Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আমি রাজনৈতিক কারাগারে ছিলাম: সুলতান মনসুর

আমি রাজনৈতিক কারাগারে ছিলাম: সুলতান মনসুর
সংসদে সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ, ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ বলেছেন, 'আজকে আমারও কিন্তু ওইখানে (সরকারি দলের সারিতে) থাকার কথা ছিল। যদি ওই জোটের পক্ষ হয়ে রাজনীতি করতাম। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, রাজনীতির ছন্দপতনের কারণে হয়তো আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছায় আমি একটি রাজনৈতিক কারাগারের মধ্যে ছিলাম। গত ১৮ বছরে যদিও আমি এমপি ছিলাম না বা এইখানে ছিলাম না তবে আমি রাজনৈতিকভাবে চিন্তার দিক দিয়ে নিষ্ক্রিয় ছিলাম না।'

বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) রাতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ওপর অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে বেলা ১১টায় তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। যদিও শপথ গ্রহণের কারণে তাকে গণফোরাম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সুলতান মনসুর বলেন, 'আজ ঐতিহাসিক দিবস, অর্থাৎ ৭ই মার্চ। আজ থেকে ৪১ বছর আগে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া, গোপালগঞ্জ থেকে সুনামগঞ্জ নিয়ে সাড়ে ৬ কোটির মানুষের যে বাংলাদেশ সেই বাঙালিকে যিনি ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন তার নাম হচ্ছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। সেদিনকার বঙ্গবন্ধুর সেই ৭ই মার্চের ভাষণের কারণে আজকে আমি মহান জাতীয় সংসদে শপথ গ্রহণ করেছি।'

তিনি বলেন, 'এখানে যারা আছেন সকল সংসদ সদস্য, আমার শ্রদ্ধেয় নেতাও রয়েছেন। সহকর্মী আছেন। আমার কর্মীও আছেন। আমার ভাই বোনেরা আছেন। আমার নেত্রীও আছেন, অর্থাৎ সংসদ নেত্রী আছেন। যার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার সুযোগ হয়েছিলো। তবে অপ্রিয় হলেও সত্য আজকে সংসদে যারা আছেন তারা এক জোটের পক্ষ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। আমিই বোধহয় একজন নীলমণি যে বর্তমানে আপাতত জোটের বাইরে অন্য জোট থেকে নির্বাচিত হয়েছি। শত প্রতিকূলতার মধ্যেও আমি সেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে মৌলভীবাজার-২ আসনের কুলাউড়া মানুষের স্বতঃ:স্ফূর্ত সমর্থনের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে এখানে এসেছি। সরকার প্রধান হিসেবে আজকে সংসদ নেত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।'

তিনি বলেন, 'একাদশ সংসদ নির্বাচনে অন্তত আমার নির্বাচনী এলাকায় কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। অন্য এলাকায় কি ঘটেছে জানি না। অন্যরা তাদের বিবেকের আদালতে তারাই বলতে পারবেন।'

সুলতান মনসুর বলেন, 'আজকে আমারও কিন্তু ওইখানে থাকার কথা ছিল। অর্থাৎ যদি ওই জোটের পক্ষ হয়ে রাজনীতি করতাম। আজ থেকে ১৮ বছর আগে এই সংসদে আমার আসার সুযোগ হয়েছিল। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, রাজনীতির ছন্দপতনের কারণে হয়তো আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছায় আমি একটি রাজনৈতিক কারাগারের মধ্যে ছিলাম। গত ১৮ বছরে যদিও আমি এমপি ছিলাম না বা এইখানে ছিলাম না তবে আমি রাজনৈতিকভাবে চিন্তার দিক দিয়ে নিষ্ক্রিয় ছিলাম না। আর যে বিশ্বাস নিয়ে আজ ৭ই মার্চ যাকে নিয়ে আলোচনা ১৯৬৭-৬৮ সালে স্কুল ছাত্র থাকা অবস্থায় যাকে ঘিরে, যার স্লোগান দিয়ে রাজনীতি জীবন শুরু করেছিলাম-পদ্মা,মেঘনা যমুনা তোমার আমার ঠিকানা, জেলের তালা ভাঙবো শেখ মুজিবকে আনবো, মিথ্যা অসত্য ষড়যন্ত্রমূলক মামলা মানি না মানবো না। সেই জায়গা থেকে সেই বিশ্বাস থেকে আমি ব্যক্তিগতভাবে বিচ্যুত হয়নি। যদিও জোটগতভাবে বা রাজনৈতিকভাবে বর্তমানে হয়তো আমার নেতাদের সঙ্গে ওই জোটে নাই। কিন্তু আজ থেকে ৫২ বছর আগে যে বিশ্বাস নিয়ে রাজনীতি শুরু করেছিলাম, সেই বিশ্বাসের জায়গা থেকেই আমি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মাধ্যমে নির্বাচন করে আপনাদের সকলের দোয়াতে এই জাতীয় সংসদে এসেছি।'

