বিইআরসির দাবি লাইসেন্স দেইনি, তিতাস বলছে দিয়েছে



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) লাইসেন্স ইস্যু শুরুই করেনি। অথচ তাদের লাইসেন্স দিয়ে সাভারে ৪টি সিএনজি ফিলিং স্টেশনের পুনঃসংযোগের ঘটনার বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

সাভার জোনের ডিজিএম অজিত কুমার দেব বার্তা২৪.কম-কে বলেছেন, আমি নিজে সম্ভার সিএনজি ফিলিং স্টেশনের লাইসেন্স দেখেছি, তারা ফরওয়ার্ডিংসহ দিয়েছি, বারকোড দিয়ে যাচাই করেছি, তারপর সংযোগ দিয়েছি। মানিক সিএনজি ও সাভার সিএনজি লাইসেন্স পেয়েছে। অন্যদেরগুলো ম্যানেজার দেখেছে তিনি ভালো বলতে পারবেন। তাদেরকে নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে বিইআরসির লাইসেন্স দেখে সংযোগ দিতে। লাইসেন্স পেলে আমাকে না জানালেও চলবে।

কিছুক্ষণ পর খোঁজ নিয়ে অজিত কুমার দেব জানান, নবীনগর ও দুবাই সিএনজি আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, ওরা এখনও লাইসেন্স পায়নি। আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।

তবে বিইআরসির একাধিক সূত্র দাবি করেছে, এখনও কার্যপত্রই অনুমোদন হয়নি, তাহলে লাইসেন্স ইস্যু হওয়ার প্রশ্নও ওঠে না। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) লাইসেন্স না থাকায় সম্প্রতি বেশ কিছু সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এরপর লাইসেন্সের জন্য ভিড় জমায় বিইআরসি।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর বিইআরসির কমিশনের বৈঠকে ৪৭টি লাইসেন্সের আবেদন উপস্থাপন করে। এরমধ্যে ৪০টি আবেদনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকায় লাইসেন্স ইস্যুর সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। কমিশনের ওই সভার কার্যপত্র এখনও চূড়ান্ত করা যায়নি।

বিইআরসির সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ আবু ফারুক বার্তা২৪.কম-কে বলেছেন, আমার কাছে কার্যপত্র এসেছে। ৪০টি ফাইল পরীক্ষা দেখতে সময় লাগছে, আমি প্রায় শেষ করে এনেছি, কালকে (২৭ সেপ্টেম্বর) হয়তো স্বাক্ষর হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, কার্যপত্র স্বাক্ষরের পর লাইসেন্স ইস্যু শুরু হবে। এখনও লাইসেন্স ইস্যু শুরু হয়নি। সাভার অঞ্চলে পুনঃসংযোগ দেওয়ার বিষয়টি জানালে বলেন, এটা হওয়ার কোন ‍সুযোগ নেই। নির্দিষ্ট করে কোন তথ্য প্রমাণ থাকলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত ১০ ও ১১ সেপ্টেম্বর বেশকিছু ফিলিং স্টেশনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এরমধ্যে সাভার অঞ্চলেই ১৪টি। দ্রুত লাইসেন্স পেতে প্রতি দিনই লোকজন ধর্না দিচ্ছে কমিশনে। কমিশন অন্যান্য কাজ রেখে গভীর রাত পর্যন্ত লাইসেন্সের কাজ করতে দেখা গেছে। লোকবল সংকটসহ নানা কারণে এখনও শেষ করে আনতে পারেনি।

সোমবারও (২৬ সেপ্টেম্বর) অনেককে বলা হয়েছে কার্যপত্র হয়ে গেলেই লাইসেন্স পাবেন। এনিয়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন মালিকদের মধ্যে কিছুটা ক্ষোভ রয়েছে। তবে তারা একে নিয়তি হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন। কিন্তু সাভার অঞ্চলে ২৫ সেপ্টেম্বরেই কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সংযোগ দেওয়ার খবরে অনেকেই বিইআরসির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তারা বলেছেন, আমাদের বলা হচ্ছে লাইসেন্স দেওয়া শুরু হয়নি, দেওয়া হবে। আবার কাউকে দেওয়া হচ্ছে, কিসের ভিত্তিতে। নিশ্চয় তাদের সঙ্গে কমিশনের যোগসাজশ রয়েছে, না হলে এতো বড় মিথ্যা কথা বলার সাহস পায়কি করে।

