Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

যারা বাসা বাঁধতে এসেছিল

যারা বাসা বাঁধতে এসেছিল
তানিয়া চক্রবর্তী/ছবি: বার্তা২৪
তানিয়া চক্রবর্তী


  • Font increase
  • Font Decrease

এই পৃথিবী সকলের, মানুষ যেমন আধুনিক হয়েছে এই যুগে তেমনি নির্বোধও। তারা ভেবেছে এই পৃথিবী তাদের, আর কারোই সেখানে অধিকার নেই, এই ভ্রান্ত ভাবনায় তারা অন্য জীবদের হেলাফেলা করে। আসলে নিজেদের মানবিকতাকেই হেলাফেলা করে। সেই ভাবনা ধরেই শিশুমনের ভেতরে এই ভাবনার প্রসার ঘটানো উচিত এই পৃথিবী আমাদের পশু, পাখি, মানুষ, গাছ সকলের। 

লিপি ক্লাস ফোরে পড়ে। ওরা থাকে একটা ফ্ল্যাটে। চারদিকের হইচই ঘেরা তবু যেন বন্দি বন্দি জীবন। এই ফ্ল্যাটে লিপির সবচেয়ে প্রিয় জায়গা হল ঘরলাগোয়া বারান্দাটি। মা শখ করে সেখানে অনেক টবে গাছ রেখেছে। সবচেয়ে সুন্দর আর বড় গাছটি হল বোগেনভ্যালিয়া বাংলায় যাকে বলে বাগানবিলাস। মাঝে মাঝে বারান্দার গাছগুলো দেখে লিপির বড় দুঃখ হয়! ওরা যেন লিপির মতো সেজেগুজে ঘরের মধ্যে বসে আছে, গ্রিল ছাড়িয়ে বেরিয়ে গেছে বাগানবিলাসের ডাল-পাতা-ফুল। লিপি ভুল জেদ করলে বাবা আর মা যেমন ধমক দেয়, বাগানবিলাসকে দেখে ওর মনে হয় কোনো জেদ ছাড়াই বারান্দার গ্রিলরা ওকে যেন ধমকাচ্ছে। না! মাকে বলতেই হবে এমনভাবে গাছ না রাখাই ভালো কিন্তু ওরা না থাকলে মাঝে মাঝে বারান্দায় ও যেমন অন্যরকম পাখি দেখে সেগুলো নির্ঘাত কমে যাবে! গাছ না থাকলে পাখি আসবেই বা কেন! তাই ভেবেও আর মাকে বলা হয় না। কিন্তু একদিন একটা দারুণ ঘটনা ঘটল।

বারান্দার জামা-কাপড় মেলার তারে কাঠ-খড়-সুতো –মাকড়সার জাল-মাটি জাতীয় কিছু দিয়ে বেশ একটা গোল্লা মতো মন্ড ঝুলতে দেখা গেল। তার কয়েক দিন আগে থেকে লিপি অবশ্য খেয়াল করেছিল একজোড়া টুনটুনি, একটি একটু বড় ও কালচে আরেকটি বেশ মিষ্টি ও ছোট (সাধারণ টুনটুনির থেকে রংটা একটু আলাদা) তারা মাঝে মাঝেই ওদের বারান্দায় বার কয়েক ঘুরে যায়। বোঝা গেল এটা তাদেরই বাসা। বাসার আয়তনটা ছোটোই তবে দিনে দিনে বাড়ছে। আর তাদের বাসা বানানোর কায়দায় বারান্দার মেঝে বেশ ময়লা হয়ে থাকছে প্রতিদিন কাজের দিদি এসে একটু-আধটু অভিযোগ করছে যে এটা পরিষ্কার করে দিলেই তো হয়! কিন্তু লিপি আর লিপির মা তাদের বাড়ির বারান্দার এই কর্মযজ্ঞে খুব খুশি। এত ফ্ল্যাট রয়েছে কজনের ফ্ল্যাটের বারান্দায় আর এমন টুনটুনি বাসা করতে আসে! এর জন্য গাছগুলোর নিশ্চয় ভূমিকা আছে। তাদের দেখেই কিনা নিরাপদে ছানাদের জন্য বাসা করতে এসেছে মা আর বাবা টুনটুনি। সেই রাজাকে নাস্তানাবুদ করা দুষ্টু টুনটুনি! তাই লিপি বারান্দায় গেলেও খুব আস্তে আস্তে যায় যাতে টুনটুনিদের এই জায়গাটে নিরাপদই লাগে। মাও তাকে এ-বিষয়ে সমর্থন করেছে। কিন্তু একদিন হল কি, কাউকে কিছু না জানিয়ে কাজের দিদিটি সমূলে সেই বাসা সরিয়ে দিল পরিষ্কারের অজুহাতে, সেদিন সকাল থেকে লিপির মন খুব খারাপ। কাজের দিদিকে বাড়িতেও বকাঝকা করা হল কিন্তু তাতে আর কি! এদিকে কিছুক্ষণ পর পর টুনটুনি জোড়া বারান্দায় এসে তুমুল হাঁকাহাঁকি করছে। বোধহয় ভাবছে কোথায় গেল বাসা! ওদের দুঃখে লিপির আর স্কুল যাওয়া হল না সেদিন।পরের দিনও টুনটুনিরা এসেছিল কিন্তু না ওরা আর বাসা বানায় নি এই বারান্দায় কোনোদিন! এত বড় পৃথিবীর ছোট্ট একটা কোণও যে মানুষ তাদের কাছ থেকে সরিয়ে নেবে তারা কি জানত! তবে লিপি ওর কষ্ট থেকে একটা জিনিস খুব বুঝেছিল, সবসময় চোর-ডাকাতরা চুরি করে না, মানুষই অজান্তে চুরি করে,কেউ দায়ে আর কেউ বাড়তি সুখের জন্য যেমন অজান্তে চুরি হয়ে গেল এই পাখির বাসাটি। এত বড় পৃথিবীতে প্রতিদিন আমরা এইভাবে চুরি করছি পশুপাখিদের কত কত জায়গা! ওপরে ওপরে মানুষ নিজের সব ঠিক করতে গিয়ে অন্যকে যে দুঃখ দেয় তা বুমেরাং হয়েই ফিরে আসে। তাই সবাই সবাইকে জায়গা দিয়ে ভালোবেসে থাকলে অনেকবেশী খুশি থাকা যায়, টুনটুনিরা তো চলে যেতোই কিন্তু ওরা যদি ছানাদের বড় করে এখান থেকে যেত তাহলে লিপির কষ্টটা অনেক কম হত...