তিনি বলেন, 'মহাজোটের বিরোধী যারা ছিলো তারাও আমাকে ভোট দিয়েছে। বঙ্গবন্ধুর অনুসারীরা, জাতির পিতার অনুসারীরাও আমাকে ভোট দিয়ে সর্বস্তরের জনগণ আমাকে এখানে পাঠিয়েছে। কারণ আমার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিলো বঙ্গবন্ধুকে ঘিরে। আমি নিজেকে গৌরবান্বিত মনে করি। আমি নিজেকে আজকে এইভাবে সম্মানিত বোধ করি-জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বাঙালিদের ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন সেই ৭ই মার্চে শপথ নিতে পেরেছি।'

সংসদে সুলতান মনসুর বলেন, 'অনেকের মনোঃপুত বক্তব্য হয়তো আমি আজকে না রাখতে পারি। তবে আশা করবো আপনার (স্পিকার) কাছে মহাজোটের বিরোধী একজন অন্য জোটের ব্যক্তি হয়ে যাতে স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারি, জনগণের কথা বলতে পারি, বাংলার মানুষের কথা বলতে পারি, সাদাকে সাদা কালোকে কালো বলতে পারি। এবং বঙ্গবন্ধু যে কথা বলেছেন যে জনগণই ক্ষমতার উৎস সেই জনগণের স্বার্থে কথা বলে যাতে সারাজীবন রাজনীতি করতে পারি সেই শেল্টার পাবো বলে আশা করি। সেই সহযোগিতা পাবো বলে আশা করি। এমনকি সংসদ নেত্রীও সেই বিষয়টি বিবেচনায় রাখবেন বলে মনে করি।'

তিনি আরও বলেন, 'এখানে ৯৯ পার্সেন্ট হচ্ছে এক জোটে আর আমি অন্য জোট থেকে এসে রাজনীতি করছি। তবে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু এই প্রশ্নে কোন আপোষ নেই। বাংলাদেশ জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু এক নামে পরিচিত। সংসদ নেত্রী বলেছেন, জাতীয় ঐক্যের কথা। আজ সেই ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।'

প্রায় সাড়ে ১১ মিনিটের বক্তব্য শেষ করেন জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বলে শেষ করেন।

আপনার মতামত লিখুন :

ন্যাম ভবনের বাসায় কত মধু?

ন্যাম ভবনের বাসায় কত মধু?
উপরের সারিতে কৃষিমন্ত্রী, সমাজকল্যাণমন্ত্রী , নিচের সারিতে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী এবং পরিবেশ উপমন্ত্রী।

সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবার পর সকলের জন্য আবাসন নিশ্চিত করা হয় সরকারের পক্ষে। সংসদ সচিবালয় থেকে প্রত্যেক এমপির জন্য নাখালপাড়া ও মানিকমিয়া এভিনিউয়ে অবস্থিতি ন্যাম ভবনে থাকার বন্দোবস্ত করা হয়। এমপিদের চাহিদার ভিত্তিতে সংসদ সচিবালয় এই বাসা বরাদ্দ দিয়ে থাকেন। যতদিন তিনি সংসদ সদস্য থাকবেন ততদিন পরিবার নিয়ে ওই বাসাতেই থাকবেন। তবে কেউ যদি বাসা বরাদ্দ না নেন তাতেও কোন আপত্তি নেই সংসদ সচিবালয়ের।

