দিল্লিস্থ পর্তুগাল দূতাবাসে বাংলাদেশিদের ভোগান্তি



নাঈম হাসান, পর্তুগাল থেকে
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত পর্তুগিজ দূতাবাসে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বাংলাদেশিরা। দূতাবাসে কর্মরত স্থানীয় ভারতীয় কনস্যুলারদের বাংলাদেশি সেবাগ্রাহীদের প্রতি বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগসহ নানা ধরনের হয়রানির কথাও জানা গেছে।

দূতাবাসের সেবাগ্রহীতাদের মতে, দিল্লির পর্তুগালের দূতাবাসে হয়রানির অভিযোগ পুরনো। পর্তুগালের বিভিন্ন ভিসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রাদি সত্যায়িত করা ও ভিসা সংক্রান্ত বিষয়গুলোতেও সেখানে তীব্র হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

এদিকে, পর্তুগালের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ড. জোসে লুইস কারনেইরো জানিয়েছেন খুব শিগগির সমস্যা সমাধানে দ্রুত বাংলাদেশে পর্তুগালের কনস্যুলার সার্ভিস চালু হবে।

জানা গেছে, বাংলাদেশে পর্তুগালের স্থায়ী দূতাবাস না থাকার কারণে কনস্যুলারের বিভিন্ন সেবা পেতে ও ভিসা সংক্রান্ত বিষয়ে বাংলাদেশিদের দিল্লি যাতায়াত করতে হয়। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হোন পর্তুগালে বসবাসরত বাংলাদেশিরা। পরিবারের সদস্যদের পারিবারিক ভিসার আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের সত্যায়ন করতে গেলে তারা বেশ হয়রানির শিকার হচ্ছেন সেখানে।

এদিকে, দীর্ঘ সময়েও কার্যকর সমাধানের উদ্যোগ দৃশ্যমান না হওয়ায় পর্তুগালের অভিবাসন হাইকমিশনের নিবন্ধিত সংগঠন বাংলাদেশ কমিউনিটি অব পোর্তো'র পক্ষ থেকে পর্তুগিজ সরকারের উচ্চপদস্থ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সম্প্রতি বৈঠক করা হয়েছে।

পোর্তো শহরের বিখ্যাত একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত ওই বৈঠকে দেশটির পরিবেশ মন্ত্রী জোয়াও পেদ্রো মাতোস ফার্নান্দেজ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ড. জোসে লুইস কারনেইরো, সদ্য বিদায়ী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পর্তুগিজ সংসদের সামাজিক নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা থিয়াগো বারবোজা রিবেইরোসহ পর্তুগালের ক্ষমতাসীন দল স্যোশালিস্ট পার্টির বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কমিউনিটি অব পোর্তোর সভাপতি শাহ আলম কাজল, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম, প্রধান উপদেষ্টা মোশাররফ হোসেনসহ আরও অনেকে।  

আলোচনায় বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ দেশটির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কাছে ভোগান্তির শিকার বিভিন্ন ব্যক্তির অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কারনেইরো দিল্লির পর্তুগিজ দূতাবাসে নিযুক্ত পর্তুগালের রাষ্ট্রদূতকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় কনস্যুলার সেবা প্রদানের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। মাসে একবার করে হলেও যেন ঢাকা কনস্যুলার সেবা প্রদানের ব্যবস্থাগ্রহণের কথা বলেন। পর্তুগিজ কনস্যুলেট ঢাকা খুব শিগগিরি কনস্যুলার সেবা চালু হবে বলে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশি নেতৃবৃন্দকে আশ্বস্থ করেছেন।

ড. জোসে লুইস কারনেইরো বলেন, ‘চলতি বছর পর্তুগিজ সরকারের একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফরে গিয়েছিলো। পর্তুগাল ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন, কনস্যুলার অফিস চালুসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।’

