মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বুয়েটের ‘না’, পোষ্য কোটা বহাল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) প্রথম বর্ষে ভর্তির ক্ষেত্রে অন্যান্য বছরের মতো এবারও মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন কোটায় ভর্তির সুবিধা থাকছে না।

কোটা না রাখার পক্ষে যুক্তি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক চিঠিতে জানিয়েছে, ‘কোটা সিস্টেম চালু হলে বুয়েটের শিক্ষাকার্যক্রমের স্টান্ডার্ড (মান) ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।’

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তানদের জন্য ‘পোষ্য কোটা’ সুবিধা বহাল রেখেছে বুয়েট কর্তৃপক্ষ।

এর আগে বুয়েটে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের ভর্তির ক্ষেত্রে কোটার বিষয়ে ‘মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম কেন্দ্রীয় কাউন্সিল’-এর আহ্বায়ক অহিদুল ইসলাম তুষার বুয়েট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেন। ওই চিঠির জবাবে বুয়েটের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো ফোরকান উদ্দিন লিখিত জবাব দেন।

বুয়েট রেজিস্ট্রার ওই চিঠিতে জানান, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এতদসংক্রান্ত বিষয়ে ২০০৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি আলোচনা হয়। ওই সভায় সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোটা পদ্ধতি না রাখার সিদ্ধান্ত হয়।’

ওইদিন একাডেমিক কাউন্সিলের সভার সিদ্ধান্তে বলা হয়, ‘মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ভর্তির জন্য ন্যূনতম ৫ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আলোচনা ও পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারীদের পোষ্যদের জন্য ভর্তির কোটা থাকলেও এ বিশ্ববিদ্যালয়ে কখনো কোনো কোটা ছিল না এবং এখনো নেই।’

‘মুক্তিযুদ্ধ প্রায় ৩৪ বছর আগে হয়েছে এবং এ যাবত কোনো কোটা ছাড়াই বুয়েটে শিক্ষাকার্যক্রম চলছে। কোটা সিস্টেম চালু হইলে বুয়েটের শিক্ষাকার্যক্রমের স্ট্যান্ডার্ড ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা থাকিবে। সার্বিক বিবেচনায় একাডেমিক কাউন্সিল কোটা সিস্টেম চালুর বিপক্ষে মতামত দেন’ বলে সিদ্ধান্তে উল্লেখ করা হয়।

গুচ্ছের ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আজ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গুচ্ছভুক্ত দেশের ২২টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে প্রথম বর্ষে বাণিজ্য বিভাগে (‌‘সি’ ইউনিট) ভর্তির পরীক্ষা আজ শনিবার (২০ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের মোট ১৯ কেন্দ্রে একযোগে এ পরীক্ষা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কমিটি সূত্রে জানা গেছে, ‘সি’ ইউনিটে ৪২ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। এ ইউনিটে প্রায় তিন হাজার ৭০টি আসন রয়েছে। সেই হিসেবে প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বেন প্রায় ১৩ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী।

এদিকে, ভর্তি পরীক্ষার সময়ে প্রতিটি কেন্দ্রে মেডিকেল টিম প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে থাকবে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ।

রাজধানীতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে শিক্ষার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে আসতে পারে সেজন্য যানজট নিরসনে ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ইতিমধ্যে প্রতিটি কেন্দ্রে ওএমআর ও অন্যান্য কাগজপত্র বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, খুবিতে ‘সি’ ইউনিটে বাণিজ্য বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল শনিবার অনুষ্ঠিত হবে। এদিন বেলা ১২টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। ‘সি’ ইউনিটে গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে (খুবি) রোল নং ৫২০৮৩৩ থেকে ৫২৩০৩১ পর্যন্ত মোট ২ হাজার ১৯৯ জন শিক্ষার্থীর আসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

খুবি প্রশাসন আরও জানিয়েছে, পরীক্ষা কেন্দ্রে ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থীরা মোবাইল ফোনসহ কোনো ধরনের ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। পরীক্ষার দিন সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের গল্লামারী-জিরোপয়েন্ট পর্যন্ত সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

;

সেলিম আল দীনের জন্মজয়ন্তী, জাবিতে পাঁচদিনব্যাপী নাট্যোৎসব



জাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সেলিম আল দীনের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে জাবিতে পাঁচদিনব্যাপী নাট্যোৎসব

সেলিম আল দীনের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে জাবিতে পাঁচদিনব্যাপী নাট্যোৎসব

  • Font increase
  • Font Decrease

রবীন্দ্রত্তোর কালের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের, নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের ৭৩তম জন্মতিথিতে পাঁচ দিনব্যাপী নাট্যোৎসব আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় জন্মলগ্নকাল উদযাপন নিমিত্ত পুষ্প অভিযাত্রা বের করে জাবি নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ।

