ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামে সোনা, ভরি ৮৭,২৪৭ টাকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের বাজারে সোনার দাম আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে। এবার ভরিতে সোনার দাম সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৩৩ টাকা বাড়ছে। তাতে ভালো মানের, অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়াবে ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকায়। এই দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। নতুন এই দর রোববার (৪ ডিসেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এ দাম বাড়ানো হয়েছে। 

নতুন দর অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের ১ ভরি সোনার অলংকার কিনতে লাগবে ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের সোনার দাম ভরিপ্রতি নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৩ হাজার ২৮১ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি পড়বে ৭১ হাজার ৩৮৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৯ হাজার ৪৮৬ টাকা।

সোনার দাম বাড়ালেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রেখেছে জুয়েলার্স সমিতি। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৯৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

  • Font increase
  • Font Decrease

১০ হাজার কোটি টাকার রফতানি সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন তহবিলে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে শরী‘আহ ভিত্তিক ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের উপস্থিতিতে ইউনিয়ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এ. বি. এম. মোকাম্মেল হক চৌধুরী এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং রেগুলেশন এন্ড পলিসি বিভাগের (বিআরপিডি) পরিচালক মাকসুদা বেগম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

;

১৮ দিনের ব্যবধানে আবারও বাড়লো বিদ্যুতের দাম



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

১৮ দিনের ব্যবধানে আবারও বাড়লো বিদ্যুতের দাম। এবার নির্বাহী আদেশে গ্রাহকের পাশাপাশি পাইকারি পর্যায়েও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। বাড়তি দর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

এ দফায় গ্রাহক পর্যায়ে ৫ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে ৮ শতাংশ দাম বাড়িয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এভাবে ঘন ঘন বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘটনা নজিরবিহীন। মাত্র ১৮ দিন আগে ১২ জানুয়ারি গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ৫ শতাংশ বাড়ানো হয়। অন্যদিকে বিইআরসি সর্বশেষ গত ২১ নভেম্বর বিদ্যুতের পাইকারি দাম বাড়িয়েছিল। তখন ইউনিট প্রতি ৫.১৭ টাকা থেকে গড়ে ১৯.৯২ শতাংশ বাড়িয়ে ৬.২০ টাকা করা হয়।

নির্বাহী ক্ষমতায় দেওয়া আদেশে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের পাইকারি দর ২৩০ কেভিতে ৮.১০ টাকা, ১৩২ কেভিতে ৮.১৩ টাকা এবং ৩৩ কেভিতে ৫.৮৯ টাকা করা হয়েছে। ২৩০ ও ১৩২ কেভিতে অভিন্ন দর নির্ধারণ করা হলেও ৩৩ কেভিতে ভিন্ন ভিন্ন ধরা হয়েছে। ডিপিডিসির ৩৩ কেভিতে ৮.২২ টাকা, ডেসকো ৮.২৪ টাকা, ওজোপাডিকো ৭.১২ টাকা এবং নেসকোতে ৬.৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিগত তিন সপ্তাহে তিন দফায় গ্যাস বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘটনা ঘটলো, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল। আগে কখনই এতো কম সময়ের মধ্যে দফায় দফায় দাম বাড়েনি। এতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

অন্যদিকে সবচেয়ে কম বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী লাইফ লাইন (৫০ ইউনিট ব্যবহারকারী) গ্রাহকদের বিদ্যুতের দাম এর আগে ১৯ পয়সা বাড়িয়ে ৩.৯৪ টাকা করা হয়েছিল। এবার আরও ২০ পয়সা বাড়িয়ে ৪.১৪ টাকা করা হয়েছে। প্রথমধাপে ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীর বিদ্যমান দর ৪.৪০ টাকা বাড়িয়ে ৪.৬২ টাকা, দ্বিতীয় ধাপে ৭৬-২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যমান দর ৬.০১ বাড়য়ে ৬.৩১ টাকা, ২০১-৩০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যমান দর ৬.৩০ টাকা বাড়িয়ে ৬.৬২ টাকা ৩০১-৪০০ ইউনিটের বিদ্যমান দর ৬.৬৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬.৯৯ টাকা, ৪০১-৬০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যমান দর ১০.৪৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০.৯৬ টাকা, সর্বশেষ ধাপ ৬০০ ইউনিটের ঊর্ধ্বে ব্যবহারকারীদের বিদ্যমান দর ১২.০৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২.৬৩ টাকা করা হয়েছে।

