লঞ্চে যাত্রী কমেছে ৫০ শতাংশ, ভাসমান হোটেল বানানোর চিন্তা!



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
লঞ্চে যাত্রী কমেছে ৫০ শতাংশ, ভাসমান হোটেল বানানোর চিন্তা!

লঞ্চে যাত্রী কমেছে ৫০ শতাংশ, ভাসমান হোটেল বানানোর চিন্তা!

  • Font increase
  • Font Decrease

দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের রাজধানীর সঙ্গে যাতায়াতের অন্যতম বাহন ছিল নৌযান। তবে পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় দেখা গেছে একবারেই ভিন্ন চিত্র। বেড়েছে সড়ক পথে যাতায়াত করা যাত্রীর সংখ্যা। এরই প্রভাব পড়তে শুরু করেছে নৌযানগুলোতে। বিশেষ করে লঞ্চে যাত্রী পরিবহনে ভাটা পড়েছে। অনেকে নৌযানের বিকল্প ব্যবহারের পথ খুঁজছে বলে জানা গেছে।

একাধিক লঞ্চ মালিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পদ্মা সেতু চালুর পর থেকে নৌযান উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যাত্রী কমেছে। বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলগামী নৌযানে বেশি প্রভাব পড়েছে। সময় ও টাকা দুটোই সাশ্রয় হওযায়, নৌযানের যাত্রীরা নদী পথ ছেড়ে সড়ক পথে যাতায়াত করছেন। ফলে অর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছেন নৌযান মালিকরা। অনেক ক্ষেত্রে নৌযানগুলোর তেলের খরচও উঠছে না।

নৌযান মালিক (যাত্রী পরিবহন) সমিতির সিনিয়র সহ সভাপতি মো. বদিউজ্জামান খান বাদল বর্তা২৪.কমকে জানিয়েছেন, পদ্মাসেতু বাংলাদেশর ঐতিহ্যের প্রতীক। কিন্তু এটি হওয়ার কারণে ইতোমধ্যে প্রায় ৪০-৫০ শতাংশ যাত্রী কমেছে নৌযান গুলোতে। যাত্রীরা যেভাবে যেতে স্বাচ্ছন্দ্য মনে করছেন সেভাবেই যাচ্ছেন। তবে নৌযানালিকদের দিকে সরকারের নজর দেয়া প্রয়োজন বলেও মতামত দেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, খরচ পোষাতে লঞ্চ মালিকদের মধ্যে অসম প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে। ফলে অনেকে কম টাকা নিয়ে যাত্রী পরিবহন করছেন। তার পরেও যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না। খালি নৌযান নিয়েই ছেড়ে যেতে হচ্ছে।

রাবেয়া শিপং লাইন্সের স্বত্তাধিকারী শহিদুল ইসলাম ভূইয়া বলেন, পদ্মা সেতু চালুর পর থেকে লঞ্চে যাত্রী ৫০-৬০ শতাংশ কমেছে। অনেক সময় তেলের খরচও উঠছে না। প্রতি ট্রিপে আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে লাখ টাকা।

তিনি আরো বলেন, আর্থিক ক্ষতির ফলে ব্যাংক লোন পরিশোধ করা নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে। অনেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে বিকল্প আয়ের কথা ভাবছেন। তিনি এরই মধ্যে একটি ভাসমান রেস্তোরাঁ করার কথাও ভাবছেন।

সদরঘাট নৌবন্দরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক আলমগীর কবির জানান, গত ৫ দিনে নৌযাত্রী যেমন কমেছে, তেমনি নৌযান ছেড়ে যাওয়ার সংখ্যাও কমেছে। পদ্মাসেতু চালুর আগে যেখানে ৭৫টি লঞ্চ ছেড়ে গেলেও এখন ছেড়ে যাচ্ছে ৬০- ৬৫টি লঞ্চ। যাত্রীরও নেই চাপ। তবে অচিরেই একটা খারাপ প্রভাব পড়বে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, পদ্মা সেতু চালুর পর, অনেকেই শখ করে পদ্মা সেতু দেখতে যাচ্ছেন। সামনে ঈদ আছে। ঈদের পরে বোঝা যাবে পদ্মা সেতু এই সেক্টরে কতটা বিরূপ প্রভাব ফেলবে।

