অত্যাধুনিক সারমাট ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন এ বছরের শেষে: পুতিন

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, মস্কো তার সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করবে। সেইসঙ্গে ২০২২ সালের শেষ নাগাদ নতুন পরীক্ষিত সারমাট ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালেস্টিক মিসাইল (আইসিবিএম) বা আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হবে।

ইউক্রেনে রাশিয়ার চলমান আগ্রাসনের মধ্যে মঙ্গলবার (২১ জুন) সামরিক একাডেমির গ্র্যাজুয়েটদের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল বৈঠকে পুতিন একথা বলেন।

পুতিন স্নাতকদের উদ্দেশে বলেন, ১০ বা তার বেশি পারমাণবিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম ‘সারমাট’ বছরের শেষ নাগাদ যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুত থাকবে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এতোটাই শক্তিশালী যে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত ব্যবস্থাও এই ক্ষেপণাস্ত্রকে বাধা দিতে পারবে না। আরএস-২৮ সারমাট ক্ষেপণাস্ত্রের ওজন হচ্ছে ২০৮ টন এবং এর পাল্লা ছয় হাজার ২০০ মাইল। এটি ১৬টি ওয়ারহেড বহন করতে পারে।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সারমাট রাশিয়া থেকে উড়ে গিয়ে কয়েক মিনিটের মধ্যে ধ্বংস করতে পারে ওয়াশিংটন বা বিশ্বের যেকোনও শহর।

‘শয়তানে’রই অপর এক রূপ ভ্লাদিমির পুতিনের এই মিসাইল। ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝেই গত এপ্রিলে আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক এই ক্ষেপণাস্ত্রটির সফল পরীক্ষণ করেছে রাশিয়া। তারপরই পুতিন পশ্চিমা দেশগুলিকে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন। বলা হয় সারমাট হল বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র। এই মিসাইলটি যেকোনও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভেদ করতে সক্ষম বলে মনে করা হয়। এই কারণেই এই মিসাইলটি শয়তান নামে পরিচিত।

পুতিন বলেছেন, সেনারা ইতিমধ্যে এস-৫০০ বিমান প্রতিরক্ষা এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পেতে শুরু করেছে রুশ সেনা বাহিনী। যার সঙ্গে বিশ্বের কোনও দেশের অস্ত্রের মিল নেই।

রাশিয়া এস-৫০০ দিয়ে তার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পুনর্গঠন করছে, যা দ্রুত মোতায়েন করা যায় এবং দূরপাল্লার বিমান, হাইপারসনিক মিসাইলকে বাধা দিতে পারে।

সারমাট মিসাইল সর্বোচ্চ ১৮ হাজার কিমি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘান হানতে সক্ষম বলে দাবি করেছে রুশ সংবাদমাধ্যম। মিসাইলটি দুশো কেজি ওজনের এবং একবারে এটিতে দশটি বড় ওয়ারহেড এবং ১৬টি ছোট ওয়ারহেড ভরে লঞ্চ করা যায়।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

ক্রিমিয়ায় বিস্ফোরণে রুশ ৭ যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে: স্যাটেলাইট চিত্র

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অধিভুক্ত ক্রিমিয়ার একটি বিমান ঘাঁটিতে বিস্ফোরণে রাশিয়ার সাতটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে। প্ল্যানেট ল্যাবসের নতুন স্যাটেলাইট ইমেজে উঠে এসেছে এমন তথ্য।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

ওই বিস্ফোরণের দায় প্রকাশ্যে স্বীকার করা থেকে বিরত থেকেছেন ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা। তবে বিস্ফোরণের কারণ নিয়ে রুশ বর্ণনাকে উপহাস করেছেন তারা। রাশিয়ার দাবি সাকি বিমান ঘাঁটির গোলাবারুদে আগুন ধরে বিস্ফোরণ ঘটে।

