টাকা না থাকায় সালমানকে টি-শার্ট কিনে দেন সুনীল শেট্টি!



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
টাকা না থাকায় সালমানকে টি-শার্ট কিনে দেয় সুনীল শেট্টি!

টাকা না থাকায় সালমানকে টি-শার্ট কিনে দেয় সুনীল শেট্টি!

  • Font increase
  • Font Decrease

আইফার অ্যাওয়ার্ড ২০২২ এর মঞ্চে উপস্থাপনা করতে গিয়ে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন বলিউড ভাইজান সালমান খান। সালমান খান আইফার মঞ্চে তার ক্যারিয়ার গড়ে তোলা, সাফল্য ও জীবনের কঠিন সময়ে যারা পাশে ছিলেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানান।   

আবুধাবীতে আইফার মঞ্চে পুরনো এক অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন সালমান খান। সালমান বলেন, যখন তার দামি টি-শার্ট কেনার মত অর্থ ছিল না, সেই সময় সুনীল শেট্টি তাকে টি-শার্ট কিনে দিয়েছিলেন।

আইফার এক ভিডিও ক্লিপে রীতেশ দেশমুখকে দেখা যায় সালমানের দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিতে, ‘তোমার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত কী?’

এ প্রশ্নের জবাব এ অভিনেতা বলেন, ‘একটা সময় যখন আমার কাছে কোনও টাকা ছিল না, তখন একবার সুনীল শেট্টির জামাকাপড়ের দোকানে গিয়েছিলাম। খুব দামি দোকান, একটা টি-শার্ট বা একটা জিন্স কেনার থেকে বেশি টাকা সেইসময় আমার কাছে ছিল না। সুনীল বুঝেছিল আমার কাছে কোনও টাকা নেই। তাই ও আমাকে তখন একটা বেশ দামি স্টোন ওয়াশড টি-শার্ট উপহার দিয়েছিল। সঙ্গে দেখেছিল একটা মানিব্যাগের দিকেও আমার চোখ গিয়েছে।’

এব কথা বলার সময় জলে চোখ ভিজে ওঠে সালমানের। এগিয়ে যান মঞ্চের আরেকপাশে দাঁড়িয়ে থাকা সুনীল-পুত্র আহান শেট্টির দিকে। বলেন, ‘এরপর আমাকে বাড়ি নিয়ে যায় এবং ওই মানিব্যাগখানা দেয়।

ওইদিন সালমান জানান, তার ক্যারিয়ারে যখন ফ্লপ সিনেমার ছড়াছড়ি তখন তাকে টেনে তুলেন বনি কাপুর। বনি কাপুরকে সালমান তার ক্যারিয়ারের সাফল্যের কারিগড়ও বলেন। 

এ সময় এ বলিউড সুপারস্টার বনি কাপুরকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বনি কাপুর ওয়েন্টেড সিনেমায় সুযোগ দিয়ে আমাকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করেন। উনি আমাকে সব সময় সাহায্য করেছেন। যখন আমার ক্যারিয়ার ফ্লপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল, তখন তিনি আমাকে ওয়ান্টেড এর মতো ফিল্ম অফার করেন। যা সুপারহিট হয়। এরপর তিনি আমাকে আরও একটি সিনেমা ‘নো এন্ট্রি’তে সুযোগ দেন।

দাবাং খ্যাত এ অভিনেতা এদিন আরও একজনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি প্রযোজক রমেশ দৌরানি। ম্যায়নে পেয়ার কিয়ার সাফল্যের পরও আমি কোন সিনেমা পাচ্ছিলাম না। এ সময় পাত্থর কা ফুল সিনেমা তিনি আমাকে সই করেন।

চলতি মাসের শুরুতেই আবুধাবি শহরে আয়োজন করা হয় আইফা অ্যাওয়ার্ড ২০২২। আগামী রোববার (২৫ জুন) রাত ৮টায় কালার্স টিভিতে সম্প্রচারিত হবে অনুষ্ঠানটি।

