গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা: 'ক' ইউনিটে পাস করেনি ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী



জবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা: 'ক' ইউনিটে পাস করেনি ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা: 'ক' ইউনিটে পাস করেনি ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের ২২টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) বিকালে ফল প্রকাশ করা হয়। পরীক্ষায় পাস করেছে ৫৬ শতাংশ শিক্ষার্থী (৫৫.৬৩ শতাংশ)। পরীক্ষায় ন্যুনতম পাস নাম্বার পায়নি ৪৪ শতাংশ (৪৩.৩৭ শতাংশ) শিক্ষার্থী। বিভিন্ন কারণে ওএমআর বাতিল হয়েছে ১৫৫১ জন (১শতাংশ) শিক্ষার্থীর। পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়েছে সুমাইয়া রহমান ও সুমাইয়া বিনতে নামের দুই শিক্ষার্থী।

গুচ্ছ ভর্তি কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের 'ক' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় সারাদেশে মোট ১লক্ষ ৫৩ হাজার ৮৪৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তার মধ্যে পাস করেছে ৮৫ হাজার ৫৮২ জন শিক্ষার্থী।

তিনি বলেন, এবারও ফল চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ থাকবে। আগামী ২০ আগস্ট বাণিজ্য অনুষদভুক্ত 'সি' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শেষে ফল চ্যালেঞ্জের সময় নির্ধারণ করা হবে। তবে ফল চ্যালেঞ্জের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের দুই হাজার টাকা ফি প্রদান করতে হবে।

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কমিটি সূত্রে জানা যায়, এবার বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত 'ক' ইউনিটে আবেদন করেছিল মোট ১লক্ষ ৬১ হাজার ৭৬৭ জন শিক্ষার্থী। তার মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ১লক্ষ ৫৩ হাজার ৮৪৪ জন শিক্ষার্থী। অর্থাৎ অংশ নিয়েছিল ৯৫.১০ শতাংশ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পাস করেছে  ৮৫ হাজার ৫৮২ জন শিক্ষার্থী। তবে পাস করতে পারেনি ৬৬ হাজার ৭১১ জন শিক্ষার্থী।

ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ (৮৭.৫) নাম্বার পেয়ে যৌথভাবে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন সুমাইয়া রহমান এবং সুমাইয়া বিনতে মাসুদ নামের দুই শিক্ষার্থী। এর মধ্যে সুমাইয়া রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে এবং সুমাইয়া বিনতে মাসুদ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছেন।

ফল ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল  (https://gstadmission.ac.bd/) এই ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, গত ৩০ জুলাই দেশের ২২টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তি পদ্ধতির বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত 'ক'   ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মোট ৫৭ টি উপকেন্দ্রে 'ক' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।

আগামী ১৩ আগস্ট মানবিক অনুষদভুক্ত 'বি' ইউনিট এবং ২০ আগস্ট বাণিজ্য অনুষদভুক্ত 'সি' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

জাফরু'র সভাপতি রুহুল কুদ্দুস, সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ মিশু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
জাফরু'র সভাপতি রুহুল কুদ্দুস, সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ মিশু

জাফরু'র সভাপতি রুহুল কুদ্দুস, সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ মিশু

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীদের সংগঠন জার্নালিজম অ্যালামনাই ফোরাম অব রাজশাহী ইউনিভার্সিটি-জাফরু এর নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন রুহুল কুদ্দুস খান সুমন (প্রথম ব্যাচ)। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মাহফুজ মিশু (নবম ব্যাচ)।

শুক্রবার ২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন টাওয়ারে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম-ইআরএফ কার্যালয়ে জাফরু'র বার্ষিক সাধারণ সভায় এই নতুন কমিটি গঠন করা হয়।

এসময় সংগঠনটির ২৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়। কমিটির সহ-সভাপতি পদে শাহনাজ সিদ্দিকী সোমা ও আরেফিন অডেন; যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সরদার মহিউদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক এম এরশাদ আলী, অর্থ সম্পাদক আইনুদ বিন্থ জুবাইর সনি, মানবসম্পদ ও প্রশাসন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আনিসুল আশেকীন রাসেল, যোগাযোগ ও উন্নয়ন সম্পাদক জুয়েল কিবরিয়া, ক্রীড়া সম্পাদক যোবায়ের শাওন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাহ আলী জয় এবং মানবকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে ইমরান খান নাহিদ নির্বাচিত হয়েছেন।

কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন- সাজ্জাদ আলম শাহীন, সাজেদুল ইসলাম খান, হুমায়ুন কবির নয়ন, মঈনুদ্দীন মিয়া নয়ন, আকতারুল ইসলাম, মো. আখতারুজ্জামান, পারভেজ হাসান তরফদার, খায়রুল আলম মনি, ফেরদাউস মোবারক এবং দেবাশীষ রায়।

কমিটি গঠনের আগে জাফরুর বিদায়ী কমিটির সভাপতি সাজেদুল ইসলাম রুবেলের সভাপতিত্বে বার্ষিক সাধারণ সভা হয়। পারভেজ হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা।

;

ঢাবি ছাত্রলীগের সম্মেলন আজ



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রায় সাড়ে চার বছর পর আজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বার্ষিক সম্মেলন। শনিবার (৩ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে এ সম্মেলন বেলা ৩টা নাগাদ শুরু হবার কথা রয়েছে।

এতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সম্মেলনে প্রধান অতিথি থাকবেন। ছাত্রলীগ সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিবেশ সমুন্নত, পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক ক্যাম্পাসের স্বার্থে শাখা ছাত্রলীগের বার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষ্যে লাগানো সকল ব্যানার-ফেস্টুন সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রলীগ।

উল্লেখ্য, সোমবার (২১ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ৩০তম জাতীয় সম্মেলন সফলভাবে আয়োজন ও প্রস্তুতি উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আগামী ৩ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়টি ঘোষণা করা হয়।

২০১৮ সালের ২৯ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন হয়। সম্মেলনের আড়াই মাস পর ৩১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়।

২০১৮ সালের ৩১ জুলাই এক বছর মেয়াদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দায়িত্ব নেওয়ার পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতেই প্রায় ১০ মাস সময় নিয়েছেন সনজিত-সাদ্দাম। হল কমিটিগুলো করেছেন মেয়াদ শেষ হওয়ার আড়াই বছর পর।

;

ঢাবির সাবেক শিক্ষকের গাড়িচাপায় নারীর মৃত্যু



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপকের গাড়ির নিচে চাপা পড়া এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) বেলা ৩টার দিকে শাহবাগ মোড়ে এই ঘটনা ঘটে।

মৃত ওই নারীর নাম রুবিনা আক্তার (৪৫)। তিনি রাজধানীর হাজারীবাগের সেকশন এলাকার বাসিন্দা।

বিষয়টি ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক মাসুদ মিয়া নিশ্চিত করেছেন।

প্রাইভেটকারের ওই চালক সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রক্টর অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ওই শিক্ষক চাকরিচ্যুত। তিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে সাবেক শিক্ষক।

ওই নারীর দেবর নুরুল আমিন জানান, তেজগাঁও থেকে তিনি ভাবিকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে সেকশন এলাকায় যাচ্ছিলেন। শাহবাগ মোড় পার হওয়ার পর একটি প্রাইভেটকার পেছন থেকে তাদের মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। ওই সময় তার ভাবি ছিটকে পড়েন এবং প্রাইভেটকারের বাম্পারের সঙ্গে আটকে যান। তবে প্রাইভেটকারটি এরপরও না থেমে তার ভাবিকে টেনেহিঁচড়ে প্রায় নীলক্ষেত পর্যন্ত নিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা প্রাইভেটকারটিকে আটক করে এবং তিনি ভাবিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে যান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চাপা দেওয়ার পর ওই নারীকে কয়েকশ গজ দূর পর্যন্ত টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায় প্রাইভেটকারটি। এ ঘটনার পর প্রাইভেটকারটি নিউমার্কেটের দিকে পালিয়ে যেতে চাইলে শিক্ষার্থীরা সেটিকে আটক করে চালককে মারধর করেন।

;

সম্ভাবনাময় বাণিজ্যিক ফুল ‘গ্লোরিওসা’



সিফাতুল্লাহ আমিন, শেকৃবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সম্ভাবনাময় বাণিজ্যিক ফুল ‘গ্লোরিওসা’

সম্ভাবনাময় বাণিজ্যিক ফুল ‘গ্লোরিওসা’

