‘উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়তা করে’



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার সারাদেশে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করছে, কারণ উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা শিল্পায়নকে ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

তিনি বলেন, ‘আমরা রেল যোগাযোগ পুনরুজ্জীবিত ও নতুন নতুন রেলপথ স্থাপন এবং সেতু নির্মাণের পাশাপাশি ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদীগুলো খনন করছি। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা শিল্পায়নকে ত্বরান্বিত করে এবং বাণিজ্য ও ব্যবসা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।’

সোমবার (২৭ জুন) সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যার্থে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান কতৃর্ক প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে অনুদানের চেক হস্তান্তর করেছে। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তাঁর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস অনুদান গ্রহণ করেন।

সমগ্র বাংলাদেশেই তাঁর সরকার, ব্রিজ এবং উন্নত সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলে যোগাযোগের একটা নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এসবের পাশাপাশি নদীগুলো ড্রেজিং করে নৌপথ ও আমরা সচল করেছি। আমাদের পূববর্তী বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায়ই বন্ধ করে দিয়েছিল। আমরা সেটা আবার নতুন করে চালুর পাশাপাশি নতুন নতুন রেল লাইনও করে দিচ্ছি। যার ফলে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাও বাড়ছে।

তিনি বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিল্পায়নের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্যকে আমরা আরো গতিশীল করার জন্য বিরাট সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছি।

নিজস্ব অর্থায়নে স্বপ্নের পদ্মা সেতু নির্মাণের সাফল্যের উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের দেশেরই এক ব্যক্তির প্ররোচণায় বিশ্ব ব্যাংক যখন পদ্মা সেতুর অর্থায়ন বন্ধ করে দেয়, পাশাপাশি অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগিরাও সরে দাঁড়ায়, তখন আমি ঘোষণা দিয়েছিলাম নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করবো। তখন দেশের জনগণের পাশাপাশি আপনারাও অনেকে আমার পাশে এসে দাঁড়িয়ে সবধরনের সহযোগিতা করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সে জন্য আমি আপনাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।

দেশের জনগণই তাঁর ‘সবচেয়ে বড় শক্তি’ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তাদের সাহস এবং সহযোগিতা এবং তারা পাশে থাকাতে আমরা আমাদের নিজস্ব টাকায় এই পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের দক্ষিণাঞ্চলের বিশাল অঞ্চল যেটি দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিল সেখানে এখন শিল্পায়নের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই অঞ্চলের মানুষের আর্থিক উন্নতি হবে। সেখানেও আপনাদের উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাত করার একটি ক্ষেত্র তৈরি হবে। মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বাড়বে এবং এই অঞ্চলের ২১টি জেলার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়ে যাবে।

প্রথমবার সরকারের আসার পর তাঁর সরকার যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতু নির্মাণ করেছিল যেখানে বিদ্যুৎ, রেল এবং গ্যাস সংযোগও প্রদান করা হয়। পদ্মা সেতুটাও সেভাবেই করা হয়েছে, মাল্টিপারপাস। সেখানেও গ্যাস, বিদ্যুৎ, রেল সংযোগের সঙ্গে অত্যাধুনিক ওয়াইফাই সু্বিধাও থাকবে।

৪৫টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান মোট ৩০৪ কোটি ৪১ লাখ টাকার অনুদান প্রদান করে।

এগুলো হচ্ছে-সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রুপালী ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বিডিবিএল, ইডকল, বিআইএফএফএল, এক্সিম ব্যাংক, আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, ইষ্টার্ন ব্যাংক, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, যমুনা ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, মধুমতি ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, এনআরবি ব্যাংক, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, এসবিএসি ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, সোসাল ইসলামী ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক এবং উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সিলেট বিভাগে পর পর তিনবার বন্যা হলো। সেখানে যেমন ফসলের ক্ষতি হয়েছে তেমনি ঘর-বাড়ি, রাস্তা-ঘাটের ও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তেমনি পানি যখন নেমে আসছে তখন নেত্রকোনা, কুড়িগ্রাম লালমনিরহাটসহ বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

