বার কাউন্সিলের লিখিত পরীক্ষার ফল যে কোন দিন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্তির লিখিত পরীক্ষার ফলাফল যেকোনো দিন ঘোষণা হতে পারে। 

মঙ্গলবার (৪ মে)  অ্যাটর্নি জেনারেল ও বার কাউন্সিল চেয়ারম্যান এএম আমিন উদ্দিন এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘করোনায় চলমান লকডাউনের মাঝে কর্মী সঙ্কট থাকায় লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশে বিলম্ব হচ্ছে। পরীক্ষার সব খাতা জমা পড়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যেকোনো সময় ফল প্রকাশ করা হবে।’

পরীক্ষায় পাশের হার এবং দুই ধাপে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় খাতার মূল্যায়ন কীভাবে হয়েছে সে সম্পর্কে জানতে চাইলে আমিন উদ্দিন বলেন, ‘সেসব বিষয়ে এখনই মন্তব্য করা যাচ্ছে না। ফল প্রকাশের সময় বিস্তারিত জানানো হবে।’

২০১০ সাল পর্যন্ত বছরে দুটি পরীক্ষা নিত বার কাউন্সিল। তবে ২০১১ সালের পর থেকে আইনজীবীদের অন্তর্ভুক্তির পরীক্ষা তিন ধাপে (নৈর্ব্যক্তিক, লিখিত ও মৌখিক) অনুষ্ঠানের বিধান করা হয়। তবে পিছিয়ে পড়ে বছরে দুটি করে পরীক্ষা নেয়ার কার্যক্রম। ফলে ২০২১ সাল পর্যন্ত প্রায় ৭০ হাজার আইন শিক্ষার্থীর জট সৃষ্টি হয়।

এদিকে, পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে প্রায় ৩ বছর পর ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর প্রকাশিত হয় ফলাফল। তবে, একই বছরের মার্চে দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। তাতে থমকে যায় জনজীবন। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি কিছু সামলে ওঠার পর নৈর্ব্যক্তিকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে আইনজীবী সনদের দাবি জানান। কিন্তু সেই দাবি না মেনে গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর ১২ হাজার ৮৭৮ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

পরীক্ষা এবং প্রশ্নপত্র কঠিন হয়েছে দাবি করে রাজধানীর ৯টি কেন্দ্রের পাঁচটিতে বিশৃঙ্খলা, হল ভাংচুর ও উত্তরপত্র ছিনিয়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা ঘটে। পরে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন ক্ষতিগ্রস্ত কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দেন।

এরপর ওই ঘটনায় হওয়া একাধিক মামলায় অর্ধশতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ। এদিকে বিশৃঙ্খলতা সৃষ্টি হওয়া পাঁচটি কেন্দ্রের পরীক্ষা পুনরায় চলতি বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়।

গত ১৯ ডিসেম্বরের পরীক্ষায় বিশৃঙ্খলার ঘটনায় জড়িত বা উসকানি দেয়ার অভিযোগ এনে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন বার কাউন্সিল সচিব রফিকুল ইসলাম। সেসব নোটিশের জবাবে বার কাউন্সিলের অভিযোগ সুনির্দিষ্ট নয় বলেও জবাব দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

পাঠ্যবইয়ে ভুল সংশোধনে দুটি কমিটি গঠন



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে ভুল-ভ্রান্তি, তথ্য বিকৃতি ও ধর্মীয় উস্কানি সংশোধনসহ জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে উচ্চপর্যায়ের দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সম্পৃক্ত থাকবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে ভুল-ভ্রান্তি সংশোধন সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।

আগামী রোববারের মধ্যে এ দুই কমিটির বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরা হবে বলেও জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পাঠ্যবইয়ের যে ভুলগুলো চিহ্নিত হচ্ছে সেটা খুব ইতিবাচক ভাবেই দেখছি। এ ভুলগুলো শনাক্ত করতে আমরা দুটি কমিটি করছি। একটি কমিটিতে আমাদের বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞরা থাকবেন। একই সঙ্গে পাঠ্যবই সংশোধনীতে একটি অনলাইন ফর্ম সরবরাহ করবে মন্ত্রণালয়। এ ফর্মে বিষয়ভিত্তিক বইগুলোর ভুল বা অসংগতি সম্পর্কে দেশ এবং দেশের বাইরে থেকে অবহিত করার সুযোগ থাকবে। বিশেষজ্ঞরা নতুন করে সব বই পর্যালোচনা করবেন। বইয়ের মধ্যে যেসব ভুল চিহ্নিত হবে সেগুলো আমলে নিয়ে বিশেষজ্ঞরা সমাধান করবেন। সেসব সংশোধনী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

অন্য কমিটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিনিধি, দুই মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, এনসিটিবির প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠন করা হবে। পাঠ্যবইয়ে ভুল-ত্রুটি ও বিতর্ক উঠা বিষয়গুলো কেউ ইচ্ছাকৃত যুক্ত করেছেন কি না তা খতিয়ে দেখা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সারাবিশ্বে কাগজ ও বিদ্যুতের সংকট থাকার পরও আমরা ১ জানুয়ারি পাঠ্যবই বিতরণ কার্যক্রম অব্যহত রেখেছি। পাঠ্যপুস্তক কেন্দ্র করে যেন কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখারও আহ্বান জানান।