ইদানিং কমিশনের কিছু কর্মকর্তার ঘুষ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। কমিশনের মিটিংয়ে অনুমোদন হয়নি তার আগেই পেট্রোলিয়ামের লাইসেন্স একটি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি কমিশনের চেয়ারম্যানের নজরে এলে ৫ জনকে শোকজ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করে অংকুরেই দুর্নীতির শেকড় উপড়ে ফেলতে না পারলে বিইআরসি তার ভাবমুর্তি ধরে রাখতে ব্যর্থ হবে।

বিইআরসি আইন ২০০৩ ও গ্যাস আইন ২০১০ অনুযায়ী বিইআরসির লাইসেন্স ছাড়া সিএনজি স্টেশন পরিচালনা করার কোন ‍সুযোগ নেই। লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে শতাধিক ফিলিং স্টেশন। ওইসব সিএনজি রি-ফুয়েলিং স্টেশনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ২০১৪ সালে প্রথম চিঠি দেয় বিইআরসি। এরপরও মোট ৮ দফায় চিঠি দেওয়া হলেও তিতাসের সাড়া দিচ্ছিল না। ৬ সেপ্টেম্বর বার্তা২৪.কম-কে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। নিউজের পর কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়ে নবায়নের মেয়াদ শেষ হয়েছে এমন সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে তিতাস।

অথচ বিইআরসির নির্দেশনা ছিল যারা একবারেই নেয়নি, তাদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার প্রতি জোর দিতে। পাবলিকের অসন্তোষ সৃষ্টির জন্য তিতাস এমডি কৌশলী চাল খেলেছেন বলে মনে করেন বিইআরসির অনেকেই।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ফোন দিলেও রিসিভ করেননি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হারুনুর রশীদ মোল্লাহ।

দেশের প্রতিটা জেলায় জুনিয়র চেম্বার নেতৃত্ব দিবে: এলিট



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
দেশের প্রতিটা জেলায় জুনিয়র চেম্বার নেতৃত্ব দিবে: এলিট

দেশের প্রতিটা জেলায় জুনিয়র চেম্বার নেতৃত্ব দিবে: এলিট

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনালের (জেসিআই) ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বলেছেন, ‘তরুণদের জন্য আমরা একটি সংগঠন তৈরি করে দেখিয়েছি। আজ সে সংগঠনের দশ বছর পূর্তি। এই সংগঠনের জন্য আমরা অনেক কষ্ট করেছি। বাংলাদেশের প্রতিটা জেলায় জুনিয়র চেম্বার নেতৃত্ব দিবে। এটাই আমার স্বপ্ন।’

শনিবার (২৬ নভেম্বর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) চট্টগ্রামের দশ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় কোভিডের পর আজ প্রথম আমরা তরুণদের সাথে নিয়ে মিলিত হয়েছি। তবে গত দশ বছর আমরা সুন্দর একটা জার্নি করেছি। জুনিয়র চেম্বার ১৮ থেকে ৪০ বছরের তরুণদের নিয়ে কাজ করছে। আমাদের এখন ৩০টি ইউনিট ও ৫ হাজার সদস্য রয়েছে। সারাদেশের তরুণদের উন্নয়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তাদের জন্য আমরা প্রশিক্ষণের আয়োজন করছি। এ আয়োজন করতে গিয়ে আমরা ১০ কোটি টাকা খরচ করেছি। এগুলো সব আমাদের সদস্যদের টাকা। এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণরা এগিয়ে যাবে, সেটা আমরা চাই।’