সহযোগিতা পেলে ‘কাগজের ফুল’ নির্মাণ করতে চান ক্যাথরিন মাসুদ



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

তারেক মাসুদের অসমাপ্ত ‘কাগজের ফুল’ সিনেমাটির শুটিং শেষ করে মুক্তি দিতে চান ক্যাথরিন মাসুদ । চার বছর পর বাংলাদেশে এসে আবারও তিনি কথা বললেন ছবিটির প্রসঙ্গে। তিনি জানালেন, সহযোগিতা পেলে ‘কাগজের ফুল’ নির্মাণ করবেন। শুক্রবার (১২আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৫টায় কাঁটাবন পাঠক সমাবেশ কেন্দ্রে আয়োজিত চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদের ১১তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণ সভায় এমনটাই জানান তিনি।

২০১১ সালের ১৩ আগস্ট মানিকগঞ্জের জোকায় এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ, চিত্রগ্রাহক ও সাংবাদিক মিশুক মুনীরসহ আরও তিনজন চলচ্চিত্রকর্মী নিহত হন। সেদিন তারা ‘কাগজের ফুল’ ছবির লোকেশন দেখতে গিয়েছিলেন। ফিরলেন লাশ হয়ে। সেই রক্তমাখা ‘কাগজের ফুল’ সিনেমা নিয়ে জানতে চাইলে শুক্রবার সন্ধ্যায় তারেক মাসুদের জীবন ও চলচ্চিত্র সহযোদ্ধা ক্যাথরিন মাসুদ বলেন, ‘অনেকদিনের প্রশ্ন এটি, কাজ করা হবে কিনা। আমি আজও একই কথা বলবো। আসলে কাজটা তখন শুরুই হয়নি, আমরা শুধু স্ক্রিপ্টটা লিখেছিলাম। এরপর প্রি প্রোডাকশনের কাজ কিছুটা এগিয়েছি। আরও অনেক কাজ বাকি ছিলো। তখন যে বাজেট ছিলো তা আমাদের জন্য বিশাল পাহাড় মনে হয়েছে। আসলে এতো বড় বাজেটের সিনেমা বাংলাদেশে কীভাবে সম্ভব! বাংলাদেশে এখন চলচ্চিত্রে অনেক এগিয়েছে, ভালো ভালো কাজ হচ্ছে সব জায়গায়। এখন হয়তো একটা সম্ভাবনা আছে, কাজটা নতুন করে শুরু করার। আমারও ইচ্ছে আছে। যতদিন জগতে থাকি আমার শেষ ইচ্ছা এই কাজটি আমি সমাপ্ত করে যাবো।’

ক্যাথরিন যোগ করেন, ‘‘আসলে ২০১১ সালের ঘটনার পর বোঝা খুব কষ্টসাধ্য ছিলো যে, একজন মানুষের ওপর কতটা মানসিক চাপ যেতে পারে। আমি ভাবিনি মানুষ বুঝবে, তখন আমার হাতে এক বছরের বাচ্চা। আমার সাথে একজন সঙ্গী থাকলে কাজগুলো হয়তো করতে পারতাম। মিশুক মুনীর বেঁচে থাকলেও হতো। কিন্তু আমরা দুজনকেই হারালাম। আমরা তবুও স্বপ্ন দেখি ‘কাগজের ফুল’ নিয়ে। সহযোগিতা পেলে সিনেমাটি নির্মাণের ইচ্ছে আছে। ’’

