আশুরার রোজা কয়টি ও কখন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা ২৪
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

হিজরি সনের প্রথম মাস মহররম। ইসলামের দৃষ্টিতে মহররম একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ মাস। অনেক ইতিহাস-ঐতিহ্য ও রহস্যময় তাৎপর্য নিহিত আছে এ মাস ঘিরে। এ মাসের ১০ তারিখ মুসলিম বিশ্বের তাৎপর্যপূর্ণ সেই আশুরার দিন। এ দিনের সর্বাপেক্ষা আলোড়িত ও আলোচিত বিষয় হলো কারবালার মর্মান্তিক ইতিহাস। আশুরার ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য ও স্মরণীয় ঘটনার শীর্ষে স্থান পায় মুসা (আ.)-এর একটি ঘটনা। এই দিনে তিনি অত্যাচারী শাসক ফিরাউনের কবল থেকে রক্ষা পেয়েছিলেন।

এ ঘটনার বিবরণে ইমাম বুখারি (রহ.) সাহাবি হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, 'মহানবী (সা.) হিজরত করে মদিনায় পৌঁছে মদিনার ইহুদিদের আশুরার দিনে রোজা পালন করতে দেখেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাদের জিজ্ঞেস করেন, এই দিনে কী ঘটেছে যে তোমরা এতে রোজা পালন করো? তারা বলে, এই দিনটি অনেক বড় দিন, এই দিনে আল্লাহ তাআলা মুসা (আ.) ও তাঁর সঙ্গীদের ফিরাউন থেকে মুক্ত করেছিলেন এবং ফিরাউন ও তার বাহিনীকে ডুবিয়ে মেরেছিলেন। এর কৃতজ্ঞতাস্বরূপ মুসা রোজা রাখতেন, তাই আমরাও আশুরার রোজা পালন করে থাকি। ইহুদিদের জবাব শুনে রাসুলে করিম (সা.) বলেন, মুসা (আ.)-এর কৃতজ্ঞতার অনুসরণে আমরা তাদের চেয়ে বেশি যত্নশীল হওয়ার অধিকারী। অতঃপর তিনি নিজেও আশুরার রোজা রাখেন এবং মুসলমানদের তা পালন করতে নির্দেশ প্রদান করেন।' (বুখারি, হাদিস : ৩৩৯৭, মুসলিম, হাদিস : ১১৩৯)

রাসুলুল্লাহ (সা.) এই রোজা নিজে পালন করেছেন এবং উম্মতকে রাখার প্রতি নির্দেশ করেছেন, তাই তাঁর অনুসরণ করা আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া অসংখ্য হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) আশুরার রোজার ফজিলত বর্ণনা করেছেন। কয়েকটি নিম্নে উপস্থান করা হলো—

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, 'রমজান মাসের রোজার পর সর্বোত্তম রোজা মহররম মাসে আশুরার রোজা।' (সুনানে কুবরা, হাদিস : ৮৪২১০)

আবু কাতাদা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে আশুরার রোজার ফজিলত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, এই রোজা বিগত বছরের গুনাহ মুছে দেয়। (মুসলিম, হাদিস : ১১৬২)

মুসলিম শরিফে ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) যখন আশুরার দিনে রোজা রাখেন এবং অন্যদেরও রোজা রাখার নির্দেশ প্রদান করেন, তখন সাহাবিরা অবাক হয়ে বলেন, হে আল্লাহর রাসুল, বিধর্মীরা তো এই দিনটিকে বড় দিন মনে করে। এই দিনে তারাও রোজা পালন করে। আমরা যদি এই দিনে রোজা রাখি তাহলে তো এদের সঙ্গে সামঞ্জস্য হবে। তাদের প্রশ্নের জবাবে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন (তারা যেহেতু এদিন একটি রোজা পালন করে), আগত বছর ১০ তারিখের সঙ্গে ৯ তারিখ মিলিয়ে দুই দিন রোজা পালন করব, ইনশাআল্লাহ। (মুসলিম, হাদিস : ১১৩৪)

অন্য বর্ণনায় রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, 'তোমরা আশুরার দিনে রোজা রাখো, তবে এ ক্ষেত্রে ইহুদিদের সঙ্গে মিল না হওয়ার জন্য ১০ তারিখের আগের দিন অথবা পরের দিন আরো একটি রোজা রেখে নিয়ো।' (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ২১৫৪)

উপরোক্ত হাদিসগুলোর আলোকে প্রমাণিত হয় যে আশুরার রোজা হবে দুটি—মহররমের ১০ তারিখ একটি, আর ৯ তারিখ অথবা ১১ তারিখ আরো একটি।

মুফতি রফিকুল ইসলাম আল মাদানী-এর 'আশুরার তাৎপর্য ও করণীয়' শীর্ষক প্রবন্ধ থেকে নেওয়া।

