বার্জারের আয়োজনে দশম বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ইন আর্কিটেকচার



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বার্জারের আয়োজনে দশম বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ইন আর্কিটেকচার

বার্জারের আয়োজনে দশম বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ইন আর্কিটেকচার

  • Font increase
  • Font Decrease

আজ রাজধানীর গুলশান ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশের (আইএবি) সহযোগিতায় বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ইন আর্কিটেকচার (বিএইএ) উন্মোচন করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় পেইন্ট সল্যুশন ব্র্যান্ড বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড (বিপিবিএল)। 

সংবাদ সম্মেলনে এ অ্যাওয়ার্ডের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে গণমাধ্যমকর্মীদের জানান স্থপতি কাজী এম আরিফ। পাশাপাশি, তিনি ট্রফিও উন্মোচন করে যা প্রথমবারের মতো নকশা করেছেন প্রখ্যাত শিল্পী মো. হামিদ্দুজ্জামান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইএবি’র সভাপতি স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন, বার্জারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রূপালী চৌধুরী, প্রতিষ্ঠানটির সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মো. মহসিন হাবিব চৌধুরী, পিপিইজেড’র প্রধান সাব্বির আহমাদ, চ্যানেল এনগেজমেন্টের প্রধান এ এম এম ফজলুর রশিদ এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রোলিঙ্কস’র প্রধান মোহাম্মাদ তরিকুল ইসলাম।  

বিএইএ-কে অ্যাওয়ার্ডকে দেশের স্থাপত্যের ক্ষেত্রে অন্যতম সম্মানজনক ও স্বীকৃত অ্যাওয়ার্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশের (আইএবি) সহযোগিতায় বার্জার ২০০৩ সালে এ অ্যাওয়ার্ড প্রবর্তন করে।

স্থাপত্যে সেরা কাজগুলোকে স্বীকৃতি প্রদানে বার্জার ‘বার্জার ইয়াং আর্কিটেক্টস’ অ্যাওয়ার্ড চালু করে, যা পরে ২০০৭ সালে ‘বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ইন আর্কিটেকিচার (বিএইএ)’ নামকরণ করা হয়। এ বছর বিএইএ অ্যাওয়ার্ডের দশম পর্ব সংস্করণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে, অর্থাৎ এ অ্যাওয়ার্ড ২০ বছর ধরে প্রদান করা হচ্ছে, যা স্থাপত্য ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক ও উল্লেখযোগ্য অর্জন। 

বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ইন আর্কিটেকচার ‘বার্জার আর্কিটেক্টস’ অ্যাওয়ার্ড ও ‘বার্জার ইয়াং আর্কিটেক্টস’ অ্যাওয়ার্ড – এ দু’টি বিভাগে পুরস্কৃত করার উদ্যোগ হিসেবে শুরু করা হয়, যার মধ্যে আবাসিক ও অনাবাসিক ক্যাটাগরি রয়েছে। এ অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান পরিচালনায় গত ডিসেম্বরে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করে। এ এমওইউ -এর অধীনে উভয় প্রতিষ্ঠান দেশের স্থপতিদের সেরা কাজের জন্য তাদের স্বীকৃতি প্রদানে কাজ করবে।

এ আয়োজনকে আরও কার্যকরী ও সফল করে তুলতে, আইএবি ও বার্জার, বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সেলেন্স ইন আর্কিটেকচার -এর দশম সংস্করণে উন্মুক্ত বিভাগে সবার কাছ থেকে প্রকল্প জমা দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশের সভাপতি স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন বলেন, “উৎকর্ষের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের অ্যাওয়ার্ড স্থপতিদের অনুপ্রাণিত করে। ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ স্থাপত্য ক্ষেত্রে মেধাবীদের কাজের স্বীকৃতি প্রদানে বার্জার প্রবর্তিত এমন অসাধারণ আয়োজনের অংশ হতে পেরে আনন্দিত।” 

বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রূপালী চৌধুরী বলেন, “সেরা কাজগুলো তৈরিতে আমাদের স্থপতিরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন, কিন্তু অনেক সময়ই তাদের সৃষ্টিশীল কাজগুলো স্বীকৃতি পায় না। যোগ্য স্থপতিদের মেধা ও পরিশ্রমকে স্বীকৃতিদানে বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ইন আর্কিটেকচার (বিএইএ) প্রবর্তন করা হয়েছে।”    

