অভিজ্ঞতা আদান প্রদানের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হলো ১১ তম কমিউনিকেশন সামিট



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
অভিজ্ঞতা আদান প্রদানের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হলো ১১ তম কমিউনিকেশন সামিট

অভিজ্ঞতা আদান প্রদানের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হলো ১১ তম কমিউনিকেশন সামিট

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকার শেরাটন হোটেলে ১৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয় কমিউনিকেশন সামিটের একাদশতম আয়োজন। বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনটির সহযোগিতায় যুক্ত ছিলো দ্য ডেইলি স্টার এবং কানস লায়নস।

এ বছরের সম্মেলনের আলোচ্য থিম ছিলো-ক্রিয়েটিভিটি ইন চ্যালেঞ্জিং টাইমস। করোনাকালীন সময়ে বৈশ্বিক কমিউনিকেশনের মাধ্যম গুলো ব্যপকভাবে বাধাপ্রাপ্ত হয়। কিন্তু এই মহামারী একইসাথে আমাদের ক্রিয়েটিভ কমিউনিকেশন চর্চায় নতুনত্ব বয়ে আনে এবং অধিক কার্যকর পন্থার সাথে পরিচিতি ঘটায়। তাই এবারের কমিউনিকেশন সামিটের মূল বিষয়বস্তুই ছিলো মহামারী পরবর্তী পৃথিবীতে সৃজনশীলতা এবং কার্যকর কমিউনিকেশন চর্চার বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক দিক নিয়ে।

এই সম্মেলনটি বৈশ্বিক এবং শীর্ষস্থানীয় শিল্প উদ্যোক্তা, নীতি নির্ধারক এবং বুদ্ধিজীবিদের একটি আলোচনার ক্ষেত্র তৈরী করে দেয়। তারা পারস্পরিক মতবিনিময় এবং অভিজ্ঞতা বর্ণনার মাধ্যমে কার্যকরী কমিউনিকেশনের বিভিন্ন ধরণ নিয়ে আলোচনা করেন। 

সম্মেলনটির উদ্বোধনী বক্তব্যেই বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের ফাউন্ডার ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর শরিফুল ইসলাম বলেন, "কঠিন এবং চ্যালেঞ্জিং এই সময়ে সৃজনশীলতা নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে, যা স্পষ্টভাবে সম্পৃক্ত মহলের মানসিকতা এবং দৃষ্টিভঙ্গিকে আরো ভালো ফলাফলের জন্য প্রস্তুত হতে ও এগিয়ে যাওয়ার জন্য পরিবর্তন করবে" ।

কমিউনিকেশন সামিটের মূল কার্যক্রমে ছিলো ৪ টি কি-নোট সেশন ,৫ টি প্যানেল আলোচনা, ২ টি কেস স্টাডি এবং একটি কনভারসেশন।

এ বছরের সম্মেলনে মূল বক্তারা ছিলেন: টে গুয়ান হিন, গ্রুপ চেয়ারম্যান, বিবিডিও, সিঙ্গাপুর; সুমন্ত চট্টোপাধ্যায়, চেয়ারম্যান এন্ড চিফ ক্রিয়েটিভ অফিসার, 82.5 কমিউনিকেশনস, ওগিলভি গ্রুপ; সৈয়দ গাউসুল আলম শাওন, ম্যানেজিং ডিরেক্টর এন্ড কান্ট্রি হেড, গ্রে গ্রুপ বাংলাদেশ এবং ডেভ ম্যাককগান, ঠট লিডার এন্ড স্টোরিটেলার, বিবিলিওসেক্সুয়াল; কো-ফাউন্ডার মার্কেটিং ফিউচারস।

একটি মূল বিষয় যা সামিট এ বার বার উঠে আসছিলো তা হলো প্রতিটি পরিবর্তনশীল মিডিয়া, যোগাযোগ এবং ডিজিটাল মাধ্যম গুলোর সাথে যদি আমাদেরকে মানিয়ে চলতে হয় তাহলে আমাদেরকে বাস্তবিক অভিজ্ঞতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞানের মাধ্যমে নিজেদের ক্রমাগত উন্নত করতে হবে |

