মায়ামি বিমানবন্দরে প্লেনে আগুন, আহত ৩



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১২৬ জন যাত্রীসহ রেড এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজ অবতরণের পর এতে আগুন লাগে। মঙ্গলবার (২১ জুন) রেড এয়ারের একটি ফ্লাইটে ল্যান্ডিং গিয়ার ভেঙে যাওয়ার কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল।

বুধবার (২২ জুন) বার্তা সংস্থা এপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

মায়ামির উড্ডয়ন বিভাগের মুখপাত্র গ্রেগ চিন জানান, ডোমিনিকান রিপাবলিকের সান্টো ডোমিঙ্গো শহর থেকে আসা রেড এয়ারের একটি উড়োজাহাজের ল্যান্ডিং গিয়ার ভেঙে গেলে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

এমডি-৮২ জেটলাইনার উড়োজাহাজটিতে ১২৬ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনায় ৩ ব্যক্তি ছোটখাটো চোট পেয়ে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। বাকি যাত্রীদের বাসের মাধ্যমে উড়োজাহাজ থেকে বিমানবন্দরের টার্মিনালে নিয়ে যাওয়া হয়।

জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক কেন্দ্র পরিদর্শনে অনুমতি দেবে রাশিয়া

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক কেন্দ্র পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

শুক্রবার (১৯ আগস্ট) পুতিন ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ফোনালাপের পর ক্রেমলিন এই ঘোষণা দেয়।

এদিকে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, তিনি জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক কেন্দ্রের পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত। তিনি বলেন, জাপোরিঝিয়াকে ঘিরে সামরিক তৎপরতার অবসান ঘটাতে হবে এবং মস্কোকে পরিদর্শকদের প্রবেশাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান।

গত মার্চ থেকে ইউরোপের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি রাশিয়ার দখলে রয়েছে। ইউক্রেনীয় প্রযুক্তিবিদরা এখন রাশিয়ার নির্দেশে এটি পরিচালনা করছে।

ফরাসি ও রুশ নেতাদের মধ্যে ফোনালাপের পর ক্রেমলিন জানিয়েছে, পুতিন জাতিসংঘের তদন্তকারীদের জাপোরিঝিয়া পরিদর্শন করার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সম্মত হয়েছেন।

ক্রেমলিন বলেছে, উভয় নেতাই পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) বিশেষজ্ঞদের প্ল্যান্টে পাঠানোর গুরুত্ব উল্লেখ করেছেন।

জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থার মহাপরিচালক পুতিনের এই বিবৃতিকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং বলেছেন যে তিনি নিজেই প্ল্যান্ট পরিদর্শনে নেতৃত্ব দিতে ইচ্ছুক।

রাফায়েল গ্রোসি বলেন, যুদ্ধের এই সময় বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তাকে আরও হুমকিতে ফেলতে পারে এমন কোনও নতুন পদক্ষেপ না নেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ইউক্রেনের কর্মকর্তারা বলছেন, রাশিয়া জাপোরিঝিয়াকে একটি সেনা ঘাঁটিতে পরিণত করেছে। পারমাণবিক কেন্দ্রটিতে সামরিক সরঞ্জাম, অস্ত্র এবং প্রায় ৫০০ সেনা মোতায়েন করেছে রাশিয়া।

জাপোরিঝিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রে নতুন করে গোলাবর্ষণ নিয়ে মস্কো ও কিয়েভ একে অপরকে দোষারোপের মধ্যে বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) জাতিসংঘের মহাসচিব এবং তুরস্ক ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের বৈঠক হয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

বৈঠকের সময় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ইচ্ছাকৃত রাশিয়ান হামলার সমালোচনা করেন।

জাপোরিঝিয়ার যে কোনো সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি হবে আত্মহত্যার শামিল, সতর্ক করে বলেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব। কেন্দ্রটির আশপাশ থেকে সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা সরিয়ে নেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

;

আফগানিস্তান: শাসক, পলাতক, কেউ ভালো নেই!



