আর্জেন্টিনার জয়ে রাত জুড়ে কুবিতে আনন্দ মিছিল



কুবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুমিল্লা
আর্জেন্টিনার জয়ে রাত জুড়ে কুবিতে আনন্দ মিছিল

আর্জেন্টিনার জয়ে রাত জুড়ে কুবিতে আনন্দ মিছিল

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বকাপ গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মেক্সিকোর সাথে ২-০ গোলে জয়ের পর রাত জুড়ে আনন্দ মিছিল করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্জেন্টিনার সমর্থকরা।

শনিবার (২৭ নভেম্বর) রাত ৩টার দিকে খেলা শেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল থেকে শুরু করে পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে এই আনন্দ মিছিল করেন তারা ।

খেলার শেষ পর্যায়ে রেফারির বাঁশির সাথে সাথে উল্লাসে ফেটে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্জেন্টাইন সমর্থক শিক্ষার্থীরা 'মেসি, মেসি' স্লোগানে মিছিলে নেমে পড়েন।

এই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেদের ৩টি আবাসিক হলের আর্জেন্টাইন সাপোর্টাররা পর পর আনন্দ মিছিল নিয়ে একসাথে প্রধান ফটকে মিলিত হয়।

জয়ের পর বঙ্গবন্ধু হলের আর্জেন্টিনা সমর্থক গোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাকিব হোসেন বলেন, আমরা আর্জেন্টিনা সমর্থকরা একবারের জন্যও আশা হারাইনি। আমাদের বিশ্বাস ছিল মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা ভালো কিছুই করবে । মেক্সিকোর রক্ষণ ভাঙ্গা যখন দুঃসাধ্য মনে হচ্ছিল, তখন দুর্দান্ত এক গোল করলেন মেসি। পরে আরও একটা গোল করলেন এনজো ফার্নান্দেস। ফুটবলের জাদুকর মেসির শেষ বিশ্বকাপ হওয়ায় খুব করে চাই আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হোক।

এর আগে ২২ নভেম্বর গ্রুপ পর্বের ১ম ম্যাচে অপেক্ষাকৃত দূর্বল দল কাতারের সাথে ২-১ গোলের পরাজয়ে টানা ৩৬ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ডের ইতি হয় আলবিসেলেস্তেদের।

ঢাবি ও অধিভুক্ত কলেজের ১১৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ড ও পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও অধিভুক্ত কলেজের ১১৩ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী সিন্ডিকেট সভায় বহিষ্কারের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ, অসদাচরণ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থি বিভিন্ন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. নাজমুল আলম ওরফে জিম নাজমুলকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এছাড়া পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে তিন শিক্ষার্থীকে স্থায়ীভাবে এবং ১০৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সিন্ডিকেট সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালসহ অন্যান্য সিন্ডিকেট সদস্যরা। এর আগে গত বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির এক বৈঠকে বহিষ্কার সংক্রান্ত সুপারিশ করা হয়।

;

জবিতে মঞ্চস্থ হলো ‘নিমজ্জন’



জবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
জবিতে মঞ্চস্থ হলো ‘নিমজ্জন’

জবিতে মঞ্চস্থ হলো ‘নিমজ্জন’

  • Font increase
  • Font Decrease

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নাট্যকলা বিভাগের প্রযোজনায় মঞ্চস্থ হয়েছে নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন রচিত ‘নিমজ্জন’ নাটক। নাট্যকলা বিভাগের দ্বিতীয় আবর্তনের স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষা প্রযোজনা হিসেবে নাটকটি প্রদর্শিত হয়।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্ত চত্ত্বরে নাট্যকলা বিভাগের চেয়ারম্যান শামস শাহরিয়ার কবি'র নির্দেশনায় নাটকটি মঞ্চস্থ হয়।

’নিমজ্জন’ নাটকে আগন্তুক চরিত্রে মাজেদ আহমেদ ও সাদ্দাম হোসেন, ভিক্ষুক চরিত্রে মাহাবুবুর রহমান, চাবিওয়ালা চরিত্রে মো. এনামুল হাসান কাওছার, গেস্ট হাউজের মালিক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক (আগন্তুকের বন্ধু) চরিত্রে মো. ইমরান হোসেন, কবি চরিত্রে সাজ্জাত হোসেন, সাহিত্যের অধ্যাপক চরিত্রে ইমরান হাবীব, ইকোলোজিস্ট চরিত্রে হাফসা ফারিহা উর্মী, ইন্টোরেগেশন অফিসার হিসেবে তাকরিম, উর্মী, সাজ্জাত এবং যুবক চরিত্রে ছিলেন শান্ত।

কোরিওগ্রাফি দলে ছিলেন নিশা, বাবলু, মিম, অনামিকা, কর্ণা, অনন্যা, সোমালি, মুস্তাকিন, মুগ্ধ। আবহ সঙ্গীতে ছিলেন শৈলী, খুশি, শোভন, নওমী, হিয়া, পলক, নিশা ও রিয়াজ। দ্রব্যসামগ্রী প্রয়োগে ছিলেন সাজ্জাত, অনামিকা, সোমালি, কর্ণা, শান্ত, উর্মী ও ইমন। পোশাক পরিকল্পনা সহযোগী ছিলেন উর্মী, মাহবুব ও সাদ্দাম। মুখোশ নির্মাণে ছিলেন জেরিন চাকমা ও মীম। প্রচার ও প্রকাশনায় ছিলেন ইমন ও কাওছার। সেট নির্মাণ ও প্রয়োগে ছিলেন রঞ্জন, মাহবুব, নোভা, তামান্না, শ্রাবন্তী, অভিজিত, ইয়াছিন, ফিজা, কাকন, আনোয়ার, ব্রতী, সৌমিক, রুদ্র ও রাজিন। পাণ্ডুলিপি সম্পাদনায় ছিলেন কাওছার। ফ্লোর ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন মাহাবুবুর রহমান ও সাদ্দাম হোসেন।