বার্জারের সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং -এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মো. মোহসিন হাবিব চৌধুরী বলেন, “২০০৩ সাল থেকে বার্জার স্থাপত্য ক্ষেত্রে সেরা কাজগুলোকে স্বীকৃতি দিয়ে আসছে। এ স্বীকৃতিদানের ২০ বছর হয়েছে। এ সময়ে আমরা বিভিন্ন বিভাগে মেধাবী স্থপতিদের স্বীকৃতি প্রদান করেছি। ভবিষ্যতেও স্থপতিদের অনুপ্রেরণা প্রদানের ক্ষেত্রে আমাদের এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।”    

এলএনজি সরবরাহ বাড়াতে সম্মত হয়েছে কাতার



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ বাড়িয়ে দিতে সম্মত হয়েছে কাতার। বর্তমান ২ দশমিক ৫ মিলিয়ন টন দিচ্ছে, আরও ২ মিলিয়ন টন বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান নাজমুল আহসান।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান নাজমুল আহসানসহ উচ্চ পর্যায়ের একটি টিম সম্প্রতি কাতার সফর করেছেন। এলএনজি রফতানিকারক দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে কাতার।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, কাতারের সঙ্গে আমাদের যে চুক্তি রয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে ১ দমমিক ৮ মিলিয়ন টনের নিচে হবে না, আবার ২ দশমিক ৫ মিলিয়ন টনের উপরে যাবে না। বিশ্বব্যাপী এলএনজি চাহিদা ও দাম ঊর্ধ্বমুখীর মধ্যেও কাতার সর্বোচ্চ পরিমাণে সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। আমরা তাদের কাছে সরবরাহ বৃদ্ধির আরও প্রস্তাব দিলে সায় পাওয়া গেছে।

কাতার ২০২৫ সাল থেকে বর্ধিত এলএনজি সরবরাহ করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত দিয়েছে। তবে কি পরিমাণ দিতে পারবে সে বিষয়ে এখনই কোন প্রতিশ্রুতি দেয়নি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দামের বিষয়ে এখনও কোন আলাপ হয়নি।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান বলেন, দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় কাতার থেকে ২ দশমিক ৫ মিলিয়ন টন, ওমান থেকে ১ মিলিয়ন টন আমদানি করা হচ্ছে। দাম বেড়ে যাওয়ার স্পর্ট মার্কেট থেকে এলএনজি আমদানি বন্ধ রয়েছে।

নাজমুল আহসান বলেন, আমাদের দু’টি ভাসমান টার্মিনাল ও পুনঃ গ্যাসে রূপান্তরকরণ ইউনিট (এফএসআরইউ) রয়েছে। এ দু’টির দৈনিক সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে এক হাজার মিলিয়ন ঘটফুট। সর্বোচ্চ ৯৫ শতাংশ ব্যবহার করা যাবে। কাতার থেকে আরও ২ মিলিয়ন টন (বছরে) যুক্ত হলেও সমস্যা হবে না। আমাদের দুটি এফএসআরইউ দিয়ে বছরে ৬ মিলিয়ন টন পর্যন্ত সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এছাড়া আরও একটি এফএসআরইউ স্থাপনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সামিট গ্রুপের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তৃতীয় এফএসআরইউ হলে দৈনিক ১৫’শ মিলিয়ন আমদানির সক্ষমতা হবে।

