সাশ্রয়ী জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর তাগিদ জ্বালানি উপদেষ্টার



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ জ্বালানির খনিজসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী

প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ জ্বালানির খনিজসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী

  • Font increase
  • Font Decrease

বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানির মূল্য ক্রমবর্ধমান হওয়ায় ইউরোপ এখন কয়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিকে যাচ্ছে। আমাদের কার্বন ইমিশন খুবই কম, আমাদের ফুয়েল মিক্সে সাশ্রয়ী মূল্যের জ্বালানির অংশ বাড়ানো যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ জ্বালানির খনিজসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী।

রোববার (৩ জুলাই) ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে সমন্বিত জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনার অন্তবর্তী প্রতিবেদনের উপর আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। মহাপরিকল্পনাটি জাইকার কারিগরি সহায়তায় প্রণয়ন করা হচ্ছে।

সাশ্রয়ী জ্বালানি বলতে গ্যাস ও কয়লাকে বিবেচনা করা হয় বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে। আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে কয়লাকে সাশ্রয়ী জ্বালানির উৎস বিবেচনা করা হয়। জ্বালানি উপদেষ্টা তবে কি কয়লার  ব্যবহার বাড়ানোর ইঙ্গিত দিলেন। যা এতোদিন ধরেই অনাদরে পড়ে রয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আরও বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ চেইন পুনঃপরীক্ষা করা উচিত। কৃষিতে সার ও জ্বালানির ব্যবহারে কৃচ্ছতা,পরিবহন খাতে, শিল্প বা আবাসিকে জ্বালানি তেলের সাশ্রয়ীব্যবহার আমাদের জন্য কল্যাণকর ।

তিনি বলেন, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্ভাবনের দিকে মনোনিবেশ করতে হবে। এই উদ্ভাবনই সাফল্যের চাবিকাঠি। আমাদের থ্রী হুইলার এক সময় হয়তো জ্বালানি সংরক্ষণ ও নিরাপত্তার ল্যান্ডমার্ক হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে।

টেকসই উন্নয়নকে লক্ষ্য রেখে পূর্বের মহাপরিকল্পনাপর্যালোচনা, ২০৫০ পর্যন্ত জ্বালানি ও বিদ্যুৎ চাহিদা, প্রাথমিক জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ, জ্বালানি সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনা, ২০৫০ পর্যন্ত জ্বালানির চাহিদা ও সরবরাহের উপর ভিত্তি করে Nationally Determined Contribution (NDC) হালনাগাদ, সর্বপরি অংশীজনদের সাথে আলোচনা করে সমন্বিত জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে।। অর্থনীতি জ্বালানি এবং পরিবেশের সঙ্গে নিরাপত্তার বিষয়টি  সংযুক্ত করে সুষম উন্নয়ন করতেই এই মহাপরিকল্পনা। ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন ইমিশন নেট জিরো করার নির্দশনাও এখানে থাকবে।

জ্বালানির চাহিদা নিরুপণে জিডিপি প্রবৃদ্ধি, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, জ্বালানির মূল্য বিশ্লেষণ ও প্রযুক্তির উন্নয়ন নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়েছে। প্রযুক্তির উন্নয়নের জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সহজ্বালানি হিসেবে এমোনিয়া, ২০৩৫ সালের মধ্যে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সহ জ্বালানি হিসেবে হাইড্রোজেন ব্যবহৃত হবে বা বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো: মাহবুব হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বিদ্যুৎ সচিব মো: হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাকি,

জাইকার বাংলাদেশ অফিসের প্রধান প্রতিনিধি হায়াকায়া ইউহ ও জাইকা ষ্টাডি টীমের প্রধান ইচিরোকুতানি বক্তব্য রাখেন।

‘ডলারের কারণে ভোজ্যতেলের দাম কমানো সম্ভব হয়নি’



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি

  • Font increase
  • Font Decrease

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ভোজ্যতেলের দাম বিশ্ববাজারে কমেছে তবে ডলারের দাম বাড়ার কারণে ঐ তুলনায় কমানো সম্ভব হয়নি। তবে ট্যারিফ কমিশন বিষয়টি দেখছে, খুব শিগগিরই সমন্বয় করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

জ্বালানি তেলের দাম প্রসঙ্গে বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পরেও প্রতিবেশি দেশের তুলনায় এখন জ্বালানি তেলের দাম কম।

;

ডলার যায় দুবাই!