তিনি এ দেশের যে কোন দুর্যোগ ও দুর্বিপাকে মানবিক সাহায্য নিয়ে এগিয়ে আসায় এবং মাসুষের পাশে দাঁড়ানোয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধন্যবাদ জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা আমাদেরকে একটি স্বাধীন দেশ দিয়ে গিয়েছিলেন এবং এদেশে শোষিত বঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য তাঁর সারাটি জীবন উৎসর্গ করেছিলেন বলেই আজকে নিজেরাই আমাদের শিক্ষা-দীক্ষা, স্বাস্থ্য সেবা বা ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যবস্থা করতে পারছি।

সরকার প্রধান বলেন, আমাদের প্রচেষ্টাই হচ্ছে দেশের জনগণের দারিদ্র বিমোচনের মাধ্যমে ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং সেই সাথে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধশালী করে গড়ে তোলা। যাতে বিশ্ব দরবারে আমরা মাথা উঁচু করে সম্মানের সাথে চলতে পারি।

তিনি দেশে ১শ’টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, আমাদের উন্নয়নও করতে হবে আবার মানুষের খাদ্য নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে। সে জন্য যততত্র শিল্প যাতে গড়ে না ওঠে এবং কৃষিজমি যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে দিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি এলএনজি আমদানী করে শিল্প কলকারকানা চলমান রাখারও উদ্যোগ নিয়েছে।

করোনাকালিন তাঁর সরকার যেমন সকল জনগণের জন্য বিনামূল্যে ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করেছে তেমনি চলমান বিশ্ব মন্দার মধ্যে শিল্প কলকারখানা চলমান রাখতে নানারকম আর্থিক প্রণোদণাও প্রদান করেছে। কোনভাবেই যাতে অর্থনীতির গতি ব্যহত না হয়ে পড়ে সে জন্য কৃষক, শ্রমিক, সাধারণ মানুষসহ সকলকে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। এরমধ্যেই আবার ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরু হয়ে যাওয়ায় এর প্রভাবটাও অর্থনীতির ওপর পড়েছে। আবার এসেছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বন্যা।

তিনি বলেন, সমস্যা আসবে এবং সেই সমস্যা মোকাবিলা করেই আমাদের পথ চলতে হবে। আজকে আপনারা বন্যা কবলিত মানুষকে সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছেন। আর আপনারা যখন মানুষের পাশে দাঁড়ান, তখন আর আমাদের চিন্তা থাকেনা। আমরা মনে করি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো এবং বিশ^ দরবারে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হতে পারবো। এ ব্যাপারে সকলেই সচেতন থাকবেন বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি এ সময় পণ্য রপ্তানীর পরিমান বৃদ্ধি এবং রপ্তানীর পণ্য সম্ভারে নতুন নতুন পণ্য সংযোজন এবং নতুন বাজার খুঁজে বের করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। কেবল রপ্তানী নয় দেশের উৎপাদিত পণ্যের বাজার সৃষ্টির জন্য তাঁর সরকার অর্থনৈতিক কর্মকান্ড একেবারে তৃণমুল পর্যায় থেকে পরিচালিত করছে।

তিনি বলেন, ’৭১ এ মহান বিজয়ের মাধ্যমে সমগ্র বিশ্বে বাংলাদেশ যে ভাবমূতি অর্জন করেছিল তা ’৭৫ এর বিয়োগান্তক অধ্যায় এবং অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পর নষ্ট হয় এবং উন্নয়ন অগ্রযাত্রার গতিও থেমে যায়।

শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে সাহায্য নিয়ে এগিয়ে আসায় সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এই তহবিল থেকে কেবল বন্যা দুর্গত জনগণই নয়, পীড়িত ও দুঃস্থ জনগণকেও এখান থেকে সাহায্য সহযোগিতা প্রদান করা হয়। যেখানে তাঁদের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রেখে চলেছে।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় করোনার প্রাদুর্ভাব পুনরায় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সকলকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে চলার এবং মাস্ক ব্যবহারের আহবান পুনর্ব্যক্ত করেন।

