Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মোবাইল অ্যাপসে সমগ্র পৃথিবীতে বিটিভি দেখা যাবে

মোবাইল অ্যাপসে সমগ্র পৃথিবীতে বিটিভি দেখা যাবে
সংসদে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় সংসদ ভবন থেকে: এখনো বেশিভাগ মানুষ বিটিভি দেখে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, 'কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বিটিভি সমগ্র ভারতবর্ষে টেরিসটোরিয়াল চ্যানেল হিসেবে দেখা যাবে। অর্থাৎ দেশটির সরকারি চ্যানেলগুলো যেভাবে টেরিসটোরিয়াল চ্যানেল হিসেবে দেখা যায় ঠিক একইভাবে বিটিভি দেখা যাবে। এছাড়া কয়েক মাসের মধ্যে মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে সমগ্র বিশ্বে বিটিভি দেখা যাবে।'

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বিকেলে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট বিল পাসের আগে সংসদ সদস্যদের জনমত যাচাই-বাছাইয়ের প্রস্তাবের জবাব দিতে গিয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'এখনো বেশিরভাগ মানুষ বিটিভি দেখে। তবে আশ্চর্যের বিষয় গত কয়েক দশক ধরে বিটিভি ভারতে দেখা যাচ্ছিল না। আমরা মে মাসে ভারতের সঙ্গে ওয়ার্কিং অ্যাগ্রিমেন্ট করেছি, চুক্তি করেছি। সেই চুক্তির আলোকে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বিটিভি সমগ্র ভারতবর্ষে টেরিসটোরিয়াল চ্যানেল হিসেবে দেখা যাবে। অর্থাৎ ভারতের সরকারি টেলিভিশনগুলো যেভাবে তাদের সম্প্রচার মাধ্যমগুলোর মাধ্যমে টেরিসটোরিয়োল চ্যানেল হিসেবে দেখা যায়, ঠিক একইভাবে বিটিভি সমগ্র ভারতবর্ষে আগামী কয়েক সপ্তাহ পর থেকে দেখা যাবে। এটি অত্যন্ত সুখবর। বিটিভির মান উন্নয়নে অনেক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ছয়টি বিভাগীয় শহরে নতুন টেলিভিশন কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।'

এছাড়া আগামী কিছুদিন পর মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে সমগ্র পৃথিবীতে বিটিভি দেখা যাবে বলেও জানান মন্ত্রী।

সরকারের মেয়াদে গত দশ বছরে গণমাধ্যমের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, 'গত ১০ বছরে গণমাধ্যমের ব্যাপক বিকাশ ঘটেছে। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে সেটি হয়নি। অনেক উন্নত দেশেও সেটি হয়নি। দশ বছর আগে বাংলাদেশে দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা ছিল সাড়ে ৭০০, এখন দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা ১৩০০। দশ বছর আগে টিভি চ্যানেলের সংখ্যা ছিল ১০টি, আজকে ৩৪টি সম্প্রচারে আছে, ৪৫টির লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। অনলাইন মিডিয়া হাতে গোনা কয়েকটি ছিল। আমরা রেজি আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছিলাম এপর্যন্ত আট হাজারের বেশি দরখাস্ত জমা পড়েছে। ১৫ তারিখের আরও অনেক জমা পড়বে।'

বিটিভির খবর পাঠকদের বয়স নিয়ে প্রশ্ন তোলায় মন্ত্রী বলেন, 'একজন সদস্য বলেছেন, বিটিভিতে বয়স্ক মহিলাদের দিয়ে খবর পড়ানো হয়। তাহলে কি সুন্দর তরুণীদের দিয়ে শুধু খবর পড়ানো হবে? আপনি কি সেটি বলতে চান? চেহারা কি মানুষের সমস্ত গুণাগুণের মূল বিষয়? যে খবর পড়ার জন্য চেহারাই সুন্দর হতে হবে? এটিই কি মুখ্য বিষয়? এটা মুখ্য বিষয় হতে পারে না। চেহারা বয়স নিয়ে প্রশ্ন তোলা কতটুক সমীচীন। আমি একই কথাগুলো সংসদীয় প্রসিডিং থেকে এক্সপান্স করার অনুরোধ করছি। অনেকে চুলে রং টং লাগায় তাহলে কার চেহারা কেমন দেখা যাবে।'

চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশ নিয়ে বলেন, 'চলচ্চিত্র বিকাশে ভারতসহ অন্যান্য দেশের চলচ্চিত্র আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। চলচ্চিত্র উন্নয়নের জন্য অনেক প্রদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। গাজীপুরে ১০০ একর জায়গার উপর বঙ্গবন্ধু ফিল্ম সিটি স্থাপন করা হবে। সেটি বিশ্বমানের ফিল্ম সিটিতে উন্নীত করব।'

