‘স্বপ্ন’ এখন কুড়িগ্রামের কলেজ রোডে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
‘স্বপ্ন’ এখন কুড়িগ্রামের কলেজ রোডে

‘স্বপ্ন’ এখন কুড়িগ্রামের কলেজ রোডে

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের বৃহত্তম রিটেইল চেইন শপ স্বপ্ন এখন কুড়িগ্রামের কলেজ রোডে। বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১২ টায় নতুন এই আউটলেটের উদ্বোধন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যান জেলা পরিষদ, কুড়িগ্রাম এবং সাবেক এমপি কুড়িগ্রাম-২ এর মোঃ জাফর আলী, ফ্রাঞ্চাইজি পার্টনার সাজ্জাদ, রংপুর জোনের জোনাল ম্যানেজার অব অপারেশন মোঃ শাহ নেওয়াজ মজুমদার রনি, আউলেট ম্যানেজার নিয়াজ মাহমুদ, এক্সিকিউটিভ ফ্রাঞ্চাইজি এক্সপেনশন মোঃ রবিউল ইসলামসহ অনেকে। এটি স্বপ্নের ২৪৬তম আউটলেট।

স্বপ্নের নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির বলেন, ‘স্বপ্ন’ এখন দেশের ৪২টি জেলায়। কুড়িগ্রামের কলেজ রোডে আমাদের সেবার পরিসর আরও বিস্তৃত হবে। আশা করছি, স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ পরিবেশে গ্রাহকরা স্বপ্নের এ আউটলেট থেকে নিয়মিত বাজারের সুযোগ পাবেন।

স্বপ্নের অপারেশন্স ডিরেক্টর আবু নাছের জানান, নতুন এ আউটলেটে থাকছে মাসব্যাপী নানা অফার ও হোম ডেলিভারি সেবা।

নতুন আউটলেটের ঠিকানা: স্বপ্ন কুড়িগ্রাম আউটলেট, পুরাতন রেজিষ্ট্রি পাড়া, কলেজ রোড, (শিশু নিকেতন স্কুলের বিপরীতে) কুড়িগ্রাম।

আজ থেকে সোনার ভরি ৮৭,২৪৭ টাকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের বাজারে ভালো মানের, অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনা কিনতে ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকা লাগবে। এই দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। নতুন এই দর রোববার (৪ ডিসেম্বর) থেকে কার্যকর হচ্ছে।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এ দাম বাড়ানো হয়েছে।

নতুন দর অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের ১ ভরি সোনার অলংকার কিনতে লাগবে ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের সোনার দাম ভরিপ্রতি নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৩ হাজার ২৮১ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি পড়বে ৭১ হাজার ৩৮৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৯ হাজার ৪৮৬ টাকা।

সোনার দাম বাড়ালেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রেখেছে জুয়েলার্স সমিতি। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৯৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

;

ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামে সোনা, ভরি ৮৭,২৪৭ টাকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের বাজারে সোনার দাম আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে। এবার ভরিতে সোনার দাম সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৩৩ টাকা বাড়ছে। তাতে ভালো মানের, অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়াবে ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকায়। এই দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। নতুন এই দর রোববার (৪ ডিসেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এ দাম বাড়ানো হয়েছে। 

নতুন দর অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের ১ ভরি সোনার অলংকার কিনতে লাগবে ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের সোনার দাম ভরিপ্রতি নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৩ হাজার ২৮১ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি পড়বে ৭১ হাজার ৩৮৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৯ হাজার ৪৮৬ টাকা।

সোনার দাম বাড়ালেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রেখেছে জুয়েলার্স সমিতি। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৯৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

;

আইসিএমএবি বেস্ট করপোরেট অ্যাওয়ার্ড পেলো ওয়ালটন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
আইসিএমএবি বেস্ট করপোরেট অ্যাওয়ার্ড পেলো ওয়ালটন

আইসিএমএবি বেস্ট করপোরেট অ্যাওয়ার্ড পেলো ওয়ালটন

  • Font increase
  • Font Decrease

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি অর্জন করেছে ‘বেস্ট করপোরেট অ্যাওয়ার্ড ২০২১’। ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) এর কাছ থেকে এই গোল্ড অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে বাংলাদেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে মার্কেট ক্যাপিটাইলাইজেশন, কর্পোরেট সুশাসন, তথ্যের গ্রহণযোগ্যতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতাসহ বেশকিছু মানদ- বিবেচনায় নিয়ে ওয়ালটনকে এই পুরস্কার দেয়া হয়। ২৮টি ক্রাইটেরিয়া ও ১৭টি ক্যাটাগরিতে ওয়ালটন ছাড়াও আরও ৬৪ কোম্পানিকে ব্রোঞ্জ, সিলভার ও গোল্ড অ্যাওয়ার্ড দিয়েছে আইসিএমএবি।

