পদ্মা সেতুর সুবাতাস সুন্দরবনেও



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মংলা (বাগেরহাট)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

চালু হয়েছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। এতে পাল্টে যেতে শুরু করেছে সবকিছুই। সেতুতে সময় সাশ্রয়ের সঙ্গে কমছে ভোগান্তি। যার সুবাতাস বইতে শুরু করেছে বিশ্বখ্যাত ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনের পর্যটন শিল্পে।

ভৌগলিক দিক দিয়ে সুন্দরবনের কোলে অবস্থান হওয়ায় একমাত্র সড়ক পথে মোংলা থেকেই যেতে হয় সুন্দরবনে। তাই স্বল্প সময় ও খরচে সুন্দরবনকে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন রূপে দেখার সুযোগ কেবল মোংলাতেই রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় এখন সড়ক পথে দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে মোংলা হয়ে সরাসরি যাওয়া যাবে সুন্দরবনে। যে সুযোগ আর কোথাও পাওয়া যাবে না। এটি ভ্রমণ পিপাসু পর্যটকদের জন্য একটি আকর্ষণীয় বিষয়। ফলে ভ্রমণ মৌসুমে সুন্দরবনে পর্যটকদের সংখ্যা বাড়বে। সমৃদ্ধ হবে সুন্দরবনের অর্থনীতি।

পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে সুন্দরবনে পর্যটক এসেছে ১ লাখ ২০ হাজার। এখান থেকে সুন্দরবনের রাজস্ব আয় হয়েছে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা। পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় সুন্দরবনে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। পর্যটকদের সংখ্যা যেমন বাড়বে তেমনি রাজস্বও বাড়বে।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে পর্যটকদের চাপ সামলাতে পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল, হাড়বাড়িয়া, কটকা, কচিখালী ও দুবলা ও পশ্চিম বিভাগের হিরণপয়েন্ট ও কলাগাছিয়া এই সাতটি ইকোট্যুরিজমের সাথে নতুন আরও চারটি ইক ট্যুরিজম কেন্দ্র যোগ করা হচ্ছে। সুন্দরবন ইকো ট্যুরিজম প্রকল্পের আওতায় ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের আন্ধারমানিক, শরণখোলা রেঞ্জের আলীবান্দা ও পশ্চিম বিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জের শেখের টেক ও কালাবগিতে নতুন এই ট্যুরিজমগুলো নির্মাণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

এসব ইকোট্যুরিজমে পর্যটকদের সুব্যবস্থার জন্য গোলঘর, ফুট ট্রেইলার, পাবলিক শৌচাগার, ওয়াচ টাওয়ার ও রাস্তা করা হচ্ছে। গত সপ্তাহে এ সকল প্রকল্পের অগ্রগতি কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার।

বন কর্মকর্তা মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, যে কোন পর্যটন হোক বা ইকোট্যুরিজম হোক তারমধ্যে অন্যতম সুবিধা হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি। দীর্ঘদিন সুন্দরবন কেন্দ্রিক যে ইকোট্যুরিজমে পর্যটকরা আসতো, তারা সব সময় যোগযোগ ব্যবস্থা উন্নত না থাকার কারণে এখানে আসার অনীহা প্রকাশ করতো। কিন্তু এখন সেতু যেহেতু চালু হয়েছে তাই অতিরিক্ত পর্যটকদের ঢল নামবে। তাই পর্যটকদের চাপ সামলাতে নতুন চারটিসহ মোট ১১টি ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র থেকে সেবা দেওয়া যাবে বলেও জানান তিনি।

পরিবহন ব্যবসায়ী মো. জামাল হোসেন ও প্রদীপ কুমার বলেন, সেতু চালুর আগে ঢাকা থেকে শুধু মোংলায় আসতে পুরো একদিন অর্থাৎ সকাল ৬টায় ছাড়লে এখানে পৌঁছাতো বিকেল ৩টা/৪টায়। ১০ ঘণ্টা সময় লাগতো। আর ফেরি ঘাটে জটলা থাকলে তা আরও কয়েক ঘণ্টা বেড়ে যেতো। এখন সেতু চালু হওয়ায় মাত্র তিন থেকে সোয়া তিন ঘণ্টায় মোংলায় চলে আসছে। মোংলায় নামার পর মাত্র ৩০/৪০ মিনিটে পৌঁছে যাওয়া যাবে সুন্দরবনের সবচেয়ে কাছাকাছি ও আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র করমজলে। সুতরাং আগে শুধু ঢাকা থেকে আসতে যে সময় লাগতো সেই সময়ের চেয়েও কম সময়ের মধ্যেই ঢাকা থেকে মোংলা হয়ে সুন্দরবন ঘুরে ঢাকায়ই ফিরে যেতে পারবেন।