সিনেমা হল বন্ধ প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, 'হলগুলো বন্ধ হচ্ছে এটা শুধু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট নয় এটা সমগ্র বিশ্বব্যাপী হচ্ছে, ভারতেও অনেক সিনেমা হল বন্ধ হয়েছে। আকাশ সংস্কৃতির কারণে তাছাড়া নিউ মিডিয়ায় ছবিগুলো চলে আসায় সিনেমা হল বন্ধ হচ্ছে। সমগ্র পৃথিবীতে হল সিনেমা হলগুলো সংকুচিত হচ্ছে। ভারতেও এক দশকে বহু সিনেমা হল বন্ধ হয়েছে। আমাদের দেশেও অনেক সিনেমা হল বন্ধ হয়েছিল। যদিও সিনেমা হলগুলো আবার চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। দেশে সিনেপ্লেক্সের সংখ্যা বাড়ছে। তাছাড়া সিনেমা হল আধুনিকায়ন করতে চান বা বন্ধ সিনেমা হল চালু করতে চান তাদের সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এটি হলে আগামী কয়েক বছরে সিনেমা হলের সংখ্যা বাড়বে। সিনেমা হলের হারানো দিন ফিরে আসবে।'

আপনার মতামত লিখুন :

সংসদের লেকে ১০ হাজার পোনা ছাড়লেন স্পিকার

সংসদের লেকে ১০ হাজার পোনা ছাড়লেন স্পিকার
ছবি: জাতীয় সংসদ

জাতীয় সংসদের লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। ‘মৎস্য চাষে গড়ব দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০১৯ উপলক্ষে সোমবার (২২ জুলাই) দুপুরে স্পিকার ড. শিরীর শারমিন চৌধুরী ১০ হাজার পোনা অবমুক্ত করেন।

সম্প্রতি সংসদ লেকের কাঁদামাটিসহ পানি শুকিয়ে নতুনভাবে প্রস্তুত করা হয়। নতুনভাবে লেক প্রস্তুত করার পর প্রথম মাছের পোনা ছাড়া হলো। ১৭ দশমিক ৯৮ একর আয়তনের এই লেকে মোট ৩০ হাজার পোনা ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে সোমবার শুধু মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ১০ হাজার পোনা ছাড়া হয়। বাকি পোনা সংসদ ক্লাবের পক্ষ থেকে ছাড়া হবে।

সোমবার রুই, কাতলা, মৃগেল মাছের পোনা ছাড়া হয়। এর মধ্যে ১২ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার আকৃতির ৪ হাজার ২০০টি রুই মাছের পোনা, যার ওজন হবে ২৮০ কেজি। আর ১০ থেকে ১২ সেন্টিমিটার আকৃতির ২ হাজার ৫০টি কাতলা মাছের পোনার ওজন হবে ২৫৫ কেজি। অন্যদিকে ১২ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার আকৃতির ৩ হাজার ৭৫০টি মৃগেল মাছের পোনার ওজন হবে ২৫০ কেজি।

সংসদ ভবন লেকের আয়তন ১৭ দশমিক ৯৮ একর। পানির গড় গভীরতা ভরা মৌসুমে থাকে ১৫ ফুট, বর্তমানে আছে ৮-৯ ফুট। গত ডিসেম্বর মাসে লেকটি সংস্কার করা হয়। সংস্কারকালে মৎস্য অধিদফতর কর্তৃক গঠিত কারিগরি কমিটি প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করে। মৎস্য খাত দেশের মোট জিডিপি’র ৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপি’র ২৫ দশমিক ৩০ শতাংশ অবদান রাখছে।

স্পিকার বলেন, প্রতি বছরের মত এবারও সংসদের লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। কিছুদিন লেক সংস্কার করার পর এখনকার পানি অত্যন্ত স্বচ্ছ, টলটলে। এখন মাছের পোনা অবমুক্ত করার উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে মৎস্য খাতের অবদান দিন দিন বেড়েই চলেছে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও মানবদেহের পুষ্টির চাহিদা পূরণে মৎস্য সম্পদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মাছে ভাতে বাঙালির দৈনন্দিন জীবনে খাদ্য তালিকায় আমিষের ৬০ ভাগ যোগান দিচ্ছে মাছ। প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত দেশীয় এ মাছ খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি পুষ্টিগুণে ভরপুর।

‘শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে গুরুত্বের পর মৎস্য খাতকেও অতি গুরুত্ব দিয়ে সরকার নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এটি সঠিকভাবে মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ মৎস্য সম্পদ উৎপাদনে বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করবে। ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে বেশ কয়েকটি কর্মসূচি বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত পাঁচ বছরে জাতীয় মাছ ইলিশসহ অন্যান্য প্রজাতির সামুদ্রিক মাছের উৎপাদনে ব্যাপক সাফল্য অর্জিত হয়েছে।’

Speaker

তিনি বলেন, ১৯৭২ সালের জুলাই মাসে কুমিল্লার এক জনসভায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন- মাছ হবে দ্বিতীয় প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী সম্পদ। এ কথা এখন সত্য বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। ১৯৭৩ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গণভবন লেকে পোনামাছ অবমুক্ত করে আনুষ্ঠানিকভাবে মৎস্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে সামাজিক আন্দোলনের শুভ সূচনা করেন। ১৯৭৩ সালে রাশিয়া সরকারের সহযোগিতায় সামুদ্রিক সম্পদের মজুদ নির্ণয়ে মৎস্য জরিপ কাজ সম্পন্ন করা হয়।

