১১ লাখ ডলারে হিটলারের ঘড়ি বিক্রি!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জার্মানির নাৎসি নেতা অ্যাডলফ হিটলারের একটি ঘড়ি যুক্তরাষ্ট্রে নিলামের মাধ্যমে ১১ লাখ ডলারে বিক্রি হয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, হুবার টাইমপিসের ঘড়িটি অজ্ঞাত এক ক্রেতার কাছে বিক্রি করা হয়েছে। তবে মেরিল্যান্ডের আলেকজান্ডারে ঐতিহাসিক নিলামে ঘড়িটি বিক্রি করার আগে ইহুদি নেতারা নিন্দা জানিয়েছেন।

অতীতে নাৎসি স্মারক হিসেবে বিক্রি হওয়া নিলাম প্রতিষ্ঠান জার্মান সংবাদমাধ্যমকে বলেছে, ইতিহাস সংরক্ষণ করার জন্য ঘড়িটি বিক্রি করা হয়েছে।

নাৎসি অ্যাডলফ হিটলার ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যস্ত জার্মানির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ধারণা করা হয়, তিনি প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ মানুষকে হত্যা করেছিলেন। যাদের মধ্যে ইহুদি হওয়ার কারণে ৬০ লাখ মানুষকে হত্যা করা হয়।

ঘড়িটির পণ্য ক্যাটালগে বলা হয়েছে, এটি সম্ভবত ১৯৩৩ সালে ফ্যাসিস্ট নেতাকে জন্মদিনের উপহার হিসাবে দেওয়া হয়েছিল, যে বছর তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর হয়েছিলেন।

১৯৪৫ সালের মে মাসে হিটলার পাহাড় থেকে চলে যাওয়ার পর প্রায় ৩০ জন ফরাসি সৈন্য বার্গোফে আক্রমণ করে।

এরপরেই মনে করা হয় যে টাইমপিসটি পুনরায় বিক্রি করা হয়। যেটি এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি প্রজন্মের কাছে বিক্রি হয়।

নিলামের অন্য জিনিসগুলোর মধ্যে ছিল হিটলারের স্ত্রী ইভা ব্রাউনের একটি পোশাক, নাৎসি কর্মকর্তাদের অটোগ্রাফ করা ছবি। ইহুদিদের জন্য ‘জুড' শব্দ লিখে ছাপানো একটি জার্মান হলুদ কাপড়ও ছিল, যা ইহুদিদের হত্যাকাণ্ডের সময় নাৎসিরা তাদের হয়রানি করার জন্য হলুদ ব্যাজ হিসেবে পরতে বাধ্য করেছিল।

৩৪ জন ইহুদি নেতার স্বাক্ষরিত এক খোলা চিঠিতে এই নিলামকে ‘ঘৃণ্য’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে। নাৎসিদের এসব জিনিস নিলাম থেকে প্রত্যাহারেরও আহ্বান জানানো হয়েছে।

রাশিয়ার তেল ব্যারেল প্রতি ৬০ ডলার নির্ধারণ করল ইইউ ও জি-৭



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
রাশিয়ার তেল ব্যারেল প্রতি ৬০ ডলার নির্ধারণ করল ইইউ ও জি-৭

রাশিয়ার তেল ব্যারেল প্রতি ৬০ ডলার নির্ধারণ করল ইইউ ও জি-৭

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বের শীর্ষ সাত অর্থনীতির দেশের জোট জি-৭, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার তেলের দাম কমিয়ে ৬০ ডলার করতে ঐকমত্যে পৌঁছেছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার তারা এই ঐকমত্যে পৌঁছেছে।

 রোববার (৪ ডিসেম্বর) ইইউ-এর আইনি জার্নালে এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। শনিবার আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন বলা হয়, জি-৭ এবং অস্ট্রেলিয়া এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে- রাশিয়ার সমুদ্রজাত তেলের জন্য নির্ধারিত এই নতুন দাম আগামী ৫ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

দেশগুলো আরো জানিয়েছে, তারা অনুমান করছে যে রাশিয়ার জ্বালানি তেলের মূল্যের এই সংশোধনের ফলে পরিবর্তনের আগে পুরোনো দামে শেষ হওয়া লেনদেনগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে না।

