পহেলা জুলাই থেকে বিমার আওতায় আসছেন রাবি শিক্ষার্থীরা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
পহেলা জুলাই থেকে বিমার আওতায় আসছেন রাবি শিক্ষার্থীরা

পহেলা জুলাই থেকে বিমার আওতায় আসছেন রাবি শিক্ষার্থীরা

  • Font increase
  • Font Decrease

স্বাস্থ্য ও জীবন বীমা প্রকল্পের আওতায় আসছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সকল শিক্ষার্থী। এতে বাৎসরিক দুইশত পঞ্চাশ টাকা পরিশোধের মাধ্যমে মৃত্যুজনিত দাবি বাবদ ২ লক্ষ ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে ৮০ হাজার টাকা পাবেন শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত উন্মুক্ত আলোচনা সভায় এসব কথা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

সভা সূত্রে জানা যায়, ২ বছর মেয়াদী প্রকল্পের আওতায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত নিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যবীমা ও জীবনবীমা চালু হচ্ছে। ফলে নিজ নিজ বিভাগে ভর্তিকালীন সময়ে বাৎসরিক ২৫০ টাকা পরিশোধের মাধ্যমে এ বীমার অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য এ বীমা বাধ্যতামূলক। অধ্যয়নরত অবস্থায় কোন শিক্ষার্থীর মৃত্যু হলে অথবা ছাত্রত্ব শেষ হলে এ বীমা পরিসমাপ্ত হবে।

বীমাকৃত শিক্ষার্থীদের বাৎসরিক প্রিমিয়াম ও প্রাপ্ত সুবিধাসমূহের মধ্যে রয়েছে- বাৎসরিক প্রিমিয়াম,  বীমাকৃত শিক্ষার্থীদের জনপ্রতি মৃত্যুজনিত দাবী বাবদ  ২ লক্ষ টাকা, হাসপাতালে ভর্তিকালীন চিকিৎসার ক্ষেত্রে ৮০ হাজার টাকা। যা প্রতি ৩ মাস পরপর বছরে ৪ বার পেতে পারে। তবে বহির্বিভাগে চিকিৎসার ক্ষেত্রে বছরে ২০ হাজার টাকা পাবেন শিক্ষার্থীরা। যেখানে তাদের প্রতিমাসে একাধিকবার কনসালটেন্সি ফি, মেডিকেল ফি, প্যাথলজি ফি ইত্যাদি বাবদও এ অর্থ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। বীমা চালু হলে সকল নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ডাচ- বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং রকেট এ্যাকাউন্টে একটি ব্যাংক একাউন্ট খুলতে হবে।

সভায় জেনিথ ইন্স্যুরেন্সের ডেপুটি ভাইস-প্রেসিডেন্ট আনোয়ার হোসেন সরকার বলেন, শিক্ষার্থীরা প্লে স্টোর থেকে ‘জনিথ ইসরামী লাইফ ইনসুরেন্স লিমিটেড’ আ্যাপ ডাউনলোড অথবা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইডে গিয়ে সম্পুর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে এই সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। প্রিমিয়াম পরিশোধ করে বিনিময়ে জীবন বীমার আওতায় থাকা কোনো শিক্ষার্থী মারা গেলে তার পরিবার এককালীন সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পাবেন। আর স্বাস্থ্যবীমার আওতায় কোনো শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিলে সর্বোচ্চ ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত বীমা সুবিধা পাবেন। আবার বীমার আওতায় থাকা অসুস্থ হওয়া কোনো শিক্ষার্থী যদি হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী চিকিৎসা নেয় সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বীমা সুবিধা পাবেন। এক্ষেত্রে এক দিনের চিকিৎসা ব্যয় ২০ হাজার হলেও ক্লেইম করতে পারবে শিক্ষার্থীরা। তবে এসব ক্ষেত্রে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন, হাসপাতালের বিলের কাগজপত্র অথবা ভাউচার জমা দিতে হবে।

সভায় উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিরসনে ২ বছর মেয়াদী এই বীমা প্রকল্পটি নেয়া হয়েছে। যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নকালে কোন শিক্ষার্থী অসুস্থ হলে অর্থের অভাবে সে খারাপ কোন পরিণতির শিকার না হয়। কেননা এ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক দরিদ্র পরিবার থেকেও পড়াশোনার জন্য আসে শিক্ষার্থীরা। তাই আমরা চাই না আমাদের কোন শিক্ষার্থী অর্থের অভাবে বিনা চিকিৎসায় কষ্ট পাক। তবে এটাও চাইনা আমার কোন শিক্ষার্থীর এমন কোন অবস্থা হোক, আমি চাই  আমার সকল শিক্ষার্থী সুস্থ থাক। সুন্দর ভাবে পড়াশোনা শেষ করে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করুক।

