Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাহাড় সমান অনিয়ম

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাহাড় সমান অনিয়ম
রোগীদের খোঁজ নিচ্ছেন সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান খোকন, ছবি: বার্তা২৪.কম
মাজেদুল হক মানিক
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৩.কম
মেহেরপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মাহবুবুর রহমান হাসপাতালে আসেন মনমত। হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর থাকলেও কর্মচারীদের অনেকেই থাকেন না হাসপাতালে।

নার্সদের কয়েকজন চলেন আপন মনে। রোগীদের যে খাবার দেওয়া হয় তা যেমন নিম্নমানের তেমনি পরিমাণেও কম। রোগী না থাকলেও বন্ধ হয় না বেদ্যুতিক বাতি ও ফ্যান। আবার অত্যাধুনিক জেনারেটর চলে কাগজ-কলমে। বিদ্যুৎ না থাকলে হাসপাতাল যেন ভূতের বাড়ি।

এই হল মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স তথা গাংনী হাসপাতালের রোজকার চিত্র। রোববার (১২ মে) দুপুরে হাসপাতালটি আকস্মিক পরিদর্শনে এলে এসব অনিয়ম চোখে পড়ে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও মেহেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান খোকন। সঙ্গে ছিলেন কমিটির অন্যান্য সদস্যরাও।

এ প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য বলেন, প্রতিদিনের খাবারে মাছ বরাদ্দ ২৩৬ গ্রাম করে। রোগীরা পাচ্ছেন ৫০ গ্রাম। পচা ডাল ও অন্যান্য খাদ্যপণ্য দিয়ে রান্না করা হয়। অপরদিকে রোগীর বেডসিট ও অন্যান্য কাপড় ধোয়ার ক্ষেত্রেও ব্যাপক অনিয়মের আলামত পাওয়া গেছে। দুর্নীতির কারণে খাবার ও ওয়াশিং ঠিকাদারের চুক্তি বাতিল করতে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমকর্তা হাসপাতালে ঠিকমত থাকেন না। এদিন পরিদর্শনের সময় তিনি হাসপাতালে ছিলেন না।

এ ব্যাপারে তিনি বলেন, অভিযুক্ত ওই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে তিনি প্রশিক্ষণে আছেন। কিন্তু এ ব্যাপারে আমাকে কিছুই জানানো হয়নি। হাসপাতালেও প্রশিক্ষণে যাওয়ার কোনো কাগজপত্র নেই।
অপরদিকে, হাসপাতালের অন্যান্য অনিয়মের বিষয়ে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিয়ে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটিকে জানানোর জন্য এক সপ্তাহের সময় দেওয়া হয়েছে।

দুপুরে সংসদ মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান খোকন আকস্মিক হাসাপাতালে ঢুকে সোজা রান্নাঘরে ঢুকে পড়েন। সেখানে ধরা পড়ে নিম্নমান ও পরিমাণের চেয়ে কম খাবারের বিষয়টি। পরে তিনি চারতলায় রোগী ওয়ার্ড পরিদর্শন করে নোংরা পরিবেশ ও সরকারি সম্পদ অপচয়ের দৃশ্য দেখতে পান। তাৎক্ষণিকভাবে পরিদর্শন খাতায় অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি উল্লেখ করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেন তিনি। অনিয়মের বিষয়টি নিয়ে আরএমও বিডি দাসও লিখিত নোট দিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে মেহেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান খোকন বলেন, রোগীদের টয়লেট নোংরা আর স্টাফদের টয়লেট অনেক পরিষ্কার। লোক নেই জন নেই তবুও লাইট ও ফ্যান চালান হচ্ছে। সরকারি এই সম্পদ অপচয়কারীদের কোনোভাবেই ক্ষমা করা যায় না। দায়িত্বে অবহেলার বিষয়েও ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এছাড়াও একজন চিকিৎসক ও কয়েকজন কর্মচারীর বিষয়েও খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিতে বলেছি।

 

আপনার মতামত লিখুন :

পায়ের গোড়ালি ব্যথায় বিশেষজ্ঞ পরামর্শ

পায়ের গোড়ালি ব্যথায় বিশেষজ্ঞ পরামর্শ
পর্যাপ্ত বিশ্রামে গোড়ালির ব্যথা কমবে।

আমাদের শরীরের সমস্ত ভার গোড়ালির মাধ্যমে মাটিতে চলে যায় এবং আমরা হাঁটা চলাফেরা করতে পারি। আমাদের মধ্যে অনেকেই পায়ের গোড়ালি ব্যথায় ভুগছেন। কেউ কেউ সকালে ঘুম থেকে উঠে মাটিতে পা ফেললে গোড়ালিতে প্রচন্ড ব্যথা অনুভব করেন। আস্তে আস্তে কয়েক কদম পা ফেললে ব্যথা কিছুটা কমে যায়। আবার কারও কারও মনে হয় পায়ের গোড়ালিতে সুচ ফুঁড়ে আছে এই রকম ব্যথা। তবে যে ধরনের ব্যথাই হোক না কেন গোড়ালি ব্যথা অত্যন্ত কষ্টদায়ক।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/25/1564034852764.jpg

