ফেসবুকে হাহা রিয়েক্টকে কেন্দ্র করে শেকৃবিতে মারামারি, আহত ৫



শেকৃবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ফেসবুকে হাহা রিয়েক্টকে কেন্দ্র করে শেকৃবিতে মারামারি, আহত ৫

ফেসবুকে হাহা রিয়েক্টকে কেন্দ্র করে শেকৃবিতে মারামারি, আহত ৫

  • Font increase
  • Font Decrease

বঙ্গনীতি এবং জুনিয়র তোলা নিয়ে ফেসবুক পোস্টে হাহা দেওয়াকে কেন্দ্র করে রাতজুড়ে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব সিরাজউদ্দৌলা আবাসিক হলের ঢাকা অঞ্চল এবং কুমিল্লা অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারি হয়। এসময় ঢাকা অঞ্চলের ২১ ব্যাচের রাকিব, ওয়ালিদ সহ চারজন এবং কুমিল্লা অঞ্চলের রোফি ওসমানি নামের একজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়।

২০ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) রাতজুড়ে এ ঘটনা ঘটে। ঢাকা এবং কুমিল্লা অঞ্চলের মারামারি এবং ঝামেলার সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা একে অপরকে অভিযুক্ত করে এবং শেরেবাংলা নগর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে বলে উল্লেখ করে।

শেরেবাংলা নগর থানার এসআই সাব্বির আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ‘মধ্যরাতে গণরুমে মারামারির ঘটনায় দুইপক্ষেরই লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। যেহেতু এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ ঘটনা, সেখানকার প্রক্টর ঘটনাটি জানেন। তিনিই পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঘটনা স্থলে উপস্থিত এক শিক্ষার্থী বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘জুনিয়র তোলা নিয়ে মূলত ঢাকা এবং কুমিল্লা অঞ্চলের মধ্যে ঝামেলা অনেক আগে থেকে। জুনিয়র তোলা নিয়ে ফেসবুকে কুমিল্লা অঞ্চলের ২১ ব্যাচের কয়েকজন পোস্ট দিলে সেই পোস্টে হাহা রিয়েক্ট দেয় ঢাকা অঞ্চলের ২১ ব্যাচের মুশফিক, এনামুল হাসনাত সহ অনেকে। পরে দুই পক্ষ নিজেদের মধ্যে জেলা বন্টন নিয়ে আলোচনা করতে গেলে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির সময় সিনিয়র জুনিয়রদের মধ্যে হাতাহাতি পর্যায়ে চলে যায়। এসময়ে দুই অঞ্চলের পাঁচজনের অধিক মারাত্মক ভাবে আহত হয়।’

পরিস্থিতি খারাপ অবস্থায় গেলে নবাব সিরাজউদ্দৌলা হলের সহকারী প্রোভোস্ট, হলের ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোক্টর হারুন উর রশিদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ‘নবাব সিরাজুদ্দৌলা হলে রাতে দুই পক্ষের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। এই বিষয়ে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবগত আছি, রাতে হলের প্রোভোস্ট, সহকারী প্রোভোস্ট ঘটনা স্থলে উপস্থিত ছিলেন। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তারা। আমরা আজ রাতে বসব যদি তদন্ত কমিটি গঠন করার প্রয়োজন হয় করব এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নিব। তবে দুই পক্ষের কেউই লিখিত কোনো অভিযোগ আমাদের কাছে দেয় নি।থানায় তারা অভিযোগ দিয়েছে কিনা সে বিষয়ে আমরা অবগত না’।

আর্জেন্টিনার জয়ে রাত জুড়ে কুবিতে আনন্দ মিছিল



কুবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুমিল্লা
আর্জেন্টিনার জয়ে রাত জুড়ে কুবিতে আনন্দ মিছিল

আর্জেন্টিনার জয়ে রাত জুড়ে কুবিতে আনন্দ মিছিল

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বকাপ গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মেক্সিকোর সাথে ২-০ গোলে জয়ের পর রাত জুড়ে আনন্দ মিছিল করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্জেন্টিনার সমর্থকরা।

শনিবার (২৭ নভেম্বর) রাত ৩টার দিকে খেলা শেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল থেকে শুরু করে পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে এই আনন্দ মিছিল করেন তারা ।

খেলার শেষ পর্যায়ে রেফারির বাঁশির সাথে সাথে উল্লাসে ফেটে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্জেন্টাইন সমর্থক শিক্ষার্থীরা 'মেসি, মেসি' স্লোগানে মিছিলে নেমে পড়েন।

এই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেদের ৩টি আবাসিক হলের আর্জেন্টাইন সাপোর্টাররা পর পর আনন্দ মিছিল নিয়ে একসাথে প্রধান ফটকে মিলিত হয়।

