Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

সরকারি খরচে ৫ জন করে হজে পাঠাতে পারবেন কমিটির এমপিরা

সরকারি খরচে ৫ জন করে  হজে পাঠাতে পারবেন কমিটির এমপিরা
সংসদ ভবন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির এমপিরা তাদের পাঁচজন করে প্রতিনিধিকে এবার সরকারি খরচে হজে পাঠাতে পারবেন।

কমিটির সভাপতি মো. হাফেজ রুহুল আমীন মাদানী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।

কমিটিতে সভাপতিসহ ১০ জন সদস্য রয়েছেন। অর্থাৎ সরকারি খরচে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সুপারিশে ৫০ জন হজ করার সুযোগ পাবেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিকেলে সংসদ ভবনে কমিটির বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। এরই মধ্যে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়েছে বলে কমিটি থেকে জানানো হয়। অর্থাৎ কমিটির একেকজন এমপির মনোনীত পাঁচজন করে হজে পাঠানোর কার্যক্রম শেষ। তাদের মধ্য থেকে এখন পর্যায়ক্রমে হজে যাবেন।

বৈঠক শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করে কমিটির সভাপতি মো. হাফেজ রুহুল আমীন মাদানী জানান, মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত বাংলাদেশ বিমানের ৭৪টি ও সৌদি এয়ারলাইন্সের ৭৬টি ফ্লাইটে মোট ৫৪ হাজার ৭৬৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। এ বছর এক লাখ ২৭ হাজার হজযাত্রী হজ করবেন। তার মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ করবেন ছয় হাজার ৯২৩ জন। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ২০ হাজার জন, ওয়ার্কিং মেম্বর ৫০০ জন। এদের মধ্যে ১৪ জুলাই পর্যন্ত ভিসা হয়েছে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ছয় হাজার ৪৬৯ জনের, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭০ হাজার ১৫৯ জনের। আর ওয়ার্কিং মেম্বরদের মধ্যে ৪৪৮ জনসহ মোট ৭৭ হাজার ৭৬ জনের ভিসা হয়েছে।

এ বছর হজ সংক্রান্ত বিভিন্ন দল গঠন করা হয়েছে। তার মধ্যে ১০ সদস্য বিশিষ্ট হজ প্রতিনিধি দল, ২৪৯ সদস্য বিশিষ্ট হজ চিকিৎসক দল, ৫৭ সদস্য বিশিষ্ট হজ প্রশাসনিক দল, ৫৮ সদস্য বিশিষ্ট ওলামা মাশায়েখ দল, ১৮ সদস্য বিশিষ্ট কারিগরি দল ও ১১৮ সদস্য বিশিষ্ট হজ সহায়ক দল গঠন করা হয়েছে। দলগুলো থেকে প্রথম পর্যায়ে ১৭১ জন সদস্যকে এরই মধ্যে সৌদি আরবে পাঠানো হয়েছে। তাদের সবাই সরকারি খরচে হজ করবেন।

তবে এ বছর হজ সহায়তাকারী হিসেবে মালি, গাড়িচালকসহ যারা সংশ্লিষ্ট নন এমন লোকদের নাম তালিকাভুক্ত হওয়ায় চারদিকে সমালোচনার ঝড় উঠলেও কমিটিতে এসব নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।

এ বিষয়ে কমিটি সভাপতি মো. হাফেজ রুহুল আমীন মাদানী বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু অন্যান্য আলোচনা করার পর আর সময় হয়নি। এবার হজ সহায়তাকারী হিসেবে মেডিকেল টিমে দেখা গেছে মালি, গাড়ি চালক, পাচক গেছেন। বিষয়টি ঠিক হয়নি। মেডিকেল টিমের অনেকেই ছিলেন, যারা বাদ পড়েছেন তাদের মধ্য থেকে নেওয়া যেত। এটা আসলে কেউ না কেউ ঢুকিয়েছেন। যেহেতু তারা চলে গেছেন, এখন তো আর কিছু করার নেই। আগামীতে যেন এমন না ঘটে, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে।’

সার্বিক হজ ব্যবস্থাপনায় কমিটি সন্তোষ প্রকাশ করেছে বলেও জানান তিনি। এ সময় তাকে প্রশ্ন করা হয়, আপনাদের পাঁচজন করে হজে যাওয়ার সুযোগেই খুশি নাকি বাস্তবিক অর্থেই হজ ব্যবস্থাপনায় খুশি। তিনি প্রশ্নটি এড়িয়ে বলেন, ‘চিকিৎসকদের জায়গায় অন্যদের পাঠানো ঠিক হয়নি।’

কমিটি সূত্র জানায়, এবার ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালকের তত্ত্বাবধানে সব হজযাত্রী এবং হজ গাইডকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সৌদি আরবের চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে দেওয়া স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্রের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং এ পর্যন্ত তিন হাজার ১৩৯ জনকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে, হজ অফিস ঢাকায় হজ সংক্রান্ত হেল্পডেস্ক এবং কলসেন্টার (০৯৬২৬৬৬৭০৭০) চালু রয়েছে। হজযাত্রীরা হজ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য যেমন- এসএমএস’র মাধ্যমে ফ্লাইটের তথ্য, টিকা সংক্রান্ত তথ্য ও পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে তথ্য জানানো হচ্ছে।

উল্লেখ্য, হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাত্রার প্রথম ফ্লাইট শুরু হয় ৪ জুলাই, শেষ ফ্লাইট হবে ৫ আগস্ট। আর হজ শেষে সৌদি আরব থেকে ফিরতি প্রথম ফ্লাইট হবে ১৭ আগস্ট এবং শেষ ফ্লাইট ১৫ সেপ্টেম্বর।