এই জোটের বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ‘মূল্য হ্রাস কার্যকর করতে এই জোট ভবিষ্যতেও আরো কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।’ তবে ভবিষ্যতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে সেই বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেয়া হয়নি বিবৃতিতে।’

এর আগে, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোর সরকার রাশিয়ার সমুদ্রজাত জ্বালানি তেল কেনার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছে। ইইউ প্রতি ব্যারেলের বিপরীতে রাশিয়াকে ৬০ ডলার করে পরিশোধ করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বলেছেন, এই চুক্তি নজিরবিহীন এবং রাশিয়ার যুদ্ধের বিরোধিতার ক্ষেত্রে জোটের সংকল্পকেই তুলে ধরেছে।

ইইউয়ের বর্তমান সভাপতি দেশ চেক রিপাবলিকের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, পোল্যান্ডের অনুমোদনের পর তারা চুক্তিটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে সবুজ সংকেত দিতে ইইয়ের ২৭ দেশের সবার জন্য একটি লিখিত প্রক্রিয়া চালু করেছে।

এদিকে, রাশিয়ার নিম্নকক্ষের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান লিওনিড স্লুটস্কি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসকে বলেছেন, ব্লকটি তার নিজস্ব জ্বালানি নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে।

এটি চলমান বাজারের আইনও লঙ্ঘন করছে বলেও দাবি করেন তিনি।

;

কাবুলে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকে গুলি করে হত্যাচেষ্টা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আফগানিস্তানে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত (হেড অব মিশন) উবায়দুর রহমান নিজামনিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে। এসময় তিনি অল্পের জন্য বেঁচে যান।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) জানিয়েছে, মিশন প্রধান উবায়দুর রহমান নিজামনি রাজধানী কাবুলে অবস্থিত দূতাবাস প্রাঙ্গণে হাঁটতে বের হলে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী। রাষ্ট্রদূতকে রক্ষা করতে গিয়ে ওই নিরাপত্তারক্ষী নিজের বুক পেতে তিনটি গুলি নেন। তিনি এখন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

এঘটনায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ টুইটারে লিখেছেন, কাবুলে পাকিস্তানের হেড অব মিশনের ওপর নৃশংসভাবে হত্যা প্রচেষ্টার তীব্র নিন্দা করছি।

তিনি আরও লিখেন, হামলাকারী পাকিস্তানি কূটনীতিকের ক্ষতি করতে ব্যর্থ হয়েছিল, তবে তার নিরাপত্তারক্ষী গুলিতে আহত হয়েছেন।

নিরাপত্তারক্ষীর অবস্থা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

আমি অবিলম্বে এই জঘন্য কাজের অপরাধীদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করছি, বলেন পাক প্রধানমন্ত্রী।

দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছে, এক ব্যক্তি বাড়ির আড়াল থেকে এসে কিছু বুঝে উঠার আগেই গুলি চালাতে শুরু করে। তিনি বলেন, রাষ্ট্রদূত এবং অন্য কর্মীরা নিরাপদ, তবে আমরা সতর্কতা হিসেবে দূতাবাস ভবনের বাইরে যাচ্ছি না।

;

রুশ অভিযানে ১৩ হাজার ইউক্রেনীয় সেনা নিহত: জেলেনস্কির উপদেষ্টা

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউক্রেনে রাশিয়ার অভিযান শুরুর পর এ পর্যন্ত প্রায় ১৩ হাজার ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছেন।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির উপদেষ্টা মাইখাইলো পোডোলিয়াক এ তথ্য জানিয়েছেন। যুদ্ধে নিজেদের পক্ষে নিহত সেনাদের সংখ্যা নিয়ে বিরল স্বীকারোক্তি এটি। খবর বিবিসির।

মাইখাইলো পোডোলিয়াক বলেন, যুদ্ধে ১০ হাজার থেকে ১৩ হাজার ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে। তবে তার এই দাবি দেশটির সামরিক বাহিনী দ্বারা নিশ্চিত করা হয়নি।

