সংবিধানে ৭ মার্চের ভাষণে শতাধিক ভুল, তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে ১১৭টি স্থানে ভুল পেয়েছে হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত উচ্চ পর্যায়ের কমিটি।

আইন মন্ত্রণালয় থেকে বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) বিচারপতি মুজিবুর রহমান ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।

রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট সুবীর নন্দী দাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে ‘অসম্পূর্ণ’ ও ‘ভুলভাবে’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে ২০২০ সালের ১০ মার্চ উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি করতে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক সেই ভাষণের সময় সমাবেশে উপস্থিত থেকে যারা ভাষণটি সরাসরি শুনেছেন, তাদের কাউকে অন্তর্ভুক্ত করে কমিটি গঠন করতে বলা হয়।

এ সংক্রান্ত এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ ওই আদেশ দিয়েছিল।

প্রতিবেদন দাখিলের পর রিটকারীর আইনজীবী আব্দুল আলীম মিঞা জুয়েল বলেন, সংবিধানে জাতির জনকের ৭ মার্চের ভাষণে কমিটি ১১৭টি ভুল পেয়েছে।

স্বাধীনতার প্রাক্কালে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ওই ভাষণ সংবিধান ও পাঠ্যপুস্তকে ‘ভুলভাবে অন্তর্ভুক্ত করার’ বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদনটি করেন রাজবাড়ীর কাশেদ আলী।

মেয়ে আদুরির জিম্মায় বাড়ি ফিরলেন রহিমা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নিখোঁজ রহিমা বেগমকে বাদী মেয়ে আদুরি আক্তারের জিম্মায় দিয়েছেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। আদুরির আবেদনের প্রেক্ষিতে তাকে জিম্মায় মুক্তি দেওয়া হয়।

রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আহমেদ এ আদেশ দেন। এর আগে, গতরাতে রহিমা বেগমকে উদ্ধারের পর খুলনা পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

রহিমা খাতুনকে অপহরণ করা হয়নি বলে ধারণা করলেও ঘটনাটি তদন্তের কথা জানিয়েছে পিবিআই। বেলা সাড়ে ১১টায় সংবাদ সম্মেলনে পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান এ কথা জানান।

তিনি বলেন, রহিমার কাছে সাদা রঙের একটি শপিং ব্যাগ উদ্ধার করা হয়েছে। যার মধ্যে ওড়না, হিজাব, আয়না, শাড়ি, আইড্রপ, ওষুধ, সালোয়ার কামিজ এবং ছোট একটি হাত ব্যাগ ছিল। সাধারণত একজনকে অপহরণ করে নিয়ে গেলে এই জিনিসগুলো থাকার কথা না।

এটা অপহরণ বলে মনে হচ্ছে কি-না সাংবাদিকরা জানতে চাইলে পুলিশ সুপার বলেন, আমরা এখনও মামলা তদন্ত করছি।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আফরুজ্জামান টুটুল বলেন, ভিকটিম আদালতকে তার অপহরণের বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, জমিজমা নিয়ে যাদের সঙ্গে বিরোধ ছিল, মূলত তারাই তাকে অপহরণ করে চট্টগ্রামে নিয়ে যায়। সেখানে থেকে তিনি ফরিদপুরে আসেন। মামলায় যাদের নাম রয়েছে, তাদের মধ্যে ৪/৫ জন অপহরণের সঙ্গে জড়িত। জবানবন্দি প্রদান শেষে চিফ মেট্রোপলিটন আদালত-৪-এর বিচারক সারোয়ার আহমেদ তাকে তার মেয়ে এজাহারকারী আদুরি আক্তারের জিম্মায় হস্তান্তর করেন।

গত ২৭ আগস্ট রাতে খুলনা মহানগরীর মহেশ্বরপাশার উত্তর বণিকপাড়া এলাকার নিজ বাসা থেকে নিখোঁজ হন রহিমা বেগম। এরপর থেকে সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি সন্তান ও স্বজনরা। মায়ের খোঁজে মেয়ে মরিয়ম মান্নানের আর্তনাদের একটি ভিডিও এবং মায়ের লাশ পেয়েছি এমন পোস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

;

গভীর ষড়যন্ত্র হয়েছে, আমি নির্দোষ: জিকে শামীম



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জিকে শামীম

জিকে শামীম

  • Font increase
  • Font Decrease

অস্ত্র আইনের মামলায় যুবলীগের কথিত নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া (জি কে) শামীমসহ আটজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

জি কে শামীম তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে দায়ের করা মামলার রায়ের পর বলেছেন, তিনি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার এবং এটি তার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

আজ রায় ঘোষণার আগে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয় জি কে শামীমকে।

যাবজ্জীবন পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন—মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. মুরাদ হোসেন। এরা জি কে শামীমের দেহরক্ষী।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) সালাউদ্দিন হাওলাদার বিষয়টি এনটিভি অনলাইনকে নিশ্চিত করে বলেন, ‘বিচারক তাঁর রায়ে সব আসামির লাইসেন্স করা অস্ত্র রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

পিপি আরও বলেন, ‘রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। তাই তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দিয়েছেন আদালত।’

এদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী শাহিনুর রহমান অণি বলেন, ‘রায়ে আমরা সন্তুষ্ট নই। এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাব।’