স্মরণ অনুষ্ঠানে তারেক মাসুদের লেখা ‘চলচ্চিত্রযাত্রা’ গ্রন্থটি প্রকাশ হয়। বইটি প্রসঙ্গে ক্যাথরিন বলেন, ‘তাকে (তারেক মাসুদ) বুদ্ধিজীবী বলবো না। কারণ তিনি নিজের সম্পর্কে তা ব্যাবহার করতেন না। তাকে চলচ্চিত্র চিন্তাবিদ বলা যায়। তারেক নিজেকে চিন্তাবিদ নয়, দুশ্চিন্তাবিদ বলতো। সে বলতো যদি কখনও আমার লেখাগুলো সংকলন করে প্রকাশ হয়, আমি খুব খুশি হবো। তারেক মারা যাওয়ার পর আমার কিছু কাজের লিস্ট ছিলো কী কী করতে হবে তার জন্য। তার মধ্যে প্রথম ছিলো এই বইটি প্রকাশ করা। আমাদের ইচ্ছে ছিলো তারেকের এই বইয়ের মাধ্যমে বর্তমান মানুষের ভাবনাকে নাড়া দিতে পারে। তাদের কাজে তার চিন্তার প্রভাব রাখতে পারে, তাহলে হয়তো এগুলোর মধ্যে তাকে বাঁচিয়ে রাখা যাবে। সে ছিলো সিনেমার ফেরিওয়ালা, হাতে হাতে মানুষের কাছে তার চিন্তা-দর্শন পৌঁছে দিতো।’

ম্যুভিয়ানা ফিল্ম সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক চলচ্চিত্র নির্মাতা অদ্রি হৃদয়েশের সঞ্চালনায় এই আয়োজনে তারেক মাসুদ ও তার চলচ্চিত্র নিয়ে আলোচনা করেন প্রাবন্ধিক ও লেখক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম, নির্মাতা প্রসূন রহমান, সমালোচক মনিরা শরমিন প্রমুখ। আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন ম্যুভিয়ানা ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি নির্মাতা ও লেখক বেলায়াত হোসেন মামুন।

উল্লেখ্য, ম্যুভিয়ানা ফিল্ম সোসাইটি আয়োজিত এই সভার নাম রাখা হয় তারেক মাসুদ স্মরণ ও ‘চলচ্চিত্রযাত্রা’ গ্রন্থের পাঠ-পর্যালোচনা।

;

'চলো নিরালায়' গানটা নাভেদ ভাই গাওয়ান: অয়ন চাকলাদার



কামরুজ্জামান মিলু, কন্ট্রিবিউটিং করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
অয়ন চাকলাদার

অয়ন চাকলাদার

  • Font increase
  • Font Decrease

অয়ন চাকলাদার । সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে পরিচিতি রয়েছে তার। গায়ক হিসেবেও রয়েছে আলাদা পরিচিতি। রায়হান রাফী পরিচালিত ‘পরাণ’ ছবির প্রথম গান ‘চল নীরালায়’ উন্মুক্ত হবার পরই শ্রোতারা পছন্দ করেন। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন অয়ন চাকলাদার ও আতিয়া আনিসা। বার্তা২৪.কমের সঙ্গে সংগীত জীবনের নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন অয়ন চাকলাদার।

গানের ভুবনে কিভাবে আসা?

অয়ন চাকলাদার: ২০১১ সালে লেজার ভিশনের 'জেগে উঠো' শিরোনামের অ্যালবাম দিয়ে গানের জগতে আসা। ক্রিকেট বিশ্বকাপ উপলক্ষে ছিল আমার এই অ্যালবাম । নতুন সঙ্গীতে 'আমরা করবো জয়' গানটি গেয়েছিলাম আমি, ইভান ইভু এবং ইমরান ।

কোন সিনেমাযর গানে কাজ করছেন?

অয়ন চাকলাদার: একটা সিনেমাতেই অফিসিয়ালি গান গাওয়া হয়েছে। রিলিজও হয়েছে । সেটাকেই সবাই হিট বলছে । গানটা হচ্ছে হিট মুভি 'পরাণ' এর ‘চল নীরালায়’, যা আমি এবং আনিসা গেয়েছি । সুর-সংগীত করেছেন নাভেদ পারভেজ । লিখেছেন জনি হক। এছাড়া আরও কিছু সিনেমার গানের কথা চলছে কিন্তু খুব বেশী চূড়ান্ত হয় নাই।

'চলো নিরালায়' গানের প্রস্তুতি, গানের প্রস্তাব নিয়ে বলবেন কি?

