অন্তর্জালেই কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব?



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম
কলকাতা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের পোস্টার

কলকাতা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের পোস্টার

  • Font increase
  • Font Decrease

কলকাতা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল মানেই শহরজুড়ে উৎসবের আমেজ। নন্দন, রবীন্দ্রসদনের পাশাপাশি উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার বেশ কয়েকটি সিনেমা হলে বাছাই করা ছবি দেখানো হয়।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে গত বছর কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব আয়োজিত হয়নি। পরবর্তীতে সংক্রমণের কথা মাথায় রেখে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে উৎসবটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়েছিল ভার্চুয়ালি।

তবে এবার জানানো হল, ২৭তম আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল শুরু হবে ২০২২ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে। চলবে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত।

কিন্তু উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিল্পীরা সশরীরে হাজির থাকবেন নাকি ফের ভার্চুয়ালের পথেই হাঁটবে রাজ্য, তা এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। যদিও আসন্ন ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব শারীরিক উপস্থিতির মধ্য দিয়েই অনুষ্ঠিত হবে।

১৯৯৫ সাল থেকে চলে আসছে এই উৎসব। সেই হিসাবে উৎসবটি এবার ২৭ বছরে পা দিচ্ছে। গত বছর উৎসবে যোগ দিয়েছিল দেশ–বিদেশের ৮১টি ছবি এবং ৫০টি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি। বাংলাদেশ থেকে যোগ দিয়েছিল রেজওয়ান শাহরিয়ারের ছবি ‘নোনা জলের কাব্য’।

‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’র মুক্তি, প্রিমিয়ার শো-তে তথ্যমন্ত্রী



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’র মুক্তি, প্রিমিয়ার শো’তে তথ্যমন্ত্রী

‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’র মুক্তি, প্রিমিয়ার শো’তে তথ্যমন্ত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

মুক্তি পেলো তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুদানে নির্মিত ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’ চলচ্চিত্র। বুধবার দুপুরে রাজধানীর পান্থপথে বসুন্ধরা বিপণন কেন্দ্রে স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটির প্রিমিয়ার শো উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নারী পথিকৃত চট্টগ্রামের প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারকে নিয়ে কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের উপন্যাস অবলম্বনে এ সিনেমার পরিচালক প্রদীপ ঘোষ, প্রীতিলতা চরিত্রের অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা, অভিনেতা মনোজ প্রামাণিক, শেখ শাকি প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পরিচালক প্রদীপ জানান, সিনেমাটি স্টার সিনেপ্লেক্সসহ সারাদেশে প্রথম ধাপে ১০টি হলে মুক্তি পাচ্ছে।

সম্প্রচারমন্ত্রী এ সময় সিনেমার শিল্পী-কলাকুশলীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ‘প্রীতিলতার চরিত্রে অভিনয় করেছে তিশা, তাকেও আমি অভিনন্দন জানাই, কারণ প্রীতিলতা একটি ঐতিহাসিক চরিত্র। প্রীতিলতা এ উপমহাদেশে আন্দোলন, সংগ্রাম, স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অফুরন্ত প্রেরণার উৎস। পরিচালক প্রদীপ ঘোষকেও অভিনন্দন জানাই।’

ড. হাছান তার কৈশোরের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘প্রীতিলতা এবং চট্টগ্রামের বিপ্লবী আন্দোলনের বইপত্রগুলো আমি কৈশোরে পড়েছি এবং প্রীতিলতা, সূর্যসেন ও তার বিপ্লবী আন্দোলনের সমস্ত সদস্য যারা ছিলেন এবং তাদের কর্মকাণ্ড সবকিছুর ওপর আমার এমন অনুরাগ জন্মে ছিল যে, সেই বয়সে স্বপ্ন দেখতাম- কিশোর বিপ্লবী হবো। সেই স্বপ্নের তাড়না থেকে পরবর্তীতে ছাত্র রাজনীতি এবং রাজনীতিতে যোগদান।’