পুষ্প অভিযাত্রায় অংশ নেন জাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল আলম, নাট্যব্যক্তিত্ব ও ঢাকা থিয়েটারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, জাবি নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. ইস্রাফিল আহমেদ সহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

পুষ্প অভিযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃৎ মঞ্চ থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে সেলিম আল দীনের সমাধিস্থলে এসে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শেষ হয়।

এরপর সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় নাট্যদল জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটার, ঢাকা থিয়েটার, নাট্যস্নাতক মঞ্চ, স্বপ্নদল, বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার, বাংলদেশের পুতুল নাট্য গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র, থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, তালুকনগর থিয়েটারসহ বিভিন্ন নাট্য সংগঠন।

সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সংক্ষিপ্ত সভায় নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. ইস্রাফিল আহমেদ বলেন, ‘সেলিম আল দীনের ৭৩ তম জন্মজয়ন্তীতে আমরা তাকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি। পাঁচ দিনব্যাপী নাট্যোৎসবের এ আয়োজনে আপনারা সবাই আমন্ত্রিত। এ নাট্যোৎসবের মাধ্যমে সেলিম আল দীনের নাট্যদর্শন আরো বেশি মানুষের মাঝে পৌছে দিতে পারবো বলে আমাদের বিশ্বাস।’

নাট্যব্যক্তিত্ব ও ঢাকা থিয়েটারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু বলেন, ‘সেলিম আল দীন শুধু একজন নাট্যকার নন, সেলিম একটি ঘটনা। ভারতবর্ষে হাজার বছরের শাসনের পরও সংস্কৃতি কিন্তু হারিয়ে যায়নি। নতুন ধর্মপ্রচার হলেও ভাষা-সংস্কৃতি হারিয়ে যায়নি। এখানকার জাতিগোষ্ঠীর ধর্মের ভাষা আর সংস্কৃতির ভাষা এক ছিল না। এজন্যেই ইংরেজরা সব কিছু ইংরেজিতে চালু করলেও বাংলার আধিপত্য নষ্ট হয়ে যায়নি। আমরা আমাদের ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে পেরেছি। আমাদের এ চেতনা ধরে রাখতে পেরেছি।’

পাশ্চাত্য শিল্পের সব বিভাজনকে বাঙালির সহস্র বছরের নন্দনতত্ত্বের আলোকে অস্বীকার করে এক নবতর শিল্পরীতি প্রবর্তন করেন সেলিম আল দীন, যার নাম দেন 'দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্ব'। দ্বৈতাদ্বৈতবাদী রীতিতে লেখা তার নাটকগুলোতে নিচুতলার মানুষের সামাজিক নৃতাত্ত্বিক পটে তাদের বহুস্তরিক বাস্তবতাই উঠে আসে।

পাঁচ দিনব্যাপী "সেলিম আল দীন নাট্যোৎসব ২০২২"এর প্রথমদিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটায় জহির রায়হান মিলনায়তনে প্রদর্শিত হবে নাটক ‘প্রাচ্য’। এরপর ১৯ আগস্ট থেকে ২২ আগস্ট প্রদর্শিত হবে নাটক ‘কিত্তনখোলা’, ‘বনপাংশুল’, ‘কেরামতমঙ্গল’ ও ‘পুত্র’।

নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের জন্ম ১৮ আগস্ট ১৯৪৯ সালে, ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায়। ১৯৯৫ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন।বাংলার মাটিতে, বাংলার জলহাওয়ায় বাংলার প্রাণের ভাষাতেই জন্ম নেওয়া তার নাটকগুলো বাংলা নাটকের সব উপাদানকে ছুঁয়ে যায় আধুনিকের মন নিয়ে।নাট্য-সাহিত্য অঙ্গনে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রাখায় বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার(১৯৮৪), একুশে পদক (২০০৭), জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৯৩,১৯৯৪) সহ বিভিন্ন পুরস্কারে তাকে ভূষিত করা হয়।

;

নানা আয়োজনে জবিতে জন্মাষ্টমী পালন



জবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
নানা আয়োজনে জবিতে জন্মাষ্টমী পালন

নানা আয়োজনে জবিতে জন্মাষ্টমী পালন

  • Font increase
  • Font Decrease

শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও নাম কীর্তনসহ নানা আয়োজনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) জন্মষ্টমী উৎসব পালন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়। এদিন সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হকের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে একটি শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজার হয়ে মেইন গেইটে এসে শেষ হয়। বেলা ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের নিচতলায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভার শুরুতে গীতাপাঠ করেন অনামিকা মল্লিক নামের এক শিক্ষার্থী।

পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী দেবানন্দ মন্ডল ও কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী দেবাশীষ চন্দ্র শীল সূচনা বক্তব্য রাখেন। এসময় তারা সকল সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি উপাসনালয় স্থাপনের দাবি জানান।

আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. পরিমল বালা।

এসময় তিনি বলেন, আজ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব দিবস। কারণ ভগবান বা সৃষ্টিকর্তার জন্ম বা মৃত্যু হয়না। এই দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। আসলে পৃথিবীতে যখন পাপ বেড়ে গিয়েছিল তখনই শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব হয়েছিল।

আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. অনির্বাণ সরকার।

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক বলেন, প্রত্যেক ধর্মের মূল বার্তা একটিই। সেটি হচ্ছে শান্তি। আজ এখানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি অন্য ধর্মাবলম্বী অনেকে উপস্থিত হয়েছেন। যার মাধ্যমে সংহতি প্রকাশ পেয়েছে। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব স্থান মথুরায় আমি দুইবার গিয়েছি৷ সেখানকার বাস্তব চিত্র দেখার সুযোগ হয়েছিল আমার। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসে প্রতিটি ধর্মাবলম্বীদের জন্যই আলাদা আলাদা উপাসনালয় থাকবে।

সমাপনী বক্তব্য রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মন্ডল। তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত চেষ্টায় আজকের উৎসব যথাযথভাবে উদযাপন সম্ভব হচ্ছে। এটিই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত।

আলোচনা সভা শেষে হরিনাম কীর্তন করা হয়। কীর্তন শেষে সবার মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. একেএম লুৎফর রহমান, বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. শামীমা বেগম, অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক ড. কাজী নাসিরউদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল, পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার গোস্বামী।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ,শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

;

‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশেকে মূল্য দিতে হচ্ছে’



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশেকে মূল্য দিতে হচ্ছে’

‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশেকে মূল্য দিতে হচ্ছে’

  • Font increase
  • Font Decrease

বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশেকে মূল্য দিতে হচ্ছে। সেটাই আমাদের আক্ষেপ! আমরা দোষী না, আমরা অপরাধী না। আমাদের আর্থিক সংকটের বৈশ্বিক পরিস্থিতির মূল্য দিতে হচ্ছে। শেখ হাসিনাকে মূল্য দিতে হচ্ছে। রাত জেগে জেগে দেশের মানুষের কথা ভাবতে হচ্ছে। ধৈর্যহারা হবেন না কেউ, ইনশা আল্লাহ এই দিন থাকবে না।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে ঢাবির ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ আয়োজিত ‘পিতার শোক, কন্যার শক্তি বাংলার অপ্রতিরোধ্য অগ্রগতি’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে এমন মন্তব্য করেন সড়ক, পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি আরও বলেন, ১৩ বছর ধরে কত শুনলাম, রোজার ঈদের পরে, কোরবানির ঈদের পরে, দেখতে দেখতে ১৩ বছর। দিন যায়, সপ্তাহ যায়, মাস যায়, পদ্মা-মেঘনা নদীতে কত পানি গড়িয়ে যায়। কিন্তু, ফখরুল সাহেবদের আকাঙ্ক্ষিত আন্দোলনের সোনার হরিণ দেখা যায় না। ক্ষমতার ময়ূর সিংহাসন দিল্লি দূর অস্ত।

ওবায়দুল কাদের শেখ হাসিনা সম্পর্কে বলেন, ফখরুল সাহেব, কষ্ট প্রকাশ করে কি করবেন? শেখ হাসিনাকে আল্লাহ ক্ষমতা দিয়েছেন। তিনি ভাগ্যবতী। এদেশে একজনকে (শেখ মুজিবুর রহমান) আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন স্বাধীনতার জন্য, আরেকজনকে (শেখ হাসিনা) সৃষ্টি করেছেন মুক্তির জন্য।

আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ইলেকশন আসছে। যতই মুখে বলেন, বাস্তবে তো আমরা বুঝি। ইলেকশনের পূর্বে বিশাল একটা মনোনয়ন ব্যবসা আছে। এই লোভ আপনারা সামলাতে পারবেন না। তখন কি পদ্মা নদীতে লঞ্চে যাবেন? নৌকায় যাবেন? নৌকাও তো আমাদের। আগামী বছরের প্রথমদিন অনেকগুলো মেগা প্রজেক্ট উদ্বোধন করা হবে। তখন আপনাদের কষ্টের দরিয়ায় ঢেউ আসবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের সঞ্চালনায় আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য প্রমুখ।

;