  • Font increase
  • Font Decrease

বর্তমানে দেশের কৃষিক্ষেত্রে ফুলের চাহিদা বেড়েছে ব্যাপক হারে। ঘর সাজানো থেকে যেকোনো অনুষ্ঠানে বিদেশি ফুলের ( cut flower) পাশাপাশি দেশি ফুলের প্রতি আকর্ষণ বেড়েছে ক্রেতাদের। সে লক্ষ্যে গোলাপ-রজনীগন্ধার পাশাপাশি সুদৃশ্য ও দৃষ্টিনন্দন দেশিও গ্লোরিওসা লিলি ফুলের বাণিজ্যিকভাবে সংযোজনের চেষ্টা করে যাচ্ছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এর উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড আ ফ ম জামাল উদ্দিন।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে ৩২ হাজার টনের বেশি ফুল উৎপাদিত হচ্ছে। যার বর্তমান বাজার দর দেড় হাজার কোটি টাকা। আর ফুল প্রক্রিয়াকরণের সঙ্গে যুক্ত সহশিল্পের (ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ) ব্যবসা ধরলে এই বাজার প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার। আরও নতুন ফুল বাজারে সংযোজন হওয়ায় বাজারও কিছুটা বড় হবে বলে আশা করেন এই গবেষক।


বিভিন্ন ধাপে রঙ পরিবর্তন হওয়া ফুলটি কমলা থেকে ধীরে ধীরে রক্তিম বর্ণ ধারণ করে। সম্পূর্ণ প্রস্ফুটিত ফুলটি দেখতে অনেকটা অগ্নিশিখার মত হওয়ায় বাংলাদেশে অগ্নিশিখা নামেই পরিচিত এই গ্লোরিওসা।

আদি উৎপত্তিস্থল এশিয়া ও আফ্রিকার জঙ্গলে হলেও বাংলাদেশ, ভারত ও মায়ানমারে ফুলটি বেশি পাওয়া যায়। ঔষধি গুন সম্পন্ন এ গাছের ফুলের গঠন ও উজ্জ্বল রঙের কারণ বিভিন্ন দেশেই বাণিজ্যিক ভাবে শোভাবর্ধক ফুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে গ্লোরিওসা।

অধ্যাপক জামালের মতে, উষ্ণ আর্দ্র অঞ্চলে জন্মানো ফুলটি বিভিন্ন দেশে কাট ফ্লাওয়ার হিসেবে জনপ্রিয়তা থাকলেও আমাদের দেশে এখনো তেমনভাবে শুরু হয়নি এর প্রচলন।


 

গ্লোরিওসা বীজ বা কন্দের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে। তবে টিস্যু কালচার করেও চারা তৈরি করা যেতে পারে। বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের জন্য কন্দ লাগানোই সুবিধাজনক বলে মনে করেন এই গবেষক।

বেলে দোআঁশ মাটিতে ভালো জন্মানো গাছটির ভালো বৃদ্ধির জন্য ৫.৫-৫.৭ পিএইচ সর্বাপেক্ষা ভালো। লাঙলের ফলার মত দেখতে ভালো এবং ওজনে বেশি এমন কন্দ লাগালে এক বছরেই ফুল পাওয়া যাবে বলেও জানান অধ্যাপক জামাল উদ্দিন। তবে ভালো ফলন পেতে তিন বছরে এক বার কন্দ বিভাজন করতে হবে।

গ্লোরিওসা ফুল ও ফলের সংখ্যা কন্দের ওপর নির্ভরশীল। প্রথম বছরে উৎপাদন কম হলেও পরবর্তী বছর থেকে প্রতি হেক্টরে ৮-১০ লক্ষ ফুল পাওয়া যাবে। তবে বাণিজ্যিক ভাবে গ্লোরিওসা উৎপাদনে অন্যান্য বিদেশি কাট ফ্লাওয়ারের তুলনায় সহজেই অধিক পরিমানে ফুল উৎপাদনের সক্ষম হতে পারবেন কৃষকরা।


উৎপাদন কৌশল অপেক্ষাকৃত সহজ এবং সুদর্শন হওয়াই দেশীয় ফুলের বাজারে এ ফুলের অন্তর্ভুক্তি কৃষক ও ব্যবসায়ী উভয়ই লাভবান করবে বলে মনে করেন গবেষক জামাল উদ্দিন।

;