মঙ্গলবারের (০৯ আগস্ট) ওই বিস্ফোরণ ইউক্রেনীয় হামলায় ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে রাশিয়া হামলা হওয়ার কথা কিংবা বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা অস্বীকার করেছে।

বিস্ফোরণের কয়েক ঘণ্টা পর দেওয়া রাত্রীকালীন ভিডিও বার্তায় ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ফের ক্রিমিয়া উপকূল দখলে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, ইউক্রেন এবং পুরো স্বাধীন ইউরোপের বিরুদ্ধে রাশিয়ার এই যুদ্ধ শুরু হয় ক্রিমিয়া দিয়ে এবং আর তা শেষ করতে হবে ক্রিমিয়া দিয়ে - এর স্বাধীনতার মধ্য দিয়ে।

৯ আগস্টের একটি স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সাকি বিমান ঘাঁটিতে বেশ কয়েকটি ফাইটার জেট বসে আছে ৷ বিস্ফোরণের পর ১০ আগস্টের স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা যায়, অন্তত সাতটি ফাইটার জেটের পুড়ে যাওয়ার চিত্র।

ক্রিমিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণে অন্তত একজন নিহত এবং অন্তত নয়জন আহত হয়েছেন।

২০১৪ সালে পুরো ক্রিমিয়া উপকূল ইউক্রেনের কাছ থেকে দখল করে নেয় রাশিয়া। তবে বেশির ভাগ দেশ এ দখলদারত্বকে স্বীকৃতি দেয়নি। ইউক্রেনের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে রাশিয়ার সেনাদের চলাচল ও রসদ সরবরাহে ক্রিমিয়াকে অন্যতম রুট ও কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। অনেক ইউক্রেনীয় মনে করেন, ক্রিমিয়ার ঘটনার মধ্য দিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হয়েছে।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;

ট্রাম্পের বাড়িতে এফবিআই তল্লাশি করায় রিপাবলিকানরা ক্ষুব্ধ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাড়িতে ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) তল্লাশির ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন কয়েকজন রিপাবলিকান শীর্ষ নেতা।

তারা এই তল্লাশির ব্যাখ্যা চেয়েছেন। তাদের অনেকেই ট্রাম্পের মতো বলেছেন, তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ‘উইচ হান্ট’ চলছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনও মন্তব্য করেনি এফবিআই ।

গত সোমবার (০৮ আগস্ট) দাফতরিক নথিপত্র ব্যবস্থাপনা তদন্তের জন্য ট্রাম্পের ফ্লোরিডার মার–এ–লাগোতে তল্লাশি চালায় এফবিআই। এ ঘটনা তদন্তে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন রিপাবলিকান নেতারা। অনেকে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে অ্যাটর্নি জেনারেল মেরিক গারল্যান্ডকে সরিয়ে দেওয়ারও দাবি তুলেছেন। খবর সিএনএন অনলাইনের।

এই প্রথম কোনো সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাড়িতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তল্লাশি চালাল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এফবিআইয়ের সন্দেহ হোয়াইট হাউস থেকে চলে যাবার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প কোন গুরুত্বপূর্ণ নথি সরিয়েছেন। তাই ট্রাম্পের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।

কংগ্রেসের সংখ্যালঘুবিষয়ক নেতা কেভিন ম্যাককার্থি সতর্ক করে বলেছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হতে পারে। আর এ জন্য অ্যাটর্নি জেনারেল মেরিক গারল্যান্ডকে প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়েছেন ম্যাককার্থি। মেরিক গারল্যান্ডকে কাগজপত্র গুছিয়ে দিন গুনতে বলেছেন তিনি। কেভিন ম্যাককার্থি আরও বলেছেন, ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিসকে রাজনীতির অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা অসহনীয় মাত্রায় পৌঁছেছে।