মন্ত্রী বলেন, ‘প্রীতিলতা সূর্যসেনের বিপ্লবী আন্দোলনের একজন সদস্য ছিলেন। তার ওপর দায়িত্ব পড়েছিল চট্টগ্রামের ইউরোপীয়ান ক্লাবে আক্রমণ করা, যেখানে লেখা ছিল ‘ইন্ডিয়ানস এন্ড ডগস আর নট এলাউড’। ইউরোপীয়ানরা সেই ক্লাবে যেতো এবং শুধু তাদের প্রবেশাধিকার ছিল, কুকুর এবং ভারতীয়দের কোনো প্রবেশাধিকার ছিল না। সেখানে আক্রমণ করার দায়িত্ব পড়েছিল প্রীতিলতার ওপর। প্রীতিলতা পুরুষের বেশে সেখানে আক্রমণ করে ফিরে আসার সময় আহত হন এবং তখন পটাসিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মহত্যা করেন। আত্মহত্যা করার কারণ ছিল এই যে, প্রীতিলতা যদি ধরা পড়তো তাহলে তাকে নির্যাতন করে তাদের বিপ্লবী আন্দোলনের সমস্ত পরিকল্পনা ব্রিটিশরা জেনে যেতো। সেটি যাতে না হয়, সে জন্য তিনি নিজের জীবনটাই সঁপে দিয়েছেন। তার কাপড়ের ভেতর ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের আন্দোলনের ৩২ পৃষ্ঠার জবানবন্দি পাওয়া গিয়েছিল। এই যে কাহিনী এটি কোন গল্প নয়, এটি সত্য কাহিনী, সত্য ঘটনা।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এই সিনেমা তরুণ-তরুণীদের মধ্যে এবং বিশেষ করে যারা ইতিহাস জানতে চায়, যারা দেশকে ভালবাসতে চায়, ভালোবাসে, তাদের মধ্যে প্রেরণা যোগাবে। এই সিনেমা শুধু এখানে আগ্রহ তৈরি করেছে তা নয়, কিছু দিন আগে ভারতের ৩০ জন সাংবাদিক আমাদের দেশে এসেছিল তারা যখন শুনেছে, তারাও উন্মুখ হয়ে বসে আছে কখন ভারতে এই সিনেমাটা দেখাতে পারবে। আমি আপনাদের এই সিনেমাটা দেখার জন্য অনুরোধ জানাই।’

;

শুরু হচ্ছে সিসিমপুরের নতুন মৌসুম, সিজন-১৫



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শুরু হচ্ছে শিশুদের প্রিয় অনুষ্ঠান সিসিমপুরের নতুন মৌসুম, সিজন-১৫। নতুন এই মৌসুমে হালুম, টুকটুকি, ইকরি ও শিকু হাজির হবে নতুন নতুন সব গল্প নিয়ে আর সঙ্গে থাকবে তাদের নতুন বন্ধু জুলিয়া। জুলিয়া চরিত্রটি সিসিমপুরে বিশেষ সংযোজন। তার মধ্যে আছে অটিজম বিষয়ক বৈশিষ্ট্য। সিসিমপুরে বাংলাদেশের অটিজমসম্পন্ন শিশুদের প্রতিনিধিত্ব করবে জুলিয়া।

ইউএসএআইডি/বাংলাদেশের আর্থিক সহযোগিতায় নির্মিত নতুন এই সিজনের স্লোগান- ছন্দে ছন্দে পনেরো এলো- সবাই মিলে এগোই চলো। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে সিজন-১৫ এর আনকোরা পর্বগুলো দেখা যাবে দুরন্ত টেলিভিশনের পর্দায়।

সবাইকে অন্তর্ভুক্তিকরণ এবং নিজের প্রতি যত্নশীল হওয়া- এই বিষয় দুটিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সাজানো হয়েছে সিসিমপুরের ১৫তম মৌসুম। এছাড়া মজার মজার গল্পের মাধ্যমে প্রাক-গণিত, প্রাক-পঠন, অটিজম, পুষ্টিকর খাবারের গুরুত্ব, বিশ্লেষণী চিন্তা-ভাবনা, জেন্ডার বিষয়ক প্রচলিত সংস্কারকে জয় করা এবং ভিন্ন ভিন্ন ভাবপ্রকাশের উপায়কে সম্মান দেখানোর মতো বিষয়গুলোকে তুলে ধরা হবে। থাকবে গণিত, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বিজ্ঞান নিয়ে দারুণ সব এনিমেশন। আর শিশুদের নিয়ে লাইভ এ্যাকশন ফিল্ম। এছাড়া ‘ইকরির সাথে বর্ণ চেনা’ এবং ‘টুকটুকির সাথে সংখ্যা চেনা’র প্রতিটি পর্বে  ইকরি একটি করে বর্ণ এবং টুকটুকি একটি করে সংখ্যা চেনাবে।