সূত্রে জানা গেছে , বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন ভিসা জমা নেওয়া ও পারিবারিক বিভিন্ন ভিসার ইন্টারভিউ ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আয়োজনের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে এসেছে। ফলে আবেদনকারীদের আর দিল্লী যেতে হবে না। সেবাটি চালু হলে গুরুত্বপূর্ণ কাগজ পত্রাদি সত্যায়ন করা ও জমা দেয়া যাবে ঢাকার পর্তুগিজ কনস্যুলেটে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যেই ঢাকায় কনস্যুলার সার্ভিস দেয়ার ব্যাপারে কাজ শুরু করেছি, একই সঙ্গে বিশেষ আধুনিক প্রযুক্তি স্কাইপের কিংবা অন্য কোন প্রযুক্তি মাধ্যমের ভিসা প্রদানের সাক্ষাৎকারের পরীক্ষামূলক কাজও চলমান। তবে না বললেই নয় ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অনেকেই নকল সনদ ও সার্টিফিকেট জমা করে থাকে যা আমাদের তদন্তেও বের হয়ে এসেছে-এটা খুবই দুঃখজনক।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিনের এই সমস্যা সমাধানে পর্তুগালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আগুস্তো সান্তোস সিলভার সাথেও বৈঠক করেছিলেন বাংলাদেশ কমিউনিটি অব পোর্তো’র নেতৃবৃন্দ।

   

কুয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত চট্টগ্রামের আকবর



কুয়েত করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুয়েত
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কুয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় আকবর হোসেন নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। তিনি চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার রহমতপুর গ্রামের আদর্শ পাড়া হাদির গো বাড়ির সুলতান আহমদের ছেলে।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) রাতে কুয়েতের রাবিয়া নামক স্থানে ইশারা আল কাসেমিতে রাস্তা পারাপারের সময় গাড়ির ধাক্কা লেগে এই দুর্ঘটনায় ঘটে।

নিহতের আত্মীয় সাখাওয়াত হোসাইন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, 'বেশ কিছুদিন যাবৎ তিনি মানসিকভাবে চাপের মধ্যে ছিলেন। শুক্রবার রাতে রাস্তা পারাপার করতে গেলে দুর্ঘটনার শিকার হয়।এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তিনি।'

বর্তমানে মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন তার স্বজনরা।

;

দেশের ইলিশের টানে লন্ডন থেকে গ্লাসগো



ড. হাসিন মাহবুব চেরী, সিনিয়র স্পেশালিস্ট সায়েন্টিস্ট, ইউকে
দেশের ইলিশের টানে লন্ডন থেকে গ্লাসগো

দেশের ইলিশের টানে লন্ডন থেকে গ্লাসগো

  • Font increase
  • Font Decrease

একটা বয়সের পরে আমরা আটকা পড়ি শুধুই মায়ার টানে। কোন মানুষটা আমাদের মন থেকে মায়া করে, এটাই সব কিছুর ঊর্ধ্বে বিবেচ্য হয় আমাদের কাছে (অন্তত আমার কাছে ব্যাপারটা এখন তাই)।

কারণ, আমরা বুঝতে শিখি যে, আমাদের আশেপাশে বন্ধুরূপী অসংখ্য মুখের ভিড়ে শুধু মাত্র সেই মুখগুলোই মূল্যবান - যার কাছে আমি মূল্যবান। আর ঠিক একারণেই সুদূর বিলাতের বিভূঁই পরিবেশে ফারহানা হোসেন আপু যখন বললো দেশ থেকে আসা ইলিশ তোমাকে আর Rumana Newlands কে ছাড়া খাবো না বলে তুলে রেখেছি, কবে আসবে? মনে হলো এই ভালোবাসার ডাক পাবার মতো ভাগ্য আসলে ক'জনেরই বা হয়? তাই প্রচন্ড ব্যস্ত সময়ের মধ্যেই হুট করে একবেলার জন্যে লন্ডন থেকে গ্লাসগো উড়ে চলে গেলাম।

এই ঝটিকা সফর বহু কারণেই স্মরণীয় হয়ে থাকবে, তবে অর্ধেক দিনের এই মেমরি আমাকে আবার শেখালো:

Life is not about quantity, it`s all about quality. So it doesn`t matter what you have in life, but who you have only matters.