সুন্দরবনের ট্যুরিজম ব্যবসায়ী গোলাম রহমান বিটু বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না থাকায় অধিকাংশ সময় পর্যটকরা সুন্দরবনে আসতে চাইতো না। এখন যেহেতু পদ্মা সেতু চালু হয়েছে তাই সেই চিরচেনা চিত্র একেবারেই পাল্টে যাবে। যোগাযোগ ব্যবস্থার দূরত্ব কমে সহজ হওয়ায় এখন পর্যটকদের আকর্ষণও বাড়বে বলে মনে করেন তিনি।

সেভ দ্য সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় উচ্ছ্বসিত সুন্দরবন সংলগ্ন স্থানীয়রাও। তিনি বলেন, সুন্দরবনের কাছেই আমাদের বসবাস। ফলে বন কেন্দ্রিক পর্যটন শিল্পের সঙ্গে আমাদের অনেকেই জড়িত। পদ্মা সেতুর দ্বার উন্মোচনের পাশাপাশি সুন্দরবনের বিভিন্ন পয়েন্টে অবকাঠামো ও যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নতি হলে দর্শনার্থীরাও আনন্দ পাবেন।

পূর্ব সুন্দরবনের করমজল বণ্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির বলেন, সুন্দরবনের ৬ হাজার ১৭ বর্গ কিলোমিটার বাংলাদেশ অংশে জলভাগের পরিমাণ ১ হাজার ৮৭৪ দশমিক ১ বর্গ কিলোমিটার। যা সমগ্র সুন্দরবনের আয়তনের ৩১ দশমিক ১৫ ভাগ। এই বনে বাঘ, হরিণ, বানরসহ ৩১৫ প্রজাতির বণ্যপ্রাণী ও সুন্দরি, বাইন, গরানসহ ৩৩৪ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। মূলত এসব দেখতেই প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ভ্রমণ পিপাসুরা ছুটে আসেন। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা অনুন্নত হওয়ায় মাঝে মাঝে মৌসুমেও পর্যটকদের ভাটা পড়তো। এখন সেতু চালু হওয়ায় পর্যটক বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সুন্দরবনের এ খাত থেকে রাজস্ব আয় হবে চার থেকে পাঁচ গুণ।

কক্সবাজারে জেন্ডার সংবেদনশীল সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
কর্মশালা

কর্মশালা

  • Font increase
  • Font Decrease

কক্সবাজারে জেন্ডার সংবেদনশীল সাংবাদিকতা বিষয়ক দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু হয়েছে।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শহরের তারকা মানের হোটেলে জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেনের উদ্যোগে ও জার্মানভিত্তিক সংবাদ সংস্থা ডয়েচে ভেলে একাডেমির সহযোগিতায় কর্মশালা শুরু হয়।সকালে কর্মশালার উদ্বোধন করেন ইউএন উইমেন কক্সবাজার সাব অফিসের হেড সিলিয়া রাজেন্দার।

কর্মশালার প্রশিক্ষক ছিলেন ইউএন উইমেনের গ্রোগ্রাম অ্যানালিস্ট নাদিরা ইসলাম, ডয়েচে ভেলে একাডেমির প্রকল্প ব্যবস্থাপক মাইনুল ইসলাম খান ও মাফিয়া মুক্তা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউএন উইমেনের কক্সবাজার কমিউনিকেশন্স লীড মাহমুদুল করিম, ডয়চে ভেলে একাডেমির প্রডিউসর জিসান পাল, কমিউনিটি কমিউনিকেশন স্কিলস ডেভেলপমেন্ট ফর সোশ্যাল অ্যাওয়ারনেস ইন কক্সবাজার প্রকল্পের ব্যবস্থাপক শিহাব জিশান প্রমুখ।

কর্মশালার মূল লক্ষ্য গণমাধ্যমে নারী—পুরুষের ভারসাম্য রক্ষা, সংবাদে নারীকে সংবেদনশীলভাবে উপস্থাপন, নারীর প্রতি সহিংসতা বিষয়ক প্রতিবেদনে সংবেদনশীল শব্দ, ছবি ব্যবহার ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের উৎস সম্পর্কে স্থানীয় সাংবাদিকদের সম্যক ধারণা দেওয়া।