১৫তম সিজনের পর্বগুলো বর্ণনামূলক, ‘শিকুর বিজ্ঞানের জগৎ’ এবং ‘ইকরির সাথে খেলার সময়’ এই তিন ধরনের ফরমেটে তৈরি। এবারের পর্বগুলোতে সিসিমপুরের বন্ধু হালুম, টুকটুকি, ইকরি, শিকুর সাথে নতুন বন্ধু জুলিয়া ছাড়াও অংশ নিয়েছে আমিরা এবং শিকুর সহকারি বানর। এছাড়া থাকছে প্রতিবন্ধী, প্রান্তিক এবং আদিবাসী শিশুরাও। আর সিসিমপুরের নিয়মিত অন্যান্য চরিত্ররা তো থাকছেই। এই সিজনের একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য কিছু পর্বে ব্যবহার করা হয়েছে ইশারা ভাষা।

সিসিমপুরের সিজন-১৫ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত ও অনুষ্ঠানের সম্মানিত অতিথি ইউএসএআইডি’র মিশন ডিরেক্টর ক্যাথরিন ডেভিস স্টিভেন্স। রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ফিল্ম আর্কাইভ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত নতুন সিজনের উদ্বোধনী আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ড. উত্তম কুমার দাশ, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সদস্য ড. এ কে এম রিয়াজুল হাসান এবং সূচনা ফাউন্ডেশনের সিইওও ডা. সাকী খন্দকার। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন এশিয়াটিকের কো-চেয়ারম্যান সারা যাকের, বিটিভি’র পরিচালক জগদীশ এষ, মাছরাঙা টেলিভিশনের নির্বাহী পরিচালক অজয় কুমার কুণ্ডু এবং ‘ইউএসএআইডি সিসিমপুর’ প্রজেক্টের চিফ অফ পার্টি মোহাম্মদ শাহ আলম-সহ অনেক গুণীজন। সঙ্গে ছিল সিসিমপুরের বন্ধু বাহাদুর, ইকরি, শিকু, টুকটুকি, হালুম ও নতুন বন্ধু জুলিয়া।

ইউএসএআইডি’র আর্থিক সহযোগিতায় নির্মিত ‘সিসিমপুর’ ২০০৫ সাল থেকে প্রাক-প্রাথমিক শিশু বিকাশ কার্যক্রমের আওতায় ‘সর্বত্র শিশুরা হয়ে উঠুক আরও সম্পন্ন, আরও সবল এবং আরও সদয়’ এই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। সিসিমপুর অনুষ্ঠানটি সম্প্রচারে সহায়তা করছে ‘মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক কার্যক্রমে সহায়তা করছে ‘প্রথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়’।

;

নির্মাতা সাজ্জাদ হোসেন দোদুলের ‘বিরান প্রহর’



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম
সাজ্জাদ হোসেন

সাজ্জাদ হোসেন

  • Font increase
  • Font Decrease

নির্মাতা, নাট্যকার ও অভিনেতা সাজ্জাদ হোসেন দোদুল নতুন এক উপন্যাস পাঠকদের এবারের বইমেলায় উপহার দিতে যাচ্ছেন। নতুন এই উপন্যাসের নাম ‘বিরান প্রহর’।

তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন, দেশের অনেক নামী প্রকাশনা আমার কাছে বই চেয়েছেন। তবে আমি মিজান পাবলিশার্সকে উপন্যাসটি দেবার পেছনে একটি যুক্তি আছে। আমার বাবার বই বের হত এই প্রকাশনা থেকে। আর মিজান পাবলিশার্স এর কর্ণধার মিজানুর রহমান আমার কাছে অনেক বছর ধরে বই চেয়ে আসছেন এবং আবার বাবার লেখা বই এখান থেকে প্রকাশ হত। তাই এই পাবলিশার্সের নিকট একটা আবেগঘন জায়গা আছে আমার। তাই এখান থেকে উপন্যাসটি এবার প্রকাশ হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এটি একটি সাহসি উপন্যাস। প্রহর বিদ্রুপের উপন্যাস। অসাধারন প্রেমের উপন্যাস। ধ্রুব এষ এই উপন্যাসের প্রচ্ছদ করেছেন। আমি নিশ্চত উপন্যাসটি আপনার ভাবনার জগৎকে অবশ্যই স্পর্শ করবে !!! মিজান পাবলিশার্স প্যাভিলিয়ন ০৪ নাম্বারে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে মেলায় এই উপন্যাস পাঠকরা হাতে পাবেন। এবারের একুশে বইমেলায় এখান থেকে আরও একটি বই প্রকাশ হবে।