‘পদ্মা সেতুর মাধ্যমে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর মতো বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও কারিগরি সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে।

শনিবার (১৩ আগস্ট) জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে ইউএনডিপি’র এসিসটেন্ট সেক্রেটারি জেনারেল কানি ভিগনারাজাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণের সঙ্গে বৈঠককালে স্পিকার এ সব কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের স্ট্যাটাস থেকে উত্তোরণের পর বাংলাদেশের সঙ্গে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার সম্পর্কে বহুমাত্রিকতা যোগ হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন আর বৈদেশিক সাহায্য নির্ভর নয়। বর্তমানে বাংলাদেশের সেক্টরভিত্তিক দক্ষতা বৃদ্ধিসহ বহুমাত্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষে আরও বেশি কারিগরি সহযোগিতা প্রয়োজন।

কানি ভিগনারাজা স্পিকারের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, ইউএনডিপিও তাই জাতিসংঘের নীতির আলোকে বাংলাদেশে সেক্টর ভিত্তিক কারিগরি সহযোগিতা জোরদার করতে কাজ করে যাচ্ছে। নতুন পরিস্থিতিতে কার্বন ট্র্যাডিং, সকল প্রকার দূষণ প্রতিরোধ কিংবা সবুজ (পরিবেশ বান্ধব) উৎপাদন প্রক্রিয়া জোরদার করার ক্ষেত্রে দক্ষতা বিনিময়ের মতো ইস্যুগুলোতে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ এক সঙ্গে কাজ করতে পারে।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। সংসদ সদস্যগণও এ সব কর্মকাণ্ডে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। সমকালীন বিশ্বব্যবস্থায় নতুন নতুন প্রযুক্তি আর জ্ঞান বিনিময়ের মতো বিষয়গুলোকে ত্বরান্বিত করার লক্ষে ইউএনডিপি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সঙ্গে কাজ করতে পারে।

তিনি বলেন, সংসদ সদস্যগণ যার যার নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের লক্ষে তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন। তবে সমকালীন প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন এলাকার উন্নয়ন চাহিদাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করতে হবে। আর এই লক্ষে সংশ্লিষ্ট এলাকার হালনাগাদ তথ্য-উপাত্ত সংসদ সদস্যগণের নিকট সহজলভ্য করতে হবে। এই লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, বিশেষ করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সহযোগিতা নিয়ে ‘মাই কনস্টিটিউএনসি’ অ্যাপ প্রবর্তন করেছে। উক্ত অ্যাপ প্রবর্তনে ইউএনডিপি কারিগরি সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। এই জন্য স্পিকার ইউএনডিপি’র প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সভায় উপস্থিত ইউএনডিপি’র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ফ্রান্সিন পিকাপ স্পিকারকে অবহিত করেন যে, উক্ত অ্যাপ বাস্তবায়নের বিষয়ে ইউএনডিপি কারিগরি সহযোগিতা জোরালোকরণে কাজ করে যাচ্ছে।

বৈঠকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের যুগ্মসচিব এম এ কামাল বিল্লাহ এবং বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের কাউন্সিলর শাহানারা মনিকা উপস্থিত ছিলেন।

;

দুদকের গণশুনানিতে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ নেই



সীরাত মঞ্জুর, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
গণশুনানি

গণশুনানি

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ পুলিশের ইতিহাসে সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল সময় ১৯৭১ সাল। মহান মুক্তিযুদ্ধে একজন ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল, বেশ কয়েকজন এসপিসহ অনেক পুলিশ সদস্যরা বাঙালির মুক্তির সংগ্রামে জীবন বিলিয়ে দেন। সেই থেকেই অপরাধ দমন ছাড়াও মানবিক কাজে নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করে সুনাম কুড়াচ্ছেন বাংলাদেশ পুলিশ। করোনাকালে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে অনন্য নজির স্থাপন করেছে তারা।