পেট্রোবাংলার চেয়ারমান বলেন, আমরা এলএনজি আমদানির পাশাপাশি দেশীয় গ্যাসের অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্যক্রম জোরদার করেছি। আপনারা দেখেছেন, ভোলায় (টাগবি), শ্রীকাইল, বিবিয়ানা ও সেমুতাংয়ে কূপ খননের কাজ চলমান রয়েছে। শিগগিরই শরীয়তপুরে অনুসন্ধান কূপ খনন শুরু হবে। আমরা অনেক কাজ করেছি জন্য জাইকার প্রাক্কলনের চেয়ে বেশি পরিমাণে গ্যাস পাচ্ছি। জাইকার এক সমীক্ষায় বলা হয়েছিল ২০২২ সালে বাংলাদেশের দেশীয় উৎসের গ্যাস উৎপাদন ২ হাজারের নিচে নেমে আসবে। আমরা এখন প্রায় ২৪’শ মতো উৎপাদন করছি। ২০২৫ সালের মধ্যে ৪৬টি কূপ খননের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে অনুসন্ধান, উন্নয়ন এবং ওয়ার্কওভার রয়েছে। এতে দৈনিক গ্যাসের উৎপাদন ৬১৮ মিলিয়ন ঘনফুট বৃদ্ধির আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, এলএনজি আমদানির পরিমাণ বৃদ্ধির সঙ্গে যদি দেশীয় উৎপাদন ‍বৃদ্ধি পায়, তাহলে গ্যাসের দাম বাড়বে না। তবে দেশীয় উৎসের চেয়ে আমদানির অনুপাত বেড়ে গেলে দাম বৃদ্ধির শঙ্কা থাকে। আমরা চেষ্টা করছি ভোলার গ্যাস মুল ভূখন্ডে আনার বিষয়ে। সিএনজি করে আনা যায় কিনা সে বিষয়েও ভাবা হচ্ছে।

গভীর সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য মডেল পিএসসি (উৎপাদন বন্টন চুক্তি) সংশোধন করা হচ্ছে। আশা করছি ডিসেম্বরের মধ্যেই বিডিং রাউন্ডে যাওয়া সম্ভব হবে। এছাড়া স্থলভাগেও অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

দেশে গ্যাস সংকট চলছে স্পর্ট মার্কেট থেকে গ্যাস আমদানির বিষয়ে কোন ভাবনা আছে কিনা। এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা মার্কেট পর্যবেক্ষণ করছি, দাম কমে আসলেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শুধু বাংলাদেশ নয় অনেক দেশেই স্পর্ট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনা বন্ধ রেখেছে।

বৈশ্বিক যে সংকট চলছে আমরা তার বাইরে নেই। আমরা সিস্টেম লস কমিয়ে ঘাটতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। দেখেছেন সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আমরা ডিজাইন পরিবর্তন করার চিন্তা করছি, অবৈধ সংযোগ পাওয়া গেলে শুধু সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেই ফিরে আসা হবে না। প্রয়োজনে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাদের জেলে পাঠানো হবে।

;

বিইআরসির দাবি লাইসেন্স দেইনি, তিতাস বলছে দিয়েছে



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) লাইসেন্স ইস্যু শুরুই করেনি। অথচ তাদের লাইসেন্স দিয়ে সাভারে ৪টি সিএনজি ফিলিং স্টেশনের পুনঃসংযোগের ঘটনার বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

সাভার জোনের ডিজিএম অজিত কুমার দেব বার্তা২৪.কম-কে বলেছেন, আমি নিজে সম্ভার সিএনজি ফিলিং স্টেশনের লাইসেন্স দেখেছি, তারা ফরওয়ার্ডিংসহ দিয়েছি, বারকোড দিয়ে যাচাই করেছি, তারপর সংযোগ দিয়েছি। মানিক সিএনজি ও সাভার সিএনজি লাইসেন্স পেয়েছে। অন্যদেরগুলো ম্যানেজার দেখেছে তিনি ভালো বলতে পারবেন। তাদেরকে নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে বিইআরসির লাইসেন্স দেখে সংযোগ দিতে। লাইসেন্স পেলে আমাকে না জানালেও চলবে।

কিছুক্ষণ পর খোঁজ নিয়ে অজিত কুমার দেব জানান, নবীনগর ও দুবাই সিএনজি আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, ওরা এখনও লাইসেন্স পায়নি। আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।

তবে বিইআরসির একাধিক সূত্র দাবি করেছে, এখনও কার্যপত্রই অনুমোদন হয়নি, তাহলে লাইসেন্স ইস্যু হওয়ার প্রশ্নও ওঠে না। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) লাইসেন্স না থাকায় সম্প্রতি বেশ কিছু সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এরপর লাইসেন্সের জন্য ভিড় জমায় বিইআরসি।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর বিইআরসির কমিশনের বৈঠকে ৪৭টি লাইসেন্সের আবেদন উপস্থাপন করে। এরমধ্যে ৪০টি আবেদনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকায় লাইসেন্স ইস্যুর সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। কমিশনের ওই সভার কার্যপত্র এখনও চূড়ান্ত করা যায়নি।