কনক জ্যোতি, কন্ট্রিবিউটিং করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
কেউ ভালো নেই আফগানিস্তানে। সংগৃহীত।

কেউ ভালো নেই আফগানিস্তানে। সংগৃহীত।

  • Font increase
  • Font Decrease

আফগানিস্তানে তালেবানদের পুনঃক্ষমতা দখলের এক বছর পূর্তি হলো কদিন আগে। আমেরিকা ও মিত্ররা ক্ষমতাসীন তালেবানদের হটিলে দিলেও প্রায়-ধূলিসাৎ তালেবানরা আবার ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে দেশছাড়া করেছে বিদেশি সৈন্যদের। এতো কিছুর পরেও আফগানিস্তানে শাসক, পলাতক, কেউ ভালো নেই। মোটেও ভালো নেই সাধারণ জনতা।

পালিয়ে যাওয়া আমেরিকান সৈন্য ও কর্মকর্তাগণ পরাজয়ের জন্য উপর্যুপরি জেরার সম্মুখীন নিজের দেশের বিভিন্ন সংস্থার কাছে। আমেরিকানদের পেছনে পেছনে পালিয়ে যাওয়া আফগান নেতারা রয়েছেন করুণ দশায়। আর খোদ আফগানিস্তান নানা সমস্যায় পর্যুদস্ত। সাধারণ মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে চলছে সঙ্কটের ঘূর্ণাবর্ত।

আমেরিকার সেনা এবং আফগানিস্তানের স্বাধীনতাকামী তালিবান বিরোধী শক্তির সঙ্গে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ থামলেও সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙে পড়েছে দেশেটির অর্থনীতি। মানবাধিকার ও নারীমুক্তির যে প্রতিশ্রুতি তালেবান নেতাদের মুখে এক বছর আগে লেগে থাকত, তা ইতিহাসের নথিতে মুখ গুঁজেছে । শাসকরা এখন ভেতর ও বাইরের চাপে দিশেহারা। পশ্চিমা মিডিয়ার প্রচারণায় নয়, বাস্তব তথ্য-প্রমাণে আফগানিস্তানের করুণ হাল সুস্পষ্ট।

জনতা ও শাসকদের মতো না হলেও ভালো নেই আফগানিস্তানের পলাতক নেতারাও। বিশেষ করে, আমেরিকার সমর্থক প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি এবং প্রাক্তন আফগান ভাইস প্রেসিডেন্ট আমরুল্লা সালেহ রয়েছেন প্রায়-উদ্বাস্তু পরিস্থিতিতে।

কিছু দিন আগে খবর পাওয়া যায়, গনি জমানায় আফগানিস্তানের অর্থমন্ত্রী খালিদ পায়েন্দা আমেরিকায় ট্যাক্সি চালিয়ে সংসার চালাচ্ছেন। আফগানিস্তানের তালেবান শাসনের বর্ষপূর্তির মধ্যেই জানা গেল প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট গনি আরব আমিরাতে তার নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছেন। তবে সেখানে তার কোনো নাগরিকত্ব নেই।

মধ্য আগস্টে একটি টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠানে তাকে দেখা গিয়েছে। সেখানে আফগানিস্তান থেকে আমেরিকান সেনা প্রত্যাহারের ‘সমালোচনা’ করতে শোনা যায় তাকে। গনিকে বলতে শোনা যায়, ‘‘আমি আমার দেশকে সুস্থ করতে চাই। আমি আশা করি, যে জায়গায় আমার শরীরের প্রতিটি কোষ রয়েছে, যাকে ছাড়া আমি বিজাতীয় বোধ করি, সেই দেশকে আবার রক্ষা করতে পারব।’’

অন্য দিকে, প্রাক্তন আফগান ভাইস প্রেসিডেন্ট সালেহ তালেবান বিরোধী জোট নর্দার্ন অ্যালায়্যান্সের ( ‘ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট অব অফ আফগানিস্তান’ বা এনআরএফও) নেতা আহমদ মাসুদ ও আফগান সেনাবাহিনীর প্রাক্তন লেফটেন্যান্ট জেনারেল সামি সাদাতের সহযোগিতায় শক্তি সঞ্চয়ের চেষ্টা করেও বিশেষ কোনো সুবিধা করতে পারছেন না। আত্মগোপনে দেশের নানা প্রান্তে পলাতক জীবন কাটাচ্ছেন তিনি।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম বলছে, প্রাক্তন আফগান ভাইস প্রেসিডেন্ট এখন পঞ্জশির উপত্যকায় রয়েছেন। তবে এটি তার স্থায়ী ঠিকানা নয়। নিরাপত্তার কারণে তিনি প্রতিনিয়ত জায়গা বদল করেন এবং কোনো স্থায়ী ঠিকানা প্রকাশ করেন না। এরই মধ্যে ১৫ আগস্ট একটি টুইট করেন সালেহ। দাবি করেন, ডজন খানেক তালেবান যোদ্ধাকে বন্দি করা হয়েছে। কয়েক জন এনআরএফের আক্রমণে নিহত হয়েছেন। শীঘ্রই তারা এই যুদ্ধের ফুটেজ প্রকাশ করবেন বলে জানান সালে। তার বার্তাকে আফগানিস্তান ও তার বন্ধুরা মোটেও আমলে নেয় নি।