আর যখন সংসদ সদস্যগণ মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেয়ে যান তখন তাদের ঠিকানা হয় মন্ত্রিপাড়ায়। মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়া এমপিগণ তাদের পূর্বের বাসা ছেড়ে উঠবেন মন্ত্রী হিসেবে বরাদ্দ পাওয়া নতুন বাসায়। দশম সংসদের অনেক সদস্যই একাদশ সংসদেরও সদস্য। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের দলীয় এমপিরা। একাদশ সংসদ গঠনের পর মন্ত্রিসভায় যাদের নাম উঠেছে ন্যাম ভবনে তাদের নামে পূর্বের বরাদ্দকৃত বাসা ছেড়ে দেওয়ার কথা। সরকার গঠনের ৭ মাস হতে চলল এখনো ন্যাম ভবনের বাসা দখলে রেখেছেন বেশ কয়েকজন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী।

সংসদ সচিবালয় থেকে বাসা ছাড়ার জন্য কয়েক দফা নোটিশ দিয়েও কাজে আসেনি। তাই শেষ পর্যন্ত অভিযোগ গেছে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে। সদ্য শেষ হওয়া তৃতীয় অধিবেশনের শেষ দিন ১১ জুলাই সংসদ ভবনের নবম তলায় সরকারি দলের সভাকক্ষে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভায় নাম উল্লেখ না করে ন্যাম ভবনে বাসা দখল করে থাকা মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রীদের ভৎসনা করেন প্রধানমন্ত্রী। ওই সভায় সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী ওইসকল মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “ন্যাম ভবনের বাসা যদি এতই ভাল লাগে তাহলে মন্ত্রিপাড়ার বাসা ছেড়ে দিন, এখানে চলে আসুন। আর আপনাদের বাসা দেওয়া হয়েছে। আপনাদের ড্রাইভার, পিয়ন, আত্মীয় থাকার জন্য না। বাসায় যারা থাকেন না তারা বাসা ছেড়ে দেন।”  

ওইদিনের সভার পর অনুসন্ধান করে দেখা গেছে ২ মন্ত্রী, ৪ প্রতিমন্ত্রী ও এক উপমন্ত্রী ন্যাম ভবনের বাসা দখলে রেখেই মন্ত্রিপাড়ার বাসাতে থাকছেন। তাদের মধ্যে দুইজন আবার সেদিনের পর ন্যাম ভবনের বাসা ছেড়ে গেলেও সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে বুঝিয়ে না দিয়েই চলে গেছেন। যে কারণে ওই দুইজনের বাসা এখনো তাদের দখলে রয়েছে মর্মে কাগজে রয়েছে। এ নিয়ে সংসদ সচিবালয়ে কথা উঠেছে ন্যাম ভবনের বাসায় কত মধু যে মন্ত্রিপাড়ার বাসা পাওয়ার পরেও তারা বাসা ছাড়ছে না। অনেকে আবার বলছেন আমি থাকব দেখি কি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563352664638.jpg

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ন্যাম ভবনের বাসায় আসলে ওই মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রীদের মধ্যে অনেকেই থাকেন না, কেউ কেউ মাঝে মাঝে দুই একদিন আসেন, আবার চলে যান। ওই বাসায় মূলত তাদের আত্মীয়রা থাকেন।

মন্ত্রিপাড়ার বাসা থাকা সত্ত্বেও ন্যাম ভবনের বাসা দখলে থাকা মন্ত্রীদের মধ্যে রয়েছেন-কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নূরুজ্জামান আহমেদ, সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য, নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ান, এর বাইরে নবনিযুক্ত নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা তার নামে ন্যাম ভবনে বরাদ্দকৃত বাসা এখনো তিনি বুঝে নেননি। যেহেতু প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন তাই সেই বাসায় আর হয়ত উঠবেন না।

