ফাতিমা সানা শেখের পোস্ট, উসকে দিলো আমিরের তৃতীয় বিয়ের জল্পনা!



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ফাতিমা সানা শেখের পোস্টে, উসকে দিলো আমিরের তৃতীয় বিয়ের জল্পনা!

ফাতিমা সানা শেখের পোস্টে, উসকে দিলো আমিরের তৃতীয় বিয়ের জল্পনা!

  • Font increase
  • Font Decrease

১৯৮৬ সালে রীনা দত্তকে বিয়ে করেছিলেন বলিউডের জনপ্রিয় তারকা আমির খান। তাঁদের দুই সন্তান, ছেলে জুনায়েদ আর মেয়ে ইরা। চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন রীনা দত্ত। ২০০২ সালের ডিসেম্বরে তাঁদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।

এরপর ২০০৫ সালে পরিচালক কিরণ রাওকে বিয়ে করেন আমির খান। এই দম্পতির ছেলে আজাদ। চলতি বছর তাদের ডির্ভোস হয়। তখন থেকেই তৃতীয় বিয়ের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।অনেকেরই ধারণা ফাতিমা সানা শেখের প্রেমে পড়েছেন আমির। আর এবার সেই গুঞ্জনকে উসকে দিচ্ছে সানা শেখের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট।

এদিকে দিনকয়েক আগেই বাগদান সাড়লেন ইরা খান আর নুপূর শিখরে। আর এরমধ্যেই বাবা আমিরের বিয়ে নিয়ে ফের জল্পনা শুরু।


ফতিমা বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু ছবি পোস্ট করেন। যা বাড়িয়ে দিয়েছে এই বিয়ে নিয়ে জল্পনাটা। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর সাম্প্রতিক ফটোশ্যুটের বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছেন দঙ্গল নায়িকা। আর সেই ছবির ক্যাপশনেই ফাটিয়েছেন আসল বোমা। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘নট বাধব না বাধব না, সেটাই আসল প্রশ্ন!’ (To do or Knot to do, That is the question…) তবে এই নট বলতে তিনি লেহেঙ্গার ব্লাউজের ফিতের কথা বলেছেন, নাকি গাঁটছড়ার তাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে সাদা রঙের লেহেঙ্গার সঙ্গে পাটের একটি ব্লাউজ পরেছেন ফতিমা। আর ব্লাউজের পিঠের কাছটা পুরোটাই খোলা। ভিন্টেজ এক গাড়ির সামনে পোজ দিয়েছেন সুন্দরী।

আর সব থেকে মজার ব্যাপার হল ফতিমার এই ছবিতে মন্তব্য করেছেন আমির কন্যা ইরা। চোখে হার্ট চিহ্নের একটি ইমোটি আইকন পোস্ট করেছেন। আর সেখানেই আলোচনা শুরু করেছেন নেটজনদের একটা বড় অংশ। একজন লিখেছেন, ‘নতুন মা-র সঙ্গে ভাব জমাচ্ছ নাকি তুমি?’ আরেকজন লিখলেন, ‘নিজের এনগেজমেন্টের পর এবার বাবার বিয়ের প্রস্তুতি শুরু।’ আরেকজন তো সরাসরি প্রশ্ন করলেন, ‘বিয়েটা কবে আমির আর ফতিমার?’

চার হাত এক হচ্ছে সিদ্ধার্থ-কিয়ারার



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাকি আর মাত্র দুই দিন। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি চার হাত এক হতে চলেছে বলিউড বর্তমান সময়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় জুটি সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও কিয়ারা আদভানির। সেই ‘শেরশাহ’র সময় থেকে চর্চায় এই জুটি। তাই তাদের বিয়ের খবরে মুখে হাসি ফুটেছে সবার।