চট্টগ্রামের সাবেক সভাপতি এলিট আরও বলেন, ‘আমরা যখন জুনিয়র চেম্বার করতে যাই তখন আমরা নিজেদের পকেটের টাকা খরচ করে অনেক কষ্টে এ সংগঠন দাঁড় করিয়েছি। চট্টগ্রামে আমাদের প্রায় ৩শ সদস্য রয়েছে। আমরা তরুণদের জীবন মান উন্নয়নে কাজ করছি। তরুণদের জন্য আমাদের সাংগঠনিক কিছু নীতিমালা আছে। তবে তরুণদের জন্য সহজ শর্তে লোন সংক্রান্ত একটা নীতিমালা প্রয়োজন। আমরা এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে কথা বলেছি।’

বর্ণিল আয়োজনে উদযাপিত হল জুনিয়র চেম্বার চট্টগ্রামের দশ বছর পূর্তি
‘নগদ’র এ নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘তরুণ জনগোষ্ঠীকে আমরা যদি তরুণ উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে না পারি তাহলে দেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রীর যে পরিকল্পনা আছে তা বাধাপ্রাপ্ত হবে। কাজেই তারুণ্যের শক্তি কাজে লাগিয়ে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।’

জেসিআই চট্টগ্রামের সভাপতি শান শাহেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন— চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়, চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম, শেঠ গ্রুপের এমডি সোলায়মান আলম শেঠ, জেসিআইর সাবেক সভাপতি রাইসুল উদ্দিন সৈকত, জসিম আহমেদ, মো. গিয়াস উদ্দিন, মাশফিক আহমেদ রুশাদ, অসীম কুমার দাশ, শহীদুল মোস্তফা চৌধুরী, টিপু সুলতান সিকদার প্রমুখ।

দশক পূর্তির এ আয়োজনে ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের মিলন মেলা বসেছিল এদিন রাতে। জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে প্রথমে ১০ বছর পূর্তির লোগো উন্মোচন করা হয়। প্রদর্শিত হয় জেসিআইর দশ বছর ও ইয়ুথ সামিটের ওপর তথ্যচিত্র। পরে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবান শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

;

২৫ দিনে প্রবাসী আয় এসেছে ১৩৫ কোটি ডলার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে নভেম্বরের ২৫ দিনে প্রবাসীরা ১৩৪ কোটি ৭১ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা বাংলাদেশের মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১০৮ টাকা ধরে)।

রোববার (২৭ নভেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের এক প্রতিবেদনে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি নভেম্বর মাসের প্রথম ২৫ দিনে ১৩৪ কোটি ৭১ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। চলমান ধারা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ১৬০ কোটি ডলার ছাড়াবে।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধপথে প্রবাসী আয় ধারাবাহিক কমছে। অর্থনীতির অন্যতম এ সূচকটির নেতিবাচক গতি দুশ্চিন্তায় ফেলেছে। এমন পরিস্থিতিতে বৈধপথে রেমিট্যান্স আনতে বিভিন্ন শর্ত শিথিল, চার্জ ফি মওকুফসহ বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু তারপরও ইতিবাচক সাড়া মিলছে না।

নভেম্বরের প্রথম ২৫ দিনে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ২৩ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ১০৭ কোটি ৯৮ লাখ মার্কিন ডলার। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৪ লাখ মার্কিন ডলার, আর বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে দুই কোটি ৮৮ লাখ মার্কিন ডলার।

চলতি মাসের প্রথম ২৫ দিনে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংকটির মাধ্যমে ৩২ কোটি ৮৮ লাখ ডলার এসেছে। এরপর অগ্রণী ব্যাংকে এসেছে ৯ কোটি ৬ লাখ, ডাচ্ বাংলা ব্যাংকে ৮ কোটি ৫৫ লাখ, সোনালী ব্যাংক ৮ কোটি ১৪ লাখ এবং আল আরাফা ইসলামী ব্যাংকের এসেছে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ডলার প্রবাসী আয়।