মোটের উপর যারা আফগানিস্তান শাসন করছেন আর যারা পরাজিত হয়ে পালিয়ে গেছেন, সবার ভাগ্যই 'বিপন্ন দেশ আফগানিস্তান'-এর মতোই বিপদাপন্ন। সংঘাতের ধারাবাহিকতায় ভালো নেই কোনো পক্ষই।

;

পার্টিতে ফিনিশ প্রধানমন্ত্রীর উদ্দাম নৃত্যের ভিডিও ভাইরাল



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সান্না মারিনের (৩৬) একটি ভিডিও ফাঁস হয়েছে। যেখানে দেখা গেছে ৩৬ বছর বয়সী এই প্রধানমন্ত্রী বন্ধুদের সঙ্গে পার্টিতে উদ্দাম নৃত্য করছেন। এ নিয়ে ফিনল্যান্ডেই ওঠেছে সমালোচনার ঝড়।

অনেকে বলছেন, যখন ফিনল্যান্ড গত ৩৮ বছরের মধ্যে সবচেয়ে অর্থনৈতিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে এবং বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়েছেন তখন পার্টিতে প্রধানমন্ত্রীর এমন নৃত্য করার বিষয়টি সমীচীন নয়।

দেশটির বিরোধী দলগুলো সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর ড্রাগ পরীক্ষা করার দাবি করেছেন। কারণ তাদের শঙ্কা তিনি মাদকাসক্ত।

তবে ফিনিশ প্রধানমন্ত্রী মাদক গ্রহণের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি কেবলমাত্র মদ্যপান করেছিলেন এবং উদ্ধতভাবে পার্টি করেছিলেন।

ভিডিও ভাইরাল হওয়ার বিষয়ে ফিনিশ প্রধানমন্ত্রী আন্না মারিন বলেন, আমি জানতাম বিষয়টি ভিডিও করা হচ্ছে; কিন্তু এটি জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয়েছে এজন্য আমি ব্যথিত হয়েছি।

ফিনিশ প্রধানমন্ত্রীর উদ্দাম নৃত্য

তিনি আরও বলেন, আমি নেচেছি, গেয়েছি এবং পার্টি করেছি। যা অবশ্যই বৈধ। আমি কোথাও যাইনি যেখানে মাদক বা মাদকাসক্ত ব্যক্তি আছে। আমার পারিবারিক জীবন আছে। আমার কাজের জীবন আছে এবং বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর অলস সময় আছে। আমার বয়সী সবাই যে রকমটি করে।

তিনি জানান, নিজের মধ্যে কোনো পরিবর্তন আনবেন না। এবং তার আশা বাকিরা এটি স্বাভাবিকভাবে নেবে।

তবে ফিনল্যান্ডের বিরোধী দলীয় নেতা রিক্কা পুরা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উচিত স্বেচ্ছায় ড্রাগ টেস্ট করা। কারণ তাকে নিয়ে সন্দেহ আছে। তবে আবার কয়েকজন বিরোধী দলের নেতা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে মিডিয়া ও রাজনীতিবীদরা বেশি আলোচনা করছেন। যেটির কোনো প্রয়োজন নেই।

ফিনিশ প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, তিনি মাদক গ্রহণ করেননি এবং পরীক্ষা করাতে তার কোন সমস্যা নেই।

সান্না মারিনে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ক্ষমতায় আছেন এবং তার দলের সমর্থন ধরে রেখেছেন।

;

আলজেরিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে নিহত ২৬



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আলজেরিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে অন্তত ২৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ডজন খানেক।

বুধবার (১৭ আগস্ট) দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। খবর বিবিসি।

দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামেল বেলদজউদ বলেছেন, তিউনিসিয়ার সীমান্তবর্তী এল টারফে ২৪ জন এবং সেতিফে একজন মা ও মেয়ে মারা গেছেন।

দেশটির অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা হেলিকপ্টার দিয়ে পানি ও রাসায়নিক ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন প্রদেশের প্রায় ৩৫০ জন বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

আলজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলে প্রতি বছর দাবানলের ঘটনা ঘটে। গত বছর দাবানলে ৯০ জন লোক মারা যান এবং এক লাখ হেক্টরের বেশি বনভূমি পুড়ে যায়।

আলজেরিয়া সরকার বলছে, উদ্দেশ্যমূলকভাবে আগুন লাগানো হয়েছে। তীব্র দাবদাহ ও শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে তা দাবানলে রূপ নিয়েছে।

;