আর এই বিয়েকে ঘিরে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য জবরদস্ত বন্দোবস্ত করেছেন সিদ্ধার্থ-কিয়ারা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, তারকা জুটির বিয়ে হবে রাজস্থানের জয়সলমেরের জনপ্রিয় প্রাসাদ সূর্যগড়ে। অল্প কয়েকজন অতিথি নিমন্ত্রিত থাকলেও সবকিছুই হবে ধামাকার সঙ্গে। অতিথি তালিকায় নাম আছে করণ জোহর, ইশা আম্বানিদের।

বিয়ে উপলক্ষ্যে সূর্যগড় প্যালেসের প্রায় ৮০টি ঘর বুক করা হয়েছে ১০০ অতিথির জন্য। হাই প্রোফাইল অতিথিদের কথা মাথায় রেখে বুকিং করা হয়েছে ৭০টি বিলাসবহুল গাড়িও। যার মধ্যে রয়েছে মার্সিডিজ, জাগুয়ার থেকে বিএমডব্লিউর মতো নামিদামি ব্র্যান্ডের গাড়ি।

ইশা আম্বানির ছোট বেলার বন্ধু অভিনেত্রী কিয়ারা। যদিও তখন তার নাম ছিল আলিয়া। বলিউডে আসার আগে নিজের নাম বদলে কিয়ারা রাখেন। আর সিদ্ধার্থের সঙ্গে সম্পর্কে অনুঘটকের কাজ করেছেন পরিচালক-প্রযোজক করণ জোহর। তাই হাজার হোক তাকেও বাদ দেওয়া যায় না!

যদিও বিয়ে নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন বর-কনে। প্রেম নিয়েও খুল্লামখুল্লা কথা বলেননি সেভাবে। একাধিক সাক্ষাৎকারে একে-অপরের প্রতি ভালোলাগা হয়তো জাহির হয়েছে, তবে তার থেকে প্রেমের কথা আসেনি। এদিকে বেশিরভাগ সময় সিদ্ধার্থের নাম উঠলেই কিয়ারার চেহারারা লাল আভা বুঝিয়ে দিয়েছে একে-অপরকে চোখে হারাচ্ছেন।

সোশ্যাল মিডিয়াতেও বর্তমানে ট্রেন্ড করছেন এই জুটি। ‘শেরশাহ’র রিল লাইফের প্রেম রিয়েল লাইফে বিয়ে করছে এই খবর পেয়ে অনেকেই আনন্দে আত্মহারা। কেউ মনে করছেন, ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রার (শেরশাহতে যে বাস্তব চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন সিদ্ধার্থ) আশীর্বাদও রয়েছে তাদের মাথার উপর।

বলিউডের অন্দরের খবর, ‘শেরশাহ’ ছবিতে কাজ করার সময়ই একে-অপরের কাছাকাছি আসেন সিদ্ধার্থ-কিয়ারা। মাঝে দুজনের আলাদা হয়ে যাওয়ার খবরও শোনা গিয়েছিল। সেই ঝামেলাও মিটিয়েছিলেন সিদ্ধার্থের প্রথম ছবির প্রযোজক করণ জোহর। বছর দুই প্রেমের পর এবার বিয়ে।

;

‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’র মুক্তি, প্রিমিয়ার শো-তে তথ্যমন্ত্রী



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’র মুক্তি, প্রিমিয়ার শো’তে তথ্যমন্ত্রী

‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’র মুক্তি, প্রিমিয়ার শো’তে তথ্যমন্ত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

মুক্তি পেলো তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুদানে নির্মিত ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’ চলচ্চিত্র। বুধবার দুপুরে রাজধানীর পান্থপথে বসুন্ধরা বিপণন কেন্দ্রে স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটির প্রিমিয়ার শো উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নারী পথিকৃত চট্টগ্রামের প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারকে নিয়ে কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের উপন্যাস অবলম্বনে এ সিনেমার পরিচালক প্রদীপ ঘোষ, প্রীতিলতা চরিত্রের অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা, অভিনেতা মনোজ প্রামাণিক, শেখ শাকি প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পরিচালক প্রদীপ জানান, সিনেমাটি স্টার সিনেপ্লেক্সসহ সারাদেশে প্রথম ধাপে ১০টি হলে মুক্তি পাচ্ছে।