এদের মধ্যে কৃষিমন্ত্রী ও সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী ন্যাম ভবনের বাসায় নিজে থাকেন না। তাদের আত্মীয়রা ওই বাসায় থাকেন। আর নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী দুই দিন আগে ন্যাম ভবনের বাসা ছেড়ে গেলেও এখনো তারা সংসদ সচিবালয়কে তাদের সেই বাসা বুঝিয়ে দেননি। আর সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী দেখতে চান শেষ পর্যন্ত কি হয়।

অন্যদিকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার ন্যাম ভবনের বাসাতেই থাকার ইচ্ছে পোষণ করেছেন। আর স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্যও তার ন্যাম ভবনের বাসাতে মাঝে মাঝে আসেন, অন্য সময় খালিই থাকে।

এ বিষয়ে হুইপ শামসুল হক চৌধুরী বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, সংসদ নেতার নির্দেশে আমরা ওইসকল মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী বা সংসদ সদস্যদের নোটিশ করব, আগেও করিছি, এবার চূড়ান্ত নোটিশ। মন্ত্রীদের মধ্যে যারা বাসা ছাড়বেন না তাদের কাছ থেকে ভাড়া কেটে রাখা হবে। আশা করছি, তারা বাসা ছেড়ে দেবেন।  

নারীর ক্ষমতায়নের পূর্ণ বাস্তবায়ন অপরিহার্য: জাতিসংঘে স্পিকার

নারীর ক্ষমতায়নের পূর্ণ বাস্তবায়ন অপরিহার্য: জাতিসংঘে স্পিকার
জাতিসংঘের প্যানেল আলোচনায় স্পিকার শিরীন শারমিন, ছবি: সংগৃহীত

বৈশ্বিকভাবে লিঙ্গসমতা নিশ্চিতকল্পে গৃহীত প্লাটফর্ম 'প্লানেট ৫০-৫০' অর্জনের জন্য নারীর ক্ষমতায়নের পূর্ণ বাস্তবায়ন অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) জাতিসংঘ সদরদফতরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের 'টেকসই বিশ্বের জন্য লিঙ্গসমতা ও নারী নেতৃত্ব' শিরোনামে অনুষ্ঠিত লিঙ্গসমতা বিষয়ক বৈশ্বিক নেতাদের অনানুষ্ঠানিক সভায় প্যানেল আলোচনায় অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, 'ক্ষমতা-কাঠামো পরিবর্তন করতে হবে। এজন্য সংসদ সদস্য হিসেবে আমাদের যে ক্ষমতা রয়েছে, তা ব্যবহার এবং ইতোপূর্বে যে কথা বলা হয়ে ওঠেনি তা বলতে হবে। আর সে সময় এখনই। আসুন, আমাদের প্রতিশ্রুতিসমূহকে বাস্তবে রূপ দেই। আসুন, বাধা হিসেবে যে কাঁচের দেওয়াল রয়েছে তা ভেঙে ফেলে লিঙ্গসমতা অর্জনের পথ মজবুত করি। আসুন, প্লানেট ৫০-৫০ অর্জন করি, যা আজ সময়ের দাবি।'

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, 'বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ নারী ক্ষমতায়নের প্রকৃষ্ট উদাহরণ। সংসদ নেতা ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নারী। স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, সংসদ উপনেতা ও বিরোধীদলীয় উপনেতাও নারী। নারীদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে ৫০টি আসন। আর ২৩ জন নারী সংসদে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত। সামরিক বাহিনী, প্রশাসন, পুলিশ, আইন ও বিচার বিভাগীয় প্রতিষ্ঠানসহ সকল ক্ষেত্রেই রয়েছে নারীর ক্ষমতায়ন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশের নারীরা কাজ করছেন। দেশে ৪০ লাখেরও বেশি নারী তৈরি পোশাক শিল্পে কাজ করছে, যা লিঙ্গসমতার উজ্জ্বল উদাহরণ।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র