অয়ন চাকলাদার: আমাকে গানটা নাভেদ পারভেজ ভাই গাওয়ান । তখনও জানতাম না এটা সিনেমার গান । গাওয়ার প্রায় মাস তিনেক পর রায়হান রাফি ভাই এবং নাভেদ ভাই আমাকে জানান যে গানটা ‘পরাণ’ মুভিতে যাবে । তারও প্রায় মাসখানেক পর গানটায় আনিসার ডুয়েট কন্ঠ নেয়া হয় ।

দেশে-বিদেশে আপনার প্রিয় শিল্পী কে?

অয়ন চাকলাদার: দেশে বাপ্পা মজুমদার, জেমস, আসিফ, কুমার বিশ্বজিৎ, হাসান, ন্যানসি, সাবিনা ইয়াসমিন প্রমুখ । বিদেশে সনু নিগাম, অরিজিত সিং, মাইকেল জ্যাক্সন, ফ্রেডি মার্কারি, চেস্টার বেনিংটন, মার্কো সারেসটো, ডোলোরিস ওরিওডন, শ্রেয়া ঘোষাল, শুভমিতা প্রমুখ ।

কে কে আছেন আপনার পরিবারে?

অয়ন চাকলাদার: বাবা মা ছোট ভাই । ছোট্ট পরিবার আমাদের। বাবা শাজাহান চাকলাদার দীর্ঘ সময় সিএ ফার্মের ম্যানেজার ছিলেন । মা মোর্শেদা ইয়াসমিন ‍গৃহিনী । আর ছোট ভাই অরিত্র চাকলাদার ইওডা চারুকলা থেকে পড়ে এখন গেইম ডিজাইনিং নিয়ে আছে ।

সামনে কি কি সিনেমার গান করবেন? পরিকল্পনা কি?

অয়ন চাকলাদার: আপাতত সামনের জন্য আর একটা সিনেমাতেই গান গেয়েছি । বদরুল আনাম সৌদ ভাই পরিচালিত 'শ্যামা কাব্য' । গানের শিরোনাম ‘পাখি যাও যাও ’। লিখেছেন সৌদ ভাই নিজেই । গেয়েছি আমি আর আনিসা । সুর সংগীত করেছেন ইমন সাহা দাদা । আর পরিকল্পনা বলতে যতদিন সুস্থ, স্বাভাবিক থাকি মিউজিক করতে চাই, গান গাইতে চাই।

;

অধরা খানের ‘বর্ডার’



কন্ট্রিবিউটিং এডিটর, বার্তা২৪.কম
অধরা খানের ‘বর্ডার’

অধরা খানের ‘বর্ডার’

  • Font increase
  • Font Decrease

সীমান্তবর্তী এলাকার কিছু মানুষের জীবনচক্র নিয়ে নির্মিত হয়েছে নতুন সিনেমা ‘বর্ডার’। এ সিনেমায় অভিনয় করেছেন অধরা খান। এটি মুক্তি পাবে ৯ সেপ্টেম্বর।

এর আগে প্রচারের অংশ হিসেবে প্রকাশ পেল সিনেমাটির ফার্স্ট লুক পোস্টার। অধরা খান পোস্টারটি শেয়ার করেছেন তার ফেসবুক ওয়ালে। অধরা লিখেছেন, ‘বর্ডার’ হলো দুই দেশের সীমানা। এই সীমানা দিয়ে বৈধভাবে পার হয় মানুষ, গরু ও নানান দ্রব্যাদি। তেমনই আবার মাদকসহ নানান দ্রব্যাদির চোরাচালানও হয়। এই চোরাচালানকে ঘিরে গড়ে ওঠে বেশ কিছু গ্যাং। তাদের মাঝে ঘটে নানান ঘাত, প্রতিঘাত ও সংঘাত। এমনই সীমান্তবর্তী এলাকার কিছু মানুষের জীবনচক্র নিয়ে আমাদের সিনেমা ‘বর্ডার’।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যায় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়ার ফেসবুক পেজ থেকে প্রকাশ করা হয় পোস্টারটি।আসাদ জামানের কাহিনিতে সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন সৈকত নাসির। এর বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন আশীষ খন্দকার, সুমন ফারুক, সাঞ্জু জন, অধরা খান, রাশেদ মামুন অপু, মৌমিতা মৌ, শাহিন মৃধাসহ অনেকে। প্রযোজনায়: ম্যাক্সিমাম এন্টারটেইনমেন্ট। পরিবেশনায় আছে জাজ মাল্টিমিডিয়া।