সম্প্রচারমন্ত্রী এ সময় সিনেমার শিল্পী-কলাকুশলীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ‘প্রীতিলতার চরিত্রে অভিনয় করেছে তিশা, তাকেও আমি অভিনন্দন জানাই, কারণ প্রীতিলতা একটি ঐতিহাসিক চরিত্র। প্রীতিলতা এ উপমহাদেশে আন্দোলন, সংগ্রাম, স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অফুরন্ত প্রেরণার উৎস। পরিচালক প্রদীপ ঘোষকেও অভিনন্দন জানাই।’

ড. হাছান তার কৈশোরের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘প্রীতিলতা এবং চট্টগ্রামের বিপ্লবী আন্দোলনের বইপত্রগুলো আমি কৈশোরে পড়েছি এবং প্রীতিলতা, সূর্যসেন ও তার বিপ্লবী আন্দোলনের সমস্ত সদস্য যারা ছিলেন এবং তাদের কর্মকাণ্ড সবকিছুর ওপর আমার এমন অনুরাগ জন্মে ছিল যে, সেই বয়সে স্বপ্ন দেখতাম- কিশোর বিপ্লবী হবো। সেই স্বপ্নের তাড়না থেকে পরবর্তীতে ছাত্র রাজনীতি এবং রাজনীতিতে যোগদান।’

মন্ত্রী বলেন, ‘প্রীতিলতা সূর্যসেনের বিপ্লবী আন্দোলনের একজন সদস্য ছিলেন। তার ওপর দায়িত্ব পড়েছিল চট্টগ্রামের ইউরোপীয়ান ক্লাবে আক্রমণ করা, যেখানে লেখা ছিল ‘ইন্ডিয়ানস এন্ড ডগস আর নট এলাউড’। ইউরোপীয়ানরা সেই ক্লাবে যেতো এবং শুধু তাদের প্রবেশাধিকার ছিল, কুকুর এবং ভারতীয়দের কোনো প্রবেশাধিকার ছিল না। সেখানে আক্রমণ করার দায়িত্ব পড়েছিল প্রীতিলতার ওপর। প্রীতিলতা পুরুষের বেশে সেখানে আক্রমণ করে ফিরে আসার সময় আহত হন এবং তখন পটাসিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মহত্যা করেন। আত্মহত্যা করার কারণ ছিল এই যে, প্রীতিলতা যদি ধরা পড়তো তাহলে তাকে নির্যাতন করে তাদের বিপ্লবী আন্দোলনের সমস্ত পরিকল্পনা ব্রিটিশরা জেনে যেতো। সেটি যাতে না হয়, সে জন্য তিনি নিজের জীবনটাই সঁপে দিয়েছেন। তার কাপড়ের ভেতর ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের আন্দোলনের ৩২ পৃষ্ঠার জবানবন্দি পাওয়া গিয়েছিল। এই যে কাহিনী এটি কোন গল্প নয়, এটি সত্য কাহিনী, সত্য ঘটনা।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এই সিনেমা তরুণ-তরুণীদের মধ্যে এবং বিশেষ করে যারা ইতিহাস জানতে চায়, যারা দেশকে ভালবাসতে চায়, ভালোবাসে, তাদের মধ্যে প্রেরণা যোগাবে। এই সিনেমা শুধু এখানে আগ্রহ তৈরি করেছে তা নয়, কিছু দিন আগে ভারতের ৩০ জন সাংবাদিক আমাদের দেশে এসেছিল তারা যখন শুনেছে, তারাও উন্মুখ হয়ে বসে আছে কখন ভারতে এই সিনেমাটা দেখাতে পারবে। আমি আপনাদের এই সিনেমাটা দেখার জন্য অনুরোধ জানাই।’

;