কৃষি সেচে গত ১২ ডিসেম্বর ২১ পয়সা বাড়িয়ে ৪.৩৭ টাকা করা হয়েছিল, এবার আরও ২২ পয়সা বাড়িয়ে ৪.৫৯ টাকা করা হয়েছে। শিক্ষা, ধর্মীয়, দাতব্য প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালে ৬.৩২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬.৬৪ টাকা, রাস্তার বাতি ও পানির পাম্পে ৮.০৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮.৪৯ টাকা, বাণিজ্যিক ও অফিসের বর্তমান দর ফ্ল্যাট রেটে ১০.৮২ টাকা বাড়িয়ে ১১.৩৬ টাকা, অফ-পীকে ৯,৭৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০.২২ টাকা পীকে ১২.৯৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩.৬৩ টাকা করা হয়েছে। ক্ষুদ্র শিল্পে ( নিম্নচাপ) ফ্ল্যাট রেটে ৯.৪১ টাকা, অফপীকে ৮.৪৬ টাকা, পীকে ১১.২৯ টাকা দর ধরা হয়েছে।

মধ্যমচাপে শিল্প গ্রাহকদের ফ্ল্যাট রেটে ৯.৪৩ টাকা, অফ পীকে ৮.৪৯ টাকা, পীকে ১১.৭৮ টাকা করা হয়েছে। উচ্চচাপ (৩৩ কেভি) গ্রাহকদের ফ্ল্যাট রেটে ৮.৮৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯.৩১ টাকা, অফ-পীকে ৭.৯৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮.৩৯ টাকা এবং পীকে ১১.০৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১.৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) পাইকারি দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবের উপর গত ১৮ মে গণশুনানি গ্রহণ করে বিইআরসি। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) বর্তমান দর ইউনিট প্রতি ৫.১৭ টাকা থেকে ৬৬ শতাংশ বাড়িয়ে ৮.৫৮ টাকা করার আবেদন করেছিল। বিপিডিবির পাইকারি দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবে বলেছিল, চাহিদা মতো গ্যাস সরবরাহ না পাওয়ায় তেল দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে গিয়ে খরচ বেড়ে গেছে। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে বিদ্যুতে গড় উৎপাদন খরচ ছিল ২.১৩ টাকা, ২০২০-২১ অর্থ বছরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.১৬ টাকায়। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, কয়লার মুসক বৃদ্ধির কারণে ২০২২ সালে ইউনিট প্রতি উৎপাদন খরচ দাঁড়াবে ৪.২৪ টাকায়। পাইকারি দাম না বাড়লে ২০২২ সালে ৩০ হাজার ২৫১ কোটি ৮০ লাখ টাকা লোকসান হবে। ওই শুনানির পর ১৯.৯২ শতাংশ পাইকারি দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়।

 

;

২৭ দিনে রেমিট্যান্স এল ১৬৭ কোটি ডলার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২০২৩ সালের শুরুতে রেমিট্যান্সের পালে ইতিবাচক হাওয়া লেগেছে। চলতি জানুয়ারির প্রথম ২৭ দিনে ১৬৭ কোটি লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে চলমান বছরের প্রথম মাস শেষে রেমিট্যান্স ১৭০ কোটি ডলার অতিক্রম করবে। গত বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে তা এসেছিল ১৬৯ কোটি ৯৭ লাখ ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, জানুয়ারির ২৭ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২২ কোটি ৬ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ কোটি ৮৯ লাখ মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৪০ কোটি ৫২ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৮ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