গত জুন মাসে তিনি বলেছিলেন, প্রতিদিন ১০০ থেকে ২০০ ইউক্রেনীয় সেনা মারা যাচ্ছে।

গত মাসে সিনিয়র মার্কিন জেনারেল মার্ক মিলি বলেছিলেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় ১ লাখ রাশিয়ান এবং ১ লাখ ইউক্রেনীয় সেনা নিহত বা আহত হয়েছে।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) এক ভিডিও ভাষণে ইইউ কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লেইন বলেছেন, যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে। যদিও ইইউ কমিশনের একজন মুখপাত্র পরে স্পষ্ট করে বলেন এই তথ্য ভুল ছিল।

ইউক্রেনীয় টিভি চ্যানেল ২৪-এর সঙ্গে কথা বলার সময় পোডোলিয়াক বলেন, কিয়েভ নিহতের সংখ্যা নিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নিহত বেসামরিক মানুষের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। বিবিসি নিউজ জুনের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রায় ৩৬০০ বেসামরিক মৃত্যুর শনাক্ত করেছে। সংখ্যাটা এখন অনেক বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

;

পরমাণু অস্ত্রের মজুদ বাড়াচ্ছে চীন, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চীন পরমাণু অস্ত্রের মজুদ বাড়াচ্ছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার (৩০ নভেম্বর) মার্কিন কংগ্রেসে পেশ করা একটি রিপোর্টে এমনই দাবি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা দফতর।

পেন্টাগনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের দাবি, গত বছর থেকে চীন নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার পরিকল্পনা নিয়েছে। ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির দখলে আপাতত চারশোর বেশি পরমাণু অস্ত্র রয়েছে। নিজেদের পরমাণু অস্ত্রের ভান্ডার এভাবে বাড়াতে থাকলে ২০৩৫ সালের মধ্যে চীনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় অন্তত দেড় হাজার পরমাণু অস্ত্র থাকবে। যা বর্তমান সংখ্যার প্রায় তিন গুণ।

ওই একই রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, ভারতের সঙ্গে তাদের সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র যাতে নাক না গলায় তা নিয়ে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছিল বেইজিং।

প্রতি বছরই মার্কিন কংগ্রেসে চীনের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট পেশ করে পেন্টাগন। সেখানেই বলা হয়েছে, ২০২০ সালেই নিজেদের পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নেয় বেইজিং। সেই মতো গত বছর থেকে তাদের অস্ত্র কর্মসূচির ছবিটা পাল্টে যায়।

পেন্টাগনের দাবি, বর্তমান দক্ষিণ চীন সাগরে পিপলস লিবারেশন আর্মি যে ধরনের ডুবোজাহাজ ব্যবহার করেছে, তা দেখেই তাদের এই ধারণা আরও দৃঢ় হয়েছে। সেই সঙ্গেই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পেন্টাগনের এক শীর্ষ কর্মকর্তার দাবি, চীনের এই সিদ্ধান্তের পিছনে একটা বড় কারণ হল, তাদের তাইওয়ানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন নীতি।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, বেইজিং বরাবরই গোটা বিশ্বকে বলে এসেছে যে নিজেদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যার বেশি পরমাণু অস্ত্র তারা বানাবে না। অথচ গত বছর থেকে তাদের অস্ত্র ভান্ডারে বিপুল সংখ্যক পরমাণু অস্ত্র যোগ হতে শুরু করেছে। পেন্টাগনের দাবি, এই সংখ্যাটা আদৌ চমকে দেওয়ার মতো নয়। কারণ গত বছরই তাদের প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছিল যে, আগামী ১০-১২ বছরের মধ্যে চীন অন্তত এক হাজার পরমাণু অস্ত্র নিজেদের দখলে রাখতে চলেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের রিপোর্ট নিয়ে চীনের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি অবশ্য। তবে পেন্টাগনের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল প্যাট রাইডারের বক্তব্য, গোটা বিষয়টি নিয়ে চীনের অস্বচ্ছতাই তাদের উদ্বেগের মূল কারণ। তার কথায়, চিন্তার বিষয় হল, চীন যত বেশি পরমাণু অস্ত্রের বিস্তার ঘটাবে, দক্ষিণ চীন সাগরের মতো অতি স্পর্শকাতর এলাকায় স্থিতিশীলতা তত কমবে। এ নিয়ে অস্বচ্ছ তথ্যও আমাদের উদ্বেগের বড় কারণ।

;