মহানবীর (সা.) মহব্বতের রবিউল আউয়াল মাসের শুরু



ড. মাহফুজ পারভেজ, অ্যাসোসিয়েট এডিটর, বার্তা২৪.কম
মহানবীর (সা.) মহব্বতের রবিউল আউয়াল মাসের শুরু

মহানবীর (সা.) মহব্বতের রবিউল আউয়াল মাসের শুরু

  • Font increase
  • Font Decrease

সূচিত হলো দয়াল নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি মহব্বতের পরশময় রবিউল আউয়াল মাস। মহানবীর প্রেমের বান ডাকে এ মাসে। মহব্বতের জোয়ার দোলা জাগায় প্রতিটি মোমিন-মুসলমানের হৃদয়ে।

সিরাতুন নবীর এত চর্চা আর কোন মাসে হয় না। বড় বড় মাহফিলে, মসজিদে, অফিসে, বাড়িতে, সর্বত্র এ মাসে অনুষ্ঠানের ব্যাপক আয়োজন হয় এবং তাতে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবন থেকে শিক্ষণীয় বিষয় সম্পর্কে ইসলামী চিন্তাবিদ ও ওলামায়ে কেরাম মূল্যবান আলোচনা পেশ করেন। বাংলার কবি, সাহিত্যিকগণ নাতে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাধ্যমে মহানবীর গুণকীর্তন করেন। বাংলার লোকজ গায়ক আবেগ ও প্রেমে গান করেন 'দয়াল নবীজী আমার'।

https://youtu.be/jpn6w3u35qU

ব্যক্তিগত ও সমবেতভাবে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি যে পরিমাণ দরুদ ও সালাম পেশ করা হয় রবিউল আউয়াল মাসে, তা বছরের আর কোনো মাসে এতটা হয় না। স্বয়ং মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনের সুরা আহযাবে এরশাদ করেন
-ان الله وملائکة يحصلون على النبى يا يه‍االذين امنوا صلو عليه وسلموا تسليما (سوروالحزاب -)
"নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তায়ালা এবং ফেরেশতাগন হযরত নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি দরূদ প্রেরণ করে থাকেন । সুতরাং হে ঈমানদারেরা ! তোমরাও তার উদ্দেশ্যে দরূদ ও সালাম প্রেরণ কর ।"

হজরত ইবনে মাসঊদ (রা.) হতে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "কিয়ামতের দিন সেই ব্যক্তি সব লোকের তুলনাঢ আমার বেশি নিকটবর্তী হবে, যে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমার ওপর দরূদ পড়বে।" –সুনানে তিরমিজি: ৪৮৪

হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "তোমরা আমার কবরকে উৎসব কেন্দ্রে পরিণত করো না। তোমরা আমার প্রতি দরূদ পেশ কর। কারণ, তোমরা যেখানেই থাক, তোমাদের পেশকৃত দরূদ আমার কাছে পৌঁছে যায়।" –সুনানে আবু দাউদ: ২০৪২

হজরত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম শোনার পর দরূদ না পড়লে তাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বদদোয়া করেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম শুনে যে ব্যক্তি দরূদ পড়ে না তার জন্য হজরত জিবরাইল আলাইহিস সালাম বদদোয়া করেছেন আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমীন বলেছেন।

হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই অভিশাপ দিলেন যে, "সেই ব্যক্তির নাক ধূলা-ধূসরিত হোক, যার কাছে আমার নাম উল্লেখ করা হল, অথচ সে (আমার নাম শুনেও) আমার প্রতি দরূদ পড়ল না।" (অর্থাৎ 'সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম' বলল না)। -তিরমিজি: ৩৫৪৫

হজরত আলী (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "প্রকৃত কৃপণ সেই ব্যক্তি, যার কাছে আমি উল্লিখিত হলাম (আমার নাম উচ্চারিত হল), অথচ সে আমার প্রতি দরূদ পাঠ করল না।" –সুনানে তিরমিজি: ৩৫৪৬

রবিউল আউয়ালে সমগ্র সৃষ্টির জন্য রহমত মহানবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র জন্ম ও ওফাতের মাসে তাঁর প্রতি লক্ষ-কোটি দরুদ ও সালাম।

;

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ৯ অক্টোবর



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

৯ অক্টোবর রোববার সারা দেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে। বাংলাদেশের আকাশে আজ কোথাও পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। মঙ্গলবার থেকে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররমের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মুনিম হাসান।

সভায় অতিরিক্ত সচিব জানান, দেশের সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, আবহাওয়া অধিদপ্তর, মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪৪ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। এজন্য মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সফর মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) থেকে রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে। আগামী ৯ অক্টোবর (১২ রবিউল আউয়াল) দেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) পালিত হবে।

