Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

এমপিদের সার্ক ভিসা স্টিকার ৫ বছর করার সুপারিশ

এমপিদের সার্ক ভিসা স্টিকার ৫ বছর করার সুপারিশ
সংসদীয় কমিটির বৈঠক
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

সংসদ সদস্যদের জন্য সার্ক ভিসা স্টিকারের মেয়াদ ১ বছর থেকে বৃদ্ধি করে ৫ বছর করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।

বুধবার (৩১ জুলাই) সংসদ ভবনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।

কমিটি বাংলাদেশ বেতারে কর্মরত বিসিএস (তথ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তাদের পদোন্নতি জট ও বৈষম্য নিরসনে ‘সুপারনিউমারারি পদ’ অস্থায়ীভাবে সৃজন করার মাধ্যমে সমাধান করার সুপারিশ করে।

এছাড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাস্তবায়নাধীন উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি এবং কাজের গুণগতমান বৃদ্ধিকল্পে সরকারি কর্মচারীদের দেশে ও বিদেশে প্রশিক্ষণের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কমিটিকে অবহিত করা হয়।

কমিটিতে ভূমি ব্যবস্থাপনা ডিজিটাইজেশনের বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে ভূমি মন্ত্রণালয় দ্রুততম সময়ের মধ্যে ভূমি ম্যাপ ও জরিপসমূহ অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সঠিকভাবে সম্পাদন করার সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের সাথে একীভূত বিসিএস (ইকনমিক) ক্যাডারের একীভূতকরণ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পাদন করার সুপারিশ করা হয়।

কমিটির সভাপতি এইচ এন আশিকুর রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, আবুল হাসান মাহমুদ আলী, আ স ম ফিরোজ, হাফিজ আহমদ মজুমদার, র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, পনির উদ্দিন আহমেদ এবং বেগম ফেরদৌসী ইসলাম অংশ নেন।

এছাড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালকসহ জনপ্রশাসন, ভূমি ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

স্বাধীনতাবিরোধীদের সরকারি ভাতার অর্থ ফেরত নেয়ার দাবি

স্বাধীনতাবিরোধীদের সরকারি ভাতার অর্থ ফেরত নেয়ার দাবি
সংসদীয় কমিটি

স্বাধীনতাবিরোধীদের সঠিক তালিকা তৈরি করার জন্য মন্ত্রণালয়কে তাদিগ দিয়েছে সংসদীয় কমিটি। একই সঙ্গে যে সব স্বাধীনতাবিরোধী সরকারি ভাতা নিয়েছে তাদের সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত আনার উদ্যোগ নিতে বলেছে কমিটি। তবে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্বাধীনতাবিরোধীদের একটি তালিকা প্রস্তুত করা হবে।

রোববার (২৫ আগস্ট) সংসদ ভবনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব করা হয়। শুধু তাই নয়, ১৯৭২ সালে আওয়ামী লীগ বাদে অন্য দলের যেসব এমপি ছিল তাদেরও একটি তালিকা প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি শাজাহান খান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, আমরা মন্ত্রণালয়ের কাছে স্বাধীনতাবিরোধীদের তালিকা চেয়েছি এবং রাজাকারদের মধ্যে যারা সরকারি ভাতা নিয়েছে তাদের সেই অর্থ ফেরত আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আর ১৯৭২ সালে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য দলের যারা এমপি ছিলেন তাদেরও একটা তালিকা করার জন্য বলা হয়েছে।

এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের যেসব সম্পত্তি বেহাত হয়ে গেছে সেগুলো উদ্ধারে একটি সাব কমিটি গঠন করা হয় বৈঠকে। কমিটির আহ্বায়ক শাজাহান খান। অন্য সদস্যরা হলেন—কাজী ফিরোজ রশিদ, এ বি তাজুল ইসলাম ও মইনউদ্দীন খান বাদল।

বৈঠকে আলোচনায় উঠে এসেছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি নিদর্শন ও বধ্যভূমি সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। সঠিকভাবে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে এ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নের সুপারিশ করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজাকারদের তালিকা প্রণয়নে সব জেলা প্রশাসককে চিঠি দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই এ তালিকা প্রস্তুত করা সম্ভব হবে বলে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে জানানো হয়।

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) আইনের বিধিমালার খসড়া প্রস্তুত করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটির সভায় একটি উপকমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে স্থায়ী কমিটির সভায় জানানো হয়। প্রতিটি উপজেলায় মুক্তিযুদ্ধ কমপ্লেক্স শহর থেকে বিচ্ছিন্ন স্থানে নির্মাণ না করে যথোপযুক্ত স্থাণে নির্মাণের জন্য বৈঠকে আলোচনা করা হয়।

কমিটির সভাপতি শাজাহান খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, মইনউদ্দীন খান বাদল, রাজি উদ্দিন আহমেদ, মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম, এ বি তাজুল ইসলাম এবং কাজী ফিরোজ রশিদ অংশ নেন।

এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

ফের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ব্যর্থ হওয়ায় সংসদীয় কমিটির ক্ষোভ

ফের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ব্যর্থ হওয়ায় সংসদীয় কমিটির ক্ষোভ
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক, ছবি: সংগৃহীত

মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে প্রত্যাবাসনে বারবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হওয়ায় এ সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির পক্ষ থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। মিয়ানমারের অভ্যন্তরে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি সেফ জোন সৃষ্টির প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে আলোচনার জন্য স্থায়ী কমিটির সদস্যগণকে সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড সফরের জন্য মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে সংসদ ভবনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব করা হয়।

বৈঠকের শুরুতে আগস্ট মাসকে শোকের মাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। এছাড়া ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের নিহত সদস্য এবং ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে শোক প্রকাশ করা হয় এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

বৈঠকে দেশের ভাবমূর্তি রক্ষায় এবং নিরীহ মানুষকে রক্ষার জন্য বিদেশে অবস্থানরত চিহ্নিত যে সকল বাংলাদেশি দালাল চক্র অবৈধ মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত তারা বিদেশ থেকে দেশে ফেরার সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে গ্রেফতারপূর্বক আইনের আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়।

এদিকে নানা আয়োজনের পরেও শেষ মুহূর্তে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন করতে না পারায় কমিটিতে হতাশা প্রকাশ করার পাশাপাশি তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের অগ্রগতি ও মিয়ানমারের সর্বশেষ অবস্থান নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং রোহিঙ্গাদের দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করার পাশাপাশি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দায়িত্ব পালনরত এনজিওদের কার্যক্রম মনিটরিং এর ব্যবস্থা করার সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যেসহ বিভিন্ন দূতাবাসে ভিসা পেতে বাংলাদেশি নাগরিক বিশেষ করে সিনিয়র নাগরিকদের হয়রানিরোধে মন্ত্রণালয়কে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন্য বর্তমান অর্থবছরে বাজেট বৃদ্ধি পাওয়ায় কমিটির পক্ষ থেকে সন্তোষ প্রকাশ করা হয় এবং বরাদ্দকৃত বাজেট যাতে সফল ও যথাযথভাবে ব্যয় করা হয় ও ফেরত না যায় সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

কমিটি সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ. কে. আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, নুরুল ইসলাম নাহিদ, গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স, মো. আব্দুল মজিদ খান, কাজী নাবিল আহমেদ এবং নিজাম উদ্দিন জলিল (জন) অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শহীদুল হক, মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব খোরশেদ আলম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র