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে সব ধরণের ট্রেন চলাচল সচল হয়েছে।

;

কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণ শুরু ১৮ আগস্ট



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাঙামাটি
কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণ শুরু ১৮ আগস্ট

কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণ শুরু ১৮ আগস্ট

  • Font increase
  • Font Decrease

তিন মাস ১৭ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে আগামী ১৮ আগস্ট রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণ ও বিপণন শুরু হচ্ছে। গত ১ মে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত করতে এবং কার্প জাতীয় মাছের আধিক্য বাড়াতে তিন মাসের জন্য হ্রদের মাছ শিকার ও বিপণনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে জেলা প্রশাসন।

বুধবার (১০ আগস্ট) রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণ ও বিপণন বিষয়-সংক্রান্ত জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) রাঙামাটি বিপণনকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার তৌহিদুল ইসলাম, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শ্রীবাস চন্দ্র চন্দ, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) রাঙামাটি নদী উপকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা লিপন মিয়া, মৎস্য ব্যবসায়ী উদয়ন বড়ুয়া, আব্দুর শুক্কুর, হারুন, মজিদ, মান্না সওদাগর প্রমুখ।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, হ্রদে পানি বৃদ্ধি না পাওয়ায় নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা ১৭ দিন বৃদ্ধি করে ১৮ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়েছিল। হ্রদে বর্তমানে পানির উচ্চতা পরিমাণ ৯৬ এমএসএল (মেইন সি লেভেল) রয়েছে। সামনের কদিনে বৃষ্টিপাত হলে হ্রদে পানি বাড়বে বলে আশা করছি।

রাঙামাটিস্থ বিএফডিসি’র ব্যবস্থাপক নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লে. কমান্ডার তৌহিদুল ইসলাম জানান, হ্রদে পানির পরিমাণ কিছুটা কম থাকলেও ধীরে ধীরে বাড়ছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে হ্রদে মৎস্য আহরণ ও বিপণন শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

;