সূচনা করেছে ছাত্রদল, আন্দোলনকে এগিয়ে নেয়ার পরামর্শ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দলীয় চেয়ারপার্সনের হত্যার হুমকির প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে ছাত্রদল রাজপথে আন্দোলনের সূচনা করেছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। ছাত্রদলের এই আন্দোলনকে সবাইকে এগিয়ে নেয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

শুক্রবার (২৭ মে) রাজধানীর প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অথিতির বক্তব্যকে খন্দকার মোশাররফ এসব কথা বলেন।

ছাত্রদল নেতাকর্মীদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে এ প্রতিবাদ সমাবেশে হয়।

সম্প্রতি পদ্মা সেতু থেকে খালেদা জিয়াকে টুস করে ফেলে দেয়ার বক্তব্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারই প্রতিবাদে বিএনপির ছাত্রসংগঠন গত মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ মিছিল করতে গেলে ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের সংঘর্ষে জড়ায়।

ছাত্রদলের অভিযোগ, তাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে ক্ষমতাসীন সংগঠন হামলা চালিয়েছে।

শ্রীলঙ্কার মতন রাজপথ না দেখতে চাইলে সরকারকে অনতিবিলম্বে পদত্যাগের পরামর্শ দিয়ে বিএনপি নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলন, জনগণের সমর্থন থাকলে কেউ গুন্ডামিতে যায় না। কারণ আপনাদের পায়ের নিচে মাটি নাই।

ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা এ দেশের মানুষের সন্তান। ছাত্রদলের সঙ্গে বিএনপির অঙ্গসংগঠন আছে। ক্ষমতাসীন সরকারকে নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করার পরামর্শ দেন বিএনপির এই নেতা।

ছাত্রলীগের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। অচিরেই দায়ীদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। বিশ্বজিত, আবরারদেরও ছাত্রলীগের গুণ্ডারা হত্যা করেছিল। আজ যারা প্ররোচণা দিচ্ছে তারা বিনাভোটে নির্বাচিত সরকার। দিনের ভোট রাতে ডাকাতি করা সরকার। তাদের কোনো কমিন্টমেন্ট নেই। গণতন্ত্রকে তারা ৭৫-এ হত্যা করেছে আবার করেছে।

শেখ হাসিনার নির্দেশেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে মন্তব্য করে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক আমানউল্লাহ আমান বলেন, শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোথায় ছিলেন? কোথায় ছিল সরকার? কোথায় ছিল অবৈধ প্রধানমন্ত্রী।

তিন শতাধিক ছাত্রদল কর্মীদের মামলা দেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, কোথায় প্রশাসন, কোথায় ভাইস চ্যান্সেলর। কোথায় বুদ্ধিজীবিরা।

সব ছাত্রদের হলে উঠিয়ে সহঅবস্থানের রাজনীতি চালু করার পরামর্শ দিয়েছেন এই বিএনপি নেতা। যদি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের জায়গা না হয় তাহলে প্রশাসনের জায়গা সারা বাংলাদেশে হবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং মোনাজাত করেছেন।

শুক্রবার (১২ আগস্ট) সকালে তিনি বঙ্গবন্ধুর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান।

পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতির স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে কিছুক্ষণ নীরবে দাড়িয়ে থাকেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বিষয়টি বাসসকে নিশ্চিত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে জাতির পিতা এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকা-ের অন্যান্য শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেন।

শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনার পাশাপাশি দেশের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

এ সময় বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ও শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

গত ২৫ জুন সেতু উদ্বোধনের পর দ্বিতীয়বারের মতো পদ্মা সেতু পার হয়ে সড়কপথে সকাল সাড়ে ১০টায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে চলতি বছরের ৪ জুলাই তিনি পদ্মা সেতু পার হয়ে প্রথমবারের মতো সড়কপথে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় তার পৈতৃক বাড়িতে যান।

প্রধানমন্ত্রী আজ বিকেলে টুঙ্গিপাড়া থেকে ঢাকায় ফিরে আসবেন।

;

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানোর বিষয়ে ভাবছে সরকার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

  • Font increase
  • Font Decrease

চলমান সংকটে ব্যয় কমাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানোর বিষয়ে ভাবছে সরকার বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

শুক্রবার (১২ আগস্ট) বাংলাদেশ পলিটেকনিক শিক্ষক সমিতির ১৭তম জাতীয় সম্মেলন ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি।

