লড়াই শেষে না ফেরার দেশে ঐন্দ্রিলা



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম
না ফেরার দেশে চলে গেলেন ঐন্দ্রিলা

না ফেরার দেশে চলে গেলেন ঐন্দ্রিলা

  • Font increase
  • Font Decrease

দীর্ঘ লড়াইয়ের পর, সকলের প্রার্থনাকে বিফল করে চলে গেলেন 'জিয়ন কাঠি'-খ্যাত অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা। ১ নভেম্বর ব্রেন স্ট্রোক হয় অভিনেত্রীর। এরপরই তাঁকে হাওড়ার বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। করা হয় অপারেশনও। কিন্তু সংক্রমণ বাড়তে থাকায় তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়।

রোববার (২০ নভেম্বর) দুপুরে সবাইকে কাঁদিয়ে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। 

মাঝে কদিন সুস্থতার দিকে এগোলেও শেষ পর্যন্ত লড়াইটা হেরেই গেলেন 'ফাইটার' ঐন্দ্রিলা। গত বুধবার তাঁর কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয় পর পর দু'বার। মাঝে খবর ছড়িয়ে যায় যে তিনি আর নেই। তখন তাঁর বন্ধু সব্যসাচী জানান, এই খবর মিথ্যে। শুক্রবার তাঁর অবস্থার খানিক উন্নতি হলেও শনিবার ফের অ্যাটাক। ১০ বার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয় অভিনেত্রীর। এরপরই আর শেষ রক্ষা করা গেল না। 

কয়েক বছর আগেই বছর কুড়ির গণ্ডি পেরিয়েছিলেন ঐন্দ্রিলা, অথচ এই স্বল্প সময়ে কী ভীষণ লড়াই করে গেলেন। দেখিয়ে গেলেন বেঁচে থাকার লড়াই কাকে বলে। প্রথমে ২০১৫ সালে মারণ রোগ ক্যানসার থাবা বসায় তাঁর শরীরে। তারপর ২০২১ আরও একবার তিনি ক্যানসার আক্রান্ত হন। দুইবার ক্যানসারকে হারিয়ে, কেমোথেরাপি করিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠেন। কাজে ফেরেন। একাধিক ওয়েব সিরিজ, সিনেমায় অভিনয় করেন। কিন্তু তারপরই আচমকা তাঁর ব্রেন স্ট্রোক। সেখানেও লড়েছিলেন জি জান দিয়ে। তবে লড়াইটা তাঁর আর জেতা হল না।

'ঝুমুর' নামক একটি সিরিয়াল দিয়ে অভিনয় জগতে পা রাখেন ঐন্দ্রিলা। এই সিরিয়ালেই তাঁর বিপরীতে দেখা গিয়েছিল সব্যসাচী চৌধুরীকে। এই 'বামাখ্যাপা' সব্যসাচী চৌধুরীই শেষ দিন পর্যন্ত তাঁর পাশে থেকেছেন। ভালোবাসায়, যত্নে ভালো রাখার চেষ্টা করেছেন ঐন্দ্রিলাকে। ঐন্দ্রিলার সঙ্গে তিনিও লড়াই করছিলেন। 


সবটাই বিফল করে অন্য জীবনে পাড়ি দিলেন অভিনেত্রী। সকলের প্রার্থনাকে পিছনে ফেলে চলে গেলেন অমৃতলোকে।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২১ পাচ্ছেন যারা



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২০২১ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্তদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। চলচ্চিত্রের নানা শাখায় অবদানের জন্য ২৭টি বিভাগে পুরস্কার পাচ্ছেন ৩৪ জন। অভিনেত্রী ডলি জহুর ও অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চনকে এ বছর দেওয়া হবে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিজয়ীদের নাম প্রকাশ করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

এবারের আসরে যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়েছে ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’ ও ‘নোনাজলের কাব্য’। শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক হয়েছেন রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত (নোনাজলের কাব্য)। শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার জিতেছেন যৌথভাবে মো. সিয়াম আহমেদ (মৃধা বনাম মৃধা) ও মীর সাব্বির মাহমুদ (রাতজাগা ফুল)।

শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীও নির্বাচিত করা হয়েছে যৌথভাবে। তারা হলেন- আজমেরী হক বাঁধন (রেহানা মরিয়ম নূর) ও তাসনোভা তামান্না (নোনাজলের কাব্য)।

এবারের আসরে শ্রেষ্ঠ পরিচালক ও শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীসহ সাতটি পুরস্কার জিতে নিয়েছে ‘নোনাজলের কাব্য’ চলচ্চিত্রটি।

এছাড়া শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র আকা রেজা গালিব (ধর), শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র কাওসার চৌধুরী (বধ্যভ‚ মিতে একদিন), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পার্শ্ব চরিত্রে এম ফজলুর রহমান বাবু (নোনাজলের কাব্য), শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পার্শ্ব চরিত্রে শম্পা রেজা (পদ্মপুরাণ), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা খল চরিত্রে মো. আবদুল মান্নান জয়রাজ (লাল মোরগের ঝুঁটি), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা কৌতুক চরিত্রে প্রভাষ কুমার ভট্টাচার্য্য মিলন (মৃধা বনাম মৃধা)।