২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর জি কে শামীমের অস্ত্র মামলায় তদন্তসংস্থা র‌্যাব আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এরপরে মামলাটি বিচারের জন্য এই আদালতে এলে ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

নথি থেকে জানা গেছে, ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হলে ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিকেতনে শামীমের বাড়ি ও অফিসে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে আটটি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গুলি, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর এবং নগদ প্রায় এক কোটি ৮১ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা ও মদ জব্দ করে। তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও মানিলন্ডারিং আইনে তিনটি মামলা করা হয়।

;

অদিতাকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা, শিক্ষক রনির স্বীকারোক্তি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর মাইজদীর লক্ষীনারায়ণপুরে অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া তাসমিয়া হোসেন অদিতাকে (১৪) বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করেছে বলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন প্রাইভেট শিক্ষক আবদুর রহিম রনি।

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় আবদুর রহিম রনি। একই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নোয়াখালী পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম নিজ কার্যালয়ে প্রেস কনফারেন্সে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

অভিযুক্ত আবদুর রহিম রনি (৩০) নোয়াখালী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষীনারায়ণপুর মহল্লার খলিল মিয়ার ছেলে।

পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, রনির কাছে প্রাইভেট পড়তো অদিতা। হঠাৎ অদিতা তার কাছে প্রাইভেট পড়তে অনীহা প্রকাশ করে এবং নতুন শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে শুরু করে। এতে রনি নাখোশ হয়। এবিষয়ে রিমান্ডে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে রনি ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন।

এসপি আরও বলেন, গত বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে অদিতার বাসায় যান সাবেক কোচিং শিক্ষক রনি। বাসায় গিয়ে বন্ধ দরজা নক করলে অদিতা বাসার দরজা খুলে দেয়। তখন সে বাসায় প্রবেশ করে অদিতার সঙ্গে গল্পগুজব করে। গল্পগুজবের একপর্যায়ে রনি অদিতাকে জড়িয়ে ধরে চুমু দেওয়ার চেষ্টা করে এবং বিভিন্ন কারণে ব্যর্থ হয়। এরপর রাগান্বিত হয়ে অদিতা বিষয়টি সবাইকে জানিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার ভয়ে রনি অদিতাতে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে। পরবর্তীতে রান্না ঘর থেকে ছুরি এনে অদিতার বাম হাতের রগ এবং গলা কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে হাতের বাঁধন খুলে দেয়। এরপর রনি ঘটনাকে ভিন্ন খাতে রূপ দিতে ঘরের আলমিরা ও ওয়ারড্রবের জামা-কাপড়, কাগজপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে ঘরের দরজা বাহির থেকে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যায়।

শনিবার দুপুরে ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আসামি রনি এসব কথা বলেন।

উলেখ্য, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা শহর মাইজদীতে নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসমিয়া হোসেন অদিতাকে (১৪) গলাকেটে হত্যা করা হয়। নিহত শিক্ষার্থীর মৃতদেহ উদ্ধারের পরপর পুলিশের একাধিক দল পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি গৃহ শিক্ষক আবদুর রহিম রনিকে, ইসরাফিল (১৪), তার ভাই সাঈদকে (২০) গ্রেফতার করে।

;

জাপানি নাগরিক কুনিও হোসি খুনে ৪ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড বহাল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাপানি নাগরিক কুনিও হোসি খুনে ৪ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড বহাল

জাপানি নাগরিক কুনিও হোসি খুনে ৪ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড বহাল

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরে জাপানি নাগরিক কুনিও হোসি হত্যার দায়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত জামাআতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) চার জঙ্গির মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

পাঁচ আসামির মধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— জেএমবি’র পীরগাছার আঞ্চলিক কমান্ডার উপজেলার পশুয়া টাঙ্গাইলপাড়ার মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী, বগুড়ার গাবতলী এলাকার লিটন মিয়া ওরফে রফিক, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কুড়িগ্রামের রাজারহাটের মকর রাজমাল্লী এলাকার আহসান উল্লাহ আনসারী ওরফে বিপ্লব এবং গাইবান্ধার সাঘাটার হলদিয়ার চর এলাকার সাখাওয়াত হোসেন। আর খালাস পেয়েছেন ইছাহাক আলী।

নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের করা ডেথ রেফারেন্স (নিম্ন আদালতের নথিপত্র) এবং আপিলের ওপর শুনানি শেষে হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেয়। রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি প্রকাশিত না হওয়ায় কোন প্রেক্ষাপটে এই রায় দেওয়া হয়েছে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।

অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মো. মোর্শেদ গণমাধ্যমকে বলেন, 'অভিযুক্ত জেএমবি সদস্য ইসহাক আলীকে মামলার অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে।'

তিনি আরও বলেন, 'কুনিও হোশি হত্যা মামলা থেকে ইসহাক আলীকে খালাস দেওয়ার বিষয়ে হাইকোর্টের রায় চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করবে রাষ্ট্রপক্ষ।'

২০১৫ সালের ৩ অক্টোবর কুনিও হোশি রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার আলুতারি গ্রাম থেকে রিকশায় করে তার খামারে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল আরোহী ৩ মুখোশধারী আততায়ী তাকে বেশ কয়েকবার গুলি করেন। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান ৬৬ বছর বয়সী কুনিও হোশি। ২০১৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি রংপুরের একটি আদালত কুনিও হোশিকে হত্যার দায়ে ৫ জেএমবি জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

;