সুমন্ত চট্টোপাধ্যায়, চেয়ারম্যান এন্ড চিফ ক্রিয়েটিভ অফিসার, 82.5 কমিউনিকেশনস কিনোট বক্তব্যেই কঠিন সময়ে বিজ্ঞাপনের গুরুত্ব ;এবং কীভাবে নতুন এবং প্রথাগত বিজ্ঞাপনের মধ্যে সমন্বয় ঘটানোর প্রয়োজন আমাদেরকে সামনে ধাবিত করবে তা নিয়ে আলোচনা করেছেন।

 আরও একটি কিনোট আলোচনায় টে গুয়ান হিন, গ্রুপ চেয়ারম্যান, বিবিডিও তার আলোচনায় ভবিষ্যতের পরিবরতনের সাথে কিভাবে নিজের পরিবর্তন জরুরি তা নিয়ে আলোচনা করেছেন।

অন্যান্য সম্মানিত বক্তারা ছিলেন: সারাহ আলী, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, এফসিবি-বিটোপি; নাজিম ফারহান চৌধুরী, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, অ্যাডকম লিমিটেড; ইরেশ যাকের, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, এশিয়াটিক এক্সপেরিয়েনশিয়াল মার্কেটিং লি.; অজয় কুমার কুন্ডু, সিইও, মিডিয়াকম লিমিটেড; মোঃ শাদমান সাদিকীন, মার্কেটিং ডিরেক্টর, ইউনিলিভার বাংলাদেশ লি.; নাফীস আনোয়ার চৌধুরী, ডিরেক্টর, মার্কেটিং, গ্রামীণফোন লি.; শাম্মী রুবায়েত করিম, হেড অব কমিউনিকেশনস অ্যান্ড মার্কেটিং সার্ভিস, নেসলে বাংলাদেশ লি.; অ্যালেন এবেনেজার এরিক, মার্কেটিং ডিরেক্টর, ম্যারিকো বাংলাদেশ লি.;

আশরাফ বিন তাজ, বোর্ড মেম্বার, মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ; ম্যানেজিং ডিরেক্টর, আইডিসি বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেড; সারা যাকের, কো-চেয়ারপারসন, এশিয়াটিক মার্কেটিং কমিউনিকেশনস লিমিটেড, এশিয়াটিক থ্রি সিক্সটি; গীতিয়ারা সাফিয়া চৌধুরী, চেয়ারপারসন, অ্যাডকম লিমিটেড; ত্রপা মজুমদার, ডিরেক্টর, এক্সপ্রেশনস লি.; রাশিকা ওসমান, হেড অফ স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং, অ্যাডকম লি.; আয়েশা ফারজানা, ভিপি, ক্লায়েন্ট সার্ভিস, গ্রে গ্রুপ বাংলাদেশ; শারমিন রহমান, হেড অব কর্পোরেট ব্র্যান্ড অ্যান্ড এনগেজমেন্ট, গ্রামীণফোন লি.; তানজিলা বাহার চৌধুরী, ডিরেক্টর, ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন, এশিয়াটিক মার্কেটিং কমিউনিকেশনস লিমিটেড, এশিয়াটিক থ্রি সিক্সটি; নাজিয়া আন্দালিব প্রিমা, ভিজ্যুয়াল আর্টিস্ট, ডিরেক্টর ও ক্রিয়েটিভ এডিটর, বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম; প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশ ক্রিয়েটিভ ফোরাম; প্রেসিডেন্ট, উইমেন ইন লিডারশিপ; জাকিয়া জেরিন, সিনিয়র ম্যানেজার, মার্কেটিং কমিউনিকেশন অ্যান্ড এনগেজমেন্ট, নেসলে বাংলাদেশ লি.; ইশরাক ঢালী, ডিরেক্টর, অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড সার্ভিসিং, ম্যাগনিটো ডিজিটাল; মোঃ কামরুল হাসান, বিজনেস ডিরেক্টর, এসিআই লিমিটেড; সালাহউদ্দিন শাহেদ, চিফ অপারেটিং অফিসার, এফসিবি বিটোপি; রাসেল মাহমুদ, এক্সিকিউটিভ, ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর, এক্স; দ্রাবির আলম, চিফ অপারেটিং অফিসার এন্ড ডিরেক্টর, এক্স; নুসরাত জাহান, মার্কেটিং ডিরেক্টর, রেকিট বাংলাদেশ; কাজী মহিউদ্দিন, সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার, ব্র্যান্ড, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ; খন্দকার শামীম রহমান, জেনারেল ম্যানেজার, হেড অব মার্কেটিং, এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড; রিসালাত সিদ্দিক, চেয়ারম্যান, দ্য ম্যান অব স্টিল, অ্যানালাইজেন বাংলাদেশ লি.; রাজবীন আবীর, মার্কেটিং লিড, বাংলাদেশ, দ্য কোকা-কোলা কোম্পানি এবং তুসনুভা আহমেদ টিনা, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, মাইন্ডশেয়ার।