রেমিট্যান্স বাড়া‌তে উদ্যোগ

বিদেশি এক্সচেঞ্জের হাউজের মতো সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠালেও প্রতি ডলারে ১০৭ টাকা পাবেন প্রবাসীরা। আগে যা ছিল ৯৯ টাকা ৫০ পয়সা। এ ছাড়া এখন থেকে ব্যাংকগুলো রেমিট্যান্স আহরণ বাবদ কোনো চার্জ বা মাশুলও নেবে না। সব‌শেষ গতকাল সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবি ও বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ব্যাংকগুলোর সংগঠন বাফেদার বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেয়।

এ ছাড়া এখন বিদেশ থেকে যেকোনো পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠাতে কোনো ধরনের কাগজপত্র লাগে না। আবার প্রবাসী আয়ের ওপর আড়াই শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। প্রণোদনা বাড়ার পরও সর্বশেষ অর্থবছরে প্রবাসী আয়ে বড় পতন হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরে দুই হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ (২১ দশমিক তিন বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৫ দশমিক ১১ শতাংশ কম।

;

নতুন ড্যাপে এফএআরকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন আবাসন ব্যবসায়ীরা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পরিকল্পিত আবাসন ও উন্নত রাজধানী গড়তে নতুন বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা বা ড্যাপ অনুমোদন পেয়েছে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) নতুন এই পরিকল্পনায় টেকসই নগরায়ন বান্ধব উদ্যোগ থাকলেও, আবাসন শিল্পের জন্য বেশকিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে বলে দাবি রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব)।

রোববার (২৭ নভেম্বর) এফবিসিসিআই কার্যালয়ে আয়োজিত স্ট্যান্ডিং কমিটি অন রিয়েল এস্টেট অন্ড হাউজিংয়ের দ্বিতীয় সভায় আবাসন খাতের উদ্যোক্তারা জানান, নতুন ড্যাপে রাস্তার প্রশস্ততার অনুপাতে ফ্লোর এরিয়া রেশিও (এফএআর) নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে আগে যেখানে প্রশস্ত রাস্তা না থাকলেও ৮ থেকে ১০ তলা ভবন নির্মাণ করা যেত, এখন সেখানে অনুমোদন পাওয়া যাবে ৪ থেকে ৫ তলার। এ কারণে স্বল্প প্রস্থের রাস্তার পাশের জমির মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। বৈষম্যের শিকার হবেন আবাসন ব্যবসায়ীরাও। এমন অবস্থায়, শিল্পটি ক্ষতির মুখে পড়বে বলে দাবি তাদের।

বৈঠকে জানানো হয়, আগে রাজধানীতে জমির নিবন্ধন ফি নির্ধারণ হতো মৌজার দর অনুযায়ী। নতুন ড্যাপে সেটিকে পরিবর্তন করে বাজার মূল্য অনুযায়ী নির্ধারণের বিধান করা হয়েছে। যেটিকেও আবাসন শিল্পের জন্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন উদ্যোক্তারা।

বৈঠকে এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন জানান, আবাসন খাতের সংকট নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণায়ের সাথে আলোচনার সুযোগ রয়েছে। এ সময়, নিজেদের ধারণা সমৃদ্ধ করতে- আবাসন ব্যবসায়ীদের ড্যাপ বিষয়ে গভীর বিশ্লেষণের পরামর্শ দেন তিনি। অন্যদিকে টেকসই নগরায়ন নিশ্চিতে- ড্যাপকে বাস্তবতার আলোকে সমন্বয় করতে রাজউকের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠকে কমিটির ডিরেক্টর ইন চার্জ এবং রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন বলেন, ড্যাপে বেশকিছু ভালো দিক রয়েছে। তবে আবাসন খাতের জন্য কিছু জটিলতা থেকে গেছে। এসব বিষয়ে সমাধানে আসতে রাজউক, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে রিহ্যাব।