 

আপনার মতামত লিখুন :

দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস ও কল্পনা

দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস ও কল্পনা
বাংলায় ঐতিহাসিক নাটকের আদিগুরু অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়

দক্ষিণ এশিয়ার বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস রচনা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক আছে। নৈর্ব্যক্তিক ইতিহাস কতটুকু রচিত হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উত্থাপিত হয় মাঝেমধ্যে। কবির কল্পনা না প্রকৃত ইতিহাস সত্য, এই দ্বন্দ্বের মীমাংসা হয় না।

কারণ, এ অঞ্চলের মানুষ ইতিহাস জেনেছে গল্প, উপন্যাস, নাটকে। শাহজাহান, সিরাজদ্দৌলা, মীর কাসিম সম্পর্কে তথ্যনিষ্ঠ ইতিহাস মানুষ যত কম জানে, তারচেয়ে ঢের বেশি জানে নাটকের আবেগাপ্লুত সংলাপ। ঐতিহাসিক সত্য চাপা পড়ে সাহিত্যিক কৃতকৌশল ও কল্পনার স্তূপের তলে।

ফলে সৃজনে অগ্রাধিকার কার? কবি যা রচিবে তাই কি সত্য? নাকি স্রষ্টাকে ইতিহাসের সত্যের কাছে নতজানু হতেই হবে? এসব প্রশ্ন বারবার গুরুত্বের সঙ্গে সামনে এসে দাঁড়িয়েছে ইতিহাস প্রসঙ্গে।

দক্ষিণ এশিয়া তো বটেই, ঔপনিবেশিক বাংলায় পণ্ডিত সমাজের চিন্তা-চেতনার আবহে এসব প্রশ্ন খুব বড় হয়ে উঠেছিল। বিশেষত অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় রচিত নাটকগুলোকে কেন্দ্র করে বিতণ্ডার সূত্রপাত ঘটেছিল।

অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় ছিলেন ঐতিহাসিক নাটকের আদিগুরু। তিনি নিজেকে মনে করতেন, ইতিহাসের সত্য-প্রতিষ্ঠার একনিষ্ঠ সাধক। এ বক্তব্যের দৃষ্টান্তও তিনি রেখেছেন। সিরাজদ্দৌলা (১৩০৪ বঙ্গাব্দ) ও মীর কাসিম (১৩১২ ব.) বই দুটিতে তিনি তথ্যের ভিত্তিতে এই দুই নবাব সম্পর্কে প্রচলিত ধারণা ভেঙে দিতে সচেষ্ট হন।