উপাচার্য বলেন, এ প্রকল্পের সকল কার্যক্রম হবে অনলাইন প্রক্রিয়ায়। ফলে শতভাগ নিরাপদ ও জবাবদিহিতা জায়গা রয়েছে। এখানে কোন ধরণের দুর্নীতির সুযোগ নেই। তাই সকল শিক্ষার্থীকে এ বীমার অন্তর্গত হয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন সহায়তায় করার আহ্বান করেন উপাচার্য।

এসময় সভায় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান-উল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক (অব.) মো. অবায়দুর রহমান প্রামানিক, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আবদুস সালাম, প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক, ছাত্র উপদেষ্টা এম তারেক নূর, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পাণ্ডেসহ অনুষদ অধিকর্তা, ইনস্টিটিউট পরিচালক, বিভাগীয় সভাপতি ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

‘তারেক রহমান লন্ডনে বসে হারিকেন ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত’



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়

ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়

  • Font increase
  • Font Decrease

ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনে বসে হারিকেন ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত ৷ হঠাৎ করে তারা হারিকেন নিয়ে খুব উদগ্রীব। টাকা পয়সা এত ইনকাম করেছে যে, তারা হারিকেন ব্যবসা ছাড়ছে না।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার দা’ সূর্য হল ছাত্রলীগের আয়োজনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের সকল শহিদ স্মরণে ‘তোমার স্বপ্নে পথচলি আজো চেতনায় মহীয়ান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।

আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, তারা আজ হারিকেন নিয়ে মিথ্যা নাটক করছে। ফ্যানের বাতাস খেয়ে সভা-সেমিনারে বলছে, ‘লোডশেডিং’। আন্তর্জাতিক অঙ্গণে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এটার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের কিছুটা ছাড় দিতে হচ্ছে। এটা সাময়িক সমস্যা। এটি উত্তরণ হবে। তাদের সময়ে তো বিদ্যুৎ ১৩/১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং থাকত।

ছাত্রলীগের সভাপতি বলেন, খালেদা জিয়া, তারেক রহমানও জিয়াউর রহমানের পথে হেঁটেছিল। যার দৃষ্টান্ত ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২১ বার হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল। নেত্রী চাইলে তার প্রতিশোধ নিতে পারতেন না? পারতেন। তিনি (শেখ হাসিনা) মনে করেন যারা খারাপ কাজ করে, অন্যায় করে তাদের শাস্তি প্রাকৃতিকভাবেই হবে। তা হচ্ছেও। ১৫ আগস্ট যারা মিথ্যা জন্মদিন পালন করবে, তাদের দাঁত ভাঙা জবাব দেওয়া হবে এবং শক্ত হাতে তাদের দমন করা হবে, বলে জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ, বিশেষ অতিথি হিসেবে আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ও আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলে ফাহিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার দা’ সূর্য সেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মকবুল হোসেন ভূঁইয়া, আওয়ামী লীগের সদস্য শাহাবুদ্দিন ফরাজী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, মাস্টার দা’ সূর্য হল ছাত্রলীগের সভাপতি মারিয়াম জামান সোহান, সাবেক মাস্টার দা’ সূর্য হল সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হাসান শাহীন বক্তব্য রাখেন।

;

১৫ আগস্ট স্মরণে ঢাবি সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের আলোচনা সভা



আরিফ জাওয়াদ, ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছাত্রলীগের আলোচনা সভা

ছাত্রলীগের আলোচনা সভা

  • Font increase
  • Font Decrease

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের সকল শহিদ স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মাস্টার দা’ সূর্য হলে ‘তোমার স্বপ্নে পথচলি আজো চেতনায় মহীয়ান’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার দা’ সূর্য হল ছাত্রলীগের আয়োজনে ওই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে বঙ্গবন্ধু পরিবারকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এই শোক স্মরণেই মাসব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। তারই অংশ হিসেবে পালিত হয় এই আলোচনা সভা।

মাস্টার দা’ সূর্য হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিয়াম রহমানের সঞ্চালনায় ও হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মারিয়াম জামান সোহানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ। শুরুতে শোকাবহ আগস্টের কথা স্মরণে ১ মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আব্দুস সোবহান গোলাপ বলেন, জিয়াউর রহমান সেই সময় শিক্ষার্থীদের বই-খাতার পরিবর্তে অস্ত্র তুলে দিয়েছিলেন। সেই সময় জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আর ছাত্রদলের দখলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো কলুষিত করেছিলেন তারা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এমন বর্বরোচিত ঘটনার পর ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা মিছিল বের করতে চাইলে সেই সময় বের করতে দেওয়া হয়নি। ছাত্রলীগের অনেক নেতাকর্মীকে হত্যা করেছেন জিয়াউর রহমান।