জয়ের পর বঙ্গবন্ধু হলের আর্জেন্টিনা সমর্থক গোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাকিব হোসেন বলেন, আমরা আর্জেন্টিনা সমর্থকরা একবারের জন্যও আশা হারাইনি। আমাদের বিশ্বাস ছিল মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা ভালো কিছুই করবে । মেক্সিকোর রক্ষণ ভাঙ্গা যখন দুঃসাধ্য মনে হচ্ছিল, তখন দুর্দান্ত এক গোল করলেন মেসি। পরে আরও একটা গোল করলেন এনজো ফার্নান্দেস। ফুটবলের জাদুকর মেসির শেষ বিশ্বকাপ হওয়ায় খুব করে চাই আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হোক।

এর আগে ২২ নভেম্বর গ্রুপ পর্বের ১ম ম্যাচে অপেক্ষাকৃত দূর্বল দল কাতারের সাথে ২-১ গোলের পরাজয়ে টানা ৩৬ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ডের ইতি হয় আলবিসেলেস্তেদের।

;

নেতাজী সুভাসচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক পিস অ্যাওয়ার্ড পেলেন রাবির অধ্যাপক



রাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
অধ্যাপক ড. হীরা সোবাহান

অধ্যাপক ড. হীরা সোবাহান

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের শিক্ষা ও চারুকলায় বিশেষ অবদান রাখায় ‘নেতাজী সুভাসচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক পিস অ্যাওয়ার্ড ২০২২’ পেয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. হীরা সোবাহান।

গত ২৩ নভেম্বর বিকাল ৩টায় ভারতের কলকাতায় "মহাবোধি সোসাইটি" মিলনায়তনের অনুষ্ঠানে এই পুরস্কার পান তিনি।

ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ অ্যাসোসিয়েশন ও সাউথ এশিয়া বিজনেস পার্টনারশিপ এর যৌথ আয়োজনে ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে নেপাল ও বাংলাদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন। পুরস্কার প্রাপ্তির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "নেতাজী সুভাষ বসু পুরস্কারের মধ্য দিয়ে আমি চারু শিক্ষার মান সমুন্নত এবং চারচর্চায় নিজেকে নিমগ্ন করতে আরো সচেষ্ট হবো। আমাকে এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করায় কর্তৃপক্ষকে অসংখ্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।"

;

ঢাবির জগন্নাথ হল ভবন থেকে পড়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জগন্নাথ হলের সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য ভবনের দশম তলা থেকে পড়ে এক আবাসিক ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের ভবন থেকে পড়ে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। তার নাম লিমন কুমার রায় (২০)।’

লিমন কুমার রায় রংপুর জেলার বাসিন্দা এবং ঢাবির ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইআর) বিভাগের ছাত্র।

সে জগন্নাথ হলের সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য ভবনের ৪০২১ নম্বর কক্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী।

হল সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল ১০টার দিকে হলের সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য ভবনের দশম তলা থেকে ঝাঁপ দেয় ওই শিক্ষার্থী। পরে কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

এ প্রসঙ্গে জগন্নাথ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মিহির লাল সাহা বলেন, ‘সকাল ১০টার দিকে সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য ভবন থেকে পড়ে যান লিমন নামের এক ছাত্র। শব্দ শুনে হলের শিক্ষার্থীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।’

তবে তার মৃত্যু আত্মহত্যা কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

;

ঢাবির জগন্নাথ হলের ছাদ থেকে পড়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
লিমন কুমার রায়

লিমন কুমার রায়

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জগন্নাথ হলের ছাদ থেকে পড়ে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত ওই শিক্ষার্থী লিমন কুমার রায় (২০) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের স্নাতক ৩য় বর্ষের ছাত্র।

২০১৯-২০ শিক্ষা বর্ষের লিমন বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে সন্তোষচন্দ্র ভট্টাচার্য ভবনের ৪০২১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। তাঁর বাড়ি নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুরা গ্রামে।

বুধবার (২৩ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে হলটির সন্তোষ ভবনের ছাদ থেকে পড়ে আহত হলে লিমনকে তাঁর সহপাঠীরা উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে পৌনে ১১ টায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ মিহির লাল সাহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, লিমন কীভাবে পড়েছে সেটা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

বর্তমানে ঢাবি শিক্ষার্থী লিমন কুমার রায়ের মরদেহ ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে, বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া।

এদিকে হলটির বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকালে ওই ভবনের ছাদে ফোনে কারও সঙ্গে কথা বলতে দেখা গেছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে কথা বলার এক পর্যায়ে সে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। কেন না একবুক রেলিং বেয়ে নিচে পড়ার সম্ভাবনা কারও নেই। তাছাড়া ছাদে তাঁর রেখে যাওয়া জুতা জোড়া পাওয়া গেছে।

;