Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

সংসদের লেকে ১০ হাজার পোনা ছাড়লেন স্পিকার

সংসদের লেকে ১০ হাজার পোনা ছাড়লেন স্পিকার
ছবি: জাতীয় সংসদ
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় সংসদের লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। ‘মৎস্য চাষে গড়ব দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০১৯ উপলক্ষে সোমবার (২২ জুলাই) দুপুরে স্পিকার ড. শিরীর শারমিন চৌধুরী ১০ হাজার পোনা অবমুক্ত করেন।

সম্প্রতি সংসদ লেকের কাঁদামাটিসহ পানি শুকিয়ে নতুনভাবে প্রস্তুত করা হয়। নতুনভাবে লেক প্রস্তুত করার পর প্রথম মাছের পোনা ছাড়া হলো। ১৭ দশমিক ৯৮ একর আয়তনের এই লেকে মোট ৩০ হাজার পোনা ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে সোমবার শুধু মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ১০ হাজার পোনা ছাড়া হয়। বাকি পোনা সংসদ ক্লাবের পক্ষ থেকে ছাড়া হবে।

সোমবার রুই, কাতলা, মৃগেল মাছের পোনা ছাড়া হয়। এর মধ্যে ১২ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার আকৃতির ৪ হাজার ২০০টি রুই মাছের পোনা, যার ওজন হবে ২৮০ কেজি। আর ১০ থেকে ১২ সেন্টিমিটার আকৃতির ২ হাজার ৫০টি কাতলা মাছের পোনার ওজন হবে ২৫৫ কেজি। অন্যদিকে ১২ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার আকৃতির ৩ হাজার ৭৫০টি মৃগেল মাছের পোনার ওজন হবে ২৫০ কেজি।

সংসদ ভবন লেকের আয়তন ১৭ দশমিক ৯৮ একর। পানির গড় গভীরতা ভরা মৌসুমে থাকে ১৫ ফুট, বর্তমানে আছে ৮-৯ ফুট। গত ডিসেম্বর মাসে লেকটি সংস্কার করা হয়। সংস্কারকালে মৎস্য অধিদফতর কর্তৃক গঠিত কারিগরি কমিটি প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করে। মৎস্য খাত দেশের মোট জিডিপি’র ৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপি’র ২৫ দশমিক ৩০ শতাংশ অবদান রাখছে।

স্পিকার বলেন, প্রতি বছরের মত এবারও সংসদের লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। কিছুদিন লেক সংস্কার করার পর এখনকার পানি অত্যন্ত স্বচ্ছ, টলটলে। এখন মাছের পোনা অবমুক্ত করার উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে মৎস্য খাতের অবদান দিন দিন বেড়েই চলেছে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও মানবদেহের পুষ্টির চাহিদা পূরণে মৎস্য সম্পদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মাছে ভাতে বাঙালির দৈনন্দিন জীবনে খাদ্য তালিকায় আমিষের ৬০ ভাগ যোগান দিচ্ছে মাছ। প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত দেশীয় এ মাছ খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি পুষ্টিগুণে ভরপুর।

‘শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে গুরুত্বের পর মৎস্য খাতকেও অতি গুরুত্ব দিয়ে সরকার নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এটি সঠিকভাবে মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ মৎস্য সম্পদ উৎপাদনে বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করবে। ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে বেশ কয়েকটি কর্মসূচি বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত পাঁচ বছরে জাতীয় মাছ ইলিশসহ অন্যান্য প্রজাতির সামুদ্রিক মাছের উৎপাদনে ব্যাপক সাফল্য অর্জিত হয়েছে।’

Speaker

তিনি বলেন, ১৯৭২ সালের জুলাই মাসে কুমিল্লার এক জনসভায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন- মাছ হবে দ্বিতীয় প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী সম্পদ। এ কথা এখন সত্য বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। ১৯৭৩ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গণভবন লেকে পোনামাছ অবমুক্ত করে আনুষ্ঠানিকভাবে মৎস্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে সামাজিক আন্দোলনের শুভ সূচনা করেন। ১৯৭৩ সালে রাশিয়া সরকারের সহযোগিতায় সামুদ্রিক সম্পদের মজুদ নির্ণয়ে মৎস্য জরিপ কাজ সম্পন্ন করা হয়।