অন্যদিকে, শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী আফিয়া তাবাসসুম (রেহানা মরিয়ম নূর), শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক সুজেয় শ্যাম (যৈবতী কন্যার মন), শ্রেষ্ঠ গায়ক কেএম আবদুল্লাহ-আল-মুর্তজা মুহিন (শোনাতে এসেছি আজ-পদ্মপুরাণ), শ্রেষ্ঠ গায়িকা চন্দনা মজুমদার (দেখলে ছবি পাগল হবি-পদ্মপুরাণ), শ্রেষ্ঠ গীতিকার প্রয়াত গাজী মাজহারুল আনোয়ার (অন্তরে অন্তর জ্বালা-যৈবতী কন্যার মন), শ্রেষ্ঠ সুরকার সুজেয় শ্যাম (অন্তরে অন্তর জ্বালা-যৈবতী কন্যার মন), শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত (নোনাজলের কাব্য), শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার নূরুল আলম আতিক (লাল মোরগের ঝুঁটি), শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা তৌকীর আহমেদ (স্ফুলিঙ্গ), শ্রেষ্ঠ সম্পাদক সামির আহমেদ (লাল মোরগের ঝুঁটি), শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক শিহাব নূরুন নবী (নোনাজলের কাব্য), শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক দলগত-সৈয়দ কাশেফ শাহবাজি, সুমন কুমার সরকার, মাজহারুল ইসলাম রাজু (লাল মোরগের ঝুঁটি), শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক শৈব তালুকদার (রেহানা মরিয়ম নূর), শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা ইদিলা কাছরিন ফরিদ (নোনাজলের কাব্য)।

শ্রেষ্ঠ মেক-আপম্যান দলগত- মো. ফারুখ, মো. ফরহাদ রেজা মিলন (লাল মোরগের ঝুঁটি) ও শিশুশিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার পাচ্ছেন জান্নাতুল মাওয়া ঝিলিক (যা হারিয়ে যায়)।

;

শুটিংস্পটে দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি অভিনেত্রী আঁখি



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
অভিনেত্রী আঁখি

অভিনেত্রী আঁখি

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর মিরপুরে শুটিংস্পটে আগুনে দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী শারমিন আঁখি। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

শনিবার (২৮ জানুয়ারি) দগ্ধ হওয়ার পর ওইদিন সন্ধ্যায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারমিন আঁখি চিকিৎসা চলছে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে। অভিনেত্রীর শরীর ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে বলে জানা গেছে।

বার্ন ইনস্টিটিউটের প্রধান সমন্বয়কারী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, শ্বাসনালীসহ তার শরীরের ৩৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তবে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তার চিকিৎসা করছি।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আঁখির স্বামী নির্মাতা রাহাত কবির বলেন, সজলের সঙ্গে একটি টেলিফিল্মের শুটিং ছিল মিরপুর সাড়ে এগারোতে। দুপুরের দিকে আঁখি মেকআপ নিয়ে ওয়াশরুমে যায় চুল ঠিক করতে। হেয়ার স্টেটমেন্ট অন কিংবা অফ করতে গিয়ে এ ঘটনাটি ঘটে। পুলিশের ধারণা, কেউ বডি স্প্রে ব্যবহার করেছে ওটার গ্যাস থেকে বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটতে পারে।

রাহাত আরও বলেন, শুটিং হাউজটি সম্পূর্ণ নতুন। এটি এই হাউজের দ্বিতীয় কাজ। পেইন্টিংয়ের স্মেল থেকেও হতে পারে। তবে কেউ নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারছে না। বিস্ফোরণে বাথরুমের দরজা ভেঙে যায়। চিৎকার করে আঁখি বেরিয়ে আসে। ততক্ষণে দুই হাত, পা ও কপালের একাংশ, চুলসহ ৩৫ শতাংশ বার্ন হয়ে যায়।

গুরুতর কিছু আশঙ্কা করা যাচ্ছে কিনা তা এখনই বলা যাচ্ছে না জানিয়ে এই নির্মাতা বলেন, এখনই বলা যাচ্ছে না। ডাক্তার অনেকগুলো পরীক্ষা দিয়েছে। সেগুলোর ফলাফলের পর বলা যাবে পরিস্থিতি। হাসপাতালে প্রায় এক মাস থাকতে হবে। আর সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে প্রায় ১ বছর সময় লাগবে। সবার কাছে আঁখির জন্য দোয়া চাই।

;

‘কালপুরুষ’ চলচ্চিত্রে নিশো



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি : শ্রাবণ চৌধুরী

ছবি : শ্রাবণ চৌধুরী

  • Font increase
  • Font Decrease

আফরান নিশো সম্প্রতি নতুন এক চলচ্চিত্রে যুক্ত হয়েছেন। নাম ‘কালপুরুষ’ । এটি নির্মাণ করবেন সঞ্জয় সমাদ্দার।