স্পিকার বলেন, গত পাঁচ বছরে মৎস্য উৎপাদনে সরকারের সাফল্যকে অর্থনীতিবিদরা প্রশংসা করছেন। বর্তমানে বিশ্বে মৎস্য সম্পদ উৎপাদনে বাংলাদেশ চতুর্থ স্থানে রয়েছে। মিঠা পানির মৎস্য উৎপাদনে আমরা তৃতীয় স্থানে রয়েছি। আগামীতে মিঠা পানির মৎস্য চাষে আমাদের লক্ষ্য থাকবে প্রথম স্থান অধিকার করার।

তিনি বলেন, চলতি অর্থ বছরে ৪১ দশমিক ৩৪ লাখ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয়েছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুযায়ী ২০২২ সালে মাছে বাংলাদেশ বিশ্বে এক নম্বর অবস্থানে যাবে। বর্তমানে শেখ হাসিনা সরকারের হাত ধরে মৎস্য খাতে উন্নয়নের যে বিপ্লব শুরু হয়েছে, তা আগামী পাঁচ বছর বজায় থাকলে এই খাত হয়ে উঠবে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম চালিকা শক্তি। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ‘রূপকল্প ২০২১’ বাস্তবায়নেও এই খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো বা ইপিবি থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে ২০০৮-০৯ অর্থবছরে মাছের মোট উৎপাদন ছিল ২৭.০১ লাখ টন, সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ তথা মৎস্যবান্ধব কার্যক্রম এবং চাষি-উদ্যোক্তা পর্যায়ে চাহিদামাফিক কারিগরি পরিষেবা প্রদানের ফলে ২০১২-১৩ অর্থবছরে এ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৩৪.১০ লাখ টন। সর্বশেষ ২০১৬- ১৭ অর্থবছরে মৎস্য উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ৪১ লাখ টন ছাড়িয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে এই খাত থেকে উৎপাদিত হয়েছে ৪২ লাখ টন।

মৎস্য খাতে প্রবৃদ্ধির এ ক্রমধারা অব্যাহত থাকলে আগামী ২০২০-২১ সালের মধ্যে দেশে মৎস্য উৎপাদন ৪৫ দশমিক ৫২ লাখ টন অর্জিত হবে বলে আশা করা যায়। ফলে ২০২০-২১ সনে দেশের বর্ধিত জনগোষ্ঠীর জন্য প্রক্ষেপিত মৎস্য চাহিদা (৪৫ দশমিক ২৮ লাখ টন) পূরণ করা সম্ভব হবে। গত ১০ বছরের মৎস্য উৎপাদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, এ খাতে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি বেশ উৎসাহব্যঞ্জক (গড় প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ) এবং এক্ষেত্রে প্রায় স্থিতিশীলতা বিরাজমান।

মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরুর সভাপতিত্বে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নূর ই আলম চৌধুরী, ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলাম, রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, সাবেক প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজ, সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ প্রমুখ।

বন্যা প্রলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা, অভাব নেই ত্রাণের

বন্যা প্রলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা, অভাব নেই ত্রাণের
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দেশের বন্যা পরিস্থিতি প্রলম্বিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করেছে এ সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটি। তবে বন্যা প্রলম্বিত হলেও সরকারের ভাণ্ডারে পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী রয়েছে বলে কমিটিকে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

রোববার (২১ জুলাই) দুপুরে সংসদ ভবনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এসব কথা বলা হয়।

বৈঠক শেষে কমিটি সভাপতি এ বি তাজুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এবার বন্যা প্রলম্বিত হতে পারে এমন একটি আশঙ্কা আমাদের রয়েছে। তবে বন্যা প্রলম্বিত হলেও ত্রাণ সামগ্রীর কোনো অভাব হবে না। আমাদের পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী রয়েছে। আমরা কমিটির পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়কে বলেছি বন্যার কারণে একজন মানুষও যেন কষ্টে না থাকে না খেয়ে কেউ কষ্ট না করে সেই জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।'

বৈঠকে আরও আলোচনা হয় কমিটির যে সকল সদস্য ফ্রি আছেন তারা যেন মন্ত্রণালয়ের কাজে সহযোগিতা করতে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বন্যাকবলিত এলাকায় যান এবং বন্যার্তদের সহযোগিতা করেন।

এছাড়া দেশের অধিকাংশ কালভার্টের অবস্থা অত্যন্ত করুন। বেশিরভাগই ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে বলে কমিটিকে জানানো হয়। এসব কালভার্ট মেরামত করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।

কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান, সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার (ছেলুন), মো. আফতাব উদ্দিন সরকার, মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, জুয়েল আরেং, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং কাজী কানিজ সুলতানা অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবসহ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র