সিলিয়া রাজেন্দার বলেন, সমাজে নারীদের অধিকার নিশ্চিত করা আবশ্যক। এবং পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরও সমাজের আইডল হতে হবে। সমাজে বিভিন্ন লিঙ্গের মানুষ বসবাস করে। এতে লিঙ্গবৈষম্য না করে সকলকে মানুষ হিসেবে বিবেচনা ও সম্মান করতে হবে। নারীদের ভয়েস এবং তাদের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিকভাবে প্রচার হওয়া উচিত।

কর্মশালায় ভিকটিমদের সুরক্ষার জন্য সাংবাদিকদের সক্রিয় ভূমিকা, বিশ্বে নারীর প্রতিভার স্বীকৃতি, শান্তিপূর্ণ ও সমতার বিশ্ব তৈরিতে সাংবাদিকরা যে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে সেই বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। এছাড়া জেন্ডার সংবেদনশীল সাংবাদিকতা ও প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে জেন্ডার সংবেদনশীলতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা এবং জেন্ডার সংবেদনশীল সাংবাদিকতা নিয়ে গ্রুপ ওয়ার্কে অংশগ্রহণ করা হয়।

এ কর্মশালায় প্রথম দিনে ১৫ জন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক অংশ নেন। বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) কর্মশালাটি শেষ হবে।

;

এক দিনে ৫২৪ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে, মৃত্যু ১



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫২৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে এই সময় নতুন করে আরও এক ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৩৪৬ জন। এ বছর ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ৫৫ জন।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের দেওয়া তথ্য থেকে এসব জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) আরও ৫২৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে ১ হাজার ৮২০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে ৪৩২ জন ঢাকার বাইরে চিকিৎসাধীন।

এছাড়া এ বছর ডেঙ্গুতে মৃতদের মধ্যে ২৭ জন ঢাকার, ১৮ জন কক্সবাজারের, ৪ জন বরিশালের এবং ৬ জন চট্টগ্রামের বাসিন্দা। এ পর্যন্ত মোট ১৩ হাজার ৪৭১ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন।

 

;

মিছিল-সমাবেশে লাঠিসোঁটা আনা পুলিশের জন্য হুমকি: হাফিজ আক্তার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজনৈতিক দলের মিছিল-সমাবেশে লাঠিসোঁটা আনা পুলিশের জন্য হুমকিস্বরূপ বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এ কে এম হাফিজ আক্তার। তাই এগুলো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে না আনার অনুরোধ করেছেন তিনি।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ডিএমপির এ অতিরিক্ত কমিশনার।

হাফিজ আক্তার বলেন, রাজনৈতিক দলের মিছিল-মিটিংয়ে লাঠিসোঁটা বা দেশীয় অস্ত্র আনা যাবে না। এগুলো আনার কোনো প্রয়োজন নেই। যারা সমাবেশ করবেন, তারা সমাবেশ করে চলে যাবেন।

বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক সমাবেশ করার অনুমতি না দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, পরিস্থিতি বুঝে ডিসিরা মতামত দেন। একাধিক সংগঠন সমাবেশ করার অনুমোদনের জন্য একসঙ্গে আবেদন করে। তখন আমরা নাগরিক সুরক্ষার জন্য অনুমোদন দেই না।

তিনি আরও বলেন, ডিএমপি থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে লাঠি এবং জাতীয় পতাকা নিয়ে যেন কেউ সমাবেশে না আসেন। পতাকা পড়ে গেলে এটা যেন অবমাননা না হয়। সমাবেশ করতে অনুমোদন দিতে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। তবে যেটাতে শুধু সমস্যার সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকে সেটা দেবে না। বাকি জায়গায় প্রতিনিয়তই প্রোগ্রাম হচ্ছে।

;

বগুড়ায় এক সন্ত্রাসীকে কুপিয়ে হত্যা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বগুড়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়ার শেরপুরে মর্তুজা কাওসার অভি (৩৮) নামের এক সন্ত্রাসীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে শেরপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে অভিকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।

নিহত অভি শেরপুর রেজিস্ট্রি অফিস সংলগ্ন খন্দকার পাড়ার মৃত ফুয়া সরকারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, অভি সরকারি দলের ছত্রছায়ায় থেকে শেরপুর পৌর শহরে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করতেন। দুই সপ্তাহ আগে সোহাগ নামের এক যুবককে অভি ছুরিকাঘাত করে। সে ঘটনায় অভির বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় মামলা হয়।এরপর অভি আত্মগোপনে থেকে উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়ে শেরপুরে আসেন।

বুধবার সন্ধ্যার পর শেরপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে দুর্বৃত্তরা অভিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতাউর রহমান বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে অভিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানাগেছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করতে অভিযান শুরু হয়েছে।

অভির নামে শেরপুর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানান তিনি।

;