আলমগীর হোসেন
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের টাকা এখন ডলারে রূপান্তরিত হয়ে দুবাইমুখী। ডলার নিয়ে যাওয়ার এখন প্রধানতম গন্তব্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে দুবাই। ঝক্কি-ঝামেলা নাই। ডলার ব্যাংকেও রাখা যায়, সম্পদ কিনে বিনিয়োগ করা এখন একদম সহজ। আগে যে বিধিনিষেধ ছিল প্রায় দু’বছর আগে তা তুলে নিয়েছে দুবাই সরকার। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্পদশালী আমির শাসিত এই দুবাই হচ্ছে একটি কসমোপলিটান এলাকা। বাংলাদেশি কিছু অসৎ ব্যবসায়ী এখন দেদারসে সম্পদ ক্রয়ে মনোযোগী হয়েছেন, টাকা নিয়ে যাচ্ছেন অবৈধ পন্থায়।

বিধিনিষেধগুলো উঠে যাওয়ার পর এদের দুবাইতে অর্থ নিয়ে যাওয়ার এই দৌড় শুরু হয়। এই শ্রেণিভুক্ত বাংলাদশিরা এরই মধ্যে দুবাইতে গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়। এদের সপরিবারে দুবাইতে ঘনঘন যাওয়া-আসা রয়েছে। এত যাওয়া-আসা প্রশ্নবিদ্ধ যাতে না হয় সেজন্য অজুহাত হিসেবে বলা হয় চিকিৎসার কথাও।

আমেরিকা-কানাডা ও ইউরোপের কয়েকটি দেশে সম্পদ ক্রয়-বিক্রয়ে কড়াকড়ি আরোপের পর এর দুবাইমুখী হতে শুরু করে। পশ্চিমা দেশগুলো এখন অতীতে বিপুল অর্থ দিয়ে সম্পদ বা বাড়ি-গাড়ি কেনার জন্য অর্থের উৎসও জানতে চাইছে। এই অর্থের ট্যাক্ম, দেওয়া হয়েছে কিনা সে প্রশ্নও জানতে চেয়ে নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে। এই সম্পদগুলোর বেশিরভাগ বাংলাদেশি এই অবৈধ অর্থবিত্তের অর্জনকারীরা নিকটজনের নামে কেনা। নতুন নীতিমালা অতীতে কেনা বিনিয়োগ সম্পর্কে জানাতে হবে কর্তৃপক্ষকে। এর ফলে সম্পদ বিক্রিও বেশ কঠিন ও কার্যতঃ বন্ধ হয়ে গেছে।


দুবাই ব্যাংকিং সুবিধা থেকে শুরু করে অন্য সব সুযোগ দেওয়ার ফলে দুবাইকেই বেছে নেওয়া হচ্ছে এখন।

দুবাইতে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠানোও এখন ডাল-ভাত। যেকোন পরিমাণ অর্থ অতি সহজে পাঠানো যায় হুন্ডি করে। এছাড়া অতি প্রভাবশালীরা সঙ্গে করে বিপুল পরিমাণ ক্যাশ ডলার নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়মিত।
সুইস ব্যাংকখ্যাত সুইজারল্যান্ড এক সময় অবৈধ অর্থ পাচার বা গচ্ছিত রাখার স্বর্গরাজ্য হলেও এখন দুবাইকে বলা হচ্ছে মধ্য প্রাচ্যের সুইজারল্যান্ড।

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) দুবাইছাড়া অন্য ৬টি আমিরাতের মধ্যে সবচাইতে সম্পদশালী হচ্ছে আবুধাবী। দুবাইয়ের মত আবুধাবী ও শারজাহ বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে একই ধরণের সুবিধা দেওয়ার দিকে ঝুঁকছে।

প্রধান সম্পাদক
বার্তা২৪.কম

;

মাসে ২০৫ কোটি টাকা লাভের আশা করছে বিপিসি



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিপিসি

বিপিসি

  • Font increase
  • Font Decrease

সবকিছু ঠিক থাকলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) মাসে ২০৫ কোটি টাকা মুনাফা হবে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতেও বিপিসি কেনো মুনাফার রেখে দর নির্ধারণ করতে হলে তার উত্তর দেননি বিপিসির চেয়ারম্যান এবিএম আজাদ।

বুধবার (১০ আগস্ট) বিকেলে ঢাকাস্থ বিপিসির লিয়াজো অফিসে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে বিপিসি চেয়ারম্যান এমন তথ্য জানান।

বিপিসি চেয়ারম্যান আরও বলেন, ডলারের দর যদি অপরিবর্তিত থাকে, আর প্রাক্কলন অনুযায়ী যদি জ্বালানি তেল বিক্রি হয় তবেই ২০৫ কোটি টাকা মুনাফা হবে। পেট্রোলের মুনাফা প্রকাশ না করলেও গত ৮দিনের গড় হিসেবে অকটেনে লিটার প্রতি ৩৫ টাকা করে মুনাফা হচ্ছে। অন্যদিকে ডিজেলে ৬ টাকার মতো লোকসান হচ্ছে বলে দাবী করেন তিনি।

