মহানগরে ছাত্রলীগের সম্মেলন ২ ডিসেম্বর, ঢাবিতে ৩ ডিসেম্বর



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঢাকা মহানগরে ছাত্রলীগের সম্মেলন ২ ডিসেম্বর, ঢাবিতে ৩ ডিসেম্বর

ঢাকা মহানগরে ছাত্রলীগের সম্মেলন ২ ডিসেম্বর, ঢাবিতে ৩ ডিসেম্বর

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামী ৩ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর আগে ২ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সম্মিলিত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

সোমবার (২১ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ৩০তম জাতীয় সম্মেলন সফলভাবে আয়োজন ও প্রস্তুতি উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়।

জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে অনুষ্ঠিত হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সম্মেলন, অন্যদিকেে ২ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সম্মিলিত সম্মেলন ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সাদ্দাম হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান হৃদয়, মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক যোবায়ের আহমেদসহ সংগঠনের পদপ্রত্যাশী নেতারা ও বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা।

মধ্যরাতে জাবি উপাচার্যের বাসভবনের সামনে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ



জাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নিরাপদ ক্যাম্পাস এবং মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার গতি নিয়ন্ত্রণসহ চার দফা দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত পৌনে একটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. নুরুল আলমের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন।

জানা গেছে, সন্ধ্যা সাতটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাওলানা ভাসানী হল সংলগ্ন সড়কে সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের প্রথম বর্ষের (৫১ ব্যাচ) ছাত্র জাহিদ হাসান নামের এক শিক্ষার্থী মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হন। বর্তমানে তিনি সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে আছেন। এ দুর্ঘটনার কারণেই বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে জড়ো হন।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসা ও শিক্ষার ব্যয়ভার প্রশাসনকে বহন করতে হবে, মোটরসাইকেল চালকের শাস্তি নিশ্চিত করা ও আবাসিক হলগুলোর সামনে গতিরোধক নির্মাণ।

এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান বলেন, আমি আহত শিক্ষার্থীকে দেখতে হাসপাতালে এসেছি। এখান থেকে বের হয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলবো।

;

এ যেন এক নৈসর্গিক পুষ্প উদ্যান!



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
এ যেন এক নৈসর্গিক পুষ্প উদ্যান!

এ যেন এক নৈসর্গিক পুষ্প উদ্যান!

  • Font increase
  • Font Decrease

বাঙালি ও বাংলাদেশের স্থাপত্যশিল্পের আদিম নিদর্শন পদ্মাপাড়ের রাজশাহী কলেজ। ভবনগুলোর শৈল্পিক-সুদৃঢ় কাঠামো অনায়াসে ভাবনার জগতে দাগ কাটে যে কারোর। কৃতিত্ব, সৌন্দর্য আর আভিজাত্যের জন্য বিখ্যাত লাল দালানের এই ভবনগুলো। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে র্যাঙ্কিংয়ে টানা চতুর্থবারের মতো দেশসেরা হয়েছে রাজশাহী কলেজ। দেশের একমাত্র এই মডেল কলেজ সেরা সরকারি কলেজেরও খেতাবও অর্জন করেছে। রাজশাহী কলেজ জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে তিনবার। শুধু পড়াশোনায় শ্রেষ্ঠ নয়; গাছপালা ঘেরা মনোরম পরিবেশ এবং লাল দেওয়ালের এই বৈচিত্র্যময় কলেজের অপরূপ সৌন্দর্য শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বাইরে থেকে আগত বিভিন্ন দর্শনার্থীদের মন জয় করে তুলেছে।

কলেজের মনোরম এই পরিবেশ ও সৌন্দর্যের অন্যতম অংশ হলো ফুলের বাগান। চেনা-অচেনা অসংখ্য গাছ-গাছালি এবং হরেক রকমের ফুলের গাছ দিয়ে সাজানো হয়েছে এই ক্যাম্পাসের আঙ্গিনা। চারপাশের সবুজ প্রকৃতি পাখির কলরব এবং রং বেরঙের ফুল দ্বারা সেজে উঠেছে তার অপার মহিমায়।


ফুল, সে তো এক প্রশান্তির প্রতীক। কখনো ভালোবাসার প্রতীক আবার কখনো বন্ধুত্বের প্রতীক। অনেকেই বলে থাকে কালো মানেই অশুভ আর শোক প্রকাশ। তবে অধিকাংশ ফুলপ্রেমী কালো ফুল দেখে শোক প্রকাশের পরিবর্তে বিমোহিত হয়ে পড়ে। ফুল মানে নিছকই সৌন্দর্যের বিষয়বস্তু নয় বরং তা ভালোলাগা, ভালোবাসার এক আবেগময় শব্দ। সৃষ্টিকর্তার অন্যতম সৃষ্টি ফুল যা আমাদের পৃথিবীকে আরো সুন্দর করে তুলেছে। প্রকৃতি তার সৌন্দর্য প্রকাশ করে ফুলের মাধ্যমে। ফুল তার নিজ সৌন্দর্য গুনে চারপাশের পরিবেশকে আরো প্রাণবন্ত করে তোলে।

