Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

শারীরিক ও মানসিক সুস্থতায় ডাবের পানি

শারীরিক ও মানসিক সুস্থতায় ডাবের পানি
ডাব।
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্তাফ করেসপন্ডেন্ট/ লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও স্বাদু পানীয় হলো ডাবের পানি। সহজলভ্য হলেও বিশেষ কোন কারণ ছাড়া ডাবের পানি তেমন একটা পান করা হয় না। অসুস্থ হলে কিংবা অতিরিক্ত গরম সময়ে ডাবের পানির কদর দেখা যায় কিছুটা।

শরীরের জন্য ক্ষতিকর জেনেও কোমল পানীয় পান করা থেকে বিরত থাকা হয় না বেশীরভাগ সময়। অথচ এক গ্লাস কোমল পানীয়ের পরিবর্তে এক গ্লাস ডাবের পানিতে রয়েছে, স্বাস্থ্যের জন্য হাজারো উপকারী উপাদান সমূহ।

ডাবের পানিতে কী কী স্বাস্থ্য উপকারিতা থাকতে পারে, সেটা সম্পর্কে ধারনা নেই বেশীরভাগ মানুষের। অসুস্থ রোগীদের ডাবের পানি পানের পরামর্শ দিয়ে থাকেন ডাক্তাররা। কিন্তু কেন ডাবের পানি পান করতে বলেন, সেটা আমরা জানি কী?

ডাবের পানির স্বাস্থ্য উপকারিতার কিছু পয়েন্ট আজকের ফিচারে তুলে ধরা হলো।

লো-ক্যালরিযুক্ত পানীয়

অন্যান্য যেকোন কোমল পানীয় কিংবা প্যাকেটজাত ফলের রস থেকে ডাবের পানি অনেক স্বাস্থ্যকর। লো-ক্যালরিযুক্ত পানীয় বলে, নিশ্চিন্তে পান করতে পারবেন যে কেউ। তবে যাদের ডায়বেটিসের সমস্যা আছে, তাদের জন্য কচি ডাবের পানি পান করা বেশি উপকারী।

খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে

প্রাকৃতিক এই উপাদানে রয়েছে ফসফাটেজ (Phosphatase), ফলিক অ্যাসিড ও অন্যান্য এনজাইম সমূহ। খাদ্য সহজে পরিপাক করতে সাহায্য করে এই সকল উপাদান সমূহ।

পানিশূন্যতা নিরাময় করে

আমাশয়, ডায়রিয়া, কলেরাজনিত কারণে রোগীর শরীরে দেখা দেয় পানিশূন্যতা। সাধারণ পানির পাশাপাশি এ সময়ে রোগীকে ডাবের পানিও পান করাতে হবে। দেহের হারানো ইলেক্ট্রলাইট ও প্লাজমাকে পুনরায় ফিরিয়ে আনতে এবং সঠিক মাত্রায় নিয়ে আসতে সাহায্য করে ডাবের পানি।

ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে

অ্যান্টি-এজিং উপাদান হিসেবে সাইটোকিনস ও লরিক অ্যাসিড দারুন পরিচিত। এই দুইটি উপাদান ত্বকের পিএইচ (pH) এর মাত্রা নিয়ন্ত্রনে রাখে বলে ত্বকে সহজে বয়সের ছাপ দেখা দেয় না। আর ডাবের পানিতে এই দুইটি উপাদান থাকে অনেক উচ্চমাত্রায়। যার ফলে ডাবের পানি ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে কাজ করে। একইসাথে প্রতিরোধ করে ত্বকের সংক্রামণ ও র‍্যাশ।

বিষণ্ণতা কমাবে ডাবের পানি

মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা কমানোর ক্ষেত্রে রিবোফ্লাভিন, প্যাথোজেনিক অ্যাসিড ও থায়ামিন হলো তিনটি উপশমকারী ভিটামিন। গুরুত্বপূর্ণ এই তিনটি ভিটামিনই পাওয়া যাবে ডাবের পানিতে।

হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে

ডাবের পানিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম। যা হাড় গঠনে ও হাড় মজবুত করতে কাজ করে।

কিডনির পাথরের সমস্যা দূর করে

কিডনির পাথরে সমস্যা মোকাবেলা করার জন্য নিশ্চিতভাবে এটা দুর্দান্ত একটা তথ্য। ডাবের পানিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম। যা কিডনির পাথরকে দ্রবীভূত করতে সাহায্য করে। একইসাথে এই সমস্যার যেন পুনরাবৃত্তি না হয় সেটাও নিশ্চিত করে ডাবের পানি।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন করে

যাদের উচ্চরক্ত চাপের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য ডাবের পানি ঔষধের মতো উপকারী। ডাবের পানিতে থাকা মিনারেলস (পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম) ও ভিটামিন-সি রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