এক সময় পুলিশের বিরুদ্ধে মানুষের অনেক অভিযোগ ছিল। কিন্তু বাংলাদেশ সরকারের কঠোর পদক্ষেপে পাল্টে গেছে পুলিশের সেই চিত্র। অপরাধ করলেই চাকরি হারানোর পাশাপাশি শাস্তিও পাচ্ছেন অনেকে। তাই উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে পুলিশে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্তৃক গণশুনানিতে ৪২টি সরকারি দফতরের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও এবার ছিল না পুলিশের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উদ্যোগে বদলে গেছে নগরের চিত্র। আমার গাড়ি নিরাপদ- অ্যাপসের মাধ্যমে নগরের সকল সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। যদি কেউ মূল্যবান জিনিসপত্র হারিয়ে ফেলেন বা গাড়িতে রেখে আসেন- অ্যাপসের মাধ্যমে খুঁজে বের করা যাচ্ছে মূহুর্তেই। আইজ অব সিএমপির মাধ্যমে পুরো চট্টগ্রাম নগরকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। জঙ্গি ও সন্ত্রাস দমনে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ভূমিকা ছিল প্রশসংশনীয়। প্রতিটি থানায় স্থাপন করা হয়েছে নারী-শিশু বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য হেল্প ডেস্ক। জনগণের কথা শুনতে প্রতিটি থানায় ওপেন হাউজ-ডে কর্মসূচি চলছে। সেখানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেবা নিতে আসা লোকজনের অভিযোগ শুনে প্রতিকারের ব্যবস্থা করেন।

গত ১ জুলাই নগরের হামজারবাগ এলাকায় অস্ত্রসহ কিশোর গ্যাংয়ের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয়। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে অস্ত্রসহ ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করেন পাঁচলাইশ থানা পুলিশের এসআই সোহেল। এছাড়া গত ৬ আগস্ট মাসুদ আলম (৩৭) নামের এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা দাবি করে আসছে চাঁদাবাজরা। বিষয়টি পুলিশকে জানালে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে চাপাতিসহ ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে আটক করে পুলিশ। নগরের বায়জিদ থানাধীন বালুচড়া এলাকায় ছিনতাইয়ের শিকার হন মুকবল আহমদ নামের এক রিকশা চালক। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের আটক করে পুলিশ। নগরের নিউমার্কেট এলাকার এক বাসিন্দা স্বামীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করতে আসেন। মামলা না নিয়ে উভয়পক্ষকে বুঝিয়ে এক সঙ্গে সংসার করার পরামর্শ দেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। এক মাস পর তারা নিজেরাই ওসির সঙ্গে ফুল নিয়ে দেখা করতে আসেন। পুলিশকে ধন্যবাদ জানান তারা। শুধু এ ঘটনাগুলোই নয়, পুলিশের ইতিবাচক কর্মকাণ্ড ইতিমধ্যে সাধারণ মানুষের কাছে সমাদৃত হয়েছে।

গত ৩ আগস্ট চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের শহীদ বীর উত্তম শাহ আলম অডিটোরিয়ামে সকাল ৯টায় দুদকের গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় দুই বছর পর চট্টগ্রামে ৪২ সরকারি দফতরের বিরুদ্ধে আনা শতাধিক অভিযোগের বিষয়ে গণশুনানি করেছে দুদক। দুদক জানায়, নগরে অবস্থিত বিভিন্ন সরকারি দফতরের সেবা সহজ করা এবং হয়রানি বা দুর্নীতি বন্ধে এ গণশুনানির আয়োজন করা হয়েছে।

নগরের বিভিন্ন সরকারি দফতরের সেবাগ্রহীতাদের নিয়ে প্রথমবারের মতো এ গণশুনানির আয়োজন করা হয়। দুদক এবং মহানগর দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি এ গণশুনানির আয়োজন করে।

