Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

খাসির মাংসের ঘি রোস্ট

খাসির মাংসের ঘি রোস্ট
খাসির মাংসের ঘি রোস্ট
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন কোরবানির ঈদে ব্যতিক্রমী রেসিপিতে নতুন পদ রাঁধতে চান সকলেই।

একেবারে গৎবাঁধা ও প্রচলিত মাংসের পদের বাইরে ব্যতিক্রমী কিছু তৈরি করতে চাইলে খাসির মাংসের ঘি রোস্ট রেঁধে নেওয়া যাবে সহজেই। এই রেসিপিতে শুধু খাসির মাংসে নয়, গরুর মাংসেও রাঁধা যাবে ঘি রোস্ট। পোলাও, খিচুড়ি কিংবা পরোটার সাথে দারুণ মানাবে মাংসের ঘি রোস্ট।

মাংসের ঘি রোস্ট তৈরিতে যা লাগবে

১. এক কেজি খাসির মাংস।

২. এক টেবিল চামচ আদা বাটা।

৩. দুই টেবিল চামচ রসুন বাটা।

৪. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৫. দুই টেবিল চামচ ঘি।

৬. স্বাদমতো লবণ।

মসলার পেস্ট তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/05/1565002530944.JPG

১. ৪টি শুকনা মরিচ।

২. ৬টি কাশ্মীরি লাল মরিচ।

৩. এক টেবিল চামচ গোটা ধনিয়া।

৪. দুই চা চামচ গোটা জিরা।

৫. এক টেবিল চামচ মৌরি।

৬. আধা চা চামচ মেথি।

৭. এক টেবিল চামচ গোলমরিচ।

৮. আধা চা চামচ সরিষা।

৯. দুইটি জৈত্রী।

১০. ৫-৬টি লবঙ্গ।

১১. এক ইঞ্চি দীর্ঘ দারুচিনি।

১২. দুইটি বড় পেঁয়াজ।

১৩. ৪-৫টি রসুনের কোয়া।

১৪. এক টেবিল চামচ তেঁতুল।

মাংসের ঝোল তৈরিতে যা লাগবে

১. ১০-১৫টি কারিপাতা।

২. এক টেবিল চামচ আদা-রসুন বাটা।

৩. ৩-৪ টেবিল চামচ মশলা বাটা।

৪. স্বাদমতো লবণ।

৫. এক টেবিল চামচ লেবুর রস।

৬. তিন টেবিল চামচ ঘি।

মাংসের ঘি রোস্ট যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/05/1565002463683.JPG

১. প্রেশার কুকারেঘি গরম করে এতে হলুদ গুঁড়া দিয়ে নেড়ে মাংসের টুকরা দিয়ে এতে আদা-রসুন বাটা দিয়ে নাড়তে হবে মাংসের রঙ না বদলানো পর্যন্ত। এতে লবণ ও দুই কাপ পানি দিয়ে পানি ফুটে ওঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

২. পানি ফুটে উঠলে প্রেশার কুকারের মুখ বন্ধ করে চারবার শিষ ওঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। শিষ উঠলে চুলার জ্বাল বন্ধ করে অপেক্ষা করতে হবে। কিছুক্ষণ পর প্রেশার কুকার খুলে মাংসের ঝোল ও মাংস আলাদা করতে হবে।

৩. কড়াইতে শুকনা মরিচ, কাশ্মীরি মরিচ, ধনিয়া, জিরা, মৌরি, মেথি, গোলমরিচ, লবঙ্গ, জৈত্রী, জায়ফল, সরিষা, দারুচিনি একসাথে ভেজে নিতে হবে। মশলা থেকে গন্ধ ছাড়লে চুলা থেকে নামিয়ে ঠাণ্ডা করতে হবে। এই মশলা ভাজার মাঝে ভিন্ন একটি পাত্রে তেঁতুল পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে।

৪. এবারে ভাজা মশলা ভালোভাবে গুঁড়া করে নিতে হবে। এর সাথে পেঁয়াজ ও সরুন মেশাতে হবে। সবশেষে এতে দিতে হবে তেঁতুল।

৫. এবারে একটি বড় পাত্রে ঘি দিয়ে গরম করে কারিপাতা দিয়ে গন্ধ ছাড়ার অপেক্ষা করতে হবে। ঘিতে তৈরিকৃত মশলার মিশ্রণ দিয়ে নেড়েচেড়ে অল্প পানি দিয়ে অপেক্ষা করতে হবে। পানি ও তেল আলাদা হয়ে আসলে এতে আদা-রসুন বাটা ও অল্প পরিমাণ লবণ দিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে।