আরবি ‘ঈদে মিলাদুন্নবী’র শাব্দিক অর্থ- মহানবির (স.) জন্মদিনের আনন্দোৎসব। মুসলমানরা ১২ রবিউল আউয়াল মহানবি হজরত মুহম্মদ (স.) এর জন্ম ও মৃত্যু (ওফাত) দিবস হিসেবে পালন করে। কারণ এ দিনেই রাসুলে কারীম (স.) ইন্তেকালও করেন। সেই হিসাবে আগামী ৯ অক্টোবর হবে ১২ রবিউল আউয়াল। বাংলাদেশে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) দিন সাধারণ ছুটি।

;

সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক

সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক

  • Font increase
  • Font Decrease

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় আরও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা ২৮ জনে দাঁড়াল।

পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখতে সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সভায় বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ১৪৪৪ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা ও ঈদে মিলাদুন্নবির (সা.) তারিখ নির্ধারণে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা ০২-২২৩৩৮১৭২৫, ০২-৪১০৫০৯১২, ০২-৪১০৫০৯১৬ ও ০২-৪১০৫০৯১৭ টেলিফোন ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ ও ০২-৯৫৫৫৯৫১ ফ্যাক্স নম্বরে বা সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক (ডিসি) বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

;

বিশ্বওলী খাজা ফরিদপুরী (রঃ) ছাহেবের পবিত্র ওফাত দিবসে ইসলামী সন্মেলন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিশ্বওলী খাজা ফরিদপুরী (রঃ) ছাহেবের পবিত্র ওফাত দিবসে ইসলামী সন্মেলন

বিশ্বওলী খাজা ফরিদপুরী (রঃ) ছাহেবের পবিত্র ওফাত দিবসে ইসলামী সন্মেলন

  • Font increase
  • Font Decrease

জাকের পার্টির মহান প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বওলী হযরত মাওলানা শাহ্সূফী খাজা ফরিদপুরী (রঃ) ছাহেবের পবিত্র ওফাত দিবস উপলক্ষ্যে ২ দিনব্যাপী ইসলামী সন্মেলন আজ শনিবার কৈজুড়ী জাকের মঞ্জিলে শুরু হচ্ছে। সারা দেশ থেকে লাখো শান্তিকামী মানুষ সমবেত হবেন অনুষ্ঠানে।

আরবী হিসাব অনুসারে ৭ সফর বিশ্ব ওলীর ওফাত দিবস। শোক বিধুঁর এ দিবস উপলক্ষে আজ ৬ সফর মাগরিব ওয়াক্ত থেকে শুরু হচ্ছে ইসলামী সন্মেলন।

আজ থেকে ২১ বছর বছর আগে ( ২০০১ সাল) ৬ সফর রাত ১টা ৩৫ মিনিট মোতাবেক ৭ সফর ওফাত লাভ করেন বিশ্বওলী। দেশ বিদেশের কোটি কোটি অনুসারীকে শোক সাগরে ভাসিয়ে বনানী পাক দরবার শরীফ থেকেই মহান রাব্বুল আলামীনের সান্নিধ্যে গমন করেন।

ফরিদপুরের কোতোয়ালির ঘোড়াদহ এলাকায় কৈজুড়ী জাকের মঞ্জিলে আজ মাগরিব নামাজের পরে ২ রাকায়াত করে ৬ রাকায়াত নফল নামাজ ও বিশেষ মুনাজাতের মধ্যে দিয়ে শুরু হবে ইসলামী সন্মেলন।

অত্যন্ত শোকঘন ও বেদনা বিধূর আবহে নফল ইবাদত বন্দেগী, তেলাওয়াতে কালামে পাক, মোরাকাবা মোশাহদো, জেকের আসকার, দফায় দফায় মিলাদ মাহফলি ও বিশেষ মুনাজাত এবং প্রকৃত ইসলামের আদর্শ প্রতিষ্ঠায় বিশ্বওলীর অবদান এবং হেদায়েতের জীবন আলোকপাত করে বয়ান হবে। রাত ১ টা ৩৫ মিনিটে পবিত্র ওফাতক্ষণ স্মরণে মিলাদ মাহফিল ও যিয়ারত অনুষ্ঠিত হবে।

আগামীকাল রোববার বাদ আছর বিশ্বওলীর (রঃ) পবিত্র রওজা শরীফ জিয়ারতের মধ্য দিয়ে ইসলামী সন্মেলন সম্পন্ন হবে।

বিশ্বওলীর আধ্যাত্মিক উত্তরাধিকার ও জাকের পার্টি চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সল মুজাদ্দেদী সন্মেলনে সমবেতদের সাক্ষাৎ দান করবেন ও বক্তব্য রাখবেন।

একই সাথে বহির্বিশ্বের নানা দেশে জাকের পার্টি শোক বিধুঁর দিবসের কর্মসূচি পালন করবে।

ইসলামী সন্মেলনে দেশ ও জাতির সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, সংহতি এবং বিশ্ব মানবতার কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হবে।

;