বিইআরসির সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ আবু ফারুক বার্তা২৪.কম-কে বলেছেন, আমার কাছে কার্যপত্র এসেছে। ৪০টি ফাইল পরীক্ষা দেখতে সময় লাগছে, আমি প্রায় শেষ করে এনেছি, কালকে (২৭ সেপ্টেম্বর) হয়তো স্বাক্ষর হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, কার্যপত্র স্বাক্ষরের পর লাইসেন্স ইস্যু শুরু হবে। এখনও লাইসেন্স ইস্যু শুরু হয়নি। সাভার অঞ্চলে পুনঃসংযোগ দেওয়ার বিষয়টি জানালে বলেন, এটা হওয়ার কোন ‍সুযোগ নেই। নির্দিষ্ট করে কোন তথ্য প্রমাণ থাকলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত ১০ ও ১১ সেপ্টেম্বর বেশকিছু ফিলিং স্টেশনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এরমধ্যে সাভার অঞ্চলেই ১৪টি। দ্রুত লাইসেন্স পেতে প্রতি দিনই লোকজন ধর্না দিচ্ছে কমিশনে। কমিশন অন্যান্য কাজ রেখে গভীর রাত পর্যন্ত লাইসেন্সের কাজ করতে দেখা গেছে। লোকবল সংকটসহ নানা কারণে এখনও শেষ করে আনতে পারেনি।

সোমবারও (২৬ সেপ্টেম্বর) অনেককে বলা হয়েছে কার্যপত্র হয়ে গেলেই লাইসেন্স পাবেন। এনিয়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন মালিকদের মধ্যে কিছুটা ক্ষোভ রয়েছে। তবে তারা একে নিয়তি হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন। কিন্তু সাভার অঞ্চলে ২৫ সেপ্টেম্বরেই কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সংযোগ দেওয়ার খবরে অনেকেই বিইআরসির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তারা বলেছেন, আমাদের বলা হচ্ছে লাইসেন্স দেওয়া শুরু হয়নি, দেওয়া হবে। আবার কাউকে দেওয়া হচ্ছে, কিসের ভিত্তিতে। নিশ্চয় তাদের সঙ্গে কমিশনের যোগসাজশ রয়েছে, না হলে এতো বড় মিথ্যা কথা বলার সাহস পায়কি করে।

ইদানিং কমিশনের কিছু কর্মকর্তার ঘুষ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। কমিশনের মিটিংয়ে অনুমোদন হয়নি তার আগেই পেট্রোলিয়ামের লাইসেন্স একটি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি কমিশনের চেয়ারম্যানের নজরে এলে ৫ জনকে শোকজ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করে অংকুরেই দুর্নীতির শেকড় উপড়ে ফেলতে না পারলে বিইআরসি তার ভাবমুর্তি ধরে রাখতে ব্যর্থ হবে।

বিইআরসি আইন ২০০৩ ও গ্যাস আইন ২০১০ অনুযায়ী বিইআরসির লাইসেন্স ছাড়া সিএনজি স্টেশন পরিচালনা করার কোন ‍সুযোগ নেই। লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে শতাধিক ফিলিং স্টেশন। ওইসব সিএনজি রি-ফুয়েলিং স্টেশনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ২০১৪ সালে প্রথম চিঠি দেয় বিইআরসি। এরপরও মোট ৮ দফায় চিঠি দেওয়া হলেও তিতাসের সাড়া দিচ্ছিল না। ৬ সেপ্টেম্বর বার্তা২৪.কম-কে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। নিউজের পর কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়ে নবায়নের মেয়াদ শেষ হয়েছে এমন সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে তিতাস।

অথচ বিইআরসির নির্দেশনা ছিল যারা একবারেই নেয়নি, তাদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার প্রতি জোর দিতে। পাবলিকের অসন্তোষ সৃষ্টির জন্য তিতাস এমডি কৌশলী চাল খেলেছেন বলে মনে করেন বিইআরসির অনেকেই।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ফোন দিলেও রিসিভ করেননি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হারুনুর রশীদ মোল্লাহ।