আর জীবনে নিজের পরিবারের মানুষ ছাড়াও কারো সত্যিকারের ভালোবাসা পাওয়া আসলেই বিশাল ভাগ্যের ব্যাপার। ফারহানা আপু এবং সাজ্জাদ ভাইয়ার আন্তরিকতায় আবারো মুগ্ধ হতে হতে তাই ভাবছিলাম, যদিও আমি সবসময় সবার থেকে ভালো জিনিস গুলো শেখার চেষ্টা করি তবে কিছু কিছু কোয়ালিটি আসলে মানুষের মধ্যে আসে 'ইন বিল্ট' হয়ে, যেটা অন্য কেউ হয়তো হাজার চেষ্টা করেও আয়ত্ত্ব করতে পারে না!

অন্যকে স্পেশাল এবং গুরুত্বপূর্ণ ফিল করানোও ঠিক সেরকমই একটা ইন বিল্ট কোয়ালিটি যেটা বেশিরভাগ মানুষের মধ্যেঔ অনুপস্থিত। যেমন আপু এবং ভাইয়া (আমার দেখা দুই অন্যতম ব্রিলিয়ান্ট এবং down to earth মানুষ) যেভাবে ওয়ার্কিং ডে 'র শেষে আমাকে এয়ারপোর্ট থেকে পিক করা থেকে শুরু করে নিজের হাতে রান্না করা বহু পদের মুখরোচক খাবার এবং নিজের হাতে বানানো মিষ্টি'র আয়োজন করলেন, স্কটল্যান্ডে এসে আমার ভাইয়ের সাথে দেখা হবে না বলে আমার ভাই কেও আবেরডিন থেকে ডেকে নিয়ে আসলেন, এবং আসবার পথে একগাদা খাবার প্যাক করে ব্যাগে নিজের হাতে ঢুকিয়ে দিয়ে একদম এডিনবরা এয়ারপোর্ট এর সিকিউরিটি পর্যন্ত এসে বিদায় দিয়ে গেলেন - এই আন্তরিকতাটা বোধহয় একেবারে মনের গভীর থেকে না আসলে করা সম্ভব নয়।

আসলে জীবনে আমরা বহু অপাত্রে আমাদের ভালোবাসা এবং সময় দান করে নষ্ট করি, বহু মানুষের ব্যবহার দেখে মনে হয় সত্যিই বোধহয় স্বার্থপর না হওয়াটাই আজকাল বোকামি। তবে পরমুহূর্তেই আবার যখন এরকম সুন্দর মনের মানুষ গুলোর আন্তরিকতায় অবাক এবং মুগ্ধ হই, তখন মনে হয় এই সুন্দর মনের মানুষগুলোর উপস্থিতির জন্যেই আসলে জীবনটা এতো সুন্দর। আর এরকম মানুষের উপস্থিতি আমাদের ঠিক একইভাবে ওনাদের মতোই অন্য কারো জীবনেও নিজের উপস্থিতি দিয়ে তার জীবনের কিছু সুন্দর মুহূর্ত উপহার দিতে অনুপ্রেরণা যোগায়।

;

শেখ হাসিনার সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দৃঢ় করবে: থাই সরকারের মুখপাত্র



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সাউথ-ইস্ট এশিয়া (ব্যাংকক, থাইল্যান্ড)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দীর্ঘ প্রায় দুই যুগ পর থাইল্যান্ডে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী বুধবার (২৪ এপ্রিল) তিনি থাইল্যান্ডে এসে পৌঁছাবেন। পাঁচদিনের সফর শেষে সোমবার (২৯ এপ্রিল) তিনি দেশে ফিরে যাবেন।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) থাই সরকারের মুখপাত্র চাই ওয়াচারানক স্থানীয় গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শ্রেত্থা থাবিসিন এর আমন্ত্রণে শেখ হাসিনা থাইল্যান্ডে আসছেন।

শেখ হাসিনার ভ্রমণের সময় উভয় দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি চুক্তি এবং এমওইউ স্বাক্ষর হবে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সফরসঙ্গীদের জন্য গভর্মেন্ট হাউজে দুপুরের খাবারের আয়োজন করেছেন শ্রেত্থা থাবিসিন।