;

স্থায়ী ক্যাম্পাসে না যাওয়া ৪ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বন্ধ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে না যাওয়ায় চার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এছাড়া স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তরে ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়কে তিন মাস এবং ছয়টিকে নতুন করে ছয় মাসের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

তবে বাড়ানো এই সময়ের মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে না গেলে শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধসহ কঠোর ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউজিসি।

সোমবার (২ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ জানান, নির্ধারিত সময়ে স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়ার শর্ত পূরণ না হওয়ায় আইনের বিধান অনুযায়ী চার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যায়ের ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তারা নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না। চলতি মাস থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। এর আগে গতকাল রবিবার ইউজিসির এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

এদিকে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ হওয়ার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চার বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ। তাদের ভাষ্য, নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ হলে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা অসম্ভব হয়ে পড়বে।

তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে ভর্তি কার্যক্রমের জন্য সাত বছরের অনুমতি দেয়া হয়। এরপর তা সর্বোচ্চ আরও পাঁচ বছর বৃদ্ধি করা যায়। এই ১২ বছরের মধ্যে তাদের স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে হয়। যারা স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে পারেনি বা ব্যর্থ হয়েছে শিক্ষা কার্যক্রমসহ সব কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। এটা আইনে স্পষ্ট লেখা আছে।

যে চার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না সেগুলো হলো- স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটি ও ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।

এছাড়া স্থায়ী ক্যাম্পাস ছাড়া শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।

২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাস স্থাপনে পিছিয়ে থাকা তালিকাভুক্ত ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ১২টি প্রতিষ্ঠানের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে। কারও ইন্ট্রেরিয়ার ডিজাইন, কারও বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ, কারও আসবাবপত্র কেনা বাকি রয়েছে।

এমন ১২টি বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন করে তিন থেকে ছয়মাস পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে তাদের একাডেমি ও প্রশাসনিক সব কার্যক্রম স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তর করতে নির্দেশনা দেওয়া হবে। না গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে ইউজিসি।

তিনমাস সময় বাড়ানো হয়েছে এমন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো- ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, রয়্যাল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা, সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি, সিটি ইউনিভার্সিটি, দ্য মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস।

আর ৬ মাস সময় পেয়েছে এমন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো- ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ (ইউডা), গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, উত্তরা ইউনিভার্সিটি, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি, দ্য পিপলস ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।

;

৪৪তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার আসনবিন্যাস প্রকাশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ৪৪তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা। সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) তাদের ওয়েবসাইটে আসনবিন্যাস প্রকাশ করেছে।

পিএসসি জানিয়েছে, লিখিত পরীক্ষার জন্য নতুন করে প্রবেশপত্র ইস্যু করা হবে না। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রবেশপত্র লিখিত পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত হবে। পরীক্ষাকেন্দ্রে সেলফোন, হাতঘড়ি, পকেটঘড়ি, ইলেকট্রিক ঘড়ি, বইপুস্তক, ক্যালকুলেটর, সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্যাংক বা ক্রেডিট কার্ড সদৃশ কোনো ডিভাইস, গয়না, ব্রেসলেট ও ব্যাগ আনা সম্পূর্ণ নিষেধ। নিষিদ্ধ সামগ্রীসহ কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষার হলে ঢুকতে পারবেন না। লিখিত পরীক্ষা শুরুর ১৫ মিনিট পর কোনো প্রার্থীকে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

৪৪তম বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) থেকে শুরু হয়ে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ কেন্দ্রে একযোগে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এর মধ্যে ঢাকায় ৮টি ও বাকি বিভাগগুলোয় ১টি করে কেন্দ্রে আবশ্যিক বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে। কারিগরি বা পেশাগত ক্যাডারের পদ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা ৮ জানুয়ারি শুরু হবে। চলবে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত। পদ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা ঢাকায় দুটি ও বাকি বিভাগগুলোয় একটি করে কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

;

মাদরাসায় জাতীয় সংগীত গাইতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের সব মাদরাসায় জাতীয় সংগীত গাইতে হবে এবং জাতীয় পতাকাকে সম্মান জানাতে হবে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, জাতীয় পতাকা আর জাতীয় সংগীত বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রতীক। জাতীয় পতাকাকে সম্মান করার অর্থ বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে সম্মান করা, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করা।

মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) নাটোরের অনিমা চৌধুরী মিলনায়তনে বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতায় যারা বিশ্বাসী, যারা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করতে চান, তাদের অবশ্যই জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান জানাতে হবে এবং জাতীয় সংগীত গাইতে হবে।

কিছু মাদরাসায় জাতীয় সংগীত গাওয়ানো হয় না উল্লেখ করে ডা. দীপু মনি বলেন, এতে শিক্ষার্থীরা দেশকে শ্রদ্ধা করতে শেখে না, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা করতে শেখে না। এ ছাড়া এতে রাষ্ট্রীয় আইনও অমান্য করা হয়। তাই নতুন প্রজন্মের মধ্যে এই চেতনাবোধ জাগ্রত করা প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব।

কোনো মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যদি এ ধরনের নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে শিক্ষার্থীদের জাতীয় পতাকাকে সম্মান করতে না শেখায় বা জাতীয় সংগীত না গাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী।

;