প্রসঙ্গত, এরই মধ্যে অধরা অভিনীত ‘নায়ক’, ‘মাতাল’, ‘পাগলের মতো ভালোবাসি’ সিনেমাগুলো মুক্তি পেয়েছে। এ ছাড়াও হাতে আছে ‘গিভ অ্যান্ড টেক’ ও ‘উন্মাদ’।

;

প্রথম দিনে বক্স অফিসে সাড়া ফেলেনি লাল সিং চাড্ডা!



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
আমির খান ও কারিনা কাপুর

আমির খান ও কারিনা কাপুর

  • Font increase
  • Font Decrease

বলিউড পারফেক্টশনিস্ট আমির খান। চার বছর পর পর্দায় ফিরেছেন। ‘ফরেস্ট গাম্প’-এর মতো কালজয়ী ছবিকে পর্দায় নিয়ে এসেছেন নিজের আঙ্গিকে। কোনও ত্রুটি রাখেননি ‘লাল সিং চাড্ডা’র প্রচারেও।

লাল সিং চাড্ডা বৃহস্পতিবার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। শুরু থেকেই অস্কারজয়ী হলিউড ছবির এই পুনর্নির্মাণ ঘিরে চলেছে নানাবিধ বিতর্ক। উঠেছে বয়কটের ডাক। এ সব কিছু সামলে প্রথম দিন কেমন ব্যবসা করল ছবিটি?

শুরুতেই বক্স অফিসে ছক্কা হাঁকাতে ব্যর্থ আমির খান এবং কারিনা কাপুর খান অভিনীত ‘লাল সিং চাড্ডা’। তবে বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে টিকিট বেশি বিক্রি হয়। মনে করা হচ্ছে, আগামী পাঁচ দিনে মেট্রো শহরগুলিতে ভালো ব্যবসা করবে ছবিটি। মুক্তির দিন সব মিলিয়ে ১০-১১ কোটি টাকা এসেছে ছবির ঝুলিতে।

চার বছর পর পর্দায় ফিরেছেন আমির। ‘ফরেস্ট গাম্প’-এর মতো কালজয়ী ছবিকে পর্দায় নিয়ে এসেছেন নিজের আঙ্গিকে। কোনও ত্রুটি রাখেননি ‘লাল সিং চাড্ডা’র প্রচারেও। কিন্তু বয়কটের ডাক, বিতর্ক ছাপিয়ে প্রথম দিনে খুব বেশি আয় করতে পারেনি ছবিটি। জানা যাচ্ছে, পিভিআর, আইনক্স এবং সিনেপলিসের মতো তিনটি চেন থেকে ৬.২৫ কোটি টাকা মতো এসেছে। বাকি পাঁচ কোটি মতো এসেছে দেশের অন্যান্য প্রেক্ষাগৃহগুলি থেকে। এই অবস্থায় ‘লাল সিং’ আদৌ ১০০ কোটি ছুঁতে পারবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।

আমিরের ছবির সঙ্গেই মুক্তি পেয়েছে অক্ষয় কুমারের ‘রক্ষা বন্ধন’। এই ছবির অবস্থায় বক্স অফিসে বিশেষ ভালো নয়। প্রথম দিন মাত্র ৭.৫০ কোটি থেকে ৮.৫০ কোটির ব্যবসা করেছে আনন্দ এল রাই পরিচালিত এই ছবি।

‘পুষ্পা’, ‘কেজিএফ’, ‘আরআরআর’-এর মতো দক্ষিণী ছবিগুলির ভিড়ে খানিক কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল বলিউড। বড় বাজেটের একাধিক হিন্দি ছবি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে। 'ভুল ভুলাইয়া ২' যদিও ব্যতিক্রম। কার্তিক আরিয়ান ছবিটি প্রায় ২০০ কোটির ব্যবসা করে।

;