কমিউনিকেশন সামিটের পরে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের অন্যতম আয়োজন ১১তম কমওয়ার্ড: এক্সিলেন্স ইন ক্রিয়েটিভ কমিউনিকেশন অনুষ্ঠিত হয়।

কমিউনিকেশন সামিট বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের একটি উদ্যোগ। এই আয়োজনের সহযোগিতায় ছিলো দ্য ডেইলি স্টার এবং কানস লায়নস। বাংলাদেশ ক্রিয়েটিভ ফোরাম (বিসিএফ) এবং রোরিং লায়ন্স এই আয়োজনের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার। ইভেন্টের নলেজ পার্টনার - মার্কেটিং সোসাইটি অফ বাংলাদেশ, ক্রিয়েটিভ পার্টনার - প্রিমা আর্ট ফাউন্ডেশন, টেকনোলজি পার্টনার – আমরা টেকনোলজিস লিমিটেড, হসপিটালিটি পার্টনার - শেরাটন ঢাকা, অনলাইন মিডিয়া পার্টনার - চ্যানেল আই অনলাইন এবং পিআর পার্টনার - ব্যাকপেজ পিআর।

আইসিএমএবি বেস্ট করপোরেট অ্যাওয়ার্ড পেলো ওয়ালটন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
আইসিএমএবি বেস্ট করপোরেট অ্যাওয়ার্ড পেলো ওয়ালটন

আইসিএমএবি বেস্ট করপোরেট অ্যাওয়ার্ড পেলো ওয়ালটন

  • Font increase
  • Font Decrease

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি অর্জন করেছে ‘বেস্ট করপোরেট অ্যাওয়ার্ড ২০২১’। ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) এর কাছ থেকে এই গোল্ড অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে বাংলাদেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে মার্কেট ক্যাপিটাইলাইজেশন, কর্পোরেট সুশাসন, তথ্যের গ্রহণযোগ্যতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতাসহ বেশকিছু মানদ- বিবেচনায় নিয়ে ওয়ালটনকে এই পুরস্কার দেয়া হয়। ২৮টি ক্রাইটেরিয়া ও ১৭টি ক্যাটাগরিতে ওয়ালটন ছাড়াও আরও ৬৪ কোম্পানিকে ব্রোঞ্জ, সিলভার ও গোল্ড অ্যাওয়ার্ড দিয়েছে আইসিএমএবি।

গত বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিদের হাতে অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে গোল্ড অ্যাওয়ার্ডের ট্রফি গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি.’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও গোলাম মুর্শেদ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম এবং ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের কোম্পানি সচিব ও সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. রফিকুল ইসলাম এবং চিফ রিস্ক অফিসার ও ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আরিফুল হক।