হরেক রকমের ফুলের কারণেই দৃষ্টিনন্দিত হয়েছে দেশসেরা এই কলেজটি। শীতকালে গাছের পাতা ঝরে রিক্ততা সৃষ্টির মূহুর্তে রকমারি ফুল দিয়ে নিজের সৌন্দর্য প্রকাশ করেছে এই ক্যাম্পাসটি। এ যেনো এক অনন্য রূপ!

শীতের সকালে ক্যাম্পাসে ভাসতে থাকে মোহনীয় সব ফুলের সৌরভ। এই স্নিগ্ধ সকালের শিশির বিন্দুতে ভিজে লাল টকটকে রং ধারণ করেছে ডালিয়া। শিশির স্নাতে অপরুপ সাজে সজ্জিত হয়েছে চন্দ্রমল্লিকা, জারবেরা, ক্যালেণ্ডুলা, সুইট উইলিয়াম সহ হরেক রকমের ফুল। হিমেল হাওয়ায় সতেজ হয়ে উঠেছে যেন গাঁদাগুলোও। উঁচু ভবন থেকে দেখলে মনে হয় যেন মাটিতে বিছানো রয়েছে এক ফুলের গালিচা।


ক্যাম্পাসের বিভিন্ন চত্বর, ভবন ও ফাঁকা জায়গাগুলোজুড়ে রয়েছে মোহনীয় সব ফুলের সৌন্দর্য। কলেজের প্রশাসন ভবনের পেছনে পুকুরপাড় সংলগ্ন রয়েছে একটি বাগান। যেখানে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির গোলাপ, গাঁদা, ডালিয়া, জিনিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, টাইম ফুল, ব্যাচেলরস বাটন, চাইনিজ ফ্রিঞ্জসহ হরেক রকমের ফুল। এ যেন এক নৈসর্গিক পুষ্পউদ্যান!

প্রতিদিনই প্রায় শত দর্শনার্থীর ভিড় জমে এই পুষ্পউদ্যানে। নৈসর্গিক এই পুষ্পউদ্যানের পাশেই পুকুরটিতে দেখা যায় পদ্ম ফুলের সমারোহ। শুধু পদ্ময় নয়; আরও দেখা যায় দূর্লভ লাল শাপলা। শাপলা-পদ্মের এই নিবিড় বন্ধন এই দেশসেরা কলেজ ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য দ্বিগুন বৃদ্ধি করেছে।

পদ্মা নার্সিং ইনস্টিটিউটের মরিয়ম শান্তা নামের এক শিক্ষার্থী এসেছিলেন এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে। তিনি বলেন, আমি আজ প্রথম এই কলেজে ঘুরতে এসেছি। অন্যান্য স্কুল, কলেজেও আমি ফুলের গাছ দেখেছি কিন্তু একসাথে এতোগুলা ফুল কখনো দেখিনি। আর ফুল মানেই তো চোখের প্রশান্তি, মনের প্রশান্তি। আমার মনে হচ্ছে এখানে এসে সত্যিই আমি সেই প্রশান্তিটা পাচ্ছি। আমার অনেক ভালো লাগছে।


রাজশাহী কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের মাষ্টার্স শেষ পর্বের ছাত্র রিকো মাহমুদ বলেন, আমি এখানে এসেছি কয়েকমাস হলো মাত্র। কলেজ সময় ছাড়াও কখনো কখনো সকালে এমনকি বিকেলে ও ঘুরতে আসি। কারণ ক্যাম্পাসের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন মনোরম পরিবেশ, নাম না জানা বিভিন্ন প্রজাতির গাছ-গাছালি, ফুল দেখে সত্যি মনটা ভালো হয়ে যায়। জানা-অজানা এতো শত ফুলের সৌন্দর্যে খুব প্রশান্তি অনুভব করি। ব্যাচেলরস বাটন, চাইনিজ ফ্রিঞ্জসহ এমন কয়েক ধরণের ফুলের সাথে এখানে এসে আমি পরিচিত হয়েছি।

ফুলের সৌন্দর্যের বিষয়ে রাজশাহী কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাঃ আব্দুল খালেক বলেন, ফুল সৌন্দর্যের প্রতীক। কলেজের সৌন্দর্য বর্ধিত করার জন্যই রং-বেরং এর ফুল গাছ লাগানোর হয়েছে। আর শাপলা-পদ্ম আমাদের সকলের শৈশবকে মনে করিয়ে দেয়। ছোটবেলাকে ফিরে পাওয়ার জন্যই মূলত এই পদ্ম পুকুরের আয়োজন।