ট্রাম্পের সমর্থনে সরব আরেক রিপাবলিকান মারজোরি টেলর গ্রিন এক টুইটে লিখেছেন, এফবিআই- এর ফান্ড বাতিল করা হোক। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে ‘রাজনৈতিক শত্রুদের বিনাশ করতে’ ব্যবহার করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স এ ঘটনার দায় মেরিক গারল্যান্ডের ওপর চাপিয়েছেন। এক টুইটবার্তায় পেন্স বলেছেন, আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত বাসভবনে নজিরবিহীন তল্লাশি নিয়ে লাখো আমেরিকানদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।

বিবিসিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিসের (ডিওজে) সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে ট্রাম্পের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;

ক্রিমিয়ায় রুশ সামরিক বিমানঘাঁটিতে বিস্ফোরণ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউক্রেনের ক্রিমিয়া উপদ্বীপে রাশিয়ার একটি সামরিক বিমানঘাঁটির কাছে বড় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় একজন নিহত এবং আর বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (০৯ আগস্ট) বিকেলে একাধিক বিস্ফোরণ ঘটে। খবর বিবিসির।

২০১৪ সাল থেকে ক্রিমিয়ার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখেছে রাশিয়া। দখলে রাখা ক্রিমিয়ায় মস্কোর নিয়োগ করা আঞ্চলিক প্রশাসকের উপদেষ্টা ওলেগ ক্রুচকভ জানান, নোভোফেদোরিভকা সামরিক ঘাঁটির কাছে এসব বিস্ফোরণ ঘটেছে। এ ঘাঁটি ক্রিমিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (০৯ আগস্ট) বিকেল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে কমপক্ষে ১২টি বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পায়। বিস্ফোরণস্থল থেকে কালো ধোঁয়া উড়তে দেখেছেন তারা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজেও নোভোফেদোরিভকা ঘাঁটির কাছ থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়। তবে এসব ভিডিও নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

পরে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, গোলাবারুদে বিস্ফোরণ ঘটেছে। তবে ওই সামরিক ঘাঁটিতে গোলাবারুদের মজুত অক্ষত আছে। তবে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ক্রিমিয়ায় রাশিয়ার নিযুক্ত গভর্নর সের্গেই আকসিয়োনোভ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;

ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাড়িতে এফবিআইয়ের ‘অভিযান’



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তার বাসভবন ফ্লোরিডার মার–এ–লাগোতে ‘অভিযান’ চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। এ সময় এফবিআইয়ের এক এজেন্ট তার বাড়ির একটি সেফ ভেঙে ফেলে।

মঙ্গলবার (০৯ আগস্ট) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ট্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেন, পাম বিচে মার-এ-লাগো এফবিআই এজেন্টদের একটি বড় দল হানা দিয়েছিল। অভিযানটি ট্রাম্পের অফিসিয়াল কাগজপত্র নিয়ে তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে জানা গেছে।

২০২৪ সালে ট্রাম্প তৃতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট পদে লড়তে যাচ্ছেন, এমন সম্ভাব্য খবর সামনে আসার পরই মূলত ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আইনপ্রয়োগকারী বাহিনীর তদন্তে গতি পায়।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার (০৯ আগস্ট) অভিযান চালানোর সময় ট্রাম্প তার নিউইয়র্কের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

তিনি এই অভিযানকে জাতির জন্য অন্ধকার বলে মন্তব্য করেছেন।

ট্রাম্পের দাবি তিনি সব প্রাসঙ্গিক সরকারি সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা করেছেন। তাই ‘আমার বাড়িতে অঘোষিত অভিযান প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত ছিল না’ বলে অভিযোগ করেন ট্রাম্প।

ট্রাম্প বলেন, তাকে ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বাধা দিতেই এই অভিযান। যা প্রসিকিউটরিয়াল অসদাচরণ এবং বিচার ব্যবস্থার অস্ত্রায়ন।

ট্রাম্প অভিযোগ করে বলেন, এই ধরনের হামলা শুধুমাত্র তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতেই ঘটতে পারে। দুঃখজনকভাবে, আমেরিকা এখন সেই দেশগুলোর মধ্যে একটি হয়ে উঠেছে।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;