যে কারণে গোড়ালি ব্যথা হয়

প্লান্টার ফ্যাসাইটিস: পায়ের গোড়ালি ব্যথার অন্যতম কারণ প্লান্টার ফ্যাসাইটিস। আমাদের গোঁড়ালি থেকে পায়ের আঙ্গুল পর্যন্ত একটা শক্ত ব্যান্ডের মতো লাগানো থাকে, যা পায়ের আকৃতিকে রক্ষা করে। একে প্ল্যান্টার ফাসা বলে। এই শক্ত ব্যান্ডে চাপ বা প্রদাহ হলে প্রচন্ড ব্যথা অনুভূত হয়।

ক্যালকেনিয়াম স্পোর বা গোঁড়ালির নিচে হাড়ের বৃদ্ধি: সাধারণত গোড়ালির হাড়ে ক্যালসিয়াম জমে একটা তীক্ষ্ম হাড়ের মত বাড়তি অংশ তৈরী করে। এই বাড়তি অংশ গোড়ালির নিচের লিগামেন্ট বা মাংসপেশী ও টিস্যুতে চাপ প্রয়োগ করলে ব্যথা অনুভূত হয়।

গাটে বাত: সাধারণত ইউরিক অ্যাসিড বেশী হলে এটি হয়।

ফ্রাকচার বা হাড় ভাঙ্গা।

মচকানো।

হাড় ক্ষয় ইত্যাদি।

কাদের গোড়ালির ব্যথা বেশী হয়

১. যাদের ওজন বেশী

২. যারা সাধারণত দৌড়ানো বা জগিং করার সাথে জড়িত যেমন- খেলোয়াড়।

৩. ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রমের কাজ কম করেন এমন ব্যক্তি।

৪. ডায়াবেটিস রোগী।

৫. যাদের পায়ের পাতা জন্মগতভাবে ফ্লাট বা খুব বেশী খাঁজ।

৬. যাদের ‘কাফ’ মাসেল টাইট।

৭. যারা সঠিক মাপের জুতা ব্যবহার করেন না।

৮. দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকার কাজ করেন যারা যেমন- ট্রাফিক পুলিশ।

৯. মেয়েরা যারা হাইহিলের জুতা পরতে পছন্দ করেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/25/1564035078829.jpg

গোড়ালি ব্যথায় কী করণীয়:

১. নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস করুন। গবেষনা বলছে; সপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০ মিনিট হাঁটলে যে কোন ব্যথা থেকে মুক্ত থাকা যায়।

২. যদি গোড়ালি ব্যথা হয়েই যায় তাহলে জীবনযাত্রার ধরন বদলান। খুব বেশী হাইহিলের জুতা, টাইট জুতা পরার অভ্যাস ত্যাগ করুন। নরম স্লিপার আরামদায়ক জুতা ব্যবহার করুন। প্রয়োজনে হিল কুশন বা কৃত্রিম আর্চ (খাঁজ) ব্যবহার করুন। সাধারণত গোড়ালির নিচে এক ইঞ্চির মত উুঁচ হলে গোড়ালি ব্যথা কমে যায়।

৩. পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশ্রাম নেবেন।

৪. আইস থেরাপী: বাসায় পায়ের গোঁড়ালির চারপাশে কাপড়ে বরফ জড়িয়ে ১০ মিনিট ম্যাসেজ করুন। এটি দিনে ৩-৪ বার ১৫-২০ মিনিট করুন। কখনোই সরাসরি বরফ ম্যাসেজ করবেন না।

৫. কিছু স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ বাসায় করুন। এতে আপনার গোঁড়ালি আরও শক্তিশালী এবং সুদৃঢ়
হবে।

ক) একটি টেনিস বল পায়ের গোড়ালি থেকে পাতা পর্যন্ত ১৫-২০ বার রোলিং করুন। এটি দিনে ৩- ৪ বার করুন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/25/1564035093621.jpg

খ) কোনো দেয়ালের কাছে দাঁড়িয়ে গোঁড়ালি তুলে পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলের উপর ভর করে দাঁড়ান এবং ২০ সেকেন্ড ধরে রাখবেন। এটি ১০ বার করে দিনে ৩-৪ বার করবেন।