;

পূজার কেনাকাটায় বিকাশ পেমেন্টে ২০% পর্যন্ত ক্যাশব্যাক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
পূজার কেনাকাটায় বিকাশ পেমেন্টে ২০% পর্যন্ত ক্যাশব্যাক

পূজার কেনাকাটায় বিকাশ পেমেন্টে ২০% পর্যন্ত ক্যাশব্যাক

  • Font increase
  • Font Decrease

শারদীয় দূর্গা পূজার কেনাকাটায় বিকাশ পেমেন্টে ২০% পর্যন্ত ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক দিচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশ। অফারটি চলবে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত।

এছাড়া, পূজার কেনাকাটায় জিল’স, ফেস ওয়াস ও বেক্সি ফেব্রিক্স–এ পছন্দের কেনাকাটায় বিকাশ পেমেন্টে গ্রাহকরা পাচ্ছেন ৫% থেকে ৫০% পর্যন্ত ডিসকাউন্ট।

পোশাক, জুতা, অ্যাক্সেসরিজ, রেস্টুরেন্ট সহ দেশজুড়ে ৯০০ আউটলেটে কেনাকাটা বা খাওয়া দাওয়া করে বিকাশ পেমেন্ট করলেই গ্রাহক পাচ্ছেন ২০% পর্যন্ত ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক। একজন গ্রাহক দিনে ১০০ টাকা পর্যন্ত এবং অফার চলাকালীন সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা ক্যাশব্যাক উপভোগ করতে পারবেন।

বিকাশ অ্যাপ, অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ও ইউএসএসডি কোড *২৪৭# ব্যবহার করে অফারগুলো পেতে পারেন গ্রাহকরা। অফারগুলোর বিস্তারিত জানা যাবে www.bkash.com/payment/ - এই লিংকে¬। বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে হোমস্ক্রিনের ‘মেক পেমেন্ট’ আইকনে ট্যাপ করে মার্চেন্ট নম্বর দিয়ে অথবা সরাসরি কিউআর কোড স্ক্যান করে গ্রাহকরা পেমেন্ট করতে পারছেন।

পাশাপাশি, গ্রাহকরা সহজেই বিকাশ অ্যাপের ‘অফার’ অংশে গিয়ে চলমান সব অফার সম্পর্কে জানতে পারেন। গ্রাহক চাইলে ‘বিকাশ ম্যাপ’ থেকে ‘মার্চেন্ট’ অপশনে গিয়ে অফার বাটনে ক্লিক করে তার আশেপাশের যে আউটলেটগুলোতে অফার চলছে সেগুলোর লোকেশনসহ বিস্তারিত দেখে নিতে পারেন। এছাড়া, ‘মাই বিকাশ’ অংশের ‘মাই অফার’ বটনে ট্যাপ করলে গ্রাহক তার জন্য নির্বাচিত অফারগুলো এক জায়গায় খুঁজে পাবেন।

;

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ২২টি নতুন উপশাখার উদ্বোধন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ২২টি নতুন উপশাখার উদ্বোধন

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ২২টি নতুন উপশাখার উদ্বোধন

  • Font increase
  • Font Decrease

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ২২টি নতুন উপশাখার উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) প্রধান কার্যালয় হতে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে নতুন উপশাখাগুলোর উদ্বোধন করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. মোঃ মাহবুব উল আলম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জাফর আলম। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু রেজা মোঃ ইয়াহিয়া, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সামছুল হক ও মুহাম্মদ ফোরকানুল্লাহ, মানব সম্পদ বিভাগের প্রধান কাজী ওবায়দুল আল-ফারুক, চীফ রেমিট্যান্স কর্মকর্তা মোঃ মোশাররফ হোসাইন, মার্কেটিং এন্ড ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান মোঃ মনিরুজ্জামান এবং ব্রাঞ্চেস কন্ট্রোল এন্ড জেনারেল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান সাইফ আল-আমীন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখাসমূহের ব্যবস্থাপক ও উপশাখার ইনচার্জ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

;