তিনি বলেন, কেউ কেউ বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। আন্তর্জাতিক বাজারের যে দর উল্লেখ করা হচ্ছে, তা আসলে ক্রড অয়েলের দাম। আমরা মাত্র ১৫ লাখ টন ক্রড আমদানি করি, সেখান থেকে ২০ শতাংশ ডিজেল যোগান আসে। আর ৮০ শতাংশ ডিজেল সরাসরি আমদানি করতে হয়, যার বর্তমান দর (৮ আগস্ট) ১১৮.৭৩ ডলার। এরসঙ্গে প্রিমিয়াম, ভ্যাট-ট্যাক্স ও অন্যান্য কমিশন যোগ করলে যা দাঁড়ায় তাতে এখনও লোকসান হচ্ছে। জুলাই মাসে ব্যারেল প্রতি ডিজেল ১৩৯.৪৩ ডলারে আমদানি করে অন্যান্য খরচ যোগ করলে লিটার প্রতি মূল্য দাঁড়িয়েছিল ১২২.৩০ টাকা। তখন বিক্রি করা হয়েছে ৮০ টাকা দরে। পেট্রোল অকটেন ও অন্যান্য পণ্য মিলিয়ে মুনাফা হবে।

বিপিসি চেয়ারম্যান বলেন, ব্যাংকে বিপিসির জমা অর্থ নিয়েও বিভ্রান্ত ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে। বর্তমানে চলতি মুনধন রয়েছে ৭ হাজার ৭৪ কোটি ৯২ লাখ টাকা। এই খাত থেকে আমদানির খরচ মেটানো হয়। এই খাতে ২ মাসের সমমূল্যের আমদানির অর্থ রাখতে হয় নিরাপত্তার জন্য। গত জুন মাসে ৭ হাজার ৭৭১ কোটি টাকা এবং জুলাইয়ে আমদানির বিল পরিশোধ করতে হয়েছে ১০ হাজার ৩১২ কোটি টাকা। সে হিসেবে ২০ হাজার কোটি টাকা থাকা উচিত, অনেক সময় এফডিআর ভেঙ্গে প্রেমেন্ট দিতে হচ্ছে। ফরেন কারেন্সি ও প্রকল্পের সিডি হিসাবে ২৮৬ কোটি ৭১ লাখ, শেয়ার অফলোড/রিজার্ভ ফান্ডে ১ হাজার ৩৪২ কোটি ৮৭ লাখ, উন্নয়ন তহবিলে ৩৭২ কোটি, অবচয় তহবিলে ৮৬ কোটি ২১ লাখ, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বিপরীতে রয়েছে ১০ হাজার ৭১৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকার স্থিতি। সব মিলিয়ে ব্যাংকে জমা রয়েছে ১৯ হাজার ৮৮২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। ইআরএল ইউনিট-২ প্রকল্পের জন্য এরই মধ্যে এফডিআর নগদায়ন করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ১৯৯৯-২০০০ অর্থ বছর থেকে ২০১৩-১৪ অর্থবছর পর‌্যন্ত বিপিসি ৫৩ হাজার ৫ কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে। যার বিপরীতে ওই সময়ে ভর্তুকি বাবদ পাওয়া গেছে ৪৪ হাজার ৮৭৭ কোটি টাকা। এতে ঘাটতি থেকে যায় ৮ হাজার ১২৭ কোটি টাকার উপরে। অন্যদিকে ২০১৪-১৫ থেকে ২০২১-২২ অর্থ বছর পর‌্যন্ত ৪২ হাজার ৯৫১ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। এরপর থেকে লোকসান দিতে শুরু করেছে, প্রভিশনাল একটি হিসেব রয়েছে যাতে লোকসান দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৯১০ কোটি টাকা।

এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমিয়ে এলে অবশ্যই দাম কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

তিনি বলেন, বর্তমানে ৩০ দিনের ডিজেল মজুদ রয়েছে, অন্যদিকে পেট্রোল অকটেন রয়েছে ১৯ দিনের মতো। সরবরাহ লাইনে প্রয়োজনীয় যোগান নিশ্চিত রয়েছে সংকটের কোন সম্ভাবনা নেই।

;

বার্জারের আয়োজনে দশম বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ইন আর্কিটেকচার



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বার্জারের আয়োজনে দশম বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ইন আর্কিটেকচার

বার্জারের আয়োজনে দশম বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ইন আর্কিটেকচার