পুরস্কারপ্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও গোলাম মুর্শেদ বলেন, “বেস্ট করপোরেট অ্যাওয়ার্ডের গোল্ড ট্রফি প্রদানের মাধ্যমে আইসিএমএবি ওয়ালটনকে দেশের সেরা ইলেকট্রনিক্স ম্যানুফ্যাকচারার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার অর্জন করায় ওয়ালটন টিমের সদস্যরা আরো বেশি অনুপ্রাণিত হবেন। ওয়ালটনের সকল বিনিয়োগকারী, পরিচালনা পর্ষদ এবং গ্রাহক, যারা আমাদের উপর বিশ্বাস ও আস্থা রেখেছেন, তাদেরকে এই অ্যাওয়ার্ড উৎসর্গ করছি।”

;

ইউরোপে পোশাক রফতানি প্রবৃদ্ধির শীর্ষে বাংলাদেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ ২০২১ সালে বৈশ্বিক তৈরি পোশাক রফতানি বাজারে আবারও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে, ২০২০ সালে ভিয়েতনাম বাংলাদেশকে তৃতীয় অবস্থানে ঠেলে দিয়ে দ্বিতীয় হয়েছিল।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) প্রকাশিত বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান পর্যালোচনা ২০২২- এ দেখা যায়, বিশ্বব্যাপী তৈরি পোশাক (আরএমজি) রফতানিতে ভিয়েতনামের অংশ ২০২০ সালের ৬.৪০ শতাংশ থেকে ২০২১ সালে ৫.৮০ শতাংশে নেমে গেছে।

বৈশ্বিক আরএমজি বাজারে বাংলাদেশের অংশ অবশ্য ২০২০ সালে ৬.৩০ শতাংশ থেকে গত বছর ৬.৪০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এই অনুপাত ২০১৯ সালে ৬.৮০ শতাংশ এবং ২০১৮ সালে ছিল ৬.৪০ শতাংশ।

ডব্লিউটিওর পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় আরও দেখা গেছে, গত বছর বাংলাদেশ থেকে আরএমজি রফতানি দৃঢ়ভাবে বেড়েছে এবং বার্ষিক ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি রেকর্ড করেছে। ২০২০ সালে, এই রফতানি একটি বড় ধাক্কার সম্মুখীন হয়েছিল এবং ভিয়েতনামের আরএমজি রফতানির ৭ শতাংশ বৃদ্ধির বিপরীতে বাংলাদেশে ১৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল।

বৈশ্বিক পোশাক রফতানি বাজারে ২০১০ সালে বাংলাদেশের অংশ ছিল ৪.২০ শতাংশ, তখন ভিয়েতনামের অংশ ছিল ২.৯০ শতাংশ।

চীন ২০২০ সালে বৈশ্বিক পোশাক রফতানি বাজারে দেশটির অংশ ৩১.৬০ শতাংশ থেকে গত বছরে ৩২.৮০ শতাংশে উন্নীত করে প্রথম অবস্থান ধরে রেখেছে।

ডব্লিউটিও-র প্রকাশনা অনুসারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন আরএমজির দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ব রফতানিকারক। সুতরাং, প্রযুক্তিগতভাবে বাংলাদেশ তৃতীয় বৃহত্তম বিশ্ব আরএমজি রফতানিকারক দেশ এবং ভিয়েতনাম চতুর্থ।

ইইউ-এর সম্মিলিত রফতানি পরিসংখ্যান দেশভিত্তিক আলাদা করা হলে, বাংলাদেশ এবং ভিয়েতনাম দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শীর্ষ রফতানিকারক হবে। তুরস্ক এবং ভারত পঞ্চম এবং ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে, তারপরে রয়েছে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, হংকং এবং পাকিস্তান।

ডব্লিউটিও-র পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, শীর্ষ ১০ পোশাক রফতানিকারকের বার্ষিক মোট রফতানি মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪৬০ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২০ সালের ৩৭৮ বিলিয়ন থেকে একটি বড় উত্থান। এই মূল্য ২০১৯ সালে ৪১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেকর্ড করা হয়েছিল।

;

আইসিএমএবি বেস্ট কর্পোরেট অ্যাওয়ার্ড পেল গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক



নিউজ ডেস্ক বার্তা২৪.কম ঢাকা
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, এমপি এর কাছ থেকে এই অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেছন গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ হাবিব হাসনাত