তিনি বলেন, আমরা সরকারের প্রতিপক্ষ নয়, সহযোগী হয়ে কাজ করতে চাই।

বৈঠকে এফবিসিসিআই’র সহ-সভাপতি আমিন হেলালী বলেন, এই বৈঠকের আলোচ্য বিষয়গুলো নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে তুলে ধরা আমাদের কাজ। আবাসন শিল্পের সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সমিতির সাথে বসে সুনির্দিষ্ট সমস্যাগুলো চিহ্নিত করুন। একই সঙ্গে আবাসন খাতের অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর হতে রিহ্যাবের প্রতি আহ্বান তার।

বর্তমানে নির্মাণ সামগ্রীর উচ্চমূল্যের কারণে এমনিতেই সংকটে রয়েছে আবাসন খাত। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন ড্যাপ নিয়ে শঙ্কা। এমন সংকট থেকে উত্তরণে নীতিনির্ধারক এবং অংশীজনদের নিয়ে আলোচনা, পর্যালোচনা অব্যাহত থাকবে বলে জানান কমিটির চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী ভূঁইয়া মিলন।

তিনি বলেন, আবাসন ব্যবসায়ীরা ড্যাপের বিরুদ্ধে নয়। তাদের আপত্তি কেবল টেকসই নগরায়ন এবং আবাসন খাতের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বিষয়গুলো নিয়ে।

এফবিসিসিআই’র পরিচালক এম জি আর নাসির মজুমদার, শফিকুল ইসলাম ভরসা, বিজয় কুমার কেজরিওয়াল, হাফেজ হারুন, আবু মোতালেব, আক্কাস মাহমুদ, মহাসচিব মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, কমিটির কো-চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন জিটু, মোহাম্মদ আলী দ্বীন, কামাল মাহমুদ, এ.এফ.এম ওবায়দুল্লাহসহ অন্যান্য সদস্যরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

;

কৃষকদের মাঝে ৪% মুনাফায় সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের কৃষি বিনিয়োগ বিতরণ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
কৃষকদের মাঝে ৪% মুনাফায় সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের কৃষি বিনিয়োগ বিতরণ

কৃষকদের মাঝে ৪% মুনাফায় সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের কৃষি বিনিয়োগ বিতরণ

  • Font increase
  • Font Decrease

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড- এর উদ্যোগে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চার শতাধিক সয়াবিন ও মরিচ চাষির মাঝে ৪% মুনাফায় কৃষি বিনিয়োগ বিতরণ করা হয়েছে।

সম্প্রতি নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর উপজেলা কমপ্লেক্সে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বিনিয়োগ বিতরণ করা হয়। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জনাব জাফর আলম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক জনাব দেওয়ান মাহবুবুর রহমান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মুহাম্মদ ফোরকানুল্লাহ, চীফ রেমিট্যান্স কর্মকর্তা জনাব মো: মোশাররফ হোসাইন, নোয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জনাব ইসরাত সাদমীন, সুবর্ণচর উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ এ.এইচ.এম খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম, সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব চৈতী সর্ববিদ্যা, সলিডারিড্যাড নেটওয়ার্ক এশিয়ার সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার ইন্দু ভূষণ রায়, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (নোয়াখালী)-এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ ড. মুহাম্মদ মহীউদ্দিন চৌধুরী, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের মার্কেটিং এন্ড ব্র্যান্ড কমিউনিকেশনের প্রধান জনাব মো: মনিরুজ্জামান, এসএমই এন্ড এগ্রিকালচারাল ফাইন্যান্স ডিভিশনের প্রধান জনাব সাদাত আহমাদ খান সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও কৃষক-কৃষাণীরা।

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জনাব জাফর আলম বলেন, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক নোয়াখালীর সুবর্ণচর অঞ্চলে ৪% মুনাফায় এবার চার শতাধিক কৃষকের মাঝে কৃষি বিনিয়োগ বিতরণ করেছে। খুব শীঘ্রই আরও শতাধিক কৃষককে বিনিয়োগ প্রদান করা হবে। পর্যায়ক্রমে নোয়াখালী সহ সারাদেশের কৃষকের মাঝে স্বল্প মুনাফায় বিনিয়োগ প্রদানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

;