উল্লেখ্য, প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার মরহুম আমজাদ হোসেনের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন দোদুল। বাবার পথ ধরেই তিনি মিডিয়ায় এসেছেন। অভিনেতা হয়েছেন, নির্মাতা ও নাট্যকার হয়েছেন। তবে বাবার পথ ধরে মিডিয়ায় এলেও এক্ষেত্রে বাবার প্রভাবে তিনি প্রভাবান্বিত হননি। বরং তিনি নিজ মেধা, যোগ্যতা ও দক্ষতা দিয়ে স্বতন্ত্র হয়ে উঠেছেন। বহু বছর ধরেই তিনি মিডিয়ায় বিচরণ করছেন এবং বাবার পরিচয়কে ছাপিয়ে নিজের পরিচয়ে পরিচিত হয়ে উঠেছেন।

;

খুলনায় মুক্তি পাচ্ছে সৈয়দা নিগার বানুর ‘নোনা পানি’



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম
খুলনায় মুক্তি পাচ্ছে সৈয়দা নিগার বানুর ‘নোনা পানি’

খুলনায় মুক্তি পাচ্ছে সৈয়দা নিগার বানুর ‘নোনা পানি’

  • Font increase
  • Font Decrease

খুলনার দক্ষিণাঞ্চলের একটি গ্রামের কয়েকটি চরিত্র নিয়ে গড়ে উঠেছে ‘নোনা পানি’ সিনেমাটি। কাহিনি বিন্যস্ত হয়েছে বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে তাদের দৈনন্দিন জীবন নিয়ে।নোনা পানি চলচ্চিত্রটির কাহিনি, চিত্রনাট্য ও পরিচালক সৈয়দা নিগার বানু। সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন নাসির উদ্দিন খান, জয়িতা, বিলকিস বানু, রুবেলসহ আরও একঝাঁক অভিনয়শিল্পী।

২ ঘণ্টা ৫ মিনিটের এই চলচ্চিত্রটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে ফেব্রুয়ারিতে। আর এ মুক্তি উপলক্ষে শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) খুলনায় একটি প্রিমিয়ার শোয়ের আয়োজন করা হয়েছে। বেঙ্গল ক্রিয়েশনস্ সহযোগিতায় সিনেমাটির প্রযোজক লুভা নাহিদ চৌধুরী।

মূলত গল্পে দেখা যাবে, সমগ্র চলচ্চিত্রটির মুড তার পরিবেশ-প্রতিবেশের টানাপোড়েনের সঙ্গে সামঞ্জস্য। জাল দিয়ে চিংড়ির রেণু ধরার মতো করে চলচ্চিত্র নোনা পানি ধরতে চায় চরিত্রগুলোর জীবনের বিভিন্ন টুকরোকে। এই সিনেমায় নেই তথাকথিত কোনো উপসংহার বরং প্রধান চরিত্রগুলোর নিত্যদিনের যাপিত জীবনের আত্মিক এবং বাহ্যিক ভগ্নাংশগুলোকে একত্রিত করে নাটকীয় ও সৃজনশীলভাবে উপস্থাপন করাই মূল উদ্দেশ্য। যাত্রাপালার মঞ্চায়ন সিনেমাটিকে ‘সিনেমার ভেতরে আরেকটি সিনেমা’র বৈশিষ্ট্য দিয়েছে। কিন্তু জীবন কোনো যাত্রাপালা নয়, বরং সিনেমাটি আমাদের দেখায়, জীবন তারচেয়েও বেশি কিছু।

সিনেমাটি নিয়ে নির্মাতা বলেন, ‘আমি তথাকথিত একটি চরিত্রকে কেন্দ্র করে, কোনো টান টান উত্তেজনাপূর্ণ গল্প দর্শককে বলতে চাইনি। আমি আসলে কোনো গল্পই বলতে চাইছি না। কারণ, গল্পের মতো মানুষের জীবন নয় বরং মানুষের জীবন গল্পের থেকেও বড়।’

;