গত বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিদের হাতে অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে গোল্ড অ্যাওয়ার্ডের ট্রফি গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি.’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও গোলাম মুর্শেদ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম এবং ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের কোম্পানি সচিব ও সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. রফিকুল ইসলাম এবং চিফ রিস্ক অফিসার ও ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আরিফুল হক।

পুরস্কারপ্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও গোলাম মুর্শেদ বলেন, “বেস্ট করপোরেট অ্যাওয়ার্ডের গোল্ড ট্রফি প্রদানের মাধ্যমে আইসিএমএবি ওয়ালটনকে দেশের সেরা ইলেকট্রনিক্স ম্যানুফ্যাকচারার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার অর্জন করায় ওয়ালটন টিমের সদস্যরা আরো বেশি অনুপ্রাণিত হবেন। ওয়ালটনের সকল বিনিয়োগকারী, পরিচালনা পর্ষদ এবং গ্রাহক, যারা আমাদের উপর বিশ্বাস ও আস্থা রেখেছেন, তাদেরকে এই অ্যাওয়ার্ড উৎসর্গ করছি।”

;

ইউরোপে পোশাক রফতানি প্রবৃদ্ধির শীর্ষে বাংলাদেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ ২০২১ সালে বৈশ্বিক তৈরি পোশাক রফতানি বাজারে আবারও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে, ২০২০ সালে ভিয়েতনাম বাংলাদেশকে তৃতীয় অবস্থানে ঠেলে দিয়ে দ্বিতীয় হয়েছিল।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) প্রকাশিত বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান পর্যালোচনা ২০২২- এ দেখা যায়, বিশ্বব্যাপী তৈরি পোশাক (আরএমজি) রফতানিতে ভিয়েতনামের অংশ ২০২০ সালের ৬.৪০ শতাংশ থেকে ২০২১ সালে ৫.৮০ শতাংশে নেমে গেছে।

বৈশ্বিক আরএমজি বাজারে বাংলাদেশের অংশ অবশ্য ২০২০ সালে ৬.৩০ শতাংশ থেকে গত বছর ৬.৪০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এই অনুপাত ২০১৯ সালে ৬.৮০ শতাংশ এবং ২০১৮ সালে ছিল ৬.৪০ শতাংশ।

ডব্লিউটিওর পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় আরও দেখা গেছে, গত বছর বাংলাদেশ থেকে আরএমজি রফতানি দৃঢ়ভাবে বেড়েছে এবং বার্ষিক ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি রেকর্ড করেছে। ২০২০ সালে, এই রফতানি একটি বড় ধাক্কার সম্মুখীন হয়েছিল এবং ভিয়েতনামের আরএমজি রফতানির ৭ শতাংশ বৃদ্ধির বিপরীতে বাংলাদেশে ১৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল।

বৈশ্বিক পোশাক রফতানি বাজারে ২০১০ সালে বাংলাদেশের অংশ ছিল ৪.২০ শতাংশ, তখন ভিয়েতনামের অংশ ছিল ২.৯০ শতাংশ।

চীন ২০২০ সালে বৈশ্বিক পোশাক রফতানি বাজারে দেশটির অংশ ৩১.৬০ শতাংশ থেকে গত বছরে ৩২.৮০ শতাংশে উন্নীত করে প্রথম অবস্থান ধরে রেখেছে।

ডব্লিউটিও-র প্রকাশনা অনুসারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন আরএমজির দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ব রফতানিকারক। সুতরাং, প্রযুক্তিগতভাবে বাংলাদেশ তৃতীয় বৃহত্তম বিশ্ব আরএমজি রফতানিকারক দেশ এবং ভিয়েতনাম চতুর্থ।

ইইউ-এর সম্মিলিত রফতানি পরিসংখ্যান দেশভিত্তিক আলাদা করা হলে, বাংলাদেশ এবং ভিয়েতনাম দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শীর্ষ রফতানিকারক হবে। তুরস্ক এবং ভারত পঞ্চম এবং ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে, তারপরে রয়েছে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, হংকং এবং পাকিস্তান।

ডব্লিউটিও-র পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, শীর্ষ ১০ পোশাক রফতানিকারকের বার্ষিক মোট রফতানি মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪৬০ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২০ সালের ৩৭৮ বিলিয়ন থেকে একটি বড় উত্থান। এই মূল্য ২০১৯ সালে ৪১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেকর্ড করা হয়েছিল।

;