৩১ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে শাহাদাত এ কারবালা মাহফিল



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
৩১ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে শাহাদাত এ কারবালা মাহফিল

৩১ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে শাহাদাত এ কারবালা মাহফিল

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতি বছরের মত এ বছরও আহলে বায়তে রাসুল (সা.) স্মরণে ১০ দিন ব্যাপী ৩৭তম আন্তর্জাতিক শাহাদাত-এ কারবালা মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এতে বাগদাদ শরীফ, মিশর, মালয়েশিয়া, ভারত, শ্রীলংকাসহ বাংলাদেশের পীর মাশায়েখ, সাংসদ ও মন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) দুপুরে নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। শাহাদাতে কারবালা মাহফিল পরিচালনা পরিষদ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

সংবাদ সম্মেলনে শাহাদাতে কারবালা মাহফিল পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সমাজসেবায় একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট শিল্পপতি সূফী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, প্রতিশোধ নয়, মানুষের প্রতি ভালোবাসাই হলো নবী পরিবারের বৈশিষ্ট্য। কারাবালা যুদ্ধে নিজেদের জীবন দিয়ে ভালোবাসার সেই নজির রেখে গেছেন আহলে বাইতে রাসূল। খতীবে বাঙাল মাওলানা মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন আলকাদেরী ১৯৮৬ সালে জমিয়াতুল ফালাহ কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই হিজরি নববর্ষ, মাহে মহররম ও আহলে বাইতে রাসূলের স্মরণে ১০ দিনব্যাপী শাহাদাতে কারবালা মাহফিল করে আসছিলেন। এ বছরও যথারীতি ৩৭তম আন্তর্জাতিক শাহাদাতে কারবালা মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

পিএইচপি ফ্যামিলির চেয়ারম্যান বলেন, শাহাদাতে কারবালা মাহফিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে মূলত আহলে বাইতে রাসূলের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসাই প্রদর্শন করেন ইমানি চেতনায় উদ্দীপ্ত আহলে বাইতপ্রেমী মুসলমানরা। তাই আহলে বাইতে রাসূলের আত্মত্যাগের ঘটনা মুসলমানদের মাঝে সতেজ রাখা ইমানি দায়িত্ব। দ্বীন ও সত্যের প্রতি সবাইকে উদ্দীপ্ত ও উজ্জীবিত রাখতে শাহাদাতে কারবালা মাহফিল আয়োজন বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এতে অংশগ্রহণ ইমানি দায়িত্ব।

এবারের শাহাদাতে কারবালা মাহফিলে দেশ ও বিদেশের উলামা-মাশায়েখ, শিক্ষাবিদ, গবেষক, ইসলামী চিন্তাবিদ রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, মন্ত্রী, সরকারি বেসকারি পদস্থ ব্যক্তিরা অতিথি ও আলোচক হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন।

ইরাকের বাগদাদ শরীফের বড় পীর হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রা.) আওলাদ আশ্-শাইখ আস্-সৈয়দ আল্লামা আফিফুদ্দীন আল্ জিলানী আল বোগদাদী, ভারতের কাসওয়াসা দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন কায়েদে মিল্লাত হযরত শাহ সূফী সৈয়দ মাহমুদ আশরাফ আশরাফী আল জিলানী, ফখরুল মাশায়িখ হযরতুল আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ আশরাফ আশরাফি আল জিলানী, তাজুল উলামা হযরত মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ নূরানী মিয়া হাশেমী, শ্রীলংকার আল্লামা মুহামম্মদ ইহসান ইকবাল কাদেরী ও খতীবে লা-সানী মাওলান আকবর ইহসানী প্রমুখ মাহফিলে উপস্থিত থাকবেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মহসিন, সেক্রেটারি জেনারেল আনোয়ার হোসেন, গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশের চেয়ারম্যান পেয়ার মোহাম্মদ কমিশনার, পিএইচপি ফ্যামিলির পরিচালক ও মাহফিল পরিচালনা পর্ষদের প্রধান সমন্বয়ক আলী হোসেন সোহাগ, শাহাদাতে কারবালা মাহফিল পরিচালনা পরিষদের সহসভাপতি খোরশেদুর রহমান, সিরাজুল মোস্তফা, সফিউল আজম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. জাফর উল্লাহ, মো. দিলশাদ আহমেদ, মো. সাইফুদ্দিন, মো. ছগীর চৌধুরী, অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন, জাফর আহমদ সওদাগর, আলমগীর পারভেজ, মাহবুবুল আলম, মনছুর শিকদার, আবদুল হাই মাসুম প্রমুখ।