স্পিকার বলেন, গত পাঁচ বছরে মৎস্য উৎপাদনে সরকারের সাফল্যকে অর্থনীতিবিদরা প্রশংসা করছেন। বর্তমানে বিশ্বে মৎস্য সম্পদ উৎপাদনে বাংলাদেশ চতুর্থ স্থানে রয়েছে। মিঠা পানির মৎস্য উৎপাদনে আমরা তৃতীয় স্থানে রয়েছি। আগামীতে মিঠা পানির মৎস্য চাষে আমাদের লক্ষ্য থাকবে প্রথম স্থান অধিকার করার।

তিনি বলেন, চলতি অর্থ বছরে ৪১ দশমিক ৩৪ লাখ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয়েছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুযায়ী ২০২২ সালে মাছে বাংলাদেশ বিশ্বে এক নম্বর অবস্থানে যাবে। বর্তমানে শেখ হাসিনা সরকারের হাত ধরে মৎস্য খাতে উন্নয়নের যে বিপ্লব শুরু হয়েছে, তা আগামী পাঁচ বছর বজায় থাকলে এই খাত হয়ে উঠবে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম চালিকা শক্তি। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ‘রূপকল্প ২০২১’ বাস্তবায়নেও এই খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো বা ইপিবি থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে ২০০৮-০৯ অর্থবছরে মাছের মোট উৎপাদন ছিল ২৭.০১ লাখ টন, সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ তথা মৎস্যবান্ধব কার্যক্রম এবং চাষি-উদ্যোক্তা পর্যায়ে চাহিদামাফিক কারিগরি পরিষেবা প্রদানের ফলে ২০১২-১৩ অর্থবছরে এ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৩৪.১০ লাখ টন। সর্বশেষ ২০১৬- ১৭ অর্থবছরে মৎস্য উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ৪১ লাখ টন ছাড়িয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে এই খাত থেকে উৎপাদিত হয়েছে ৪২ লাখ টন।

মৎস্য খাতে প্রবৃদ্ধির এ ক্রমধারা অব্যাহত থাকলে আগামী ২০২০-২১ সালের মধ্যে দেশে মৎস্য উৎপাদন ৪৫ দশমিক ৫২ লাখ টন অর্জিত হবে বলে আশা করা যায়। ফলে ২০২০-২১ সনে দেশের বর্ধিত জনগোষ্ঠীর জন্য প্রক্ষেপিত মৎস্য চাহিদা (৪৫ দশমিক ২৮ লাখ টন) পূরণ করা সম্ভব হবে। গত ১০ বছরের মৎস্য উৎপাদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, এ খাতে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি বেশ উৎসাহব্যঞ্জক (গড় প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ) এবং এক্ষেত্রে প্রায় স্থিতিশীলতা বিরাজমান।

মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরুর সভাপতিত্বে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নূর ই আলম চৌধুরী, ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলাম, রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, সাবেক প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজ, সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

স্বাধীনতাবিরোধীদের সরকারি ভাতার অর্থ ফেরত নেয়ার দাবি

স্বাধীনতাবিরোধীদের সরকারি ভাতার অর্থ ফেরত নেয়ার দাবি
সংসদীয় কমিটি

স্বাধীনতাবিরোধীদের সঠিক তালিকা তৈরি করার জন্য মন্ত্রণালয়কে তাদিগ দিয়েছে সংসদীয় কমিটি। একই সঙ্গে যে সব স্বাধীনতাবিরোধী সরকারি ভাতা নিয়েছে তাদের সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত আনার উদ্যোগ নিতে বলেছে কমিটি। তবে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্বাধীনতাবিরোধীদের একটি তালিকা প্রস্তুত করা হবে।

রোববার (২৫ আগস্ট) সংসদ ভবনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব করা হয়। শুধু তাই নয়, ১৯৭২ সালে আওয়ামী লীগ বাদে অন্য দলের যেসব এমপি ছিল তাদেরও একটি তালিকা প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি শাজাহান খান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, আমরা মন্ত্রণালয়ের কাছে স্বাধীনতাবিরোধীদের তালিকা চেয়েছি এবং রাজাকারদের মধ্যে যারা সরকারি ভাতা নিয়েছে তাদের সেই অর্থ ফেরত আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আর ১৯৭২ সালে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য দলের যারা এমপি ছিলেন তাদেরও একটা তালিকা করার জন্য বলা হয়েছে।

এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের যেসব সম্পত্তি বেহাত হয়ে গেছে সেগুলো উদ্ধারে একটি সাব কমিটি গঠন করা হয় বৈঠকে। কমিটির আহ্বায়ক শাজাহান খান। অন্য সদস্যরা হলেন—কাজী ফিরোজ রশিদ, এ বি তাজুল ইসলাম ও মইনউদ্দীন খান বাদল।

বৈঠকে আলোচনায় উঠে এসেছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি নিদর্শন ও বধ্যভূমি সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। সঠিকভাবে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে এ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নের সুপারিশ করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজাকারদের তালিকা প্রণয়নে সব জেলা প্রশাসককে চিঠি দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই এ তালিকা প্রস্তুত করা সম্ভব হবে বলে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে জানানো হয়।

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) আইনের বিধিমালার খসড়া প্রস্তুত করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটির সভায় একটি উপকমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে স্থায়ী কমিটির সভায় জানানো হয়। প্রতিটি উপজেলায় মুক্তিযুদ্ধ কমপ্লেক্স শহর থেকে বিচ্ছিন্ন স্থানে নির্মাণ না করে যথোপযুক্ত স্থাণে নির্মাণের জন্য বৈঠকে আলোচনা করা হয়।

কমিটির সভাপতি শাজাহান খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, মইনউদ্দীন খান বাদল, রাজি উদ্দিন আহমেদ, মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম, এ বি তাজুল ইসলাম এবং কাজী ফিরোজ রশিদ অংশ নেন।

এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

ফের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ব্যর্থ হওয়ায় সংসদীয় কমিটির ক্ষোভ

ফের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ব্যর্থ হওয়ায় সংসদীয় কমিটির ক্ষোভ
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক, ছবি: সংগৃহীত

মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে প্রত্যাবাসনে বারবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হওয়ায় এ সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির পক্ষ থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। মিয়ানমারের অভ্যন্তরে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি সেফ জোন সৃষ্টির প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে আলোচনার জন্য স্থায়ী কমিটির সদস্যগণকে সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড সফরের জন্য মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে সংসদ ভবনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব করা হয়।

বৈঠকের শুরুতে আগস্ট মাসকে শোকের মাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। এছাড়া ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের নিহত সদস্য এবং ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে শোক প্রকাশ করা হয় এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

বৈঠকে দেশের ভাবমূর্তি রক্ষায় এবং নিরীহ মানুষকে রক্ষার জন্য বিদেশে অবস্থানরত চিহ্নিত যে সকল বাংলাদেশি দালাল চক্র অবৈধ মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত তারা বিদেশ থেকে দেশে ফেরার সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে গ্রেফতারপূর্বক আইনের আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়।

এদিকে নানা আয়োজনের পরেও শেষ মুহূর্তে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন করতে না পারায় কমিটিতে হতাশা প্রকাশ করার পাশাপাশি তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের অগ্রগতি ও মিয়ানমারের সর্বশেষ অবস্থান নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং রোহিঙ্গাদের দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করার পাশাপাশি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দায়িত্ব পালনরত এনজিওদের কার্যক্রম মনিটরিং এর ব্যবস্থা করার সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যেসহ বিভিন্ন দূতাবাসে ভিসা পেতে বাংলাদেশি নাগরিক বিশেষ করে সিনিয়র নাগরিকদের হয়রানিরোধে মন্ত্রণালয়কে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন্য বর্তমান অর্থবছরে বাজেট বৃদ্ধি পাওয়ায় কমিটির পক্ষ থেকে সন্তোষ প্রকাশ করা হয় এবং বরাদ্দকৃত বাজেট যাতে সফল ও যথাযথভাবে ব্যয় করা হয় ও ফেরত না যায় সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

কমিটি সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ. কে. আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, নুরুল ইসলাম নাহিদ, গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স, মো. আব্দুল মজিদ খান, কাজী নাবিল আহমেদ এবং নিজাম উদ্দিন জলিল (জন) অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শহীদুল হক, মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব খোরশেদ আলম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র