সিএমপি কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় বার্তা২৪.কম-কে বলেন, জনগণ পুলিশ সম্পর্কে কী ভাবে তা আমরা জানতে চাই। আমরা জনগণের কাছে হিরো হতে চাই, ভিলেন নয়। জনগণের কথা শুনতে প্রতিটি থানায় ওপেন হাউজ ডে কর্মসূচি চলছে। সেখানে আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেবা নিতে আসা লোকজনের অভিযোগ শুনেন। প্রতিকারের ব্যবস্থা করেন। আমরা অভিযোগ শুনতে চাই। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, পুলিশ হবে জনগণের পুলিশ, পুলিশ হবে জনগণের প্রকৃত বন্ধু। আর সেই জনগণের পুলিশ হওয়ার জন্যই আমরা কাজ করছি।

তিনি আরও বলেন, মাদক শুধু কোনও ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না বরং গোটা সমাজকে বিপদগামী করে। তাই সমাজ এবং আগামী প্রজন্মকে বাঁচাতে দেশকে মাদকমুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাংলাদেশ পুলিশও জিরো টলারেন্স ঘোষণা দিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

গণশুনানিতে চট্টগ্রাম বন্দর, ওয়াসা, কাস্টমস, রেল, বিদ্যুৎ, পাসপোর্ট, ভূমি অধিগ্রহণ শাখাসহ সরকারি বিভিন্ন দফতরের ৪৭টি অভিযোগ তুলে ধরেন ভুক্তভোগীরা। গণশুনানি পরিচালনা করেন দুদকের মহাপরিচালক একেএম সোহেল। সিদ্ধান্ত দেন দুদক কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান।

গণশুনানিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. মো. মোজাম্মেল হক খান বলেন, জিরো টলারেন্স টু করাপশান হচ্ছে আমাদের একমাত্র টার্গেট। এ লক্ষ্য অর্জন না করা পর্যন্ত আমাদের এ কার্যক্রম চলবে। দুদক এখন শুধু চুনোপুটিদের ধরছে না, রাঘব বোয়ালদের জেলহাজতে পুরে শাস্তি দিয়ে দুদকের সক্ষমতার জানান দিচ্ছে। দুদকের জালে একবার ধরাখেলে তার সম্পদ ভোগ করার সুযোগ থাকবে না এবং তার জীবন দশায় ভোগ করে যেতে পারবে না। রাষ্ট্রের বৈধ অধিকার ছাড়া কেউ যেন সম্পদ ভোগ করতে না পারে তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। সমাজ থেকে সমূলে দুর্নীতির মূল উৎপাটন করা হবে এটাই দুদকের অঙ্গীকার।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বার্তা২৪.কম-কে বলেন, পুলিশ এখন আর আগের অবস্থানে নেই। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ বর্তমান বাংলাদেশ পুলিশ এক নতুন মাত্রিকতায় জনগণের কাছে তাদের গ্রহণযোগ্যতা প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে। হাতেগোনা কয়েকজন পুলিশ বাহিনীর সদস্যের কারণে গোটা পুলিশ পরিবার কখনো কুলষিত হতে পারে না। বিশেষ করে করোনাকালীন সময়ে তাদের অবদান ছিল চোখে পড়ার মতো। এরপরও কিছু পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। সেগুলো কাটিয়ে উঠতে পারলেই পুলিশ হবে জনতার।

তিনি আরও বলেন, জনগণের সঙ্গে আরও মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে পুলিশ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ভীতি দূর করতে পুলিশকে কাজ করতে হবে। পুলিশ যাতে জনগণের পুলিশ হতে পারে, জনতার পুলিশ হতে পারে এবং জনবান্ধব পুলিশ হতে পারে, এ জন্য ‘মুজিব বর্ষের অঙ্গিকার, পুলিশ হবে জনতার' এ স্লোগানকে বাস্তবে রূপ দিতে হবে। জঙ্গিবাদ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে সারা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ পুলিশ একটি মডেল।

;

ভোলায় মেঘনার পানি বিপৎসীমার ওপর, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ভোলা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