ইংরেজগণ এই দুই দেশপ্রেমিক নায়কের প্রতি যে মিথ্যাচার ও কলঙ্কলেপন করেছিলেন, অক্ষয়কুমার সেগুলোকে চ্যালেঞ্জ করে গবেষকের নিবিষ্টতায় প্রকৃত সত্য উপস্থাপন করেন। তবে তিনি ইতিহাস রচনা করেননি, নাটক লিখেছিলেন। এবং সাহিত্যে ঐতিহাসিক সত্যের সন্নিকটে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলেন। এমনকি, সমকালীন সাহিত্যিকদেরকেও সত্যানুসন্ধানী হতে প্রণোদিত করেছিলেন।

উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, ‘চন্দ্রশেখর’ উপন্যাসে বঙ্কিমচন্দ্র, মীর কাসিম ও তকি খাঁর চরিত্রচিত্রণে ইতিহাসের বিকৃতি ঘটিয়েছেন বলে তীব্র ভাষায় অভিযোগ করতেও দ্বিধা করেননি অক্ষয়কুমার। এ নিয়ে পত্রপত্রিকায় যে বিতণ্ডা শুরু হয়, তাতে রবীন্দ্রনাথ অক্ষয়কুমারের সমর্থনে কলম ধরেন।

তবে কৌশলী রবীন্দ্রনাথ এ কথাও বলেন যে, “ইতিহাসের রসটুকুর প্রতিই ঔপন্যাসিকের লোভ, তার সত্যের প্রতি তাঁর কোনো খাতির নেই।”

রবীন্দ্রনাথের এ কথায় ঔপন্যাসিক কল্পনার অধিকার পেলেও ‘ইতিহাসের মূল রসটুকু’ বা নির্যাস এড়িয়ে যাওয়ার এখতিয়ার পান না। এটাই মোটামুটি মানদণ্ড হয়ে গেছে। অর্থাৎ, ইতিহাসের নির্যাসটুকু নিয়ে কল্পনার আশ্রয় নিয়ে সাহিত্য রচনা করা যেতে পারে। তবে সেটা সাহিত্য নামেই চিহ্নিত ও ব্যক্ত হতে হবে, ইতিহাস নামে নয়।

অক্ষয়কুমারের যুগ পেরিয়ে শতবর্ষ অতিক্রান্ত হলেও ইতিহাস ও সাহিত্যের মিশ্রণ থেমে থাকেনি। বরং আরো বেড়েছে। অতি সাম্প্রতিক লেখকদের কথা উহ্য রেখে একটু পুরনো হিসেবে দৃষ্টান্ত দেওয়া যায় সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের। তার ‘সেই সময়’, ‘পূর্ব পশ্চিম’, ‘প্রথম আলো’ ইত্যাদি উপন্যাস মানুষকে আলোড়িত করেছে। বই আকারে বের হওয়ার আগে ‘দেশ’ পত্রিকায় ধারাবাহিক প্রকাশের সময় লেখাগুলোর তথ্য ও সত্যাসত্য নিয়ে এন্তার চিঠি ও ভিন্নমত ছাপা হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563451116521.jpg

একজন প্রখ্যাত ঐতিহাসিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘আমরা এত পরিশ্রম করে, কত তথ্য-উপাত্ত ঘেঁটে ইতিহাস রচনা করি। কিন্তু মানুষ সেগুলো খুব একটা পড়ে না। ইতিহাসের বই জনপ্রিয় হয় না। আর আপনি ইতিহাসকে উপন্যাসের মধ্যে নিয়ে এত জনপ্রিয় হলেন কেমন করে?’

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় খুব সুন্দর উত্তর দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, ‘মানুষ ইতিহাসের মূল গল্পটি শুনতে চায়। আমি আমার মতো করে গল্পটি বলি।’

মানুষ যত দিন ইতিহাসের মধ্যে শুধু গল্পটি শুনতে চাইবে, ততদিন ইতিহাসের নির্জলা সত্যটি তার কাছে আসতে পারবে না। ইতিহাস আর কল্পনার মাখামাখি চলতেই থাকবে। এটাই সম্ভবত দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ঐতিহাসিক অদৃষ্ট বা হিস্টরিকাল ফেট!

হাঁসের সহিত হইল বিয়া স্থায়ী ঘর

হাঁসের সহিত হইল বিয়া স্থায়ী ঘর
অলঙ্করণ কাব্য কারিম

আরো হাঁস

এইরূপ কান্দে কন্যা নিরালা বসিয়া
হাঁসের লাগিয়া কন্যা ধুড়িল শহর

কান আশে হইছে বিয়া স্বপ্নের ভিতর
ঘটকালি করে আপন মামতো ভাই

হাঁসের সহিত হইল বিয়া স্থায়ী ঘর
কারা পানখিলি খাইয়া গপ মারে তাই

সজিনার তলে বসি কান্দিল তামাম
এর কিবা মানে শুন কান খাড়া করি
চিক চিক করে মনে এ বিয়ার জরি।

হেমন্তের হাঁস

আমার হয়নি ধোয়া ওগো শিশিরের তলে
আমার হয়নি নাচা মিশি যাওয়া ঊর্মিদলে।

আমার মিটিনি নেশা অলিকোলে শোয়া বাকি
আমায় ঢালিনি মৌন নূর বধির জোনাকি!