এছাড়াও মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুক্তভোগীদের জন্য ত্রানকর্তা হিসেবে কাজ করে ডাবের পানি। পেশীর ব্যাথাতেও ডাবের পানি উপকারী, কারণ ডাবের পানিতে রয়েছে প্রচুর পটাসিয়াম। এছাড়া যারা স্বাস্থ্যকর ও কোমল চুলের জন্যে বিভিন্ন ধরণের প্রসাধনী সামগ্র ব্যবহার করেন, তারা ডাবের পানিও ব্যবহার করে দেখতে পারেন। ডাবের পানি চুলের গোড়া থেকে পুষ্টি জোগাতে ও চুল নরম করতে সাহায্য করে।

আপনার মতামত লিখুন :

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'
দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট ও কয়েকটি মেন্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বলা চলে, পুরোটাই অফিস পাড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা কিংবা রাত- প্রতিনিয়তই চলছে কাজ। কিন্তু এই এলাকায় ছিল না ভালো কোনো খাবারের জায়গা। হাতেগোনা যে কয়টা রেস্টুরেন্ট আছে তার কোনোটাতে হয় দাম বেশি রাখা হয় কিংবা খাবার স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তেজগাঁওয়ে শুরু হয়েছে 'দ্যা গ্যারাজ ফুডকোর্ট'।

তেজগাঁও শান্তা টাওয়ার মোড় বা ব্র্যাক ব্যাংক অনিক টাওয়ারে যেতে গলির মুখেই ২২২ নাম্বার হাউজে এই ফুডকোর্ট অবস্থিত। রয়েছে ২০০টির বেশি আসন। তবে ফুডকোর্টটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও বড় বড় ফ্যানের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাষ্প দিয়ে জায়গাটি শীতল করার ব্যবস্থা আছে।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই ফুডকোর্টে জুসবারসহ প্রায় ১০টি দোকান আছে। এসব দোকানে নুডলস, বার্গার, দই ফুচকা, দোসা, রাজকচুরি, ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, লাঞ্চ আইটেম, চাপ, পরোটা, এগ রোল এবং চাপরোল পাওয়া যায়। আর বেভারেজ আইটেমের মধ্যে রয়েছে- কোল্ড কফি, হটকফি, এসপ্রেসো কফিসহ আনারস, আম ও সিজনাল নানা ফ্রুট জুস।

এখানে চিকেন ও বিফ চাপ ১৫০ টাকা, চিকেন চাপ প্যাকেজ মিল ১৮০ টাকা, পরোটা ২০ টাকা, চিকেন রোল ১০০ টাকা, বিফ রোল ১২০ টাকা, এগরোল ৪০ টাকা, বিফ তেহারি ১৫০ টাকা, চিকেন খিচুরি ও বেগুন ভাজি ১৮০ টাকায় পাওয়া যায়।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

এছাড়া দোসা এক্সপ্রেসে দোসা পাওয়া যাবে ১৮০–৩৫০ টাকায়।

'হাক্কা ঢাকায়' সেট মেন্যু ৩২৯–৫২৯ টাকা। এপিটাইজার আইটেমের পাওয়া যাচ্ছে ১৯৯-৩০০ টাকায়, যার মধ্যে রয়েছে চিকেন, প্রন ডাম্পলিং, হাক্কা চিকেন উইংস। রাইস এবং নুডুলস আইটেমের মধ্যে আছে চিকেন, প্রন এবং বিফ ফ্রাইড রাইস ও নুডুলস, যার দাম পড়বে ১৯৯-৩০০ টাকা। এছাড়াও রয়েছে রাইস, চিকেন চিলি ও ফ্রাইড চিকেন এর একটি লাঞ্চ মেন্যু, যার দাম ধরা হয়েছে ১৯৯ টাকা।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

চিজ এক্সপ্রেসে স্লাইস পিজ্জার দাম পড়বে ১২৯ টাকা। এছাড়াও সর্বোচ্চ ১৬ ইঞ্চি পিজ্জা পাওয়া যাবে এক হাজার ২৪৯ টাকায়।

দ্যা গ্যারাজ কফিতে এসপ্রেসো কফি পাওয়া যাবে ১০০ টাকায়। এছাড়াও আমরিকানো ১৩০ টাকা, মকা ২২০ টাকা, ডেজার্ট আইটেম ১০০-২৫০ টাকা, হট ড্রিঙ্কস ২০০ টাকা, চা ৩৫ টাকা, আইসড কফি ১৫০-২৫০ টাকা, সিজনাল ফ্রুট জুস ১৩০ টাকা। রয়েছে জনপ্রিয় টেকআউট বার্গারের ফুড স্টলও।

ফুডকোর্টতির ইনচার্জ বদিউজ্জামান জানান, গত মে মাসে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফুডকোর্ট খোলা থাকে।

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র