  • Font increase
  • Font Decrease

আজ রাজধানীর গুলশান ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশের (আইএবি) সহযোগিতায় বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ইন আর্কিটেকচার (বিএইএ) উন্মোচন করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় পেইন্ট সল্যুশন ব্র্যান্ড বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড (বিপিবিএল)। 

সংবাদ সম্মেলনে এ অ্যাওয়ার্ডের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে গণমাধ্যমকর্মীদের জানান স্থপতি কাজী এম আরিফ। পাশাপাশি, তিনি ট্রফিও উন্মোচন করে যা প্রথমবারের মতো নকশা করেছেন প্রখ্যাত শিল্পী মো. হামিদ্দুজ্জামান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইএবি’র সভাপতি স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন, বার্জারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রূপালী চৌধুরী, প্রতিষ্ঠানটির সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মো. মহসিন হাবিব চৌধুরী, পিপিইজেড’র প্রধান সাব্বির আহমাদ, চ্যানেল এনগেজমেন্টের প্রধান এ এম এম ফজলুর রশিদ এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রোলিঙ্কস’র প্রধান মোহাম্মাদ তরিকুল ইসলাম।  

বিএইএ-কে অ্যাওয়ার্ডকে দেশের স্থাপত্যের ক্ষেত্রে অন্যতম সম্মানজনক ও স্বীকৃত অ্যাওয়ার্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশের (আইএবি) সহযোগিতায় বার্জার ২০০৩ সালে এ অ্যাওয়ার্ড প্রবর্তন করে।

স্থাপত্যে সেরা কাজগুলোকে স্বীকৃতি প্রদানে বার্জার ‘বার্জার ইয়াং আর্কিটেক্টস’ অ্যাওয়ার্ড চালু করে, যা পরে ২০০৭ সালে ‘বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ইন আর্কিটেকিচার (বিএইএ)’ নামকরণ করা হয়। এ বছর বিএইএ অ্যাওয়ার্ডের দশম পর্ব সংস্করণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে, অর্থাৎ এ অ্যাওয়ার্ড ২০ বছর ধরে প্রদান করা হচ্ছে, যা স্থাপত্য ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক ও উল্লেখযোগ্য অর্জন। 

বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ইন আর্কিটেকচার ‘বার্জার আর্কিটেক্টস’ অ্যাওয়ার্ড ও ‘বার্জার ইয়াং আর্কিটেক্টস’ অ্যাওয়ার্ড – এ দু’টি বিভাগে পুরস্কৃত করার উদ্যোগ হিসেবে শুরু করা হয়, যার মধ্যে আবাসিক ও অনাবাসিক ক্যাটাগরি রয়েছে। এ অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান পরিচালনায় গত ডিসেম্বরে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করে। এ এমওইউ -এর অধীনে উভয় প্রতিষ্ঠান দেশের স্থপতিদের সেরা কাজের জন্য তাদের স্বীকৃতি প্রদানে কাজ করবে।

এ আয়োজনকে আরও কার্যকরী ও সফল করে তুলতে, আইএবি ও বার্জার, বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সেলেন্স ইন আর্কিটেকচার -এর দশম সংস্করণে উন্মুক্ত বিভাগে সবার কাছ থেকে প্রকল্প জমা দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশের সভাপতি স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন বলেন, “উৎকর্ষের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের অ্যাওয়ার্ড স্থপতিদের অনুপ্রাণিত করে। ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ স্থাপত্য ক্ষেত্রে মেধাবীদের কাজের স্বীকৃতি প্রদানে বার্জার প্রবর্তিত এমন অসাধারণ আয়োজনের অংশ হতে পেরে আনন্দিত।” 

বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রূপালী চৌধুরী বলেন, “সেরা কাজগুলো তৈরিতে আমাদের স্থপতিরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন, কিন্তু অনেক সময়ই তাদের সৃষ্টিশীল কাজগুলো স্বীকৃতি পায় না। যোগ্য স্থপতিদের মেধা ও পরিশ্রমকে স্বীকৃতিদানে বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ইন আর্কিটেকচার (বিএইএ) প্রবর্তন করা হয়েছে।”    

বার্জারের সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং -এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মো. মোহসিন হাবিব চৌধুরী বলেন, “২০০৩ সাল থেকে বার্জার স্থাপত্য ক্ষেত্রে সেরা কাজগুলোকে স্বীকৃতি দিয়ে আসছে। এ স্বীকৃতিদানের ২০ বছর হয়েছে। এ সময়ে আমরা বিভিন্ন বিভাগে মেধাবী স্থপতিদের স্বীকৃতি প্রদান করেছি। ভবিষ্যতেও স্থপতিদের অনুপ্রেরণা প্রদানের ক্ষেত্রে আমাদের এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।”    

;