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, এমপি এর কাছ থেকে এই অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেছন গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ হাবিব হাসনাত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) 'বেস্ট কর্পোরেট অ্যাওয়ার্ড-২০২১’ অর্জন করেছে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক। ব্যাংকের গত বছরের বার্ষিক প্রতিবেদন মূল্যায়ন করে `প্রাইভেট কর্মাশিয়াল ব্যাংক (ইসলামিক অপারেশন) ক্যাটাগরি’-তে ব্রোঞ্জ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকাতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সি এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ হাবিব হাসনাতের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন। পুরস্কার অর্জনের বিষয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, এই অর্জন ব্যাংকের প্রতি গ্রাহকদের আস্থার স্বীকৃতি। গ্রাহকগণের আস্থা-ই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা।

;

রেমিট্যান্স ৩ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ নভেম্বরে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকার রেমিট্যান্স প্রেরণকারীদের জন্য নগদ ভর্তুকি বাড়ানোর পর নভেম্বরে রেমিট্যান্স ৩ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। নভেম্বরে প্রবাসীরা ১৫৯ কোটি ৪৭ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা বাংলাদেশের মুদ্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকার বেশি (প্রতি ডলার ১০৮ টাকা ধরে)।

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে।

রেমিট্যান্স প্রবাহ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৪৯ কোটি ৪৪ লাখ মার্কিন ডলার। এরপর রেমিট্যান্স প্রবাহ ওঠানামা করলেও গত অক্টোবরে রেমিট্যান্স আগের ৮ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম এসেছিল।

গত অক্টোবরে ১৫২ কোটি ৫৪ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। ২০২১ সালের অক্টোবরে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৬৪ কোটি ৬৯ লাখ ডলার। তবে চলতি নভেম্বর শেষে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৯ কোটি ৪৭ লাখ মার্কিন ডলার। ২০২১ সালের নভেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৫৫ কোটি ৩৭ লাখ ডলার।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধপথে প্রবাসী আয় ধারাবাহিক কমছে। অর্থনীতির অন্যতম এ সূচকটির নেতিবাচক গতি দুশ্চিন্তায় ফেলেছে। এমন পরিস্থিতিতে বৈধপথে রেমিট্যান্স আনতে বিভিন্ন শর্ত শিথিল, চার্জ ফি মওকুফসহ বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু তারপরও ইতিবাচক সাড়া মিলছে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, নভেম্বরে যে পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে— তার মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ কোটি ২১ লাখ ৭০ হাজার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১২৮ কোটি ৯৩ লাখ ২০ হাজার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫২ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। বিগত সময়ের মতো এবারও ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। নভেম্বরে ব্যাংকটির মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৮ কোটি ৭১ লাখ ডলার। এরপরেই রয়েছে অগ্রণী ব্যাংকের অবস্থান। ব্যাংকটির মাধ্যমে ১০ কোটি ৫৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এ ছাড়া সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে ৯ কোটি ১ লাখ ডলার, ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমে ৯ কোটি ৫৮ লাখ ডলার এবং আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে ৮ কোটি ৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

রেমিট্যান্স বাড়া‌তে উদ্যোগ

বিদেশি এক্সচেঞ্জের হাউজের মতো সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠালেও প্রতি ডলারে ১০৭ টাকা পাবেন প্রবাসীরা। আগে যা ছিল ৯৯ টাকা ৫০ পয়সা। এ ছাড়া এখন থেকে ব্যাংকগুলো রেমিট্যান্স আহরণ বাবদ কোনো চার্জ বা মাশুলও নেবে না। সব‌শেষ গতকাল সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবি ও বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ব্যাংকগুলোর সংগঠন বাফেদার বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেয়।

এ ছাড়া এখন বিদেশ থেকে যেকোনো পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠাতে কোনো ধরনের কাগজপত্র লাগে না। আবার প্রবাসী আয়ের ওপর আড়াই শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। প্রণোদনা বাড়ার পরও সর্বশেষ অর্থবছরে প্রবাসী আয়ে বড় পতন হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরে দুই হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ (২১ দশমিক তিন বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৫ দশমিক ১১ শতাংশ কম।

;