ব্যবসার লাইসেন্সে ভোগান্তি কমানোর তাগিদ এফবিসিসিআই’র



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে ব্যবসার খরচ কমাতে সনদ প্রাপ্তি ও নবায়নে জটিলতার অবসান চান এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) সকালে এফবিসিসিআই ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)’র যৌথ আয়োজনে ‘প্রেজেন্ট সিচুয়্যেশন অফ দ্যা ওয়ান স্টপ সার্ভিস সিস্টেম অফ বিডা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ আহ্বান জানান।

সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, প্রতিবছর নবায়ন করতে গিয়ে বাড়তি টাকা, সময় ও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। একাধিক সংস্থার কাছ থেকে জটিল প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন সনদ সংগ্রহ পদ্ধতি ও বছর বছর নবায়ন প্রক্রিয়ার কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও বাংলাদেশে আসতে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন।

প্রতিবছর নবায়ন পদ্ধতি বাতিল করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজনে সরকারি সংস্থাগুলো নিরীক্ষা পরিচালনা করে দেখতে পারে। ৮ থেকে ১০টি সংস্থার কাছ থেকে কারখানার নিরাপত্তা সংক্রান্ত সনদ নিতে হয়। এসব সনদ একটি সংস্থার কাছ থেকে ইস্যু হওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, পুরো ইপিজেড বন্ডেড হলেও, এখানকার কারখানাগুলোকে বন্ড লাইসেন্স নিতে হচ্ছে। সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতির ওপর ভর করে বিদেশিরা এদেশের ইপিজেডে বিনিয়োগ করেছেন। কিন্তু এমন পদক্ষেপে তারা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম ব্যবসায়ীদের বিডার ওয়ান স্টপ সার্ভিসের সেবা গ্রহণের আহ্বান জানান। ওএসএসে অন্তর্ভুক্ত অন্য সংস্থাগুলোর সেবা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে না পেলে বিডাকে জানানোর অনুরোধও করেন তিনি। নির্বাহী চেয়ারম্যান জানান, কোন সংস্থা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেবা না দিলে ওয়ান স্টপ সার্ভিস আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে। এছাড়াও আইনটি বাস্তাবায়নে অর্থমন্ত্রীকে প্রধান করে একটি কমিটিও রয়েছে। কমিটিতে অন্যান্য মন্ত্রীরাও রয়েছেন। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ নিষ্পত্তিতে প্রয়োজনে মন্ত্রীদের কাছে যাওয়ারও আশ্বাস দেন তিনি।

এর আগে, বিডার ওএসএস এর ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিডার পরিচালক জীবন কৃষ্ণ সাহা রায়। তিনি জানান, বিডার ওএসএসে সেবা দিতে ৩৯টি সংস্থার সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। আরও ১১টির সঙ্গে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বর্তমানে ৫৮টি সেবা ওএসএসের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে। যার মধ্যে ১৮টি বিডার নিজস্ব সেবা, বাকিগুলো অন্যান্য সংস্থার।

এছাড়াও কীভাবে ওএসএস থেকে সেবা গ্রহণ করা যাবে মূল প্রবন্ধে সে সম্পর্কে আলোচনা করা হয় ।

প্রবন্ধের ওপর মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন এফবিসিসিআই’র পরিচালক মো. নাসের, সাবেক পরিচালক এস এম কামাল উদ্দীন, বিপিজিএমইএ’র সভাপতি শামীম আহমেদ, এফবিসিসিআই’র উপদেষ্টা ব্রিগ্রে: জেনারেল (অব.) আবু নাঈম মো. শহীদুল্লাহ, প্যানেল উপদেষ্টা ড. মোস্তফা আবিদ খান ও অন্যান্য ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।