গ) বিছানা বা মেঝেতে পা সোজা করে বসে তোয়ালে দিয়ে পায়ের পাতা টেনে সামনে দিকে আনুন এবং ৩০ সেকেন্ট ধরে রাখুন। এটি ১০ বার করে দিনে ৩-৪ বার করুন।

৬. ফিজিওথেরাপী: এরপরও যদি ব্যথা না কমে তবে আপনি আপনার নিকটবর্তী একজন ভালো ফিজিওথেরাপী চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। পায়ের গোঁড়ালি ব্যথায় ফিজিওথেরাপী খুবই কার্যকরী চিকিৎসা, আলট্রাসাউন্ড থেরাপী, প্যারাফিন ওয়াক্স বাথ, ডিপ ট্রান্সভার্স ফ্রিকশন ম্যাসেজ, টেপিং গোড়ালি ব্যথায় খুবই কার্যকরী।

৭.খাদ্যাভাস: পায়ের গোড়ালি ব্যথা কমানোর জন্য প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা উচিত। অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি খাবারে রয়েছে ভিটামিন, মিনারেলস, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, MSM (মিথাইলসালফোনাইলমিথেন) এবং ভিটামিন সি। পালংশাক কমলা, মিষ্টি কুমড়া, টমেটো, আনারস, গাজর, স্ট্রবেরী, ব্রকলি, ব্লু-বেরী, হলুদ ইত্যাদি খাবার অ্যান্টি ইনফ্লামেটরী সমৃদ্ধ যা পায়ের গোড়ালি ব্যথায় খুবই উপকারী।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/25/1564035160997.jpg

ওগেমা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার যেমন: টুনা ফিস, সলমন ফিস, অলিভ অয়েল, অ্যাভোকোডা, খুবই উপকারী। প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যেমন: মাছ, মাংস, ডিম, দুধ ইত্যাদি গ্রহণ করুন। দিনে কমপক্ষে ২ লিটার পানি পান করুন। চিনি জাতীয় এবং প্রসেসিং খাবার যেমন-সাদা পাউরুটি, জ্যাংক ফুড, বার্গার, ওমেগা-৬ সমৃদ্ধ খাবার পরিহার করুন। তাই পায়ের গোঁড়ালি ব্যথা রোধে সঠিক ধরনের জীবন যাপন করুন, প্রয়োজনীয় ব্যায়াম, পরিমিত পরিমাণে পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন, সুস্থ থাকুন।

হাঁটুর ব্যথা নিরাময়ে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ

হাঁটুর ব্যথা নিরাময়ে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ
হাঁটু মানুষের ভার বহন করে

হাঁটু মানুষের শরীরের সমস্ত ওজন বহন করে এবং আমাদের দাঁড়াতে, হাঁটতে, দৌড়াতে সাহায্য করে। হাঁটু মূলত একটি জটিল অস্থিসন্ধি, যা ফিমার, প্যাটেলা এবং টিবিয়া নামক ৩টি হাঁড়ের সমন্বয়ে গঠিত। এছাড়াও এই জয়েন্ট অনেক মাংশপেশি ও সন্ধিবন্ধনীর সাহায্যে সংযুক্ত। হাঁটুর জয়েন্টের ভেতরটা সায়নোভিয়াল মেমব্রেন বা ঝিল্লি দিয়ে ঢাকা থাকে। এই সায়নোভিয়াল মেমব্রেন সায়নোভিয়াল ফ্লাইড তৈরি করে, যা হাঁটুর ঘর্ষণজনিত ক্ষয় রোধ করে। হাঁটুর জয়েন্টের চারপাশে থাকে সূক্ষ্ম নার্ভের জালিকা যা হাঁটুতে তৈরি হওয়া ব্যথার অনুভূতি ব্রেইনে পাঠিয়ে দেয় এবং আমরা হাঁটুতে ব্যথা অনুভব করি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/10/1562756490919.jpg

হাঁটু ব্যথা কেন হয়?
বিভিন্ন কারণে হাঁটু ব্যথা হতে পারে। তবে অন্যতম কারণ—হাড়ক্ষয় বাত বা অস্টিওআথ্রাইটিস। এর ফলে হাঁটুতে ব্যথা হয়, কখনো কখনো হাঁটু ফুলে যেতে পারে। হাঁটাচলা করতে, নামাজ পড়তে, সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করতে অনেক কষ্ট হয়।
আঘাত হাঁটুর ব্যথার একটি বড় কারণ। আঘাতের কারণে মাংশপেশি বা লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায়। কখনো কখনো হাঁড় সরে বা ভেঙে যায়। অনেক সময় ভারী জিনিস ওঠানামা করার কারণেও হাঁটুতে ব্যথা হতে পারে। এছাড়া অতিরিক্ত ওজনের কারণেও হাঁটু ব্যথা হতে পারে।