৬. এতে আগে থেকে তুলে রাখা মাংসের ঝোল বা ব্রোথ দিয়ে ফুটিয়ে মাংসগুলো দিয়ে দিতে হবে। পাত্রের মুখ বন্ধ করে ৭-৮ মিনিট রান্না করে পুনরায় নেড়ে দিতে হবে। মাংসের ঝোল টেনে আসলে ও মাংসের গায়ে মাখামাখা হয়ে আসলে নামিয়ে নিতে হবে।

আরও পড়ুন: সহজে রেঁধে নিন খাসির কোরমা

আরও পড়ুন: চেনা মুরগির মাংসের অচেনা ভর্তা

আপনার মতামত লিখুন :

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল
ফালাফেল

মধ্যপ্রাচ্যের সকাল ও বিকালের নাশতার অন্যতম একটি প্রচলিত খাবারের নাম হলো ফালাফেল।

নাম শুনে অনেকেই ভাববেন, এই খাবারটি সম্ভবত ফল দিয়ে তৈরি করা হয়। আদতে খাবারটি তৈরি হয় ছোলা কিংবা মটরশুঁটিতে। তেলে ভাজা বিভিন্ন মসলার সংমিশ্রণে তৈরি ফালাফেল ডুবো তেলে কড়া করে ভেজে দইয়ের রায়তার সাথে খেতে চমৎকার ভালো লাগে।

পরিচিত বড়া বা পেঁয়াজুর বাইরে নতুন ও হালকা কোন নাশতার খাবার খেতে চাইলে দেখে নিন ফালাফেল তৈরির রেসিপি।

ফালাফেল তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566653988942.JPG

১. এক কাপ শুকনো ছোলা।

২. একটি ছোট পেঁয়াজ কুঁচি।

৩. এক চা চামচ রসুন কুঁচি।

৪. তিন টেবিল চামচ ধনিয়া পাতা কুঁচি।

৫. আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়া।

৬. এক চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া।

৭. এক চা চামচ জিরা গুঁড়া।

৮. ১/৪ চা চামচ কালো গোলমরিচ গুঁড়া।

৯. এক টেবিল চামচ ময়দা।

১০. স্বাদমতো লবণ।

১১. ভাজার জন্য পরিমাণমতো তেল।

ফালাফেল যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566654005300.JPG

১. ছোলা ধুয়ে পরিষ্কার পানিতে সারারাতের জন্য ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং সময় হলে পানি থেকে তুলে শুকিয়ে নিতে হবে এবং ব্লেন্ড করে নিতে হবে।

২. এতে পেঁয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি, ধনিয়া পাতা কুঁচি, জিরা গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া, কালো গোলমরিচ গুঁড়া ও ময়দা মেশাতে হবে। সাথে পরিমাণমতো লবণ ও লেবুর রস যোগ করতে হবে এবং ব্লেন্ড করতে হবে।

৩. ব্লেন্ড শেষে সকল উপাদান মিশে অমসৃণ ও অসূক্ষ্ম মিশ্রণ তৈরি হবে। এতে পানি যোগ করা যাবে না, তবে যদি ব্লেন্ড করতে সমস্যা হয় ১-৩ টেবিল চামচ পানি আলাদাভাবে যোগ করতে হবে।

৪. ফালাফেল মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে প্রয়োজন ও স্বাদ অনুযায়ী মসলা ও লবণ যোগ করতে হবে এবং হাতের সাহায্যে মাখিয়ে ছোট ছোট গোল ফালাফেল তৈরি করে নিতে হবে।

৫. এবারে কড়াইতে তেল গরম করে ফালাফেল দিয়ে দেখতে হবে তা ভেঙে যায় কিনা। যদি ভেঙে যায় তবে মিশ্রণের সাথে ময়দা যোগ করে এরপর ভাজতে হবে।

৬. ফালাফেল বাদামী-সোনালি হয় আসলে নামিয়ে নিয়ে দইয়ের রায়তা কিংবা ঘরে তৈরি পাতার চাটনির সাথে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?
কেএফসির ফ্রাইড চিকেন

গরম মুচমুচে কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের মতো মজাদার খাবার যেন আর হয় না।