আগস্টের ১০ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ৮১ কোটি ডলার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি বছরের আগস্ট মাসের ১০ দিনে দেশে ৮১ কো‌টি ৩০ লাখ (৮১৩ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা বাংলাদেশের প্রায় ৭ হাজার ৮০৪ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৯৬ টাকা ধরে)।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে, ডলারের বাজার প্রায় প্রতিদিনই ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। এখন এক ডলার রেমিট্যান্সের বিপরীতে ব্যাংক ৯৬ থেকে ৯৮ টাকা দিচ্ছে। সঙ্গে যোগ হচ্ছে সরকারের আড়াই শতাংশ প্রণোদনা। সব মিলিয়ে ১০০ টাকার মতো। এদিকে খোলা বাজারে টাকার দরপতন হয়েছে ব্যাপকভাবে। খোলা বাজারে ডলার বিক্রি হচ্ছে ১১৯ থেকে ১২০ টাকায়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডলার সংকট কাটাতে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চলমান ধারা অব্যাহত থাকলে আগস্ট মাস শেষে রেমিট্যান্স প্রবাহে নতুন রেকর্ড গড়বে। তবে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজার এবং খোলা বাজারে ডলারের দামের পার্থক্য কমাতে পারলে এর সুফল প্রবাসী আয়ে পড়বে।

গত জুলাইয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ২০৯ কোটি ৬৯ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়েছেন, স্থানীয় মুদ্রায় বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী এ অর্থের পরিমাণ প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। জুলাইয়ে তার আগের মাস জুনের চেয়ে প্রায় ২৬ কোটি ডলার বেশি এসেছে। জুন মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮৩ কোটি ৭২ লাখ ডলার। মে মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮৮ কোটি ৫৩ লাখ ডলার। এ ছাড়া আগের বছরের জুলাইয়ের তুলনায় এ বছরের জুলাইয়ে ২২ কোটি ৫৪ লাখ ডলার বেশি এসেছে। গত বছর জুলাই মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ১৮৭ কোটি ১৫ লাখ ডলার।

;

খেলাপি ঋণের রেকর্ড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

লাগাম ছাড়িয়েছে খেলাপি ঋণের পরিমাণ। চলতি বছরের জুন মাস শেষে দেশের ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের খেলাপি ঋণসংক্রান্ত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২ সালের জুন মাস শেষে ব্যাংকিং খাতের মোট বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ২৫ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা। যা গত বছরের জুনের তুলনায় ২৬ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে। গত বছরের একই সময়ে খেলাপির পরিমাণ ছিল ৯৯ হাজার ২০৫ কোটি টাকা।

খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তারা জানান, চলমান করোনা মহামারির মধ্যে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীরা ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ায় অনেক গ্রহীতা ঋণ পরিশোধ করতে পারছেন না।

মহামারি করোনার কারণে ২০২০ সালে ঋণ পরিশোধ করতে ব্যবসায়ীদের বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। পরে এই বিশেষ সুবিধা তুলে নেওয়ায় খেলাপি ঋণের বাড়তে থাকে। যার ফলে ব্যাংকিং খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে কর্মকর্তারা মনে করছেন।

তাদের মতে, ঋণগ্রহীতারা এখন আগের ও চলমান কিস্তি একত্রে পরিশোধের জন্য অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়ছেন, যার কারণে অনেকেই খেলাপি হয়ে পড়েছেন। এছাড়াও অনেকেই ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণ পরিশোধ না করায় খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে বলেও জানান তারা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের জুন প্রান্তিক শেষে ব্যাংকিং খাতের মোট বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৯৮ হাজার ৫৯২ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ এক লাখ ২৫ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা। যা মোট বিতরণ করা ঋণের ৮ দশমিক ৯৬ শতাংশ। তিন মাস আগে মার্চ শেষে খেলাপি ছিল এক লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা। সে হিসাবে তিন মাসে খেলাপি বেড়েছে ১১ হাজার ৮১৭ কোটি টাকা।

;

সাউথইস্ট ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা, ৮% নগদ, ৪% বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
আলমগীর কবির, এফসিএ, চেয়ারম্যান এবং অন্যান্য পরিচালকগণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহনের মাধ্যমে সাউথইস্ট ব্যাংকের ২৭তম (ভার্চ্যুয়াল) বার্ষিক সাধারণ সভা পরিচালনা করেন।

আলমগীর কবির, এফসিএ, চেয়ারম্যান এবং অন্যান্য পরিচালকগণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহনের মাধ্যমে সাউথইস্ট ব্যাংকের ২৭তম (ভার্চ্যুয়াল) বার্ষিক সাধারণ সভা পরিচালনা করেন।