৬১ হিজরির ১০ মহররম কারবালা ময়দানে ইয়াযিদ বাহিনীর হাতে নৃশংসভাবে শহীদ হন প্রিয় নবী পরিবারের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র হযরত ইমাম হোসাইন (রা.)-সহ আহলে বায়তের নিষ্পাপ সদস্যরা। ইয়াযিদি বর্বরতা থেকে সেদিন নারী-শিশুও বাদ যায়নি। পৃথিবীর ইতিহাসে জঘন্যতম মর্মন্তুদ কারবালার ঘটনা স্মরণে মুসলমানদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটে। নবীপ্রেমী ও আহলে বাইতে রাসূলের প্রতি যারা ভালোবাসা হৃদয়ে ধারণ ও লালন করেন তাদের জন্য মহররম মাস তাৎপর্যপূর্ণ ও গুরুত্ববহ। হযরত ইমাম হোসাইনের নেতৃত্বে আহলে বায়তে রাসূল সদস্যরা সেদিন ইয়াযিদি শক্তির কাছে মাথা নত না করে, ইসলামের ন্যায়, সত্য ও ইনসাফের ঝাণ্ডাকে উড্ডীন করেছেন। কারবালার ময়দানে নবী পরিবারের তুলনাহীন আত্মত্যাগ ও কোরবানির মধ্য দিয়ে ইসলামের ভিত্তি মজবুত হয়েছে। দ্বীন ইসলামের পুনরুজ্জীবন ঘটে কারবালার হৃদয়ভেদী ঘটনার মধ্য দিয়ে।

কঠিন মুসিবত সত্ত্বেও হযরত ইমাম হোসাইনের (রা.) দ্বীন ও হকের ওপর অবিচল থাকার নজীর মুসলমানদেরকে সত্যের পথে উৎসর্গীত হওয়ার প্রেরণা জোগায়। কারবালার এ প্রেরণা ইসলামের পুনর্জাগরণে এবং মুসলমানদের আত্মমর্যাদা ও আত্মশক্তি নিয়ে উন্নত শিরে বেঁচে থাকতে উৎসাহিত করে।

ওমরাহ ভিসার মেয়াদ বাড়ল সৌদি



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ওমরাহ ভিসার মেয়াদ এক মাস থেকে বাড়িয়ে তিন মাস করেছে সৌদি আরব। এ নিয়ম যে কোনো দেশের মুসলিম নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রী ডা. তৌফিক আল-রাবিয়াহ।

সংবাদমাধ্যম সৌদি গেজেট জানায়, তাসখন্দে দুদিনের সরকারি সফরের সময় ওমরাহ ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর এ ঘোষণা দেন তৌফিক আল-রাবিয়াহ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসার মেয়াদ কম থাকায় প্রতি বছরই ওমরাহ করতে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়েন অনেকে। তাদের কথা বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

;

মহানবীর (সা.) মহব্বতের রবিউল আউয়াল মাসের শুরু



ড. মাহফুজ পারভেজ, অ্যাসোসিয়েট এডিটর, বার্তা২৪.কম
মহানবীর (সা.) মহব্বতের রবিউল আউয়াল মাসের শুরু

মহানবীর (সা.) মহব্বতের রবিউল আউয়াল মাসের শুরু

  • Font increase
  • Font Decrease

সূচিত হলো দয়াল নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি মহব্বতের পরশময় রবিউল আউয়াল মাস। মহানবীর প্রেমের বান ডাকে এ মাসে। মহব্বতের জোয়ার দোলা জাগায় প্রতিটি মোমিন-মুসলমানের হৃদয়ে।

সিরাতুন নবীর এত চর্চা আর কোন মাসে হয় না। বড় বড় মাহফিলে, মসজিদে, অফিসে, বাড়িতে, সর্বত্র এ মাসে অনুষ্ঠানের ব্যাপক আয়োজন হয় এবং তাতে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবন থেকে শিক্ষণীয় বিষয় সম্পর্কে ইসলামী চিন্তাবিদ ও ওলামায়ে কেরাম মূল্যবান আলোচনা পেশ করেন। বাংলার কবি, সাহিত্যিকগণ নাতে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাধ্যমে মহানবীর গুণকীর্তন করেন। বাংলার লোকজ গায়ক আবেগ ও প্রেমে গান করেন 'দয়াল নবীজী আমার'।