রেমিট্যান্স আহরণ নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রকাশিত সাপ্তাহিক রিপোর্টে দেখা যায়, ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশে ২০৯ কোটি ৬৩ লাখ ডলার প্রবাসী আয় আসে। পরের মাসে কিছুটা কমে দাঁড়ায় ২০৩ কোটি ৬৯ লাখ ডলারে। সেপ্টেম্বরে মাসের ব্যবধানে এক লাফে ৫০ কোটি ডলার কম আসে। ওই মাসে প্রবাসী আয় ছিল ১৫৩ কোটি ৯৬ লাখ ডলার।

অক্টোবরে আরেক দফা নিম্মমুখী হয়ে রেমিট্যান্স আসে ১৫২ কোটি ৫৫ লাখ ডলার। তবে নভেম্বরে আবার ঊর্ধ্বমুখী হতে থাকে প্রবাসীদের আয়ের অঙ্ক। সেই মাসে তা আসে ১৫৯ কোটি ৫২ লাখ ডলার। আর বিদায়ী বছরের শেষ মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৬৯ কোটি ৯৬ লাখ ডলার।

বিদায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ ডলার। এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠান ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ ডলার।

দেশে ডলার সংকট বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সবশেষ ২৫ জানুয়ারি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩২ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে হিসাব করলে তা আরও কম।

সেই হিসাবে এখন প্রকৃত রিজার্ভ সাড়ে ২৪ বিলিয়ন ডলার। গত ৮ বছরের মধ্যে যা সর্বনিম্ন। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বিদেশি মুদ্রার সঞ্চায়ন ছিল ২৫ বিলিয়ন ডলার।

;

রিজার্ভ থেকে আপাতত আর কোনো ফান্ড গঠন করা হবে না: গভর্নর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে আপাতত আর কোনো ফান্ড গঠন করা হবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার।ইডিএফ ফান্ড থেকে দেওয়া অর্থ সমন্বয় করে এর আকার ধীরে ধীরে কমানো হবে বলেও জানান তিনি।

এরই মধ্যে ইডিএফে ১ বিলিয়ন ডলার সমন্বয় হয়েছে বলে জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের রফতানি সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন তহবিল বিষয়ক একটি চুক্তি সম্পাদন অনুষ্ঠানে গভর্নর এসব কথা বলেন।

রফতানিমুখী শিল্পের বিকাশ ও প্রসারের চলমান ধারা অব্যাহত রাখতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ তহবিল থেকে প্রাক-অর্থায়ন সুবিধা দেওয়া হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে ‘রফতানি সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন তহবিলে’ অংশগ্রহণকারী ৪৯টি তফসিলি ব্যাংকের অংশগ্রহণ চুক্তি হয়েছে।

গভর্নর বলেন, কোভিড-১৯ বা করোনা মহামারি পরবর্তী অর্থনৈতিক অভিঘাত ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে বিরূপ অবস্থা বিরাজ করছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে দেশের রফতানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহকে অধিকতর অভিঘাত সহনশীল করার পাশাপাশি এ খাতের বিকাশ ও প্রসারের চলমান ধারা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্পূর্ণ অর্থায়নে ১০ হাজার কোটি টাকার একটি রফতানি সহায়ক ‘প্রাক-অর্থায়ন তহবিল’ গঠন করা হয়।

এই সুদের মেয়াদ হবে ১৮০ দিন ও ব্যাংক পর্যায়ে সুদহার হবে ১ দশমিক ৫ শতাংশ।

এ অনুষ্ঠানে ডেপুটি গভর্নর আবু ফরাহ মো. নাছের স্বাগত বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যে তিনি নতুন এই তহবিলের বৈশিষ্ট্য ও সুবিধার বিস্তারিত তুলে ধরেন।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো. আফজাল করিম এবং অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও সেলিম আর এফ হোসেন তহবিলটি যথাযথভাবে বাস্তবায়নের আশা প্রকাশ করেন।

;