মালয়েশিয়ার সঙ্গে দ্রুত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চান অর্থমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার সঙ্গে দ্রুত দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষর করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এব্যাপারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার জন্য মালয়েশিয়া সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) বার্ষিক সভার অংশ হিসেবে আ হ ম মুস্তফা কামাল মালয়েশিয়ার উপ-অর্থমন্ত্রী দাতো ইনদিয়ার মোহা শের আব্দুল্লাহ এবং সেদেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। এ সময় তিনি মালয়েশিয়ার সঙ্গে এফটিএ স্বাক্ষরের আগ্রহের কথা জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতির সকল খাতে বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়োগের সুযোগ উন্মুক্ত করার বিষয়ে মালয়েশিয়া সরকারের সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ অবশ্যই কৃতজ্ঞ। পাশাপাশি আরও অধিক পরিমাণে জনশক্তি রফতানি করতে মালয়েশিয়া সরকারের প্রতি অনুরোধ করেন তিনি।

মুস্তফা কামাল বলেন, মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি আমদানির বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হওয়ায় আমরা আনন্দিত এবং আশাকরি এটি দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করবে। প্রয়োজন অনুপাতে এলএনজি আমদানির সুযোগ প্রদানে তিনি মালয়েশিয়া সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়া বিদেশি বিনিয়োগের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস দেশ। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টেলিকম খাতে মালয়েশিয়ান বিনিয়োগ প্রবাহ দাঁড়িয়েছে ৭৮৮ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় গন্তব্য উল্লেখ করে তিনি মালয়েশিয়াকে বাংলাদেশে অধিক বিনিয়োগ করার অনুরোধ করেন।

বৈঠকে মালয়েশিয়ার উপ-অর্থমন্ত্রী দাতো ইনদিয়ার মোহা শের আব্দুল্লাহ জানান, এফটিএ স্বাক্ষর, অধিক হারে এলএনজি আমদানি ও জনশক্তি রপ্তানির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সাথে আলোচনা করে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তিনি বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশকে রাইজিং স্টার হিসেবে অবিহিত করেন। তিনি বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার ভ্রাতৃত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্কের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার এই সম্পর্ক দিন দিন আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।

২০২০-২১ অর্থবছরে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের রফতানি ছিল ৩০৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং মালয়েশিয়া থেকে আমদানি ছিল ১ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার। একইদিন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এক অনির্ধারিত বৈঠকে ভুটানের অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ ও ভুটানের দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

;

কক্সবাজারে জেন্ডার সংবেদনশীল সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
কর্মশালা

কর্মশালা

  • Font increase
  • Font Decrease

কক্সবাজারে জেন্ডার সংবেদনশীল সাংবাদিকতা বিষয়ক দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু হয়েছে।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শহরের তারকা মানের হোটেলে জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেনের উদ্যোগে ও জার্মানভিত্তিক সংবাদ সংস্থা ডয়েচে ভেলে একাডেমির সহযোগিতায় কর্মশালা শুরু হয়।সকালে কর্মশালার উদ্বোধন করেন ইউএন উইমেন কক্সবাজার সাব অফিসের হেড সিলিয়া রাজেন্দার।

কর্মশালার প্রশিক্ষক ছিলেন ইউএন উইমেনের গ্রোগ্রাম অ্যানালিস্ট নাদিরা ইসলাম, ডয়েচে ভেলে একাডেমির প্রকল্প ব্যবস্থাপক মাইনুল ইসলাম খান ও মাফিয়া মুক্তা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউএন উইমেনের কক্সবাজার কমিউনিকেশন্স লীড মাহমুদুল করিম, ডয়চে ভেলে একাডেমির প্রডিউসর জিসান পাল, কমিউনিটি কমিউনিকেশন স্কিলস ডেভেলপমেন্ট ফর সোশ্যাল অ্যাওয়ারনেস ইন কক্সবাজার প্রকল্পের ব্যবস্থাপক শিহাব জিশান প্রমুখ।