https://youtu.be/jpn6w3u35qU

ব্যক্তিগত ও সমবেতভাবে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি যে পরিমাণ দরুদ ও সালাম পেশ করা হয় রবিউল আউয়াল মাসে, তা বছরের আর কোনো মাসে এতটা হয় না। স্বয়ং মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনের সুরা আহযাবে এরশাদ করেন
-ان الله وملائکة يحصلون على النبى يا يه‍االذين امنوا صلو عليه وسلموا تسليما (سوروالحزاب -)
"নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তায়ালা এবং ফেরেশতাগন হযরত নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি দরূদ প্রেরণ করে থাকেন । সুতরাং হে ঈমানদারেরা ! তোমরাও তার উদ্দেশ্যে দরূদ ও সালাম প্রেরণ কর ।"

হজরত ইবনে মাসঊদ (রা.) হতে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "কিয়ামতের দিন সেই ব্যক্তি সব লোকের তুলনাঢ আমার বেশি নিকটবর্তী হবে, যে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমার ওপর দরূদ পড়বে।" –সুনানে তিরমিজি: ৪৮৪

হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "তোমরা আমার কবরকে উৎসব কেন্দ্রে পরিণত করো না। তোমরা আমার প্রতি দরূদ পেশ কর। কারণ, তোমরা যেখানেই থাক, তোমাদের পেশকৃত দরূদ আমার কাছে পৌঁছে যায়।" –সুনানে আবু দাউদ: ২০৪২

হজরত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম শোনার পর দরূদ না পড়লে তাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বদদোয়া করেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম শুনে যে ব্যক্তি দরূদ পড়ে না তার জন্য হজরত জিবরাইল আলাইহিস সালাম বদদোয়া করেছেন আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমীন বলেছেন।

হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই অভিশাপ দিলেন যে, "সেই ব্যক্তির নাক ধূলা-ধূসরিত হোক, যার কাছে আমার নাম উল্লেখ করা হল, অথচ সে (আমার নাম শুনেও) আমার প্রতি দরূদ পড়ল না।" (অর্থাৎ 'সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম' বলল না)। -তিরমিজি: ৩৫৪৫

হজরত আলী (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "প্রকৃত কৃপণ সেই ব্যক্তি, যার কাছে আমি উল্লিখিত হলাম (আমার নাম উচ্চারিত হল), অথচ সে আমার প্রতি দরূদ পাঠ করল না।" –সুনানে তিরমিজি: ৩৫৪৬

রবিউল আউয়ালে সমগ্র সৃষ্টির জন্য রহমত মহানবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র জন্ম ও ওফাতের মাসে তাঁর প্রতি লক্ষ-কোটি দরুদ ও সালাম।

;

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ৯ অক্টোবর



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

৯ অক্টোবর রোববার সারা দেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে। বাংলাদেশের আকাশে আজ কোথাও পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। মঙ্গলবার থেকে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররমের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মুনিম হাসান।

সভায় অতিরিক্ত সচিব জানান, দেশের সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, আবহাওয়া অধিদপ্তর, মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪৪ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। এজন্য মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সফর মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) থেকে রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে। আগামী ৯ অক্টোবর (১২ রবিউল আউয়াল) দেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) পালিত হবে।

আরবি ‘ঈদে মিলাদুন্নবী’র শাব্দিক অর্থ- মহানবির (স.) জন্মদিনের আনন্দোৎসব। মুসলমানরা ১২ রবিউল আউয়াল মহানবি হজরত মুহম্মদ (স.) এর জন্ম ও মৃত্যু (ওফাত) দিবস হিসেবে পালন করে। কারণ এ দিনেই রাসুলে কারীম (স.) ইন্তেকালও করেন। সেই হিসাবে আগামী ৯ অক্টোবর হবে ১২ রবিউল আউয়াল। বাংলাদেশে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) দিন সাধারণ ছুটি।

;

সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক

সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক

  • Font increase
  • Font Decrease

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় আরও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা ২৮ জনে দাঁড়াল।

পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখতে সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সভায় বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ১৪৪৪ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা ও ঈদে মিলাদুন্নবির (সা.) তারিখ নির্ধারণে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা ০২-২২৩৩৮১৭২৫, ০২-৪১০৫০৯১২, ০২-৪১০৫০৯১৬ ও ০২-৪১০৫০৯১৭ টেলিফোন ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ ও ০২-৯৫৫৫৯৫১ ফ্যাক্স নম্বরে বা সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক (ডিসি) বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

;