মো. হাফেজ রুহুল আমীন মাদানীর সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, শওকত হাচানুর রহমান (রিমন), মনোরঞ্জন শীল গোপাল, মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী, এইচ এম ইব্রাহিম, জিন্নাতুল বাকিয়া, মোসা. তাহমিনা বেগম এবং রত্না আহমেদ অংশ নেন। বিশেষ আমন্ত্রণে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

ফের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ব্যর্থ হওয়ায় সংসদীয় কমিটির ক্ষোভ

ফের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ব্যর্থ হওয়ায় সংসদীয় কমিটির ক্ষোভ
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক, ছবি: সংগৃহীত

মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে প্রত্যাবাসনে বারবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হওয়ায় এ সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির পক্ষ থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। মিয়ানমারের অভ্যন্তরে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি সেফ জোন সৃষ্টির প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে আলোচনার জন্য স্থায়ী কমিটির সদস্যগণকে সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড সফরের জন্য মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে সংসদ ভবনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব করা হয়।

বৈঠকের শুরুতে আগস্ট মাসকে শোকের মাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। এছাড়া ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের নিহত সদস্য এবং ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে শোক প্রকাশ করা হয় এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

বৈঠকে দেশের ভাবমূর্তি রক্ষায় এবং নিরীহ মানুষকে রক্ষার জন্য বিদেশে অবস্থানরত চিহ্নিত যে সকল বাংলাদেশি দালাল চক্র অবৈধ মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত তারা বিদেশ থেকে দেশে ফেরার সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে গ্রেফতারপূর্বক আইনের আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়।

এদিকে নানা আয়োজনের পরেও শেষ মুহূর্তে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন করতে না পারায় কমিটিতে হতাশা প্রকাশ করার পাশাপাশি তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের অগ্রগতি ও মিয়ানমারের সর্বশেষ অবস্থান নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং রোহিঙ্গাদের দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করার পাশাপাশি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দায়িত্ব পালনরত এনজিওদের কার্যক্রম মনিটরিং এর ব্যবস্থা করার সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যেসহ বিভিন্ন দূতাবাসে ভিসা পেতে বাংলাদেশি নাগরিক বিশেষ করে সিনিয়র নাগরিকদের হয়রানিরোধে মন্ত্রণালয়কে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন্য বর্তমান অর্থবছরে বাজেট বৃদ্ধি পাওয়ায় কমিটির পক্ষ থেকে সন্তোষ প্রকাশ করা হয় এবং বরাদ্দকৃত বাজেট যাতে সফল ও যথাযথভাবে ব্যয় করা হয় ও ফেরত না যায় সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

কমিটি সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ. কে. আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, নুরুল ইসলাম নাহিদ, গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স, মো. আব্দুল মজিদ খান, কাজী নাবিল আহমেদ এবং নিজাম উদ্দিন জলিল (জন) অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শহীদুল হক, মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব খোরশেদ আলম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তরুণদের উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত করতে কারিগরি শিক্ষা জরুরি

তরুণদের উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত করতে কারিগরি শিক্ষা জরুরি
জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে এক কর্মশালায় স্পিকার শিরীন শারমিন, ছবি: সংগৃহীত

দেশের তরুণ সমাজকে উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত করতে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, 'দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী, তাই নারী ও শিশুকে সমানভাবে গুরুত্ব দিতে হবে। দেশের তরুণ সমাজকে উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত করতে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করা জরুরি।

এ সময় তিনি তরুণদের কর্মক্ষমতাকে কাজে লাগাতে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের জন্য সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

ড. শিরীন শারমিন বলেন, 'কর্মশালায় বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের জ্ঞানভিত্তিক ও গবেষণামূলক আলোচনা সংশ্লিষ্টদের জানার পরিসরকে আরও সমৃদ্ধ করবে। নতুন সংসদ সদস্যবৃন্দের অবহিতকরণের জন্য কর্মশালা আয়োজনের পাশাপাশি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও নারীর প্রতি সহিংসতাপ্রবণ এলাকায় ব্যাপকভাবে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে।'

এ সময় তিনি প্রান্তিক পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করতে এসপিসিপিডি প্রকল্পের কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

স্পিকার বলেন, 'মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাস্তবায়নাধীন ল্যাকটেটিং ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, পুষ্টি কার্যক্রম এবং মা ও শিশু সহায়তা কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় জরুরি।'

এ সময় তিনি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, যুব উন্নয়ন ও মাতৃ স্বাস্থ্য উন্নয়নে সংসদ সদস্যগণকে নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের আহ্বান জানান।

কর্মশালায় সূচনা বক্তব্য রাখেন, অনুষ্ঠানের সভাপতি এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ এমপি। স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসপিসিপিডি'র প্রকল্প পরিচালক এম এ কামাল বিল্লাহ।

কর্মশালায় মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম। মুক্ত আলোচনা সেশন সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ জাতীয় সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান।

কর্মশালায় বিষয়ভিত্তিক বক্তব্য রাখেন- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আ. ফ. ম রুহুল হক, অ্যারোমা দত্ত এবং পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য সিনিয়র সচিব ড. শামসুল হক। কর্মশালায় সংসদ সদস্যবৃন্দ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র