কর্মশালার মূল লক্ষ্য গণমাধ্যমে নারী—পুরুষের ভারসাম্য রক্ষা, সংবাদে নারীকে সংবেদনশীলভাবে উপস্থাপন, নারীর প্রতি সহিংসতা বিষয়ক প্রতিবেদনে সংবেদনশীল শব্দ, ছবি ব্যবহার ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের উৎস সম্পর্কে স্থানীয় সাংবাদিকদের সম্যক ধারণা দেওয়া।

সিলিয়া রাজেন্দার বলেন, সমাজে নারীদের অধিকার নিশ্চিত করা আবশ্যক। এবং পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরও সমাজের আইডল হতে হবে। সমাজে বিভিন্ন লিঙ্গের মানুষ বসবাস করে। এতে লিঙ্গবৈষম্য না করে সকলকে মানুষ হিসেবে বিবেচনা ও সম্মান করতে হবে। নারীদের ভয়েস এবং তাদের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিকভাবে প্রচার হওয়া উচিত।

কর্মশালায় ভিকটিমদের সুরক্ষার জন্য সাংবাদিকদের সক্রিয় ভূমিকা, বিশ্বে নারীর প্রতিভার স্বীকৃতি, শান্তিপূর্ণ ও সমতার বিশ্ব তৈরিতে সাংবাদিকরা যে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে সেই বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। এছাড়া জেন্ডার সংবেদনশীল সাংবাদিকতা ও প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে জেন্ডার সংবেদনশীলতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা এবং জেন্ডার সংবেদনশীল সাংবাদিকতা নিয়ে গ্রুপ ওয়ার্কে অংশগ্রহণ করা হয়।

এ কর্মশালায় প্রথম দিনে ১৫ জন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক অংশ নেন। বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) কর্মশালাটি শেষ হবে।

;

এক দিনে ৫২৪ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে, মৃত্যু ১



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫২৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে এই সময় নতুন করে আরও এক ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৩৪৬ জন। এ বছর ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ৫৫ জন।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের দেওয়া তথ্য থেকে এসব জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) আরও ৫২৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে ১ হাজার ৮২০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে ৪৩২ জন ঢাকার বাইরে চিকিৎসাধীন।

এছাড়া এ বছর ডেঙ্গুতে মৃতদের মধ্যে ২৭ জন ঢাকার, ১৮ জন কক্সবাজারের, ৪ জন বরিশালের এবং ৬ জন চট্টগ্রামের বাসিন্দা। এ পর্যন্ত মোট ১৩ হাজার ৪৭১ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন।

 

;

মিছিল-সমাবেশে লাঠিসোঁটা আনা পুলিশের জন্য হুমকি: হাফিজ আক্তার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজনৈতিক দলের মিছিল-সমাবেশে লাঠিসোঁটা আনা পুলিশের জন্য হুমকিস্বরূপ বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এ কে এম হাফিজ আক্তার। তাই এগুলো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে না আনার অনুরোধ করেছেন তিনি।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ডিএমপির এ অতিরিক্ত কমিশনার।

হাফিজ আক্তার বলেন, রাজনৈতিক দলের মিছিল-মিটিংয়ে লাঠিসোঁটা বা দেশীয় অস্ত্র আনা যাবে না। এগুলো আনার কোনো প্রয়োজন নেই। যারা সমাবেশ করবেন, তারা সমাবেশ করে চলে যাবেন।

বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক সমাবেশ করার অনুমতি না দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, পরিস্থিতি বুঝে ডিসিরা মতামত দেন। একাধিক সংগঠন সমাবেশ করার অনুমোদনের জন্য একসঙ্গে আবেদন করে। তখন আমরা নাগরিক সুরক্ষার জন্য অনুমোদন দেই না।

তিনি আরও বলেন, ডিএমপি থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে লাঠি এবং জাতীয় পতাকা নিয়ে যেন কেউ সমাবেশে না আসেন। পতাকা পড়ে গেলে এটা যেন অবমাননা না হয়। সমাবেশ করতে অনুমোদন দিতে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। তবে যেটাতে শুধু সমস্যার সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকে সেটা দেবে না। বাকি জায়গায় প্রতিনিয়তই প্রোগ্রাম হচ্ছে।

;