তিনি বলেন, যে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) বাংলাদেশ নামে একটি দেশ উপহার দিল তাকে বাঁচতে দিল না ঘাতকরা। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন ঘৃণ্য ঘটনা হয়তো দ্বিতীয়টি খুঁজে পাওয়া যাবে না। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে দেশকে পিছিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করা হয়েছিল কিন্তু তারপরেও নানান চড়াই-উৎরাই দেরি হলেও জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ও আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, শুধু জিয়াউর রহমান নয়, খন্দকার মোশতাক সময় মত তার কাজ করার জন্য অনেক আগেই আমাদের দলে প্রবেশ করেছিল। ১৫ আগস্টের ধারাবাহিকতা ছিল ৯৬ সাল পর্যন্ত। এ হত্যার বিচার বাতিলের জন্য ইনডেমনিটি অ্যাক্ট জারি করা হয়। পরবর্তীতে জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এলে যুদ্ধ অপরাধীর বিচারের মাধ্যমে জাতিকে কলঙ্ক মুক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরি করতে চাওয়াতে ২০০৮ সালে যারা হেসেছিল। তারা সেই হাসার উত্তর পেয়ে গেছে। প্রতিনিয়ত বঙ্গবন্ধুর রোপন করা বীজ, দেরিতে হলেও বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু যদি বেঁচে থাকত, যদি প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় বাস্তবায়ন করতে পারত, তাহলে ৮০ দশকেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হত, বলে মনে করেন শেখ ফজলে ফাহিম।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার দা’ সূর্য সেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মকবুল হোসেন ভূঁইয়া, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সদস্য শাহাবুদ্দিন ফরাজী, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, মাস্টার দা’ সূর্য হল ছাত্রলীগের সভাপতি মারিয়াম জামান সোহান, সাবেক মাস্টার দা’ সূর্য হল সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হাসান শাহীন বক্তব্য রাখেন।

;

ঢাবিতে ১ম বর্ষের ক্লাস শুরু ৭ সেপ্টেম্বর



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঢাবিতে ১ম বর্ষের ক্লাস শুরু ৭ সেপ্টেম্বর

ঢাবিতে ১ম বর্ষের ক্লাস শুরু ৭ সেপ্টেম্বর

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ক্লাস আগামী ৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে। বিষয়টি জনসংযোগ দফতরের পরিচালক মাহমুদ আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে ডিনস কমিটির এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এছাড়া, কোভিড-১৯ মহামারি পরিস্থিতির কারণে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকাকালীন মার্চ ২০২০ থেকে ২০২১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরায় আরম্ভ না হওয়া পর্যন্ত ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির সময় শিক্ষার্থীদের প্রদত্ত আবাসন ফি এবং পরিবহন ফি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মওকুফ করেছে।

উক্ত আবাসন ফি ও পরিবহন ফি সমন্বয় করে স্ব স্ব বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ফেরত দেয়া হচ্ছে। নিজ নিজ বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে যোগাযোগ করে মওকুফকৃত উল্লেখিত ফি’র চেক গ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির সময় ১ম বর্ষ থেকে ৪র্থ বর্ষ, ৫ম বর্ষ (ফার্মেসি) এবং মাস্টার্স শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আবাসন ফি ও পরিবহন ফি নেয়া হয়েছিল।

;

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা শুরু



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা শুরু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা শুরু

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ২০২২-২৩ আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতার শুরু হয়েছে। এবারের প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৩টি ফুটবল টিম অংশগ্রহণ করছে।

বুধবার (১০ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে এই প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী ম্যাচটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগ এবং আরবি বিভাগের মধ্যে অনুষ্ঠিত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান উদ্বোধনী বক্তব্যের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের সকল শহিদের অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ বিনির্মাণে খেলাধুলাসহ সহশিক্ষা কার্যক্রমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। শ্রেণিকক্ষ ও গবেষণাগারের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা ক্রীড়া কার্যকলাপেও অংশগ্রহণ করবে।

পড়াশুনার পাশাপাশি শিল্প, সংস্কৃতি ও খেলাধুলাসহ সহশিক্ষা কার্যক্রমে নিজেদের সম্পৃক্ত রেখে উদার, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য উপাচার্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান উপাচার্য।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. অসীম সরকার স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এসময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, ঢাবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

;