  • Font increase
  • Font Decrease

সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেডের ২৭তম (ভার্চ্যুয়াল) বার্ষিক সাধারণ সভা গত ১১ই আগস্ট বৃহস্পতিবার, সকাল ১১ টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় ব্যাংকের সম্মানিত চেয়ারম্যান আলমগীর কবির, এফসিএ সভাপতিত্ব করেন। সভায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেন ব্যাংকের সম্মানিত ভাইস চেয়ারপারসন মিসেস দুলুমা আহমেদ ও পর্ষদের পরিচালকবৃন্দ মিসেস জোসনা আরা কাশেম, মো: আকিকুর রহমান, ম. মনিরুজ জামান খান (প্রতিনিধি পরিচালক: বে লিজিং এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড), মোঃ রফিকুল ইসলাম (প্রতিনিধি পরিচালক: এশিয়া ইন্স্যুরেন্স লিঃ), মিস আঞ্জুমান আরা সাহিদ (প্রতিনিধি পরিচালক: সিঙ্গেল ক্লিক আইটি সলিউশন (প্রাঃ) লিঃ), স্বতন্ত্র পরিচালকবৃন্দ সৈয়দ সাজেদুল করিম এবং মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। সভায় আরও সংযুক্ত ছিলেন কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. কামাল হোসেন এবং কোম্পানী সচিব এ.কে.এম. নাজমুল হায়দার।

ব্যাংকের সম্মানিত উদ্যোক্তাগন এবং বিপুল সংখ্যক শেয়ারহোল্ডারগন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভার প্রারম্ভে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে “জাতীয় শোক দিবস ২০২২” উপলক্ষে বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপনকল্পে সভার সভাপতি এবং ব্যাংকের সম্মানিত চেয়ারম্যান আলমগীর কবির, এফসিএ সহ অংশগ্রহণকারী সকলে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব এবং নিষ্পাপ শিশু শেখ রাসেল সহ পরিবারের সকল শহীদ সদস্যদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এম. কামাল হোসেন ২৭তম (ভার্চ্যুয়াল) বার্ষিক সাধারণ সভায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী শেয়ারহোল্ডারদের স্বাগত জানান এবং ২০২১ সালে ব্যাংকের পরিচালন ফলাফলের উপর আলোকপাত করেন। তিনি ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত ভবিষ্যত পরিকল্পনা এবং কৌশলসমূহ উপস্থাপন করেন যা ব্যাংকের পরিচালনগত দক্ষতা ও সম্পদের গুনগত মান বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। তিনি ২০২১ সাল থেকে চলমান কোভিড-১৯ এর কারনে সৃষ্ট আর্থিক ক্ষতিসমূহ উত্তরণে সরকার কর্তৃক ঘোষিত নীতিমালার আলোকে ব্যাংকের কৌশলগত কর্মপরিকল্পনায় যে পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে তা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

সভায় ব্যাংকের পরিচালন ফলাফল, ভাল পরিচালন প্রসূত মুনাফা ও ব্যবসায়ে উত্তম প্রবৃদ্ধি অর্জনের উপর আলোকপাত করা হয়। সভায় প্রকাশ করা হয় যে, ব্যাংক বিগত ২০২১ সালে ৮,৬৭১. ১২ মিলিয়ন টাকা (সম্মিলিত) পরিচালন মুনাফা অর্জন করেছে। ৩১শে ডিসেম্বর, ২০২১ তারিখে ব্যাংকের আমানতের পরিমান ৩৭৬,৭০০.৭৭ মিলিয়ন টাকা, মোট সম্পদের পরিমান ৪৯৫,৮৪১.৯৬ মিলিয়ন টাকা, শেয়ার প্রতি আয় ১.৫০ টাকা (সম্মিলিত), শেয়ার প্রতি নীট সম্পদ মূল্য ২৫.২২ টাকা (সম্মিলিত) এবং শেয়ার প্রতি নীট পরিচালন নগদ প্রবাহ ছিল ১৭.৮৯ টাকা (সম্মিলিত)। ২০২১ সালে ব্যাংকের মূল্য-আয় অনুপাত ছিল ১০.৭৫ গুন। ৩১শে ডিসেম্বর, ২০২১ ইং তারিখে ব্যাংকের মূলধন ও রিজার্ভের পরিমান দাঁড়িয়েছে ৪১,৩২৭.০৭ মিলিয়ন টাকায়। ব্যয় দক্ষতার ভিত্তিতে সাউথইস্ট ব্যাংক ব্যাংকিং খাতে অন্যতম শীর্ষস্থানে অবস্থান করে। ২০২১ সালে ব্যাংকের আয় অনুপাত ব্যয় ছিল ৪০.৯০% এবং কর্মচারী প্রতি মুনাফা অর্জিত হয় ০.৫৯ মিলিয়ন টাকা ও শাখা প্রতি মুনাফা অর্জিত হয় ১২.৭০ মিলিয়ন টাকা।