আমারে চিনিয়া চিনে নাই হেমন্তের হাঁস
আমার পানের পাত্রে বাদ গেছে শ্যামা ঘাস।

আমার ইউসুফ শোনে নাই ভাইদের শোকর
বকুল তলায় আসি হাঁপায় প্রকৃত ভোর।

হাঁসের জলেরা

হাঁসের পায়ের জল
শুকায়, তাই তারা ফের জলে নামে।
একটা কথা আমি ভুলি যাই
হাঁসের কোনো ইচ্ছা নাই।
হাঁসের জলে আমি ভাসি
হাঁসের পায়ের জলে
আমি মুখ ধুইছি,
আমার নিজের মুখ কেন মোর যেনতেন মোকাম ন রে!
আমার চোখে এই ফেরেবি জল ধরা দেয়
যেন বখিল আমি তার কিছু নির্ভরতাময় তর্জমা করি!
দাদি যেই ছাড়ে হাঁস
তারা আমার মরা দাদির জইফ হাঁস!
স্বপ্ন তারা আমার নিকট
তাদের নিকট
আমি তেমন বাস্তব ন রে!

এই বাড়িতে

দেয়ালের পর কাঠবিড়ালির দৌড় দেখি
যেন রইদ নাকফুল হয়,
তারপর সারা সকালটা গড়ায় দেয়াল ধরি,
একটা দোয়েল ডিম জারি হইলে
অনেক দোয়েল চিল্লায়ে ধরে বা গান,
একদিন আসে আসে করি শেষে আসে,
তারার মতন গোল চোখ ঘুঘু তার
চোখের বর্ডার আলতার রঙ পাছে
পায়ের রঙের সাথে মিশিবার চায়,
এ বাড়িতে আসি যেই হাঁসগুলি দুলি দুলি ও বাড়ি ত যায়,
ওদের ঘ্রাণের ভিতর ঘুরি ঘুরি থামি,
বাতাস হবেনে আসল শরিক
আডিয়াকলার ঝাড়ের নিকটে আসি,
আমি শুনি জলের মর্মর কলপাড়ে তড়পায়,
তারে ঢাকিবার আরো মিহি ধ্বনি আছে
এ বাড়ির অনেক অ-বাক কণ্ঠস্বর আছে!


প্রত্যাবর্তনের লজ্জা
(কবি আল মাহমুদকে)

ভাইয়ের ডাক শুনি উঠি রাতদুপারে স্বপ্নের ভিতর। যেন
বাতাসের ডাক শুনি ঢেউ উঠে তৎপর।
দেখি আব্বা আগেই উঠছেন, নিজ হাতে আতাফল, গাছপাকা তরমুজ
পরম আদরে ছেনি দিই কাটি কাটি ফালি ফালি করি খাওয়াইতেছেন,
খা, আহারে কতদিন খাস নাই!
আম্মা তজবিহ হাতে এক হাতে ভাইরে বাতাস করতেছে, আয়েশা ফুল তোলা
একটা রুমাল দিই কইলো, এইটা দিয়া মুখ মুইছো, মাথা মুইছো, চোখের কান্দন মুইছো না গো ভাই!
অথচ ভাই মারা গেছে তার চল্লিশাও পার হয় নাই। উনি কবরতে উঠি আসছেন, উনার চোখ দুইটা
তারার নিভু নিভু, এট্টু সর্দি লাগছে ক্যাল, ভাই হাঁকি কইলো, বকনা বাছুরটারে খ্যাতের আইলে
বান্ধিলি অইডা তো দড়ি ছিড়ি সব পাকাধান সাবাড় করবেনে!
আম্মা কান্দে আর ইশারা করে, ঠোঁট টিপে আঙুলে, কন, একদম চুপ!
ভাই যে মারা গেল শুক্রবার, ভাই নিজেই জানে না!
তাই আমাদের সংসারে কাঁঠাল পাতার নারকেল ছায়ার লোভে
পড়ি ঝোঁকে ঝোঁকে আইস্যে আগের মতো ধমক দিতেছে আমাদের সংসারে
জায়গা মতো, আব্বা কইলেন, খবরদার তোরা চুপ থাক,
ও যেন না জানে পাছে, ও মরি গেছে, পাছে বেচারা কষ্ট পাবে!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র