শুরু হচ্ছে সিসিমপুরের নতুন মৌসুম, সিজন-১৫



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শুরু হচ্ছে শিশুদের প্রিয় অনুষ্ঠান সিসিমপুরের নতুন মৌসুম, সিজন-১৫। নতুন এই মৌসুমে হালুম, টুকটুকি, ইকরি ও শিকু হাজির হবে নতুন নতুন সব গল্প নিয়ে আর সঙ্গে থাকবে তাদের নতুন বন্ধু জুলিয়া। জুলিয়া চরিত্রটি সিসিমপুরে বিশেষ সংযোজন। তার মধ্যে আছে অটিজম বিষয়ক বৈশিষ্ট্য। সিসিমপুরে বাংলাদেশের অটিজমসম্পন্ন শিশুদের প্রতিনিধিত্ব করবে জুলিয়া।

ইউএসএআইডি/বাংলাদেশের আর্থিক সহযোগিতায় নির্মিত নতুন এই সিজনের স্লোগান- ছন্দে ছন্দে পনেরো এলো- সবাই মিলে এগোই চলো। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে সিজন-১৫ এর আনকোরা পর্বগুলো দেখা যাবে দুরন্ত টেলিভিশনের পর্দায়।

সবাইকে অন্তর্ভুক্তিকরণ এবং নিজের প্রতি যত্নশীল হওয়া- এই বিষয় দুটিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সাজানো হয়েছে সিসিমপুরের ১৫তম মৌসুম। এছাড়া মজার মজার গল্পের মাধ্যমে প্রাক-গণিত, প্রাক-পঠন, অটিজম, পুষ্টিকর খাবারের গুরুত্ব, বিশ্লেষণী চিন্তা-ভাবনা, জেন্ডার বিষয়ক প্রচলিত সংস্কারকে জয় করা এবং ভিন্ন ভিন্ন ভাবপ্রকাশের উপায়কে সম্মান দেখানোর মতো বিষয়গুলোকে তুলে ধরা হবে। থাকবে গণিত, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বিজ্ঞান নিয়ে দারুণ সব এনিমেশন। আর শিশুদের নিয়ে লাইভ এ্যাকশন ফিল্ম। এছাড়া ‘ইকরির সাথে বর্ণ চেনা’ এবং ‘টুকটুকির সাথে সংখ্যা চেনা’র প্রতিটি পর্বে  ইকরি একটি করে বর্ণ এবং টুকটুকি একটি করে সংখ্যা চেনাবে।


১৫তম সিজনের পর্বগুলো বর্ণনামূলক, ‘শিকুর বিজ্ঞানের জগৎ’ এবং ‘ইকরির সাথে খেলার সময়’ এই তিন ধরনের ফরমেটে তৈরি। এবারের পর্বগুলোতে সিসিমপুরের বন্ধু হালুম, টুকটুকি, ইকরি, শিকুর সাথে নতুন বন্ধু জুলিয়া ছাড়াও অংশ নিয়েছে আমিরা এবং শিকুর সহকারি বানর। এছাড়া থাকছে প্রতিবন্ধী, প্রান্তিক এবং আদিবাসী শিশুরাও। আর সিসিমপুরের নিয়মিত অন্যান্য চরিত্ররা তো থাকছেই। এই সিজনের একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য কিছু পর্বে ব্যবহার করা হয়েছে ইশারা ভাষা।

সিসিমপুরের সিজন-১৫ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত ও অনুষ্ঠানের সম্মানিত অতিথি ইউএসএআইডি’র মিশন ডিরেক্টর ক্যাথরিন ডেভিস স্টিভেন্স। রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ফিল্ম আর্কাইভ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত নতুন সিজনের উদ্বোধনী আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ড. উত্তম কুমার দাশ, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সদস্য ড. এ কে এম রিয়াজুল হাসান এবং সূচনা ফাউন্ডেশনের সিইওও ডা. সাকী খন্দকার। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন এশিয়াটিকের কো-চেয়ারম্যান সারা যাকের, বিটিভি’র পরিচালক জগদীশ এষ, মাছরাঙা টেলিভিশনের নির্বাহী পরিচালক অজয় কুমার কুণ্ডু এবং ‘ইউএসএআইডি সিসিমপুর’ প্রজেক্টের চিফ অফ পার্টি মোহাম্মদ শাহ আলম-সহ অনেক গুণীজন। সঙ্গে ছিল সিসিমপুরের বন্ধু বাহাদুর, ইকরি, শিকু, টুকটুকি, হালুম ও নতুন বন্ধু জুলিয়া।