ব্যাংকের ২৭তম (ভার্চ্যুয়াল) বার্ষিক সাধারণ সভায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সংযুক্ত শেয়ারহোল্ডারগনের সর্বসম্মত ভোটে ৮% নগদ লভ্যাংশ ও ৪% বোনাস লভ্যাংশ এবং ২০২১ সালে সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনসমূহ অনুমোদিত হয়।

ব্যাংকের সম্মানিত চেয়ারম্যান আলমগীর কবির, এফসিএ, তাঁর ভাষণে ব্যাংকের টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে সর্বাতœক সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য পরিচালকবৃন্দ এবং শেয়ারহোল্ডারগণের উছ¡সিত প্রশংসা করেন। ব্যাংকের ভাবমূর্তি অক্ষুন্ন রেখে তিনি ব্যাংকের পরিচালন দক্ষতার মান ও মুনাফাবৃদ্ধির জন্য শেয়ারহোল্ডারদের পাঠানো সুচিন্তিত ও গঠনমূলক পরামর্শসমূহ বাস্তবায়নেরও প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শেয়ারহোল্ডারবৃন্দ অনলাইনের মাধ্যমে তাঁদের মূল্যবান প্রশ্ন ও মতামত প্রেরন করেন। তাঁরা চমৎকার পরিচালন ফলাফল, স্থিতিশীল লভ্যাংশ ঘোষনা এবং তথ্য-সমৃদ্ধ, সমন্বিত এবং আকর্ষনীয় বার্ষিক প্রতিবেদন-২০২১ প্রকাশের জন্য ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ এবং ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের ভূয়সী প্রশংসা করেন। 

;

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি: পরিষ্কার ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম

  • Font increase
  • Font Decrease

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর যৌক্তিকতার বিষয়ে জনগণের কাছে পরিষ্কার ব্যাখ্যা তুলে ধরার জন্য জ্বালানি মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যুক্ত হন। 

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বিস্তারিত জানান।

বৈঠকে জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এরইমধ্যে জ্বালানি মন্ত্রণালয় ও বিপিসির চেয়ারম্যান প্রেসে বিস্তারিত বলেছেন। ওটাই জাস্ট মন্ত্রিসভাকে অবহিত করা হয়েছে।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলে দেশেও কমবে কি না- জানতে চাইলে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, এগুলো নিয়ে তো ওনারা বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। এর মধ্যে আবার ব্যাখ্যা দেবেন। আজ বলে দেওয়া হয়েছে, কারণ এটি একটি টেকনিক্যাল বিষয়। 

তিনি বলেন, স্বল্প পরিসরে আমি ব্যাখ্যা দিলে অনেক প্রশ্ন আসবে, উত্তরও হয়তো দেওয়া যাবে না। এজন্য জ্বালানি মন্ত্রণালয়কে বলে দেয়া হয়েছে। তাদের আবার ব্রিফিং করতে বলা হয়েছে। 

সরকার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবে কি না- জানতে চাইলে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, এগুলো তাদের ব্রিফিংয়ে সব ক্লিয়ার করবেন। আজ মূলত তারা পুরো ক্যাবিনেটকে ব্রিফ করেছেন। ক্যাবিনেট কোনো ওপিনিয়ন দেয়নি, বলে দিয়েছে- জ্বালানি মন্ত্রণালয় যাতে বিষয়টি পরিষ্কার করে মানুষের সামনে তুলে ধরার জন্য।

;