নাটকটি প্রদর্শনের সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন রচিত এই নাটকটি বিশ্বের সব গণহত্যাকে উপজীব্য করে নির্মিত। এই নাটকের মাধ্যমে গণহত্যাকারীদের প্রতি তীব্র ঘৃণা ও ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে। গাওয়া হয়েছে মানবিকতার জয়গান।

;

চবি উপাচার্যের কার্যালয় ভাঙচুর করেছে ছাত্রলীগ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
চবি উপাচার্যের কার্যালয় ভাঙচুর করেছে ছাত্রলীগ

চবি উপাচার্যের কার্যালয় ভাঙচুর করেছে ছাত্রলীগ

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্যের দফতর ভাঙচুর করেছে শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এসময় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনও আটকে দেন। নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশ না করায় তারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানা যায়।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪১তম সিন্ডিকেটের সভা শেষেই এই ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, আজ সিন্ডিকেটের ৫৪১তম সভা ছিল। সভায় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগসহ বিভিন্ন এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা হয়। সাড়ে ৪টার দিকে সভা শেষ হলে ছাত্রলীগের একাকার গ্রুপের নেতা কর্মীরা ভিসির দফতরে যায়। সেখানে গিয়ে জানতে পারে ছাত্রলীগের এক পছন্দের প্রার্থী কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রায়হান আহমেদকে শিক্ষক নিয়োগে সিন্ডিকেট সুপারিশ করেনি। এরপরই ভিসির দফতরের কাপ পিরিচ ও ফুলদানি ভাঙচুর করে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেন আটকে দেয় তারা।

চবি শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও একাকার গ্রুপের নেতা মইনুল ইসলাম রাসেল বলেন, আজকে সিন্ডিকেটে জামায়াত শিবিরের রাজনীতি ও সরকার বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িতদেরকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বাকিদের চাইতে বেশি যোগ্যতা থাকা সত্বেও ছাত্রলীগের একনিষ্ঠ কর্মী এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের রিসেন্ট কমিটির সদস্য রাইয়ান আহমেদকে নিয়োগ দেয়া হয়নি। আমাদের প্রথম দাবি রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড ও জামায়াত শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িতদের শিক্ষক থেকে বাদ দিতে হবে। আর দ্বিতীয় দাবি হল ছাত্রলীগের একনিষ্ঠ কর্মী রাইয়ান আহমেদকে মেরিন সায়েন্স বিভাগের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মী উপাচার্যের দফতরে হামলার চেষ্টা করেছিল। পরে আমরা তাদের সরিয়ে নিয়ে এসেছি। এ বিষয়ে আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিচ্ছি।

;

চবিসাস নির্বাচন: সভাপতিসহ চার পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম চট্টগ্রাম
চবিসাস নির্বাচন: সভাপতিসহ চার পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত, তিন পদে ভোট কাল

চবিসাস নির্বাচন: সভাপতিসহ চার পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত, তিন পদে ভোট কাল

  • Font increase
  • Font Decrease

 চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (চবিসাস) কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন-২০২৩ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে। এবার ৭টি পদের বিপরীতে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ১০ জন প্রার্থী। এছাড়া সভাপতিসহ চারটি পদে এক প্রার্থী হওয়ায় তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। এসময় চার পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার সহকারী প্রক্টর এসএএম জিয়াউল ইসলাম।

চারটি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিতরা হলেন:

সভাপতি পদে ডিবিসি নিউজ ও দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিনিধি মাহবুব এ রহমান, সহ-সভাপতি পদে ঢাকা পোস্টের প্রতিনিধি রুমান হাফিজ, সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক আজাদীর প্রতিনিধি ইমাম ইমু, দফতর ও প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক পদে বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোরের প্রতিনিধি মোহাম্মদ আজহার।

এছাড়া তিন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন:

যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে- বাংলাট্রিবিউনের প্রতিনিধি নবাব আব্দুর রহিম ও চট্টগ্রাম খবরের ইফতেখারুল ইসলাম, অর্থ-ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে- দৈনিক যুগান্তরের প্রতিনিধি রোকনুজ্জামান ও ঢাকা স্টেটের প্রতিনিধি দোস্ত মোহাম্মদ, কার্যনির্বাহী সদস্য পদে দৈনিক পূর্বদেশের প্রতিনিধি শাহরিয়াজ মোহাম্মদ ভোরের ডাকের প্রতিনিধি তামীম আহমেদ শরীফ।

নির্বাচন কমিশনার সহকারী প্রক্টর এসএএম জিয়াউল ইসলাম বলেন, ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেন প্রার্থীরা। ৩০ জানুয়ারি দুপুর ২টা পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহারের সুযোগ ছিলো। কেউ প্রত্যাহার না করায় প্রার্থীদের তালিকা যাচাই-বাছাই শেষে আজ দুপুর ৩টায় প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা ও চার পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ৩১ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা দেড়টা পর্যন্ত বাকি ৩ পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একইদিন ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

চবিসাসের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করবেন প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া। এছাড়া নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বে থাকবেন সহকারী প্রক্টর ড. শহীদুল ইসলাম ও এসএএম জিয়াউল ইসলাম।

;