কাদের বেশি হয়?
গবেষণা বলছে, হাঁটুর ক্ষয় বাত সাধারণত ৪০ বছর বয়সের পর শুরু হয়। বিভিন্ন হরমোনজনিত কারণে পুরুষের তুলনায় মহিলাদের হাঁটুর ব্যথা বেশি হয়। এছাড়া পুরনো আঘাতের কারণেও বিভিন্ন বয়সে হাঁটু ব্যথা হতে পারে।

কী করা উচিত?
১. হাঁটু যেহেতু আমাদের শরীরের সমস্ত ওজন বহন করে তাই হাঁটুর ওপর চাপ কমাতে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।

২. প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটতে হবে। এছাড়াও কিছু আরোবিক ব্যায়াম যেমন—দৌঁড়ানো, সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানোর অভ্যাস হাঁটু ভালো রাখবে।

৩. আমাদের হাঁড় গঠনে ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়ামের ভূমিকা অনেক। শরীরে এই ভিটামিন ডি সংশ্লেষণে সূর্যের আলোর ভূমিকা অপরিসীম। তাই সুস্থ সবল হাঁড় গঠনে আমাদের কমপক্ষে ২০-৩০ মিনিট সরাসরি সূর্যের আলোর সংস্পর্শে থাকা উচিত।
গবেষণা বলছে, মধ্য দুপুরের সূর্য অর্থাৎ সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সময়ের সূর্যের আলো ভিটামিন ডি সংশ্লেষণে সাহায্য করে।

৪. কিছু সহজ ব্যায়াম হাঁটুকে শক্তিশালী করে এবং ব্যথামুক্ত রাখতে সাহায্য করে

ক. একটি নরম তোয়ালে ভাঁজ করে হাঁটুর নিচে রেখে হাঁটু দিয়ে তোয়ালের উপর চাপ দিয়ে ৫-১০ সেকেন্ড ধরে রাখুন। এভাবে ১০ বার করে দিনে ২-৩ বার করতে হবে।
খ. একটি চেয়ারে বসে পায়ের গোড়ালিতে ১-২ কেজি ওজন বেঁধে পা সোজা করে ১০ সেকেন্ড ধরে রাখুন এবং পরে ভাঁজ করুন। আবার সোজা করুন। এভাবে ১০-১৫ বার করে দিনে ২-৩ বার করতে হবে।

৫. ফিজিওথেরাপি : হাঁটু ব্যথার চিকিৎসায় ফিজিওথেরাপি খুবই কার্যকর চিকিৎসা ব্যবস্থা। শর্টওয়েভ ডায়াথার্মি আল্ট্রাসাউন্ড থেরাপি হাঁটু ব্যথা নিরাময়ে খুবই কার্যকরী। বিভিন্ন ধরনের ম্যানুয়াল থেরাপি, যেমন—জয়েন্ট মবিলাইজেশন, ম্যানিপুলেশন, স্ট্রেচিং, টেপিং ইত্যাদি খুবই কার্যকরী। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের হিট কম্প্রেশন হাঁটু ব্যথা নিরাময়ে সাহায্য করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/10/1562756385645.jpg

৬. খাদ্যাভাস : একটি পরিমিত পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস হাঁটুর ক্ষয়রোধ করতে সাহায্য করে। প্রচুর পরিমাণ এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার যেমন—ভিটামিন এ, সি, ই জয়েন্টের ক্ষয়রোধ করে।
ছোট মাছ, ডিম, দুধ, মাখন, দই, পনির ইত্যাদি ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার হাঁড়ের শক্তি বৃদ্ধি করে।

তেলসমৃদ্ধ মাছে আছে স্বাস্থ্যকর ওমেগা-৩ যা এন্টি ইনফ্লামেটরি সমৃদ্ধ এবং হাঁড়ক্ষয় রোধে খুবই উপকারী। এছাড়া কিছু তেল যেমন—অলিভ অয়েল, এভোকোডা, সেফ-ফ্লাওয়ার তেল শরীরের কোলেস্টোরল কমাতে সাহায্য করে। পালংশাক, রসুন, বাদাম, ব্রকলি, গ্রিন-টি ইত্যাদি খাবার হাঁড়ের ক্ষয় রোধে খুবই উপকারী।

হাঁটু সুস্থ রাখতে, ব্যথামুক্ত জীবনযাপন করতে নিয়মিত ব্যয়াম করুন, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন এবং সুস্থ থাকুন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র