চাই ওয়াচারানক জানান, ২০০২ সালের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এটি প্রথম থাইল্যান্ড সফর। এই সফরে দুই দেশের কর্মকর্তারা বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে দ্বি-পাক্ষীক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে আলোচনা করতে পারবেন। এছাড়াও বিভিন্ন খাতে সহযোগীতা বৃদ্ধি, বিশেষত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির বিষয়টি নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এছাড়াও যোগাযোগ, পর্যটন এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে শেখ হাসিনার এই সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানান থাই সরকারের মুখপাত্র। 

;

আমিরাতে বর্ণিল আয়োজনে বাংলা বর্ষবরণ উৎসব



তোফায়েল আহমেদ পাপ্পু, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

পহেলা বৈশাখ বাঙালির সর্বজনীন উৎসব। শুধু দেশে নয়, সারা বিশ্বে বসবাসরত বাঙালিরা দিনটি সাড়ম্বরে পালন করে থাকে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে এবার ঈদের ছুটি অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ ছিল। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে পহেলা বৈশাখ। যা প্রবাসী বাংলাদেশিদের আনন্দ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। লোকায়ত সংস্কৃতির ডালা সাজিয়ে বর্ণিল উৎসব আয়োজনের মধ্যদিয়ে দেশটিতে বাংলা বর্ষবরণ উৎসব উদযাপিত হয়েছে।

ভিনদেশের মাটিতেও বাঙালি সংস্কৃতির চিরায়ত পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হলো নানা অনুসঙ্গে। দেশটিতে বসবাসরত বাঙালিদের মধ্যেও ছিল আনন্দের কলরব। আর এই আনন্দ উচ্ছ্বাসকে সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে প্রবাসী সনাতনি ঐক্য পরিষদের চমৎকার আয়োজনের মধ্য দিয়ে এক নতুন মাত্রা পেয়েছে।


রোববার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আমিরাতের সারজায় আল জায়েদ ফার্ম হাউজে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের শুরুতে পহেলা বৈশাখ ১৪৩১ বাংলা নববর্ষ বরণ করে নিতে সকাল সাড়ে ১০টায় মঙ্গল শোভযাত্রা র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। পরে নাচ, গান, মধ্যাহৃভোজ ও নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে বর্ষবরণ উদযাপন করেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

একাকী প্রবাসজীবনে পরিবার পরিজন, বন্ধুবান্ধব থেকে দূরে থাকা, দেশীয় স্বাদ ও আমেজের জন্য সারাবছর লালায়িত থাকা এই প্রবাসীরা হাজার মাইলের দূরত্ব কষ্ট ভুলে গিয়েছিল পহেলা বৈশাখ উদযাপন অনুষ্ঠানে। আমিরাতের আবুধাবী, দুবাই, আজমান ও বিভিন্ন শহর থেকে প্রবাসীরা পরিবার নিয়ে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।


অনুষ্ঠান শেষে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কনস্যুলেট দুবাই লেডিস গ্রুপের সভাপতি আবিদা হোসেন, বাংলাদেশ কনস্যুলেট দুবাই ও উত্তর আমিরাতের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর আশীষ কুমার সরকার, প্রবাসী সনাতনী পরিষদের সিনিয়র উপদেষ্টা বিশ্বনাথ দাশ, সভাপতি অজিত কুমার রায়, সহ সভাপতি অজিত চৌধুরী মিঠু, সাধারণ সম্পাদক উত্তম কুমার সরকার, অর্থ সম্পাদক কার্তিক সাহা, দপ্তর সম্পাদক দেবব্রত তালুকদার, ফুজাইরাহ বাংলাদেশ সমিতির সভাপতি বাবু তপন সরকার, জাতীয় হিন্দু মহাজোট ইউএই’র সিনিয়র উপদেষ্টা মিনাল কান্তি ধর প্রমুখ।

প্রবাসী সনাতনী পরিষদের সভাপতি অজিত কুমার রায় জানান, প্রবাসের মাটিতে বেড়ে ওঠা তরুণ প্রজন্মকে বাংলা সংস্কৃতির ইতিহাস ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আগামীতে আরও বড় পরিসরে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেয়া হবে।

 

 

;