ঢাকা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজিত ‘শোক হোক শক্তি, কারিগরি শিক্ষাই মুক্তি’ শীর্ষক এ সেমিনারে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন মন্ত্রী।

সেমিনারে কারিগরি শিক্ষায় সরকারের বিভিন্ন নতুন কারিকুলাম ও প্রকল্পের কথা তুলে ধরে ডা. দীপু মনি বলেন, কারিগরি দক্ষতা অর্জনকে আমরা বিরাট গুরুত্ব দিচ্ছি। আমাদের শিক্ষার্থীরা দক্ষ হয়ে গড়ে উঠেছে কিনা সেটি নিশ্চিত করতে চাই। শিক্ষার্থীদের মানবিক, সৃজনশীল মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য যেসব দিকে নজর দেওয়া দরকার, শেখ হাসিনা সরকার সেদিকে নজর দিয়েছে।

এর আগে আমরা শিক্ষক নিয়োগ করতে পারিনি দীর্ঘদিন। তবে, সম্প্রতি আমরা ৫ হাজার কারিগরি শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছি। আশা করছি শীঘ্রই নিয়োগ সংক্রান্ত সমস্যা থাকবে না।
মন্ত্রী বলেন, মাঝখানে প্রায় ১০ বছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভূক্তি বন্ধ ছিল। অতীতের সরকার ব্যক্তিগত যোগাযোগ বা অন্য উপায়ে প্রতিষ্ঠান এমপিওভূক্ত করেছে। কিন্তু, শেখ হাসিনা সরকারের আমলে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে স্বচ্ছ উপায়ে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, প্রত্যেকটা উপজেলায় একটি করে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রকল্প নিয়ে ভাবছে সরকার। এর আগে,
৫০টি প্রতিষ্ঠানকে ৭০ কোটি দেওয়া হয়েছে ল্যাব ও আনুষঙ্গিক কাজের জন্য। অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান সে অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারেনি। কাজেই বরাদ্দ দিলেই শুধু হবে না, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা অর্জনে সেটি কাজে লাগাতে হবে।

তিনি বলেন, সক্ষমতা হিসেব না করে অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তির একটা প্রবণতা আছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয়। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, সকল পর্যায়ে এ প্রবণতা আছে। ঢাকা শহরের সবচেয়ে নবীন প্রতিষ্ঠানে ৬৬ জন করে প্রতি ক্লাসে শিক্ষার্থী আছে, তারা সেটি ৭৫ জনে উন্নীত করতে চায়। আমি বলেছি ৬৬ থেকেও কমাতে হবে।

দীপু মনি আরও বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের উপযোগী দক্ষ মানব শক্তি উৎপাদনের জন্য শিক্ষার্থীদের তৈরি করে তুলতে হবে। যেই দেশ যত উন্নত হয়েছে সেই দেশে কারিগরি শিক্ষার হার, এনরোলমেন্ট অনেক বেশি। কিন্তু, আমাদের দেশে উলটো- কম মেধা সম্পন্ন, কম অবস্থাপন্ন শিক্ষার্থীদের কারিগরি পড়ানো হয়।

বাংলাদেশ পলিটেকনিক শিক্ষক সমিতির (বাপশিস) (কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ) সভাপতি মো. আমান উল্লাহ খান ইউছুফজীর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য দেন বাপশিস’র সাধারণ সম্পাদক জি. এম. আকতার হোসেন, ঢাকা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট’র অধ্যক্ষ প্রকৌশলী কাজী জাকির হোসেন। উপস্থিত ছিলেন বাপশিস’র বিভিন্ন সদস্য ও শিক্ষকরা।

;

ভাই-বোনের সম্পর্ক দৃঢ় করবে রাখীবন্ধন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুড়িগ্রাম
ভাই-বোনের সম্পর্ক দৃঢ় করবে রাখীবন্ধন

ভাই-বোনের সম্পর্ক দৃঢ় করবে রাখীবন্ধন

  • Font increase
  • Font Decrease

কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে রাখীবন্ধন অনুষ্ঠান পালিত হয়েছে। শুক্রবার (১২ আগস্ট) সকালে কলেজ মাঠের নজরুল মঞ্চে সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ শাখার উদ্যোগে এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি পালিত হয়।

অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের প্রায় ৫০ জন হিন্দু শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এই দিন দিদি বা বোনেরা তাদের ভাই বা দাদার হাতে রাখী নামে একটি পবিত্র সুতো বেঁধে দেন। এই রাখীটি ভাই বা দাদার প্রতি দিদি বা বোনের ভালবাসা ও ভাইয়ের মঙ্গলকামনা এবং দিদি বা বোনকে আজীবন রক্ষা করার ভাই বা দাদার শপথের প্রতীক। অনুষ্ঠানে দাদা বা ভাইদের পক্ষ থেকে বোন বা দিদিদের উপহার প্রদান করা হয়। হিন্দু পঞ্জিকা মতে শ্রাবন মাসের শুক্লা পক্ষের পূর্ণিমা তিথিতে এই উৎসব পালন করা হয়ে থাকে।


আয়োজক সংগঠনটির সভাপতি তাপস রায় বলেন, এই আয়োজনটি ভাই-বোনদের সম্পর্ক দৃঢ় করবে। আমরা এধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখবো। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনকারী শিক্ষার্থী বৃষ্টি রায় বলেন, দাদার হাতে রাখী পড়াতে পেরে ভালো লাগছে। এই দিনটি বারবার ফিরে আসুক। আয়োজকদের অসংখ্য ধন্যবাদ।

রাখিবন্ধন উৎসব হল একটি মহাপবিত্র ও সুন্দর সংহতির অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানের দ্বারা ভাই-বোনের মধ্যে ভালোবাসা ও স্নেহের বন্ধনকে দৃঢ় শক্তিশালী ও পুনরুজ্জীবিত করে তোলে। এই চিরন্তন পবিত্র উৎসব পরিবারের সকল সদস্যদের পাশাপাশি সমাজ তথা সমগ্র মানবজাতিকে সুসম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ করে ও ঐক্যকে নিশ্চিত করে। রাখিবন্ধন অনুষ্ঠানে ভাইদের পাশাপাশি বোনরা নতুন পোশাক পরিধান করে এবং মিষ্টি মুখ করানোর মধ্য দিয়ে ভাইদের হাতে পবিত্র সুতো বা রাখি বেঁধে দেয়। পরিবর্তে ভাইরা বোনদেরকে উপহার দিয়ে থাকে।

উল্লেখ্য, ‘রাখিবন্ধন’ বা ‘রাখিপূর্ণিমা’ একটি সুপ্রচলিত পবিত্র উৎসব। প্রধানত এই দিনে ভাই-বোনের সম্পর্ক আজীবন রক্ষা করার উদ্দেশ্যে দাদা বা ভাইয়ের ডান হাতের কব্জিতে দিদি বা বোনেরা পবিত্র সুতো বেঁধে দেয়। এর মাধ্যমে দিদি বা বোনেরা, দাদা বা ভাইয়ের মঙ্গল কামনা করে থাকে। রাখিবন্ধন উৎসবটি দক্ষিণ এশিয়ার সকল জাতি ও বর্ণের মানুষের মধ্যে প্রচলিত। তবে হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ ধর্মের মানুষদের মধ্যেই বেশী প্রচলিত থাকে। তবে বর্তমানে এদেশের পাশাপাশি বিদেশেও এই উৎসব খ্যাতি অর্জন করেছে।

;

বালুবাহী ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল গৃহবধূর, ট্রাকে আগুন ক্ষুব্ধ জনতার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
বালুবাহী ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল গৃহবধূর, ট্রাকে আগুন ক্ষুব্ধ জনতার

বালুবাহী ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল গৃহবধূর, ট্রাকে আগুন ক্ষুব্ধ জনতার

  • Font increase
  • Font Decrease

 

রংপুরের পীরগঞ্জে রাস্তায় হাঁটতে বেরিয়ে বালুবাহী ট্রাকের চাপায় নুরজাহান বেগম (৪০) নামে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতা ট্রাকটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে পীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

শুক্রবার (১২ আগস্ট) সকালে উপজেলার মনখালী ইউনিয়নের জাফরপাড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত নুরজাহান বেগম ওই গ্রামের সাইফুল ইসলামের স্ত্রী।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, উপজেলার জাফরপাড়া-খালাসপীর সড়কের নির্মাণ কাজ চলছে। ওই সড়কে্ পাশেই নুরজাহান বেগমের বাড়ি। প্রতিদিনের মতো শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে নুরজাহান বেগম রাস্তায় হাঁটছিলেন। এ সময় সড়ক নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত বালুবাহী একটি ট্রাক তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে উত্তেজিত জনতা ট্রাকটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় ট্রাকচালককে আটক করেছে স্থানীয় লোকজন।

পীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা রতন চন্দ্র বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ট্রাকচাপায় গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় চালককে আটক করে ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেয় জনতা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছি।

;