ইউএসএআইডি’র আর্থিক সহযোগিতায় নির্মিত ‘সিসিমপুর’ ২০০৫ সাল থেকে প্রাক-প্রাথমিক শিশু বিকাশ কার্যক্রমের আওতায় ‘সর্বত্র শিশুরা হয়ে উঠুক আরও সম্পন্ন, আরও সবল এবং আরও সদয়’ এই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। সিসিমপুর অনুষ্ঠানটি সম্প্রচারে সহায়তা করছে ‘মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক কার্যক্রমে সহায়তা করছে ‘প্রথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়’।

;

নির্মাতা সাজ্জাদ হোসেন দোদুলের ‘বিরান প্রহর’



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম
সাজ্জাদ হোসেন

সাজ্জাদ হোসেন

  • Font increase
  • Font Decrease

নির্মাতা, নাট্যকার ও অভিনেতা সাজ্জাদ হোসেন দোদুল নতুন এক উপন্যাস পাঠকদের এবারের বইমেলায় উপহার দিতে যাচ্ছেন। নতুন এই উপন্যাসের নাম ‘বিরান প্রহর’।

তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন, দেশের অনেক নামী প্রকাশনা আমার কাছে বই চেয়েছেন। তবে আমি মিজান পাবলিশার্সকে উপন্যাসটি দেবার পেছনে একটি যুক্তি আছে। আমার বাবার বই বের হত এই প্রকাশনা থেকে। আর মিজান পাবলিশার্স এর কর্ণধার মিজানুর রহমান আমার কাছে অনেক বছর ধরে বই চেয়ে আসছেন এবং আবার বাবার লেখা বই এখান থেকে প্রকাশ হত। তাই এই পাবলিশার্সের নিকট একটা আবেগঘন জায়গা আছে আমার। তাই এখান থেকে উপন্যাসটি এবার প্রকাশ হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এটি একটি সাহসি উপন্যাস। প্রহর বিদ্রুপের উপন্যাস। অসাধারন প্রেমের উপন্যাস। ধ্রুব এষ এই উপন্যাসের প্রচ্ছদ করেছেন। আমি নিশ্চত উপন্যাসটি আপনার ভাবনার জগৎকে অবশ্যই স্পর্শ করবে !!! মিজান পাবলিশার্স প্যাভিলিয়ন ০৪ নাম্বারে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে মেলায় এই উপন্যাস পাঠকরা হাতে পাবেন। এবারের একুশে বইমেলায় এখান থেকে আরও একটি বই প্রকাশ হবে।

উল্লেখ্য, প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার মরহুম আমজাদ হোসেনের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন দোদুল। বাবার পথ ধরেই তিনি মিডিয়ায় এসেছেন। অভিনেতা হয়েছেন, নির্মাতা ও নাট্যকার হয়েছেন। তবে বাবার পথ ধরে মিডিয়ায় এলেও এক্ষেত্রে বাবার প্রভাবে তিনি প্রভাবান্বিত হননি। বরং তিনি নিজ মেধা, যোগ্যতা ও দক্ষতা দিয়ে স্বতন্ত্র হয়ে উঠেছেন। বহু বছর ধরেই তিনি মিডিয়ায় বিচরণ করছেন এবং বাবার পরিচয়কে ছাপিয়ে নিজের পরিচয়ে পরিচিত হয়ে উঠেছেন।

;