তিনি বলেন, দেশসেরা এই কলেজ একদিকে যেমন লাল ভবন, ভবনের উপরে আঁকা টেরাকোটা দিয়ে ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে, অন্যদিকে তেমনি হাজারো রকমারি ফুল দিয়ে কেঁড়ে নিয়েছে আগতো শত দর্শনার্থীর মন। কলেজটির শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ সকলেই বিমোহিত হয় নিজ ক্যাম্পাস দেখে।

;

ঢাবি ও অধিভুক্ত কলেজের ১১৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ড ও পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও অধিভুক্ত কলেজের ১১৩ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী সিন্ডিকেট সভায় বহিষ্কারের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ, অসদাচরণ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থি বিভিন্ন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. নাজমুল আলম ওরফে জিম নাজমুলকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এছাড়া পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে তিন শিক্ষার্থীকে স্থায়ীভাবে এবং ১০৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সিন্ডিকেট সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালসহ অন্যান্য সিন্ডিকেট সদস্যরা। এর আগে গত বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির এক বৈঠকে বহিষ্কার সংক্রান্ত সুপারিশ করা হয়।

;

জবিতে মঞ্চস্থ হলো ‘নিমজ্জন’



জবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
জবিতে মঞ্চস্থ হলো ‘নিমজ্জন’

জবিতে মঞ্চস্থ হলো ‘নিমজ্জন’

  • Font increase
  • Font Decrease

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নাট্যকলা বিভাগের প্রযোজনায় মঞ্চস্থ হয়েছে নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন রচিত ‘নিমজ্জন’ নাটক। নাট্যকলা বিভাগের দ্বিতীয় আবর্তনের স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষা প্রযোজনা হিসেবে নাটকটি প্রদর্শিত হয়।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্ত চত্ত্বরে নাট্যকলা বিভাগের চেয়ারম্যান শামস শাহরিয়ার কবি'র নির্দেশনায় নাটকটি মঞ্চস্থ হয়।

’নিমজ্জন’ নাটকে আগন্তুক চরিত্রে মাজেদ আহমেদ ও সাদ্দাম হোসেন, ভিক্ষুক চরিত্রে মাহাবুবুর রহমান, চাবিওয়ালা চরিত্রে মো. এনামুল হাসান কাওছার, গেস্ট হাউজের মালিক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক (আগন্তুকের বন্ধু) চরিত্রে মো. ইমরান হোসেন, কবি চরিত্রে সাজ্জাত হোসেন, সাহিত্যের অধ্যাপক চরিত্রে ইমরান হাবীব, ইকোলোজিস্ট চরিত্রে হাফসা ফারিহা উর্মী, ইন্টোরেগেশন অফিসার হিসেবে তাকরিম, উর্মী, সাজ্জাত এবং যুবক চরিত্রে ছিলেন শান্ত।

কোরিওগ্রাফি দলে ছিলেন নিশা, বাবলু, মিম, অনামিকা, কর্ণা, অনন্যা, সোমালি, মুস্তাকিন, মুগ্ধ। আবহ সঙ্গীতে ছিলেন শৈলী, খুশি, শোভন, নওমী, হিয়া, পলক, নিশা ও রিয়াজ। দ্রব্যসামগ্রী প্রয়োগে ছিলেন সাজ্জাত, অনামিকা, সোমালি, কর্ণা, শান্ত, উর্মী ও ইমন। পোশাক পরিকল্পনা সহযোগী ছিলেন উর্মী, মাহবুব ও সাদ্দাম। মুখোশ নির্মাণে ছিলেন জেরিন চাকমা ও মীম। প্রচার ও প্রকাশনায় ছিলেন ইমন ও কাওছার। সেট নির্মাণ ও প্রয়োগে ছিলেন রঞ্জন, মাহবুব, নোভা, তামান্না, শ্রাবন্তী, অভিজিত, ইয়াছিন, ফিজা, কাকন, আনোয়ার, ব্রতী, সৌমিক, রুদ্র ও রাজিন। পাণ্ডুলিপি সম্পাদনায় ছিলেন কাওছার। ফ্লোর ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন মাহাবুবুর রহমান ও সাদ্দাম হোসেন।

নাটকটি প্রদর্শনের সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন রচিত এই নাটকটি বিশ্বের সব গণহত্যাকে উপজীব্য করে নির্মিত। এই নাটকের মাধ্যমে গণহত্যাকারীদের প্রতি তীব্র ঘৃণা ও ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে। গাওয়া হয়েছে মানবিকতার জয়গান।

;