অন্যান্য রেস্টুরেন্টের ফ্রাইড চিকেন যতই মজাদার হোক না কেন, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনে সবসময়ই ভিন্নতা বজায় থাকে। কিন্তু কেন কেএফসির চিকেন অন্যান্য রেস্টুরেন্টের চিকেনের চাইতে আলাদা ও ভিন্ন? এর প্রধান কারণ, মুরগির মাংস প্রস্তুতে মসলার ব্যবহার। ব্যতিক্রমী ও অন্য ধাঁচের মসলার নিয়ন্ত্রিত ও সঠিক ব্যবহারের ফলে, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের স্বাদ সহজেই আলাদা হয়ে ওঠে।

১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637051338.jpg

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী স্বাদ ঘরে বসে পেতে চাইলে, বিষয়টি খুব একটা সহজ হবে না। তবে কাছাকাছি স্বাদ তৈরি করা যেতে পারে ১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহারে। মসলাগুলো হলো-

১. ২/৩ টেবিল চামচ লবণ।

২. ৩ টেবিল চামচ সাদা গোলমরিচের গুঁড়া।

৩. ১ টেবিল চামচ কালো গোলমরিচের গুঁড়া।

৪. ১/২ টেবিল চামচ বাসিল।

৫. ১ টেবিল চামচ সেলেরি সল্ট।

৬. ১ টেবিল চামচ শুকনো সরিষা।

৭. ২ টেবিল চামচ গার্লিক সল্ট।

৮. ১ টেবিল চামচ আদা গুঁড়া।

৯. ১/৩ টেবিল চামচ অরিগানো।

১০. ৪ টেবিল চামচ প্যাপরিকা।

১১. ১/২ টেবিল চামচ থাইম।

চিকেন ফ্রাই করার কৌশল আছে কী?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637102106.jpg

ব্যাটার তৈরি করে মুরগির মাংসে মিশিয়ে তেলে গড়িয়ে নিলেই যদি কেএফসির চিকেন ফ্রাই হয়ে যেতো, তাহলে তো কথাই ছিল না। ফ্রাইড চিকেন তৈরির মসলা নয়, চিকেন ফ্রাই করার কৌশলেও থাকে ভিন্নতা। ফলে অন্যান্য ফ্রাইড চিকেনের তুলনায় কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ও চিকেন ক্রাস্ট হয় আলাদা। কয়েকটি কৌশল জেনে রাখুন।

দ্রুত ভেজে ফেলা

অনেকেই চিকেন ব্যাটার ও ময়দায় মাখিয়ে বেশ অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর তেলে ভাজেন। কিন্তু কেএফসির ক্ষেত্রে নিয়ম একেবারে উল্টো। ‘ফ্রম ফ্লাওয়ার টু ফ্রায়ার’ এই নীতিতে কাজ করে কেএফসি। অর্থাৎ ময়দায় মুরগির মাংস গড়িয়ে সরাসরি ফ্রায়ারে ছেড়ে দেওয়া। এতে করে বাইরের আবরণ অতিরিক্ত শক্তও হবে না আবার মুচমুচে থাকবে এবং ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার সময় সহজেই চিকেন থেকে খুলে আসবে।

ফ্রায়ারে ভিন্নতা

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের এক্সট্রা ক্রিস্পিভাব তৈরি করা হয় বিশেষ ইনডাস্ট্রিয়াল-স্ট্রেনথ প্রেশার ফ্রায়ার ব্যবহারে। কেএফসির মতো ফ্রায়ার ঘরে পাওয়া সম্ভব না হলেও, গভীর কোন পাত্রে ৩৫০-৩৬০ ডিগ্রীতে তেল গরম করে প্রতিটি মুরগির পিস ঘড়ি ধরে ১২ মিনিট ভাজলে কেএফসির কাছাকাছি ফ্রাইড চিকেন তৈরি করা সম্ভব হবে।

সাথে সাথেই না খাওয়া

কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ভাজার পর অন্তত বিশ মিনিট ১৭৫ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ওভেন সেটে রেখে দেওয়া হয়। এরপর এই ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। তেল থেকে ওঠানোর সাথে সাথে কেএফসির ফ্রাইড চিকেন পরিবেশন করা হয় না। ২০ মিনিট ওভেন সেটে রাখার ফলে মাংসের ভেতরের অংশ গরম থাকে এবং বাইরের অংশ থাকে মুচমুচে। এছাড়া মাংসে বাড়তি তেল থাকলে সেটাও ঝরে যায় সহজেই।

আরও পড়ুন: মাংসের ঝোলের ঘ্রানে কেএফসি’র সেন্টেড ক্যান্ডেল

আরও পড়ুন: কেএফসি যে কারণে নাম পরিবর্তন করেছিল!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র