ইন্দোনেশিয়ায় কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে নিহত ১০



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইন্দোনেশিয়ায় একটি কয়লা খনিতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বিস্ফোরণে ধসে পড়ে অন্তত ১০ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) উদ্ধারকারী সংস্থার বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে এএফপি।

স্থানীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থা জানিয়েছে, ‘মিথেন গ্যাসের কারণে বিস্ফোরণ ঘটেছে। সংস্থার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, এ ঘটনায় ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। চারজন চাপা পড়লেও বেঁচে গেছেন বলেও জানান তিনি।

খনিটি সরকারের অনুমতিক্রমেই তথা বৈধভাবেই কার্যক্রম চালাচ্ছিল বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তবে খনিজ-সমৃদ্ধ দ্বীপপুঞ্জের দেশটিতে প্রায়ই খনি দুর্ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে লাইসেন্সবিহীন পরিত্যক্ত স্থানে যথাযথ নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহার না করেই কাজ করার ফলে এসব দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।

ভারতে বহুতল ভবনে আগুন, দুই শিশুসহ নিহত ১৪



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের ঝাড়খণ্ডে একটি বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুই শিশুসহ ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। খবর এনডিটিভির।

সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ শহরে অবস্থিত একটি ভবনে আগুন লেগে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় পুলিশ।

পুলিশের উপ-কমিশনার সন্দ্বীপ কুমান জানান, সন্ধ্যায় ব্যস্ততম এলাকার জোরাফটকের ১৩তলা আর্শিবাদ টাওয়ারে আগুনের সূত্রপাত হয়। এসময় গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় ১০ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। উদ্ধারকাজ শেষ হয়েছে। তবে হতাহতের সংখ্যা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রথম লক্ষ ছিল ভবনের ভেতর আটকে পড়াদের বের করে আনা। আমরা শেষ পর্যন্ত কাজটি করতে পেরেছি। তবে কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত তা নিশ্চিত করতে পারেননি এ পুলিশ কর্মকর্তা।

এর আগে, একই এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে আগুন লাগার ঘটনায় মৃত্যু হয় চিকিৎসক দম্পতিসহ ৬ জনের। মঙ্গলবার ঠিক তার পাশের একটি বহুতল ভবনে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন ওই বহুতলের পাশের আবাসিকরাও।

মৃত্যুর ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে টুইট করেছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। তিনি জানান, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে জেলা প্রশাসন। আহতদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে হাসপাতালে।

;

পাকিস্তানে মসজিদে বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে ৫৯



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পাকিস্তানের পেশোয়ারে একটি মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ১৫৫ জনের বেশি।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। মসজিদটি পুলিশ হেডকোয়ার্টার এলাকায় অবস্থিত।

এই হামলা প্রসঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ বলেছেন, যারা পাকিস্তানকে রক্ষা করার দায়িত্ব পালন করে তাদের লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা ভয় তৈরি করতে চায়।

পেশোয়ারের কমিশনার রিয়াজ মেহসুদ জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে বেশ কয়েকজন চাপা পড়ায় উদ্ধার অভিযান চলছে। শহরের হাসপাতালগুলোতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এবং আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এই বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে বলে ডন ও জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

পেশোয়ার ক্যাপিটাল সিটি পুলিশ অফিসার (সিসিপিও) মুহাম্মদ ইজাজ খান গণমাধ্যমকে বলেন, বিস্ফোরণের পর মসজিদের ছাদ ধসে পড়ে। বেশ কয়েকজন সেনা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন এবং উদ্ধারকারীরা তাদের বের করে আনার চেষ্টা করছেন। ২৫০ থেকে ৩০০ জনের ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন মসজিদের মূল হলটি ধসে পড়েছে, তবে ভবনের বাকি অংশ এখনো অক্ষত আছে।

মুহাম্মাদ ইজাজ খান স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, ওই সময় ওই এলাকায় ৩০০ থেকে ৪০০ পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন। মসজিদটি শহরের সবচেয়ে নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোর মধ্যে একটি, যেখানে পুলিশ সদর দফতর এবং গোয়েন্দা ও সন্ত্রাসবিরোধী ব্যুরোর অফিস রয়েছে।

এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ বলেছেন, যারা হামলার পেছনে রয়েছে তাদের ইসলামের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সমগ্র জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত এবং বিবিসি দ্বারা যাচাইকৃত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে যে, মসজিদের একটি প্রাচীরের অর্ধেক ধ্বংস হয়ে গেছে।

পেশোয়ার শহরের ডেপুটি কমিশনার শফিউল্লাহ খান বলেছেন, মসজিদের ভেতরে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং মৃতদেহ বের করা হচ্ছে।আমাদের অগ্রাধিকার হল ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া মানুষদের বাঁচানো বলেন তিনি।

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মতো খাইবার পাখতুমের (কেপি) গভর্নর হাজি গুলাম আলি এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন এবং আহতদের রক্ত দিতে পেশোয়ারের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

ডন বলছে, নভেম্বরে টিটিপির সঙ্গে সরকারের আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর থেকে জঙ্গি গোষ্ঠীটি তাদের হামলা জোরদার করেছে। বিশেষ করে কেপি এবং আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকায় পুলিশকে লক্ষ্য করে তারা হামলা চালাচ্ছে। বেলুচিস্তানের বিদ্রোহীরাও তাদের সহিংস কার্যকলাপ বাড়িয়েছে।

;

পেশোয়ারে মসজিদে আত্মঘাতী হামলা, ইমামসহ নিহত ৩২



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের রাজধানী পেশোয়ারের পুলিশ লাইন্স মসজিদে আত্মঘাতী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ইমামসহ অন্তত ৩২ জন নিহত ও ১৫০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ডন। তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এ হামলার দায় স্বীকার করেছে।

সোমবার দুপুরে জিও নিউজ পুলিশের সূত্রে জানায়, এক হামলাকারী মসজিদে প্রবেশ করে বিস্ফোরণটি ঘটান। এতে তিনি নিজেও নিহত হন।

সূত্র মতে- বিস্ফোরণের সময় মসজিদটিতে জোহরের নামাজের জামায়াত চলছিল। এর মধ্যেই বিস্ফোরণটি ঘটে।

দেশটির নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জিও নিউজকে বলেছেন, নামাজের সময় সামনের সারিতে উপস্থিত ছিলেন আত্মঘাতী হামলাকারী। সেখানে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিজেকে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

খবরে বলা হয়েছে, হামলায় মসজিদের ইমামও নিহত হয়েছেন। হামলার পর পেশোয়ার ছুটে গেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ। তাৎক্ষণিকভাবে প্রধানমন্ত্রীসহ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো।

ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে এবং জায়গাটি তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়।

পরে উদ্ধারকারীরা আহতদের উদ্ধার ও শুশ্রুষা শুরু করেন। তারা জানিয়েছেন, আহতদের স্থানীয় লেডি রিডিং হাসপাতালে স্থানান্তর করা হচ্ছে।

খাইবার পাখতুনখোয়ার তত্ত্বাবধায়ক মুখ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ আজম খান পেশোয়ারের সব হাসপাতালে চিকিৎসা জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। অন্তর্বর্তীকালীন এই মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধারকারী সব সংস্থাকে ত্রাণ তৎপরতার গতি ত্বরান্বিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

মসজিদটি এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকায় অবস্থিত, যেখানে গভর্নর হাউসসহ রয়েছে একাধিক সরকারি স্থাপনা।

এই হামলায় হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে জানাচ্ছে পাকিস্তানের গণমাধ্যমগুলো।

;

পুলিশের গুলিতে আহত ওডিশার স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মৃত্যু



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তার গুলিতে আহত ভারতের ওড়িশা রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী নব কিশোর দাস (৫৭) মারা গেছেন।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) চিকিৎসাধীন অবস্থায় একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

সকালে রাজ্যের ঝাড়সুগুদা জেলার ব্রজরাজনগরে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়ার সময় তার ওপর এ হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) গোপাল দাস ওড়িশা রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এরমধ্যে দুটি গুলি তার বুকে লাগে। অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় আহত মন্ত্রীকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ভুবেনেশ্বরে নেয়া হয়।

ব্রজরাজনগর পুলিশের কর্মকর্তা গুপ্তেশ্বর ভৈ সাংবাদিকদের বলেন, গোপালকে স্থানীয়রা ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছে। হামলার কারণ এখনও জানা যায়নি।

;