পূর্ণিমার প্রভাবে ভোলায় গত কয়েক দিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি ও অস্বাভাবিক জোয়ারে মেঘনার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নিম্নাঞ্চল এবং বেড়িবাঁধের বাইরের এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে অন্তত ২৫ গ্রামের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর, চর নিজাম, মুজিবনগর, মনপুরার কাজির চর এবং সদরের মেঘনা নদীর তীরবর্তী এলাকার শত শত একর জমির ফসল ও পুকুরের মাছ জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে।

শনিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে ভোলার মেঘনা নদীরর পানি বিপৎসীমার ৯১ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হয়েছে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা যায়।

জোয়ারের প্রভারে ভোলায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

জোয়ারের পানিতে রাস্তাঘাট, ঘর-বাড়িসহ বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগ পড়েছে ভোলার চরাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকা ও বাঁধের বাইরের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। জেলার ঢালচর, চর নিজাম, মুজিবনগর,কুকরি-মুকরি, মদনপুর, মনপুরার কাজির চর এবং মেঘনা নদীর তীরবর্তী সদরের ইলিশা, রাজাপুর ও ধনিয়ায় বাঁধের বাইরের নিম্নাঞ্চলের ২৫ গ্রামের মানুষ পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

চরফ্যাশনের ঢালচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাম হাওলাদার জানিয়েছেন, তার ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো সহায়তা পায়নি। শত শত মানুষ নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। পানি উঠে আবার নেমে গেলেও লবণাক্ততার সৃষ্টি হওয়ায় জমির উর্বরতা কমে গেছে। ভবিষ্যতে এসব এলাকায় ফসল হবে না বলেও আশঙ্কা করছেন তারা।

মেঘনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ঘরবাড়িতে উঠেছে

ভোলার ইলিশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ছোটন জানান, তার এলাকায় গত কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও অতি জোয়ারের কারণে বাঁধের কয়েকটি পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট চিহ্নিত করে সংস্কারের দাবি করেছেন তিনি। এছাড়া বাঁধের বাইরে যে সমস্ত এলাকায় জোয়ারের পানি উঠেছে তাতে মানুষের পুকুরের মাছ ও ফসলের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এসব মানুষের জন্য সাহায্য সহযোগিতার দাবি করেন তিনি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ভোলা-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান জানিয়েছেন, এ মৌসুমে ভোলায় সর্বোচ্চ জোয়ার প্রবাহিত হচ্ছে। তাই তাদের নিয়মিত মনিটরিং রয়েছে। বাঁধের যে সমস্ত জায়গায় ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছেন, সে সমস্ত জায়গায় বালুভর্তি জিও ব্যাগ দিয়ে মেরামত করা হচ্ছে। দৌলতখানে ২ শত মিটার বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় মেরামত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

;

‘বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজতে কমিশনের রূপরেখা প্রস্তুত’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক

  • Font increase
  • Font Decrease

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যায় জড়িত ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজতে কমিশন গঠনের রূপরেখা প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক।

শনিবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।

‘এস্টাবলিশ পাইলট প্রসেস টু ক্লাসিফাই কেসেস ইন কনসালটেশন উইথ দ্য জাজেস অব দ্য লেবার কোর্টস উইথ অ্যা ভিউ টু এড্রেসিং কেস ব্যাকলগস’ শিরোনামে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি বলেন, এ বছর নাগাদ আমরা হয়ত কমিশন চালু করতে পারব। এখন রূপরেখাটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। পরে প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনে সংযোজন-বিয়োজনের মাধ্যমে বিষয়টি চূড়ান্ত অনুমোদন করবেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ষড়যন্ত্রকারীদের খোঁজার বিষয়ে কমিশনের রূপরেখা তৈরি করেছি। এখন কমিশন গঠন ও এর কার্যপ্রণালী নির্ধারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। আপনারা জানেন, কোভিড যায় যায় করেও যাচ্ছে না, বর্তমান বৈশ্বিক অবস্থাও অনুধাবন করছেন। এখানে অর্থনৈতিক বিষয়েও কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। সেজন্য কমিশনের রূপরেখার বিষয়ে নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়ে উঠছে না। আশা করছি কিছুদিনের মধ্যে আলোচনায় বসতে পারব।

;