সঞ্জয় সমাদ্দার বর্তমানে কলকাতার জিতকে নিয়ে ‘মানুষ’ সিনেমার শুটিং করছেন। কালপুরুষ চলচ্চিত্রে নায়ক হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন নাটকের জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো।

আফরান নিশো গণমাধ্যমকে জানান, সঞ্জয় সমাদ্দারের সঙ্গে বেশ কয়েকটি কাজ হয়েছে আমার। সেসব আলোচনায় এসেছে। এবার তার বানানো চলচ্চিত্রে করতে যাচ্ছি। এখন তিনি কলকাতার জিতের ছবির কাজ করছেন। আমিও কাইজার সিরিজের দ্বিতীয় পার্টের শুটিং করব। এরপরই কালপুরুষ এর শুটিং হবে। আশাকরি কালপুরুষ দারুণ একটি প্রজেক্ট হবে। কালপুরুষের চিত্রনাট্য এখন তৈরি হচ্ছে। বড় প্লাটফর্মের ছবি। তাই প্রস্তুতিরও ব্যাপার রয়েছে। তাই শুটিং শুরু করতে কিছুটা সময়ের ব্যাপার হতে পারে।

'কালপুরুষ' ছবির প্রযোজক হচ্ছেন টপি খান বললেন, ‘এখন ছবিটির চিত্রনাট্য উন্নয়নের কাজ চলছে। পাশাপাশি চলছে শিল্পী ও কলাকুশলী নির্বাচনের কাজ। তবে ইতোমধ্যে নিশোর সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন হয়ে গেছে।’

;

৩২ বছর পর কাশ্মিরের হলে জোয়ার নিয়ে এলো ‘পাঠান’



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গত চার বছর ধরে বড় পর্দায় অনুপস্থিত ছিলেন শাহরুখ খান। অ্যাকশনধর্মী “পাঠান” সিনেমার মাধ্যমে ২০২৩ সালের শুরুতেই রুপালি পর্দায় ফিরেছেন কিং খান। তবে “পাঠান” সিনেমা দিয়ে প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বলিউড বাদশাহ শুধু বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ভক্তদের প্রতীক্ষারই অবসান ঘটাননি, বরং জন্ম দিচ্ছেন নতুন নতুন কীর্তিরও।

বলিউডে গত তিন দশকে মুক্তি পাওয়া ছবির সংখ্যা কম না। কিন্তু গত ৩২ বছর ধরে ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের কোনো প্রেক্ষাগৃহে সিনেমার প্রদর্শনী চলার সময়ে বাইরে হাউজফুল নোটিশ দেখা যায়নি। তবে শাহরুখ খানের “পাঠান” সিনেমার বদৌলতে সেই দৃশ্যেরও সাক্ষী হয়েছেন অনেকে। এক প্রতিবেদনে এ কথা জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে।

মুক্তির আগে কিছুটা বিতর্কের মুখে পড়লেও সব প্রতিকূলতাকে পাশ কাটিয়ে অবশেষে মুক্তি পেয়েছে “পাঠান”। ভারতের ৭৪তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বুধবার (২৫ জানুয়ারি) প্রেক্ষাগৃহে শুরু হয় সিনেমাটির প্রদর্শনী। প্রদর্শনী শুরু হওয়ার পর দর্শক-সমালোচক দুই মহলেই দারুণ প্রশংসিত হয়েছে সিনেমাটি।

মুক্তির প্রথম দিন ভোর থেকেই সিনেমাটি দেখতে প্রেক্ষাগৃহের সামনে লম্বা লাইন দেখা গেছে গোটা ভারতজুড়ে। একই চিত্র দেখা গিয়েছে কাশ্মীরেও। বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) সিনেমাটির প্রদর্শনীর দ্বিতীয় দিনে কাশ্মীরের প্রধান শহর শ্রীনগরের আইনক্স মাল্টিপ্লেক্সে হাউজফুল বোর্ড ঝুলতে দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও পরে সেই ছবি পোস্ট করা হয়।


শাহরুখের অ্যাকশনধর্মী “পাঠান” সিনেমা যে কাশ্মীরের অনেক প্রেক্ষাগৃহের মালিকের মুখে হাসি ফিরিয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। এ কারণে বলিউড বাদশাহকেও ধন্যবাদ জানান অনেকে। টুইটারে বৃহস্পতিবার আইনক্স হল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়, “আজ পাঠান উন্মাদনা জাতিকে আঁকড়ে ধরেছে। ৩২ বছর পর কাশ্মীর উপত্যকায় মূল্যবান ‘হাউসফুল' সাইন ফিরিয়ে আনার জন্য কিং খানের কাছে কৃতজ্ঞ! ধন্যবাদ শাহরুখ খান।”

;